ঢাকার বৃষ্টিতে ভিজে ওঠা আলিঙ্গন

ঢাকার গরম যেন কখনো কমে না। কিন্তু জুন মাসের এক বিকেলে হঠাৎ করে আকাশ কালো করে বৃষ্টি নেমে এলো। রাস্তায় পানি জমে গেল, গাড়ির হর্নের শব্দ মিলিয়ে গেল বৃষ্টির তোড়ে। আমি, রাহাত, আমার অফিস থেকে ফিরছিলাম মিরপুরের বাসায়। বয়স ২৮। সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। একা থাকি ছোট একটা ফ্ল্যাটে।

বাসার সামনে এসে দেখি, আমার পাশের ফ্ল্যাটের দরজায় দাঁড়িয়ে আছে সে — নিশাত আপু। না, নিশাত। আমি তাকে আপু বলি, কিন্তু মনে মনে অন্য কিছু। তার বয়স ৩২। বিয়ে হয়েছিল চার বছর আগে, কিন্তু স্বামী বিদেশে। প্রায়ই একা থাকে। লম্বা, ফর্সা, চুল কাঁধ পর্যন্ত। শরীরটা যেন স্বপ্নের মতো — ভারি স্তন, সরু কোমর, নিতম্বের মসৃণ বাঁক। সালোয়ার কামিজ পরলে যেন আগুন জ্বলে ওঠে।

“রাহাত, ভিজে গেছো তো! আয় ভিতরে।” তার গলা মিষ্টি, চোখে একটা চাপা হাসি।

আমি ভিজা শার্টটা গায়ে লেপটে গেছে। তার ফ্ল্যাটে ঢুকতেই সে একটা তোয়ালে এনে দিল। “কাপড় বদলে ফেল, না হলে ঠান্ডা লেগে যাবে।”

আমি বাথরুমে গিয়ে শার্ট খুললাম। আয়নায় নিজেকে দেখলাম — চওড়া বুক, শক্ত পেশি। বেরিয়ে এসে দেখি নিশাত রান্নাঘরে চা বানাচ্ছে। তার সালোয়ারের উপরের দুটো বোতাম খোলা। ভেজা চুল পিঠের উপর ছড়িয়ে আছে। বুকের খাঁজটা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। আমার শরীরে একটা তাপ ছড়িয়ে পড়ল।

“বসো। চা খাও।” সে আমার পাশে বসল। তার উরু আমার উরুর সাথে হালকা ছুঁয়ে গেল। বৃষ্টির

....
👁 516