প্রথম রাতের চাঁদনী প্রেম

ছাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে রাতের হাওয়ায় তার চুল উড়ছিল, আর আমি মুগ্ধ হয়ে ভাবছিলাম — এই মুহূর্তটা যেন পুরো পৃথিবী থেকে শুধু আমাদের দুজনের জন্যই তৈরি করা হয়েছে।

kxz

নাম তার আরিয়ানা, আর আমি রাহাত। আমরা দুজনেই একই অ্যাপার্টমেন্ট বিল্ডিংয়ের বাসিন্দা — সে ৭ম তলায়, আমি ৮ম তলায়। কিন্তু আজ রাতে ছাদটা হয়ে উঠেছিল আমাদের ছোট্ট পৃথিবী।

রাত তখন প্রায় সাড়ে এগারোটা। গরমের দিন শেষ হয়ে মাঝরাতের ঠান্ডা হাওয়া বইছিল। আমি ছাদে উঠে একা একা সিগারেট ধরাতে গিয়েছিলাম, কিন্তু সিগারেটটা ধরানোর আগেই দেখলাম সে দাঁড়িয়ে আছে রেলিংয়ের কাছে। সাদা সালোয়ার কামিজ পরা, চুল খোলা, চাঁদের আলো তার মুখে পড়ে যেন সোনালি আভা ছড়াচ্ছে।

kx/춺'

“কী করছো এখানে একা একা?” আমি নরম গলায় জিজ্ঞেস করলাম।

সে ঘুরে তাকাল। তার চোখে একটু অবাক ভাব, তারপর হালকা হাসি। “ঘুম আসছে না। ছাদটা শান্ত লাগে। তুমি?”

“আমিও। মনে হয় আজ রাতটা অন্যরকম,” বলে আমি তার পাশে গিয়ে দাঁড়ালাম। আমাদের মাঝে মাত্র এক হাত দূরত্ব। হাওয়ায় তার চুল উড়ে কখনো আমার কাঁধে লাগছিল।

আমরা অনেকক্ষণ চুপ করে দাঁড়িয়ে রইলাম। শহরের দূরের আলো জ্বলছে, কিন্তু ছাদের উপর শুধু চাঁদ আর আমাদের নিঃশ্বাসের শব্দ।

“জানো রাহাত,” হঠাৎ সে বলল, “ছোটবেলায় মনে হতো ছাদের উপর দাঁড়ালে সব সমস্যা ছোট হয়ে যায়। আজও সেই অনুভূতিটা আসে।”

আমি তার দিকে তাকিয়ে বললাম, “আর আজ যখন তুমি আছো, তখন তো সমস্যাগুলো একদম মিলিয়ে গেছে মনে হয়।”

সে লজ্জায় মাথা নিচু করে হাসল। সেই হাসিটা দেখে আমার বুকের ভিতর কেমন যেন মোচড় দিয়ে উঠল। আমি তার হাতটা আলতো করে ধরলাম। ঠান্ডা, নরম। সে হাত সরিয়ে নিল না।

সেই রাতে আমরা প্রথমবারের মতো অনেক কথা বললাম। তার পড়াশোনা, তার স্বপ্ন, তার ভয়। আমার একাকিত্ব, আমার লেখালেখির নেশা। কথা বলতে বলতে সময় যেন থেমে গিয়েছিল।

একসময় সে আমার কাঁধে মাথা রাখল। “ঠান্ডা লাগছে,” ফিসফিস করে বলল।

আমি আমার জ্যাকেটটা খুলে তার গায়ে দিয়ে দিলাম। তারপর পিছন থেকে তাকে জড়িয়ে ধরলাম। তার শরীরটা আমার বুকে লেগে গেল। আমার হৃদস্পন্দন বেড়ে গেল। তার গলায় মৃদু সুবাস — ল্যাভেন্ডার আর তার নিজস্ব গন্ধ।

“রাহাত…” সে ফিসফিস করে ডাকল।

“উম্ম?”

“তোমার কাছে থাকলে খুব ভালো লাগে।”

আমি তার কপালে আলতো করে চুমু খেলাম। তারপর গালে। তারপর ঠোঁটের কাছে এসে থেমে গেলাম। সে চোখ বন্ধ করে অপেক্ষা করছিল। আমি আর নিজেকে আটকাতে পারলাম না।

আমাদের প্রথম চুমু। নরম, দীর্ঘ, গভীর। চাঁদের আলোয় তার ঠোঁটগুলো যেন মধু হয়ে গিয়েছিল। তার হাত আমার পিঠে চেপে ধরল। আমরা অনেকক্ষণ ধরে চুমু খেলাম। হাওয়া আমাদের চারপাশে ঘুরছিল যেন আমাদেরই আনন্দে।

চুমু থামিয়ে সে লজ্জায় মুখ লুকাল আমার বুকে। আমি তার চুলে হাত বুলিয়ে দিতে লাগলাম।

“আরিয়ানা, তুমি খুব সুন্দর,” আমি বললাম।

সে উপরে তাকিয়ে হাসল। “তুমিও।”

আমরা ছাদের এক কোণে পুরনো চেয়ারে বসলাম। সে আমার কোলে এসে বসল। আমার হাত তার কোমরে। তার শরীরের উষ্ণতা আমাকে পাগল করে দিচ্ছিল। ধীরে ধীরে আমার হাত তার সালোয়ারের উপর দিয়ে পিঠে উঠতে লাগল। সে কাঁপছিল, কিন্তু বাধা দিচ্ছিল না।

“এটা ঠিক হচ্ছে তো?” সে লজ্জায় জিজ্ঞেস করল।

“যদি তুমি চাও, তাহলে সবকিছুই ঠিক,” আমি তার কানে কানে বললাম।

সে ঘাড় ঘুরিয়ে আবার চুমু খেল। এবার আরও তীব্র। আমার হাত তার বুকের কাছে চলে গেল। তার নরম স্তনের উপর দিয়ে আঙুল বুলাতে লাগলাম। সে ফোঁস করে নিঃশ্বাস ফেলল। তার শরীর গরম হয়ে উঠছিল।

আমি তার সালোয়ারের দড়ি আলগা করে দিলাম। তার ভিতরে হাত ঢুকিয়ে তার নরম ত্বক স্পর্শ করলাম। সে আমার কাঁধ কামড়ে ধরল। ধীরে ধীরে আমরা আরও কাছে চলে গেলাম। ছাদের ঠান্ডা মেঝেতে আমার জ্যাকেট বিছিয়ে আমরা শুয়ে পড়লাম।

তার শরীরের প্রতিটা ইঞ্চি আমি চুমু দিয়ে ভরিয়ে দিচ্ছিলাম। তার গলা, তার বুক, তার পেট, তার নাভি… সে আনন্দে কাঁপছিল, ফিসফিস করে আমার নাম ডাকছিল।

যখন আমি তার ভিতরে প্রবেশ করলাম, তখন তার চোখে জল চলে এসেছিল — আনন্দের জল। আমরা এক হয়ে গেলাম চাঁদের নিচে, ছাদের উপর। ধীর লয়ে, গভীরভাবে, প্রেমে ভরপুর করে।

সেই রাতে আমরা বারবার একে অপরকে আবিষ্কার করলাম। কখনো নরম চুমুতে, কখনো তীব্র আলিঙ্গনে। রাত শেষ হয়ে আসছিল যখন আমরা ক্লান্ত হয়ে একে অপরের বুকে শুয়ে রইলাম।

“আমি তোমাকে ভালোবাসি, রাহাত,” সে ফিসফিস করে বলল।

“আমিও তোমাকে, আরিয়ানা। এই ছাদটা থেকে শুরু করে পুরো জীবনটা তোমার সাথে কাটাতে চাই।” 

সেই রাতের পর সকালটা যেন অন্যরকম লাগছিল। সূর্য উঠেছে, কিন্তু আমার চোখে এখনো আরিয়ানার চাঁদের আলোয় ভেজা ঠোঁট আর কাঁপা শরীরের ছবি ভাসছে। ছাদ থেকে নামার সময় তার হাতটা আমি ছাড়তে চাইনি। সে লজ্জায় মাথা নিচু করে হেসে বলেছিল, “রাহাত, এটা স্বপ্ন না তো?”

“স্বপ্ন হলে এত সুন্দর হতো না,” আমি তার কপালে চুমু দিয়ে বলেছিলাম।

সকালে বাসায় ফিরে আমি ঘুমাতে পারিনি। বারবার তার কথা মনে পড়ছিল। তার নরম স্পর্শ, তার ফিসফিসানি, তার শরীরের উষ্ণতা। আমি ল্যাপটপ খুলে বসলাম, কিন্তু লেখা আসছিল না। শুধু তার নামটা টাইপ করছিলাম বারবার।

দুপুরের দিকে আমার ফোনে একটা মেসেজ এলো।

আরিয়ানা: “ঘুমিয়েছো? 

আমার হৃদয় লাফিয়ে উঠল। তাড়াতাড়ি রিপ্লাই করলাম, “না। তোমার কথা ভাবছিলাম। আজ দেখা হবে?”

আরিয়ানা: “সন্ধ্যায় ছাদে? আমার বাসায় কেউ নেই। বাবা-মা চাচার বাসায় গেছে।”

আমার শরীরে একটা শিহরণ খেলে গেল। “ঠিক আছে। সন্ধ্যা ৮টায়।”

সারাদিন সময় যেন থেমে ছিল। আমি স্নান করে নতুন শার্ট পরলাম, একটু পারফিউম লাগালাম। সন্ধ্যা হতেই ছাদের দরজায় গিয়ে দাঁড়ালাম। কিছুক্ষণ পর আরিয়ানা উঠে এলো। এবার তার পরনে হালকা নীল রঙের সালোয়ার কামিজ। চুল ভিজে, যেন সবে স্নান করেছে। মুখে লজ্জা আর উত্তেজনার মিশ্রণ।

“আসো,” সে নরম গলায় বলল।

আমরা ছাদের এক কোণে বসলাম। আজ আর কথা বলার দরকার হলো না। আমি তাকে কাছে টেনে নিলাম। তার ঠোঁটে চুমু খেলাম — এবার আরও গভীর, আরও তীব্র। তার হাত আমার চুলের ভিতর ঢুকে গেল। আমরা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েই একে অপরকে জড়িয়ে ধরলাম।

“রাহাত… আমার ঘরে চলো,” সে ফিসফিস করে বলল।

আমরা নিচে নেমে তার ফ্ল্যাটে ঢুকলাম। বাসা খালি। শুধু আমরা দুজন। দরজা বন্ধ করতেই সে আমাকে জড়িয়ে ধরল। আমি তাকে কোলে তুলে নিয়ে বেডরুমে নিয়ে গেলাম।

বিছানায় শুইয়ে তার সালোয়ারের দড়ি খুলতে লাগলাম। তার শরীর কাঁপছিল। “ভয় লাগছে,” সে বলল।

“আমি আছি। কিছু ভয় নেই,” বলে আমি তার কপাল, চোখ, নাক, ঠোঁটে চুমু দিতে লাগলাম। ধীরে ধীরে তার কামিজ খুলে ফেললাম। তার সাদা ব্রা-এর ভিতর তার নরম স্তন উঠানামা করছিল। আমি ব্রা-এর হুক খুলে তার স্তন দুটোতে মুখ দিলাম। চুষতে লাগলাম, আলতো কামড় দিলাম। আরিয়ানা আনন্দে কেঁপে উঠে আমার মাথা চেপে ধরল।

“আহ্… রাহাত… আরও জোরে…”

আমি তার প্যান্টি খুলে তার নিচের অংশে হাত দিলাম। সে ইতিমধ্যে ভিজে গিয়েছে। আঙুল দিয়ে তার ক্লিটোরিস ঘষতে লাগলাম। সে পাগলের মতো নড়াচড়া করছিল। আমি তার পায়ের ফাঁকে মুখ দিয়ে চুষতে শুরু করলাম। তার রসের স্বাদ মিষ্টি লাগছিল। সে দুই হাতে বিছানার চাদর চেপে ধরে চিৎকার করে উঠল, “আমি যাচ্ছি… আহ্!”

তার প্রথম অর্গাজম হলো। শরীরটা থরথর করে কাঁপছিল।

এবার আমি আমার কাপড় খুলে ফেললাম। আমার শক্ত লিঙ্গ দেখে সে লজ্জায় চোখ বন্ধ করল। আমি তার হাতটা ধরে তাতে রাখলাম। সে আস্তে আস্তে উপর-নিচ করতে লাগল।

“ভিতরে নিতে চাও?” আমি জিজ্ঞেস করলাম।

সে চোখ খুলে মাথা নাড়ল। আমি তার উপর উঠে ধীরে ধীরে প্রবেশ করলাম। সে ব্যথায় কেঁপে উঠল, কিন্তু আমাকে জড়িয়ে ধরল। “থামিও না… চালিয়ে যাও।”

আমরা একসাথে চলতে লাগলাম। প্রথমে ধীরে, তারপর জোরে। তার স্তন দুলছিল, তার ঠোঁট থেকে শুধু আনন্দের শব্দ বের হচ্ছিল। আমি তার ঘাড় কামড়াতে লাগলাম, তার কোমর চেপে ধরলাম। অনেকক্ষণ পর আমরা দুজনেই একসাথে ক্লাইম্যাক্সে পৌঁছালাম। আমার বীর্য তার ভিতরে ঢেলে দিলাম।

আমরা ক্লান্ত হয়ে একে অপরের বুকে শুয়ে রইলাম। তার চুলে হাত বুলিয়ে দিতে দিতে আমি বললাম, “তোমাকে ছাড়া আর কিছু চাই না।”

সে আমার বুকে চুমু দিয়ে বলল, “আমিও। কিন্তু… আমাদের সম্পর্কটা কেউ জানলে?”

“জানুক। আমি তোমাকে বিয়ে করতে চাই।”

সেই রাতে আমরা দুবার আরও মিলিত হলাম। একবার শাওয়ারের নিচে, আরেকবার রান্নাঘরের টেবিলে। তার শরীরের প্রতিটা অংশ আমি চিনে নিলাম।


পরের দিনগুলো এরপর আমাদের সম্পর্ক আরও গভীর হতে লাগল। প্রতি রাতে ছাদে দেখা হতো, তারপর তার ঘরে। কখনো সে আমার ঘরে আসত। আমরা শুধু শারীরিক সম্পর্কই করতাম না, অনেক কথা বলতাম। সে তার স্বপ্নের কথা বলত — ডাক্তার হতে চায়। আমি আমার লেখালেখির গল্প শোনাতাম।

একদিন বৃষ্টির রাতে আমরা ছাদে ভিজতে ভিজতে মিলিত হলাম। তার ভেজা শরীর চাঁদের আলোয় আরও সুন্দর লাগছিল। বৃষ্টির পানিতে তার সালোয়ার লেপটে গিয়েছিল। আমি তাকে রেলিংয়ে ঠেস দিয়ে পিছন থেকে নিয়েছিলাম। সে বৃষ্টির শব্দের সাথে চিৎকার করে উঠছিল।

আমাদের এই সম্পর্ক চলতে চলতে এক মাস কেটে গেল। কিন্তু সমস্যা শুরু হলো যখন তার বাবা-মা সন্দেহ করতে লাগল। একদিন তার মা হঠাৎ বাসায় ফিরে এসে আমাদের দেখে ফেললেন।

“এসব কী হচ্ছে?!” তার মা চিৎকার করে উঠলেন।

আরিয়ানা কেঁদে ফেলল। আমি সামনে এগিয়ে বললাম, “আমি আরিয়ানাকে ভালোবাসি। আমি তাকে বিয়ে করতে চাই।”

তার বাবা রাগ করলেন, কিন্তু আমার সৎ উদ্দেশ্য দেখে পরে রাজি হয়ে গেলেন।

আমাদের বিয়ে হয়ে গেল ছয় মাস পর। বিয়ের পরের প্রথম রাতে আমরা আবার সেই ছাদে গিয়েছিলাম। সেখান থেকেই আমাদের প্রেম শুরু হয়েছিল।

“মনে আছে প্রথম রাতের কথা?” সে জিজ্ঞেস করল।

“কীভাবে ভুলব?” বলে আমি তাকে জড়িয়ে ধরলাম।

সেই রাতেও আমরা ছাদের উপর প্রেম করলাম — এবার স্বামী-স্ত্রী হয়ে, আরও গভীর ভালোবাসায়।

....
👁 210