আমবাগানে লুকানো চুমু

ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের দিকে যাওয়া সেই ট্রেনটা যখন রাতের অন্ধকারে ছুটছিল, তখন আরিফের মনে হচ্ছিল তার জীবনটা যেন একটা অসমাপ্ত গল্প। তিন বছর বিদেশে কাজ করে ফিরেছে সে। বয়স ২৮। লম্বা, ফর্সা, চওড়া কাঁধ। চোখে একটা নরম আলো। গ্রামের বাড়িতে ফিরছে সে মায়ের ডাকে।

kxz

ট্রেনের কামরায় জানালার পাশে বসে সে বাইরের অন্ধকার দেখছিল। হঠাৎ পাশের সিটে একটা মেয়ে এসে বসল। তার নাম ছিল নিশা। বয়স ২৪। শ্যামলা গায়ের রং, কিন্তু চোখ দুটো যেন জ্বলজ্বল করছে। পরনে একটা সাদা সালোয়ার কামিজ, যেটা তার শরীরের সৌন্দর্যকে আরও বেশি করে তুলে ধরছিল।

“ভাইয়া, এই সিটটা কি খালি?” নরম গলায় জিজ্ঞেস করল নিশা।

kx/춺'

আরিফ মাথা নেড়ে সম্মতি জানাল। দুজনের মধ্যে প্রথমে কোনো কথা হলো না। কিন্তু ট্রেন যত ছুটছিল, ততই দুজনের চোখাচোখি হচ্ছিল। নিশা একবার হেসে বলল, “আপনি কোথায় যাচ্ছেন?”

“গ্রামের বাড়ি, চট্টগ্রামের কাছে। আর আপনি?”

“আমিও। আমার বোনের বাড়িতে যাচ্ছি। বিয়ে হয়েছে ওখানে।”

রাত বাড়তে লাগল। কামরার আলো কমে গেল। অনেক যাত্রী ঘুমিয়ে পড়েছে। নিশা একটু কাছে সরে এসে ফিসফিস করে বলল, “একা একা ভয় লাগছে। আপনি কি জেগে থাকবেন একটু?”

আরিফ হাসল। “থাকব। আপনি ঘুমান।”

কিন্তু নিশা ঘুমাল না। দুজনে গল্প করতে লাগল। নিশা বলল তার জীবনের কথা। বিয়ে হয়নি এখনো। পরিবার চাপ দিচ্ছে। আরিফ বলল তার বিদেশের অভিজ্ঞতার কথা। ধীরে ধীরে দুজনের মধ্যে একটা অদ্ভুত টান তৈরি হলো।

রাত দুটোর দিকে ট্রেন একটা স্টেশনে থামল। অনেকে নেমে গেল। কামরা প্রায় ফাঁকা। নিশা হঠাৎ আরিফের হাতটা ধরে বলল, “আমার খুব ঠান্ডা লাগছে।”

আরিফ তার কাঁধে হাত রাখল। নিশার শরীরটা কেঁপে উঠল। দুজনের চোখে চোখ পড়ল। সেই মুহূর্তে কোনো কথা লাগল না। আরিফ ধীরে ধীরে নিশার ঠোঁটের কাছে মুখ নিয়ে গেল। নিশা চোখ বন্ধ করে দিল।

প্রথম চুমু। নরম, কম্পিত, কিন্তু আগুনের মতো গরম। নিশার ঠোঁট দুটো আরিফের ঠোঁটের সাথে মিশে গেল। তার হাত আরিফের বুকে। আরিফের হাত নিশার কোমরে। ট্রেনের দুলুনিতে দুজনের শরীর আরও কাছে এলো।

“এটা কি ঠিক হচ্ছে?” নিশা ফিসফিস করে বলল।

“জানি না। কিন্তু থামতে ইচ্ছে করছে না,” আরিফ জবাব দিল।

তারা আরও গভীর চুমু খেল। আরিফের হাত নিশার সালোয়ারের উপর দিয়ে তার নিতম্ব স্পর্শ করল। নিশা একটা ছোট্ট নিঃশ্বাস ফেলল। তার বুক উঠানামা করছিল। আরিফ ধীরে ধীরে তার কামিজের বোতাম খুলতে লাগল। ভিতরে কালো ব্রা। নিশার সুন্দর গোলাকার স্তন দুটো যেন ফেটে বেরোতে চাইছিল।

আরিফ মাথা নিচু করে একটা স্তনের উপর চুমু খেল। নিশা তার চুলে হাত ঢুকিয়ে চেপে ধরল। “আহহহ… আরিফ…”

ট্রেন চলছিল। কামরায় আর কেউ ছিল না প্রায়। আরিফ নিশাকে তার কোলে টেনে নিল। নিশা তার কোলে বসে আরিফের ঘাড়ে চুমু খাচ্ছিল। আরিফ তার সালোয়ারের দড়ি খুলে হাত ঢুকিয়ে দিল। নিশার ভিতরটা ইতিমধ্যে ভিজে গিয়েছিল। তার আঙুল নিশার গোপন জায়গায় ঘুরতে লাগল। নিশা কাঁপছিল।

“আমি আর পারছি না…” নিশা বলল।

আরিফ তার প্যান্টের চেইন খুলল। তার শক্ত লিঙ্গ বেরিয়ে এলো। নিশা হাত দিয়ে ধরল, আস্তে আস্তে উপর-নিচ করতে লাগল। তারপর সে উঠে তার সালোয়ার আর প্যান্টি একসাথে নামিয়ে দিল। আরিফের উপর বসে ধীরে ধীরে নিজেকে বসিয়ে দিল।

“উফফফফ!” দুজনেই একসাথে নিঃশ্বাস ফেলল।

নিশা আরিফের কোলে উঠানামা করছিল। ট্রেনের দুলুনির সাথে তাল মিলিয়ে। আরিফ তার স্তন দুটো চুষছিল, কামড়াচ্ছিল। নিশার চুল এলোমেলো। তার মুখে আনন্দের অভিব্যক্তি। তারা দুজনে মিলে একটা ঝড় তুলছিল।

প্রায় ২০ মিনিট পর নিশা জোরে কেঁপে উঠে আরিফের কাঁধ কামড়ে ধরল। তার অর্গাজম হলো। আরিফও আর নিজেকে ধরে রাখতে পারল না। সে নিশার ভিতরেই তার বীর্য ঢেলে দিল।

দুজনে ক্লান্ত হয়ে একে অপরের বুকে মাথা রেখে বসে রইল। ট্রেন চলছিল।

সকাল হলো। ট্রেন স্টেশনে পৌঁছাল। নিশা লজ্জায় মুখ লাল করে বলল, “আমার বোনের বাড়ি কাছেই। আপনি কোথায় যাবেন?”

আরিফ হাসল। “আমার গ্রামও কাছেই। কিন্তু তোমাকে ছেড়ে যেতে ইচ্ছে করছে না।”

নিশা তার ফোন নম্বর দিল। “আমি এখানে তিনদিন থাকব। যোগাযোগ করবেন?”

“অবশ্যই।”

দুজনে আলাদা হয়ে গেল। কিন্তু মন আলাদা হলো না।

আরিফ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছাল। তার মা খুব খুশি। কিন্তু বাড়িতে একটা নতুন অতিথি ছিল – তার চাচাতো বোনের বোন, মানে তার শালি। না, আসলে নিশাই ছিল সেই মেয়ে! নিশার বোনের সাথে আরিফের চাচাতো ভাইয়ের বিয়ে। অর্থাৎ নিশা তার শালি হয়ে গেল।

দুজনে দেখা হয়ে প্রথমে হতভম্ব। তারপর চোখে চোখে হাসি।

গ্রামের বাড়িতে রাতে সবাই ঘুমিয়ে পড়লে নিশা আরিফের ঘরে চলে এলো। “আমি আর থাকতে পারছি না,” বলে সে আরিফকে জড়িয়ে ধরল।

সেই রাতে তারা আরও গভীরভাবে একে অপরকে আবিষ্কার করল। আরিফ নিশাকে বিছানায় শুইয়ে তার পুরো শরীর চুমু দিয়ে ভরিয়ে দিল। তার ঘাড়, বুক, পেট, নাভি, উরু – সব জায়গায়। নিশা কাতরাচ্ছিল।

“আরিফ… আমাকে তোমার করে নাও।”

আরিফ তার পা দুটো ফাঁক করে মাথা নামিয়ে দিল। তার জিভ নিশার ক্লিটোরিসে ঘুরতে লাগল। নিশা বালিশ কামড়ে চিৎকার চেপে রাখছিল। তারপর আরিফ উপরে উঠে ধীরে ধীরে প্রবেশ করল। এবার অনেকক্ষণ ধরে। বিভিন্ন পজিশনে। ডগি স্টাইলে, মিশনারিতে, নিশা উপরে থেকে।

তারা দুজনে বারবার চরমে পৌঁছাল। ঘামে ভিজে গেল দুজনের শরীর।

পরের দিনগুলোতে তারা সুযোগ পেলেই একসাথে হতো। নদীর ধারে, ধানখেতের আড়ালে, বাড়ির পেছনের আমবাগানে। একদিন বৃষ্টিতে ভিজে তারা একটা পরিত্যক্ত ঘরে ঢুকে পুরোপুরি উলঙ্গ হয়ে একে অপরকে ভালোবাসল।

নিশা বলল, “আমি তোমাকে ছাড়া আর কাউকে বিয়ে করব না।”

আরিফ বলল, “আমিও তোমাকেই চাই।”

কিন্তু সমস্যা ছিল। পরিবার। সমাজ। তারা দুজনে পরিকল্পনা করল। আরিফ ঢাকায় ফিরে চাকরি করবে, নিশাকে নিয়ে আসবে।

তিনদিন পর নিশা চলে গেল। কিন্তু তাদের ভালোবাসা থেমে থাকল না। ফোনে রাতের পর রাত কথা, ভিডিও কলে নিজেদের শরীর দেখানো, আবার দেখা হলে পাগলের মতো মিলন।

দুই মাস পর আরিফ ঢাকায় ফিরল। নিশাও এলো তার কাছে। তারা একটা ছোট ফ্ল্যাট ভাড়া নিল। প্রথম রাতে ফ্ল্যাটে ঢুকেই তারা জড়াজড়ি করে পড়ল।

আরিফ নিশাকে ওয়ালে ঠেস দিয়ে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে চোদল। নিশা পা তুলে আরিফের কোমর জড়িয়ে ধরেছিল। তারপর সোফায়, রান্নাঘরের টেবিলে, শাওয়ারের নিচে – সারা ফ্ল্যাটে তারা ভালোবাসার চিহ্ন রেখে গেল।

নিশা খুবই সেক্সি হয়ে উঠেছিল। সে লিঙ্গেরিয়া পরে আরিফকে সারপ্রাইজ দিত। একদিন রেড লেস ব্রা আর প্যান্টি পরে অপেক্ষা করছিল। আরিফ ঘরে ঢুকতেই নিশা তার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ল।

তারা সারা রাত ধরে সেক্স করল। নিশা আরিফের লিঙ্গ মুখে নিয়ে চুষছিল, আরিফ নিশার যোনিতে জিভ ঢুকিয়ে চাটছিল। ৬৯ পজিশনে, সাইড থেকে – সবভাবে।

তাদের ভালোবাসা দিন দিন গভীর হচ্ছিল। আরিফ নিশাকে বিয়ে করার প্রস্তাব দিল। নিশা কেঁদে ফেলল। 

এক বছর পর। তারা বিয়ে করে সুখে আছে। কিন্তু তাদের রোমান্স এখনো আগের মতোই উন্মাদ। প্রতি রাতে তারা একে অপরের শরীরে হারিয়ে যায়। নিশা এখন আরিফের স্ত্রী। কিন্তু তাদের সেই প্রথম ট্রেনের রাতের আগুন এখনো জ্বলছে।

কখনো কখনো তারা ট্রেনে চড়ে পুরনো স্মৃতি রোমন্থন করে। আর সেই রাতে আরও বেশি করে মিলিত হয়।

 

....
👁 674