বৃষ্টির রাতে বউদির চুমু

রাহুল আর তার বউদি সুমনা। রাহুলের বয়স ২৮, সুমনার ৩২। রাহুলের দাদা অরুণ বিদেশে চাকরি করে, বছরে একবারও আসে না। ঢাকার একটা পুরনো বাড়িতে জয়েন্ট ফ্যামিলিতে থাকে তারা। রাহুলের বাবা-মা নিচের তলায়, আর উপরের তলায় রাহুলের রুমের পাশেই সুমনার রুম।

kxz

সুমনা খুব সুন্দরী। ফর্সা গায়ের রং, লম্বা চুল, ভারী স্তন আর নিতম্ব যা শাড়ি পরলে আরও বেশি আকর্ষক হয়ে ওঠে। রাহুল ছোটবেলা থেকেই বউদিকে দেখে বড় হয়েছে। কিন্তু বিয়ে হয়ে যাওয়ার পর থেকে তার মনে একটা নিষিদ্ধ আকর্ষণ জন্ম নিয়েছে। সুমনাও জানে যে রাহুল তাকে অন্য চোখে দেখে। কিন্তু কখনো কিছু বলেনি

সেদিন বৃষ্টি পড়ছিল খুব। রাত প্রায় ১১টা। বাড়ির সবাই ঘুমিয়ে পড়েছে। সুমনা তার রুমে শাড়ি ছেড়ে একটা হালকা নাইটি পরে বসে আছে। তার স্তনের উপরের অংশটা সামান্য খোলা। হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে গেল। সুমনা চিৎকার করে উঠল, “রাহুল! রাহুল!”

kx/춺'

রাহুল দৌড়ে এল। হাতে মোবাইলের ফ্ল্যাশলাইট। “কী হয়েছে বউদি?”

“আমার ঘরে একটা টর্চ খুঁজে দাও। ভয় লাগছে।”

রাহুল ঘরে ঢুকল। অন্ধকারে সুমনার শরীরের আভা দেখে তার হৃদস্পন্দন বেড়ে গেল। সে টর্চ খুঁজতে খুঁজতে সুমনার কাছে এসে দাঁড়াল। হঠাৎ বাতাসে সুমনার নাইটির ফাঁক দিয়ে তার নরম স্তনের উপরাংশ দেখা গেল। রাহুলের চোখ আটকে গেল সেখানে।

সুমনা লক্ষ্য করল। কিন্তু কিছু বলল না। বরং একটু হেসে বলল, “কী দেখছো এত মনোযোগ দিয়ে?”

রাহুল লজ্জায় মুখ নিচু করল। “না… মানে… বউদি, তুমি খুব সুন্দর।”

সুমনা চুপ করে রইল। তারপর আস্তে আস্তে বলল, “রাহুল, তোমার দাদা তো কখনো আসে না। আমি একা একা কতদিন কাটাই… তুমি কি আমাকে একটু সঙ্গ দিতে পারবে?”

সেই রাতে আর কিছু হয়নি। কিন্তু বাতাসে একটা নতুন আকর্ষণ তৈরি হয়ে গেল

পরের কয়েকদিন সুমনা ইচ্ছে করে রাহুলের সামনে শাড়ির আঁচল সরিয়ে রাখত, নাইটিতে ঘুরে বেড়াত। রাহুল আর সহ্য করতে পারছিল না। একদিন রাতে সুমনা বলল, “রাহুল, আমার পিঠে তেল মালিশ করে দাও। খুব ব্যথা করছে।”

রাহুল ঘরে ঢুকল। সুমনা শুয়ে আছে উপুড় হয়ে, নাইটির পিছনের অংশটা নামিয়ে রেখেছে। তার মসৃণ পিঠ, কোমরের খাঁজ আর নিতম্বের উপরাংশ দেখে রাহুলের লিঙ্গ শক্ত হয়ে উঠল।

সে তেল নিয়ে মালিশ করতে শুরু করল। আস্তে আস্তে তার হাত নিচে নামতে লাগল। সুমনা নিঃশব্দে হাঁপাচ্ছিল। “আরেকটু নিচে… হ্যাঁ… ওখানে।”

রাহুলের হাত সুমনার নিতম্বের কাছে চলে গেল। সুমনা পা ফাঁক করে দিল সামান্য। রাহুল আর থাকতে পারল না। সে ঝুঁকে সুমনার ঘাড়ে চুমু খেল।

সুমনা ঘুরে তাকাল। চোখে আগুন। “রাহুল… এটা ঠিক না… কিন্তু আমি আর পারছি না।”

তারা প্রথমবার চুমু খেল। গভীর, আবেগপূর্ণ চুমু। রাহুলের হাত সুমনার স্তনে চলে গেল। নরম, ভারী স্তন দুটো চেপে ধরল। সুমনা ফিসফিস করে বলল, “আস্তে… চুষে খাও…”

রাহুল নাইটি সরিয়ে সুমনার গোলাপি বোঁটা মুখে নিল। চুষতে চুষতে সুমনা আর্তনাদ করে উঠল। তার হাত রাহুলের প্যান্টের ভিতরে ঢুকে গেল। শক্ত লিঙ্গটা হাতে নিয়ে আলতো করে ঘষতে লাগল।

সেদিন তারা পুরোপুরি সেক্স করল না। শুধু ছোঁয়াছুঁয়ি আর চুমুতে রাত কাটিয়ে দিল। কিন্তু এটাই শুরু।

কয়েকদিন পর দুপুরবেলা। বাড়িতে কেউ নেই। সুমনা রান্নাঘরে ছিল। রাহুল পেছন থেকে জড়িয়ে ধরল। তার শক্ত লিঙ্গ সুমনার নিতম্বে ঠেকিয়ে দিল।

“বউদি… আমি আর সহ্য করতে পারছি না।”

সুমনা ঘুরে তাকে জড়িয়ে ধরল। “আজকে পুরোপুরি নাও আমাকে।”

তারা উপরের ঘরে চলে গেল। দরজা বন্ধ করে সুমনা শাড়ি খুলে ফেলল। শুধু ব্লাউজ আর পেটিকোট। রাহুলও জামা খুলে ফেলল। তারা বিছানায় শুয়ে পড়ল।

রাহুল সুমনার ব্লাউজের হুক খুলে স্তন দুটো বের করল। দুই হাতে চেপে ধরে চুষতে লাগল। সুমনা তার মাথা চেপে ধরে বলছিল, “জোরে চুষো… আমার দুধ খাও রাহুল… তোমার বউদির দুধ…”

রাহুল নিচে নামল। পেটিকোট সরিয়ে সুমনার ভেজা যোনিতে মুখ দিল। জিভ দিয়ে চাটতে চাটতে সুমনা কেঁপে উঠছিল। “আহহহ… রাহুল… আমি যাব… আহ!”

সুমনা প্রথম অর্গাজমে চলে গেল। তারপর সে রাহুলকে শুয়িয়ে তার লিঙ্গ মুখে নিল। গভীর গলায় নিয়ে চুষতে লাগল। রাহুলের লিঙ্গ পুরোপুরি শক্ত হয়ে ৭ ইঞ্চি লম্বা হয়ে উঠেছে।

“বউদি… আমি ঢুকব?”

সুমনা পা ফাঁক করে শুয়ে বলল, “এসো… তোমার বউদির ভিতরে এসো।”

রাহুল ধীরে ধীরে ঢোকাল। গরম, ভেজা, টাইট যোনি তার লিঙ্গকে জড়িয়ে ধরল। “উফফফ… বউদি… কী আরাম…”

সে ধীরে ধীরে ঠাপাতে শুরু করল। সুমনা তার কোমর জড়িয়ে ধরে বলছিল, “জোরে… জোরে চোদো আমাকে… তোমার দাদার বউকে চোদো…”

রাহুলের গতি বাড়ল। ঘড় ঘড় শব্দে ঠাপ দিচ্ছিল। সুমনার স্তন দুলছিল। তারা অবস্থান বদলাল। সুমনা উপরে উঠে চড়ে বসল। তার নিতম্ব উঠানামা করছিল। রাহুল নিচ থেকে স্তন চুষছিল।

প্রায় ৪০ মিনিট ধরে বিভিন্ন পজিশনে চলল তাদের মিলন। শেষে রাহুল সুমনার ভিতরেই ঢেলে দিল তার বীর্য। সুমনা কাঁপতে কাঁপতে আরেকবার অর্গাজম করল।

তারা জড়াজড়ি করে শুয়ে রইল। সুমনা রাহুলের কানে ফিসফিস করে বলল, “এখন থেকে তুমিই আমার স্বামী।”

 

....
👁 628