ভেজা রাতের গোপন প্রেম

ঢাকার ব্যস্ত শহর থেকে দূরে, সাভারের কাছে একটা ছোট্ট গ্রামে আমার শ্বশুরবাড়ি। আমার নাম রাহাত। বয়স ৩২। স্ত্রী প্রিয়া। বিয়ে হয়েছে ছয় বছর। প্রিয়ার ছোট বোন রিয়া। রিয়ার বয়স ২৪। স্লিম, ফর্সা, লম্বা চুল, আর চোখ দুটো এমন যেন কথা বলে। রিয়া কলেজে পড়ে। প্রায়ই আমাদের বাসায় আসে।

kxz

প্রথম প্রথম রিয়াকে দেখে কিছু মনে হতো না। কিন্তু গত এক বছর ধরে একটা অদ্ভুত টান অনুভব করছিলাম। তার হাসি, তার চলাফেরা, তার শাড়ির আঁচল সরে গিয়ে উঁকি দেওয়া কোমরের মসৃণতা — সবকিছু আমাকে পাগল করে দিত। প্রিয়া অফিসের কাজে প্রায়ই বাইরে যায়। তখন রিয়া এসে থাকে।

সেদিন ছিল জুন মাসের এক ভয়ংকর বৃষ্টির দিন। আকাশ কালো হয়ে গিয়েছিল সকাল থেকেই। প্রিয়া সকালে চট্টগ্রামে চলে গিয়েছিল অফিসের ট্রেনিংয়ে। বাসায় শুধু আমি আর রিয়া। রিয়া বলল, “জামাই ভাই, আজ রাতে থেকে যাব। বৃষ্টিতে ফিরব না।”

kx/춺'

আমি মাথা নেড়ে সায় দিলাম। সন্ধ্যার পর বৃষ্টি আরও বেড়ে গেল। বিদ্যুৎ চলে গেল। ঘর অন্ধকার। আমি মোমবাতি জ্বালিয়ে বসে ছিলাম। রিয়া রান্নাঘর থেকে ডাকল, “জামাই ভাই, খাবার দিয়েছি। আসুন।”

খেতে খেতে আমরা গল্প করছিলাম। রিয়া হাসতে হাসতে বলল, “জামাই ভাই, আপনার চোখ দুটো আজ অন্যরকম লাগছে। কী হয়েছে?”

আমার বুকের ভিতর ধক করে উঠল। “কিছু না রে। তোকে দেখে মনে হচ্ছে খুব সুন্দর লাগছে আজ।”

রিয়া লজ্জায় মাথা নিচু করল। তার গাল লাল হয়ে গেল। খাওয়ার পর আমরা লিভিং রুমে বসলাম। বাইরে বৃষ্টির শব্দ। ঘরে শুধু মোমবাতির আলো। রিয়া একটা হালকা নাইটি পরে এসেছিল। তার বুকের উপরের অংশ সামান্য খোলা। আমি চোখ সরাতে পারছিলাম না।

হঠাৎ রিয়া কাছে সরে এল। “জামাই ভাই, আমার একটা কথা মনে আছে। আপনি কি কখনো অন্য কাউকে ভালোবেসেছেন?”

আমি চুপ করে রইলাম। তারপর বললাম, “ভালোবাসা তো অনেক রকমের হয় রিয়া। কখনো শরীর, কখনো মন।”

রিয়া আমার হাত ধরল। তার হাত গরম। “আমি আপনাকে অনেক দিন ধরে দেখছি। আপনার চোখে আমার জন্য একটা আলাদা দৃষ্টি। ঠিক বলছি না?”

আমার শরীরে বিদ্যুৎ খেলে গেল। আমি তার হাত চেপে ধরলাম। “রিয়া, এটা ঠিক না। তুই আমার শালি।”

রিয়া হেসে বলল, “জানি। কিন্তু আমার শরীর যে আপনার ডাক শুনছে। বৃষ্টির এই রাতে কেউ জানবে না।”

আমি আর নিজেকে সামলাতে পারলাম না। তার কাছে ঝুঁকে তার ঠোঁটে চুমু খেলাম। রিয়া প্রথমে চমকে উঠল, তারপর চোখ বন্ধ করে আমাকে জড়িয়ে ধরল। তার ঠোঁট নরম, মিষ্টি। চুমু গভীর হতে হতে আমার হাত তার পিঠে চলে গেল। নাইটির উপর দিয়ে তার মসৃণ ত্বক অনুভব করছিলাম।

রিয়া ফিসফিস করে বলল, “জামাই ভাই… আমাকে আপনার করে নিন।”

আমি তাকে কোলে তুলে নিলাম। বেডরুমে নিয়ে গেলাম। মোমবাতির আলোয় তার শরীর আরও সুন্দর লাগছিল। নাইটি খুলে দিতেই তার সাদা ব্রা আর প্যান্টি বেরিয়ে পড়ল। তার বুক দুটো উঁচু, গোলাকার। আমি ব্রা খুলে তার নিপল চুষতে শুরু করলাম। রিয়া আর্তনাদ করে উঠল, “আহহ… জামাই ভাই… খুব ভালো লাগছে।”

তার হাত আমার প্যান্টের ভিতর ঢুকে গেল। আমার শক্ত লিঙ্গ ধরে আস্তে আস্তে ঘষতে লাগল। আমি তার প্যান্টি খুলে তার ভেজা যোনিতে আঙুল দিলাম। রিয়া কেঁপে উঠল। “আপনার আঙুল… খুব গরম।”

আমরা দুজনেই পুরোপুরি নগ্ন হয়ে গেলাম। আমি তার উপর শুয়ে তার শরীর চুমুতে চুমুতে ভরিয়ে দিলাম। তার ঘাড়, বুক, পেট, উরু — সব জায়গায়। তারপর তার পা দুটো ফাঁক করে আমার মুখ নামিয়ে তার যোনি চাটতে শুরু করলাম। রিয়া চিৎকার করে উঠল, “আহহহ… জামাই ভাই… এটা কী করছেন… আমি পাগল হয়ে যাব!”

তার ক্লিটোরিস চুষতে চুষতে দুই আঙুল ভিতরে ঢুকিয়ে দিলাম। রিয়া শরীর মোচড়াতে লাগল। কয়েক মিনিট পর সে প্রথম অর্গাজমে কেঁপে উঠল। তার রস আমার মুখে এসে পড়ল।

রিয়া হাঁপাতে হাঁপাতে বলল, “এবার আপনারটা দিন।”

সে আমার লিঙ্গ মুখে নিল। তার নরম ঠোঁট আর জিভের খেলায় আমি আনন্দে কাতরাতে লাগলাম। সে পুরোটা মুখে নিয়ে চুষছিল, হাত দিয়ে বলসও টিপছিল। আমি আর সহ্য করতে পারছিলাম না।

“রিয়া… আমি ঢুকব।”

রিয়া শুয়ে পা ফাঁক করল। আমি তার যোনির উপর লিঙ্গ ঘষলাম। তারপর ধীরে ধীরে ঢুকিয়ে দিলাম। “উফফফ… খুব টাইট রে তোর।” রিয়া চোখ বন্ধ করে বলল, “আপনারটা খুব বড়… পুরো ভরে গেছে।”

আমি ধীরে ধীরে ঠাপাতে শুরু করলাম। রিয়ার বুক দুটো লাফাচ্ছিল। আমি একটা হাত দিয়ে তার বুক টিপছিলাম, অন্য হাতে তার কোমর ধরে জোরে জোরে ঠাপ দিচ্ছিলাম। ঘর ভরে গেল আমাদের হাঁপানি আর চুমুর শব্দে। বাইরে বৃষ্টি আরও জোরে পড়ছিল।

আমরা পজিশন চেঞ্জ করলাম। রিয়া উপরে উঠে বসল। সে নিজে নিজে উঠানামা করতে লাগল। তার চুল এলোমেলো, ঘামে ভেজা শরীর চকচক করছিল। “জামাই ভাই… আমি আবার আসছি…” সে দ্বিতীয়বার অর্গাজম করল।

আমি তাকে চিত করে শুইয়ে তার পা কাঁধে তুলে জোরে জোরে ঠাপাতে লাগলাম। তার যোনি থেকে ফচ ফচ শব্দ বের হচ্ছিল। আমি আর সহ্য করতে পারলাম না। “রিয়া… আমি বের করব।”

রিয়া বলল, “ভিতরে দিন… আমি পিল খাই।”

আমি তার ভিতরে ঢেলে দিলাম। গরম বীর্য তার যোনি ভরিয়ে দিল। আমরা দুজনে জড়াজড়ি করে শুয়ে রইলাম। বৃষ্টির শব্দে ঘুমিয়ে পড়লাম।


পরের অংশ (গল্প আরও বিস্তারিত করছি — রোমান্স ও সেক্সের গভীরতা)

সকালে ঘুম ভাঙল রিয়ার চুমুতে। সে হাসি মুখে বলল, “জামাই ভাই, রাতটা স্বপ্নের মতো ছিল। কিন্তু এখন কী হবে?”

আমি তাকে জড়িয়ে ধরে বললাম, “যা হয়েছে, তা আমাদের মধ্যেই থাকবে। কিন্তু আমি তোকে ছাড়তে পারব না রিয়া। তোকে ভালোবাসি।”

রিয়া চোখে জল নিয়ে বলল, “আমিও আপনাকে ভালোবাসি। দিদি যেন কখনো না জানে।”

সারাদিন আমরা বাসায় একসাথে কাটালাম। রান্না করলাম, গল্প করলাম, হাসলাম। বিকেলে আবার বৃষ্টি এল। এবার আমরা বাথরুমে গেলাম। গরম পানির নিচে দাঁড়িয়ে রিয়াকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরলাম। তার ভেজা শরীরে সাবান লাগাতে লাগাতে তার বুক টিপছিলাম। রিয়া পেছন ফিরে আমার লিঙ্গ ধরে ঘষছিল।

আমি তাকে বাথরুমের দেয়ালে ঠেস দিয়ে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ঢুকিয়ে দিলাম। পানির শব্দের সাথে আমাদের ঠাপের শব্দ মিশে যাচ্ছিল। রিয়া চিৎকার করে বলছিল, “জোরে… আরও জোরে জামাই ভাই… আপনার লিঙ্গ আমার ভিতরে পুরোটা লাগছে।”

আমরা দুজনেই একসাথে ক্লাইম্যাক্স করলাম। তারপর গোসল করে বেরিয়ে এসে আবার বিছানায়। এবার স্লো অ্যান্ড রোমান্টিক। আমি তার প্রতিটা অঙ্গ চুমু দিয়ে ভরিয়ে দিলাম। তার পায়ের আঙুল থেকে শুরু করে কানের লতি পর্যন্ত। রিয়া কাঁপছিল আনন্দে।

রাতে আমরা আরও দুইবার মিলিত হলাম। একবার ডগি স্টাইলে, আরেকবার তার উপর শুয়ে। প্রতিবারই রিয়া বলছিল, “আপনি আমার সব। আমি শুধু আপনার।”

পরের কয়েক সপ্তাহ আমাদের এই গোপন সম্পর্ক চলতে থাকল। প্রিয়া যখন বাসায় থাকত, তখন আমরা চোখে চোখে কথা বলতাম। রিয়া যখন একা পেত, তখন আমাকে টেক্সট করত — “জামাই ভাই, আজ আসব। শরীর জ্বলছে।”

একদিন রিয়া বলল, “জামাই ভাই, আমি আপনার সন্তান নিতে চাই।” আমি চমকে গেলাম। কিন্তু তার চোখের গভীরতা দেখে বুঝলাম, এটা শুধু শারীরিক নয়, সত্যিকারের ভালোবাসা।

আমাদের এই নিষিদ্ধ প্রেম চলতে লাগল। বৃষ্টির সেই রাত থেকে শুরু হয়ে অনেক রাত আমরা একসাথে কাটিয়েছি। প্রতিটা মিলনে রোমান্স আর সেক্স মিশে একাকার হয়ে যেত।

....
👁 452