নিষিদ্ধ বৃষ্টির রোমান্স

ঢাকার জুন মাস। আকাশ কালো হয়ে আছে। রিয়াজের ফ্ল্যাটের বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিল সে। তার ভাবি, নাম মেহেরিন। বয়স ২৮। রিয়াজের দাদা রাহাত বিদেশে চাকরি করে, ছয় মাস হলো যায়নি। মেহেরিন একা। রিয়াজ ২৪ বছরের, ইউনিভার্সিটির শেষ বর্ষ।

kxz

বৃষ্টি শুরু হলো। মেহেরিন রান্নাঘর থেকে বেরিয়ে এসে বলল, “রিয়াজ, জানালা বন্ধ কর। ভিজে যাবি।”

তার পরনে হালকা সালোয়ার কামিজ। ভিজা বাতাসে কাপড়টা শরীরের সাথে লেপটে গেছে। রিয়াজের চোখ আটকে গেল তার নরম বুকের উপর। মেহেরিন লক্ষ্য করল, কিন্তু কিছু বলল না। শুধু মৃদু হাসল।

kx/춺'

রাতে খাওয়ার পর তারা টিভিতে একটা রোমান্টিক মুভি দেখছিল। বৃষ্টির শব্দ আর মুভির নরম আলোয় ঘরটা ভরে গিয়েছিল। মেহেরিন হঠাৎ বলল, “তোর দাদা তো অনেকদিন পরে আসবে। আমার খুব একা লাগে রিয়াজ।”

রিয়াজ তার হাতটা ধরল। “আমি তো আছি ভাবি।”

তার হাতের উষ্ণতা মেহেরিনের শরীরে ছড়িয়ে পড়ল। সে চুপ করে রইল। কিন্তু তার আঙুলগুলো রিয়াজের হাত থেকে সরল না।

পরের কয়েকদিন ধরে বৃষ্টি চলতে লাগল। রিয়াজ আর মেহেরিন একসাথে সময় কাটাতে শুরু করল। সকালে চা খেতে খেতে গল্প, বিকেলে বারান্দায় দাঁড়িয়ে বৃষ্টি দেখা। মেহেরিন একদিন তার পুরনো অ্যালবাম দেখাতে গিয়ে রিয়াজের কোলে মাথা রাখল।

“তুই তো অনেক বড় হয়ে গেছিস। এখন তোর বউ আনার সময় হয়েছে,” মেহেরিন হাসতে হাসতে বলল।

রিয়াজ তার চুলে হাত বুলিয়ে দিল। “ভাবি, আমার যাকে পছন্দ সে তো অন্যের হয়ে গেছে।”

মেহেরিন চুপ করে গেল। তার চোখে একটা অদ্ভুত চাউনি। রাতে রিয়াজ যখন ঘুমাতে যাচ্ছিল, মেহেরিন তার রুমে এসে বলল, “আজ ঘুম আসছে না। তোর সাথে একটু গল্প করব?”

তারা বিছানায় পাশাপাশি বসল। কথা থেকে কথায় চলে এলো তাদের শারীরিক অনুভূতির কথা। মেহেরিন বলল, “রাহাত চলে যাওয়ার পর আমার শরীরটা খুব অস্থির হয়ে যায়।”

রিয়াজের হৃদয় দ্রুত চলতে শুরু করল। সে ধীরে ধীরে মেহেরিনের কাঁধে হাত রাখল। মেহেরিন কাঁপল। কিন্তু সরে গেল না। বরং তার মুখটা রিয়াজের বুকে লুকাল।

“রিয়াজ… এটা ঠিক না,” ফিসফিস করে বলল সে।

কিন্তু তার হাত রিয়াজের পিঠে চেপে বসছিল। রিয়াজ তার ঠোঁটে চুমু দিল। প্রথমে হালকা, তারপর গভীর। মেহেরিন প্রথমে অবাক হয়ে গেল, তারপর সাড়া দিল। তাদের জিভ একে অপরের সাথে জড়িয়ে গেল। মেহেরিনের নিঃশ্বাস ভারী হয়ে উঠল।

রিয়াজ তার কামিজের উপর দিয়ে তার বুকে হাত বুলাতে লাগল। মেহেরিনের নিপল দুটো শক্ত হয়ে উঠেছিল। সে আস্তে আস্তে কামিজটা খুলে ফেলল। তার সুন্দর, গোলাকার বুক দুটো বেরিয়ে পড়ল। রিয়াজ মুখ নামিয়ে চুষতে শুরু করল। মেহেরিন আর্তনাদ করে উঠল, “আহহ… রিয়াজ… আরও জোরে…”

সেই রাতে তারা আর থামল না। মেহেরিন তার সালোয়ার খুলে ফেলল। তার প্যান্টি ভিজে গিয়েছিল। রিয়াজ আঙুল দিয়ে তার ভেজা যোনিতে ঘষতে লাগল। মেহেরিন পাগলের মতো চুমু খাচ্ছিল তার ঠোঁটে, গলায়, বুকে।

রিয়াজ তার প্যান্ট খুলল। তার শক্ত লিঙ্গ বেরিয়ে পড়ল। মেহেরিন হাত দিয়ে ধরে নাড়াতে লাগল। “এত বড়… তোর দাদার চেয়েও বড়,” লজ্জায় লাল হয়ে বলল সে।

রিয়াজ তাকে চিৎ করে শুইয়ে তার পা দুটো ফাঁক করল। তার জিভ দিয়ে তার ক্লিটোরিস চাটতে শুরু করল। মেহেরিন চিৎকার করে উঠল, তার শরীর কেঁপে উঠছিল। কয়েক মিনিটের মধ্যে সে প্রথম অর্গাজম পেল। তার রস রিয়াজের মুখে ছড়িয়ে পড়ল।

তারপর রিয়াজ তার উপর উঠল। ধীরে ধীরে তার শক্ত লিঙ্গটা ঢুকিয়ে দিল তার ভেতরে। মেহেরিনের চোখ বড় হয়ে গেল। “আল্লাহ… কত মোটা… ধীরে রিয়াজ…”

রিয়াজ ধীরে ধীরে ঠাপাতে শুরু করল। প্রত্যেক ঠাপে মেহেরিনের বুক দুলছিল। সে তার পা দিয়ে রিয়াজের কোমর জড়িয়ে ধরল। “জোরে… আরও জোরে চোদ আমাকে… তোর ভাবিকে চোদ…”

তাদের শরীর ঘামে ভিজে গিয়েছিল। রিয়াজ অনেকক্ষণ ধরে তাকে চোদল। অবশেষে দুজনেই একসাথে ক্লাইম্যাক্সে পৌঁছাল। রিয়াজ তার ভেতরে ঢেলে দিল তার বীর্য। মেহেরিন কাঁপতে কাঁপতে তাকে জড়িয়ে ধরে রইল।

পরের দিনগুলোতে তাদের সম্পর্ক আরও গভীর হলো। শুধু সেক্স নয়, তারা একে অপরকে ভালোবাসতে শুরু করল। সকালে রিয়াজ মেহেরিনকে চুমু খেয়ে ঘুম থেকে তুলত। মেহেরিন তার জন্য বিশেষ খাবার রান্না করত। বিকেলে তারা একসাথে শপিং করতে যেত। রাতে তাদের শরীর এক হয়ে যেত।

একদিন বৃষ্টির মধ্যে তারা বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিল। মেহেরিন শুধু একটা টি-শার্ট পরে ছিল। রিয়াজ পিছন থেকে জড়িয়ে ধরল। তার হাত দুটো তার বুকে। সে তার ঘাড়ে চুমু খেতে খেতে বলল, “ভাবি, আমি তোমাকে ছাড়া আর কাউকে চাই না।”

মেহেরিন ঘুরে তার ঠোঁটে চুমু দিল। “আমিও তোকে ভালোবাসি রিয়াজ। এটা পাপ হলেও আমি থামতে পারব না।”

তারা সেখানেই দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সেক্স করল। রিয়াজ তাকে বারান্দার রেলিং-এ হেলান দিয়ে পেছন থেকে ঢুকিয়ে দিল। বৃষ্টির শব্দে তাদের নিঃশ্বাস আর আর্তনাদ ঢাকা পড়ে যাচ্ছিল। মেহেরিনের শরীর বৃষ্টির পানিতে ভিজে চকচক করছিল

এক সপ্তাহ পর রাহাত ফোন করে বলল সে আরও দুই মাস পরে আসবে। মেহেরিন আর রিয়াজের জন্য এটা ছিল স্বর্গ। তারা প্রতি রাতে নতুন নতুন পজিশনে সেক্স করত। মেহেরিন রিয়াজকে ব্লো জব দিতে শিখল। রিয়াজ তাকে ডগি স্টাইলে, মিশনারিতে, কাউগার্লে চোদত।

এক রাতে মেহেরিন বলল, “আজ আমি তোর বউ হতে চাই।” তারা ফুল দিয়ে সাজিয়ে রুমটা। মোমবাতি জ্বালিয়ে রোমান্টিক পরিবেশ তৈরি করল। মেহেরিন লাল শাড়ি পরে এলো। রিয়াজ তাকে ধীরে ধীরে শাড়ি খুলল। প্রত্যেক ইঞ্চি শরীর চুমু দিয়ে ভরিয়ে দিল।

তারপর তারা ঘণ্টার পর ঘণ্টা ভালোবাসল। মেহেরিন অসংখ্যবার অর্গাজম পেল। শেষে রিয়াজ তার মুখে বীর্য ঢেলে দিল। মেহেরিন সব চেটে খেয়ে নিল।

দুই মাস পর রাহাত ফিরে এলো। কিন্তু মেহেরিন আর রিয়াজের মধ্যে যে গোপন সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল, তা চলতে থাকল। যখনই সুযোগ পেত, তারা একে অপরের শরীরে ডুবে যেত। তাদের ভালোবাসা নিষিদ্ধ হলেও অসীম ছিল।

ঢাকার বৃষ্টি যেমন থামে না, তাদের আকাঙ্ক্ষাও থামেনি।

....
👁 402