বৃষ্টির আড়ালে প্রেম

রাহাত আর নিশাত। দুজন অচেনা, দুজন ভিন্ন জগতের। কিন্তু ভাগ্য তাদের একসাথে বেঁধে দিল সেই উঁচু পাহাড়ের চূড়ায়, যেখানে মেঘ ছুঁয়ে যায় আর বৃষ্টি হয় প্রেমের গান।

kxz

সব শুরু হয়েছিল ঢাকা থেকে। রাহাত, একটা সফটওয়্যার কোম্পানির প্রোজেক্ট ম্যানেজার। বয়স ২৮। লম্বা, সুঠাম শরীর, চোখে একটা স্বপ্নিল দৃষ্টি। সে ছুটি নিয়ে চলে এসেছিল সিলেটের পাহাড়ি এলাকায়। একা একা ট্রেকিং করতে ভালোবাসে। নিশাত, ২৪ বছরের তরুণী। চট্টগ্রামের একটা কলেজে ইংরেজি পড়ায়। সুন্দরী, লম্বা চুল, চোখ দুটো যেন গভীর খাদের মতো। সে তার কয়েকজন বন্ধুর সাথে পাহাড়ি ট্যুরে এসেছিল।

সেদিন সকালে আকাশ ছিল পরিষ্কার। রাহাত একটা ছোট গ্রুপের সাথে উঠছিল জয়ন্তিয়া পাহাড়ের দিকে। নিশাতের গ্রুপও একই পথে। দুজনে প্রথম দেখায় একে অপরের দিকে তাকিয়েছিল। রাহাতের চোখে একটা হালকা হাসি, নিশাতের ঠোঁটে লজ্জার আভা। কিন্তু কথা হয়নি।

kx/춺'

দুপুরের পর হঠাৎ আকাশ কালো হয়ে গেল। ঝড় উঠল। বৃষ্টি নামল প্রবল ধারায়। পাহাড়ের পথ পিচ্ছিল হয়ে গেল। একটা ছোট ল্যান্ডস্লাইডে পথ বন্ধ হয়ে গেল। রাহাত আর নিশাত দুজনেই আলাদা আলাদা হয়ে পড়ল তাদের গ্রুপ থেকে। অন্যরা নিচে নেমে যেতে পারলেও এই দুজন আটকে গেল উপরের একটা ছোট গুহার কাছে।

“কে আপনি?” নিশাত ভয়ে জিজ্ঞাসা করল। তার কাপড় ভিজে গেছে, শরীর কাঁপছে।

রাহাত তার জ্যাকেট খুলে নিশাতের কাঁধে দিল। “আমি রাহাত। ভয় পাবেন না। আমরা এখানে আটকে গেছি, কিন্তু নিরাপদ আছি।”

গুহাটা ছোট কিন্তু শুকনো। ভিতরে কিছু শুকনো পাতা আর কাঠ ছিল। রাহাত আগুন জ্বালাল। দুজনে বসল আগুনের কাছে। বাইরে ঝড়ের শব্দ, ভিতরে শুধু আগুনের ফটফট।

প্রথমে কথা কম ছিল। নিশাত লজ্জায় মুখ নিচু করে বসেছিল। রাহাত গল্প শুরু করল তার ট্রেকিং অভিজ্ঞতার। ধীরে ধীরে নিশাতও খুলে বলল তার জীবনের কথা। সে বলল, “আমি কখনো এত উঁচুতে উঠিনি। ভয় লাগছে।”

রাহাত তার হাত ধরল। “আমি আছি। কিছু হবে না।”

রাত গভীর হলো। বৃষ্টি থামল না। খাবার ছিল শুধু কয়েকটা বিস্কুট আর চকলেট। তারা ভাগ করে খেল। শীতে কাঁপতে কাঁপতে নিশাত রাহাতের কাছ ঘেঁষে বসল। রাহাতের বুকের উষ্ণতা তাকে আশ্রয় দিল।

“আপনার গায়ে কী সুন্দর গন্ধ,” নিশাত ফিসফিস করে বলল।

রাহাত হাসল। “আর আপনার চোখ দুটো যেন পাহাড়ের তারা।”

তারপর থেকে কথা আর থামল না। তারা তাদের স্বপ্নের কথা বলল। রাহাত বলল সে একটা নিজস্ব স্টার্টআপ করতে চায়। নিশাত বলল সে একটা বই লিখতে চায় প্রেম নিয়ে। রাতের অন্ধকারে, আগুনের আলোয়, দুজনের হৃদয় কাছাকাছি এল।

পরের দিন সকালেও বৃষ্টি। খাবার শেষ। রাহাত বাইরে গিয়ে কিছু ফল খুঁজে আনল। নিশাত গুহায় অপেক্ষা করছিল। যখন রাহাত ফিরল, তার শরীর ভিজে, ঠান্ডায় কাঁপছে। নিশাত তাকে জড়িয়ে ধরল। “আপনি অসুস্থ হয়ে যাবেন।”

সেই আলিঙ্গন থেকে শুরু। দুজনের শরীর কাছাকাছি। রাহাত নিশাতের কপালে চুমু খেল। নিশাত চোখ বন্ধ করে রাহাতের ঠোঁট খুঁজল। প্রথম চুমু। নরম, ভয়ার্ত, কিন্তু পূর্ণ আকাঙ্ক্ষায়।

“এটা ঠিক?” নিশাত জিজ্ঞাসা করল।

“এখানে শুধু আমরা দুজন। ভাগ্য যা দিয়েছে, তা নিয়ে,” রাহাত বলল।

তাদের হাত একে অপরের শরীরে ঘুরতে লাগল। নিশাতের ভিজে কাপড় খুলে গেল ধীরে ধীরে। রাহাত তার সুন্দর শরীর দেখে মুগ্ধ। নিশাতের স্তন, কোমর, পা — সব যেন পাহাড়ের মসৃণ ঢাল। রাহাত তার স্তন চুমু খেল, চুষল। নিশাতের মুখ থেকে নিঃশ্বাস বের হলো, “আহ্... রাহাত...”

নিশাত রাহাতের জামা খুলে তার বুকে হাত বুলাল। তারপর নিচে নামল। রাহাতের শক্ত লিঙ্গ হাতে নিয়ে আদর করল। রাহাত আর সহ্য করতে পারল না। তাকে শুইয়ে দিল গুহার মেঝেতে শুকনো পাতার উপর।

প্রথম প্রবেশ। ধীরে, যত্ন করে। নিশাত কেঁপে উঠল। “আমি... প্রথমবার...”

রাহাত থেমে গেল। চুমু খেল তার ঠোঁটে। “আমি সাবধানে।”

তারপর ধীরে ধীরে গতি বাড়ল। নিশাতের আর্তনাদ মিশে গেল বৃষ্টির শব্দে। “আরো... আরো জোরে... রাহাত... আমাকে তোমার করে নাও।”

তারা একে অপরকে আবিষ্কার করল। বিভিন্ন ভঙ্গিতে। কখনো রাহাত উপরে, কখনো নিশাত। ঘাম, আকাঙ্ক্ষা, প্রেম। দুপুর গড়িয়ে বিকেল। বারবার তারা মিলিত হলো। প্রতিবার আরো গভীর, আরো তীব্র।

সন্ধ্যায় তারা ক্লান্ত হয়ে শুয়ে রইল। নিশাত রাহাতের বুকে মাথা রেখে বলল, “আমি তোমাকে ভালোবেসে ফেলেছি। এটা শুধু শরীর নয়।”

রাহাত তার চুলে হাত বুলিয়ে বলল, “আমিও। এই পাহাড় আমাদের মিলিয়ে দিয়েছে।”

তৃতীয় দিন। বৃষ্টি কমল। কিন্তু তারা আর নামতে চাইছিল না। তারা গল্প করল, গান গাইল, আবার মিলিত হলো। রাহাত নিশাতকে পেছন থেকে নিল, তারপর মুখোমুখি বসে। নিশাতের আর্তনাদ পাহাড়ে প্রতিধ্বনিত হলো।

চতুর্থ দিন সকালে উদ্ধারকারী দল এসে পৌঁছাল। তারা দুজনকে নিচে নামাল। কিন্তু তাদের হৃদয় আর আলাদা হলো না।

ঢাকায় ফিরে তারা বিয়ে করল। প্রতি বছর তারা সেই পাহাড়ে যায়। সেই গুহায়। স্মৃতি রোমন্থন করে।

....
👁 179