আমার নাম রাহাত। বয়স ২৮। ঢাকায় একটা প্রাইভেট কোম্পানিতে মার্কেটিংয়ের চাকরি করি। গ্রামের বাড়িতে বাবা-মা আর দাদা থাকে। দাদার নাম রিয়াজ। বয়স ৩৫। দাদা গ্রামে ছোট একটা ব্যবসা চালায়। দু’বছর আগে দাদার বিয়ে হয়েছে সুমির সাথে। সুমি আমার বউদি। বয়স ২৬। ফর্সা, লম্বা, মোটা মোটা ঠোঁট, আর চোখ দুটো যেন কাজল টানা। শরীরটা এমন যে দেখলেই মনটা অস্থির হয়ে যায়। পুরোদস্তুর গ্রাম্য সৌন্দর্য — কিন্তু শহুরে ফ্যাশনও জানে।
আমি প্রতি মাসে দু’তিনবার গ্রামে যাই। বউদি আমাকে খুব স্নেহ করে। “রাহাত ভাই, খাইয়া যাও”, “রাহাত ভাই, ঠান্ডা লাগলে বলো” — এসব বলে। কিন্তু কিছুদিন ধরে আমি লক্ষ্য করছি, বউদির চোখে অন্যরকম একটা দৃষ্টি। দাদা প্রায়ই ব্যবসার কাজে বাইরে থাকে। বউদি একা একা বাড়িতে।
সেদিন ছিল জুন মাসের একটা ভয়ংকর ঝড়ের রাত। আকাশ কালো হয়ে গেছে সকাল থেকেই। বিকেলের দিকে প্রচণ্ড বৃষ্টি শুরু হলো। আমি ঢাকা থেকে গ্রামে এসেছিলাম মায়ের শরীর খারাপের খবর পেয়ে। মা তখন ঘুমিয়ে। দাদা চট্টগ্রামে গেছে পাইকারি মাল আনতে। বাড়িতে শুধু আমি, বউদি আর মা।
রাত ন’টার দিকে বিদ্যুৎ চলে গেল। ঝড়ের বেগ বেড়ে গেল। জানালার কাচে বৃষ্টির ঝাপটা পড়ছে। বউদি রান্নাঘর থেকে হ্যারিকেন নিয়ে এলো। তার পরনে ছিল একটা হালকা নীল শাড়ি, আর ভেজা চুল পিঠে ছড়ানো। শাড়ির আঁচলটা একটু খসে পড়েছে। তার ভারী স্তনের উপরিভাগ দেখা যাচ্ছে। আমি চোখ সরিয়ে নিলাম।
“রাহাত ভাই, ভয় লাগছে। এত জোরে ঝড়…” বউদি বলল কাঁপা গলায়।
“কিছু হবে না বউদি। আমি আছি।” আমি বললাম।
মা ঘুমের ওষুধ খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েছে। বউদি আমাকে তার ঘরে ডেকে নিলো। “এখানে বসো। একা একা ভয় লাগে।”
ঘরে একটা বড় খাট। মশারি টাঙানো। হ্যারিকেনের আলোয় বউদির মুখটা লালচে দেখাচ্ছিল। আমরা দু’জনে খাটের একপাশে বসলাম। কথা বলতে বলতে সময় কাটছিল। বউদি বলল, “রিয়াজ ভাইয়া তো সবসময় বাইরে। আমার খুব একা লাগে।”
আমি তার হাতে হাত রাখলাম। “আমি তো আছি বউদি।”
হঠাৎ একটা প্রচণ্ড বাজ পড়ল। বউদি ভয়ে আমার বুকে ঝাঁপিয়ে পড়ল। তার নরম স্তন আমার বুকে চেপে গেল। আমার শরীরে বিদ্যুৎ খেলে গেল। তার শরীর থেকে হালকা সাবান আর ঘামের মিশ্র গন্ধ আসছিল। আমি তার পিঠে হাত বুলিয়ে দিতে লাগলাম।
“বউদি… ঠিক আছে।” আমি ফিসফিস করে বললাম।
কিন্তু বউদি উঠল না। বরং আরও জোরে জড়িয়ে ধরল। তার ঠোঁট আমার গলায় ঘষা খাচ্ছিল। আমার লিঙ্গ শক্ত হয়ে উঠল। আমি আর নিজেকে সামলাতে পারলাম না। তার চুলে হাত দিয়ে তার মুখটা তুলে ধরলাম।
“বউদি…”
তার চোখে জল চিকচিক করছিল। “রাহাত… আমারও অনেকদিন ধরে মন চায় তোমাকে।”
এই কথাটা শোনার পর আর কোনো বাধা রইল না। আমি তার ঠোঁটে চুমু খেলাম। প্রথমে হালকা, তারপর গভীর। তার জিভ আমার জিভে জড়িয়ে গেল। আমরা দু’জনে পাগলের মতো চুমু খেতে লাগলাম। তার শাড়ির আঁচল খসে পড়ল। আমি তার স্তনের উপর হাত রাখলাম। নরম, ভারী, গরম। ব্লাউজের উপর দিয়েই চেপে ধরলাম।
বউদি “উফফ্…” করে শব্দ করল। আমি তার ব্লাউজের হুক খুলে ফেললাম। তার সাদা ব্রা বেরিয়ে পড়ল। ব্রা খুলতেই দুটো ভারী স্তন লাফিয়ে বেরিয়ে এলো। গোলাপি বোঁটা শক্ত হয়ে আছে। আমি একটা বোঁটা মুখে নিয়ে চুষতে লাগলাম। বউদি আমার চুলে হাত দিয়ে চেপে ধরল। “আহ্ রাহাত… জোরে চোষো…”
আমি অন্য হাত দিয়ে তার অন্য স্তন টিপছিলাম। তারপর তার শাড়ি আর পেটিকোট খুলে ফেললাম। সে একদম নগ্ন। তার কালো ঘন যোনি চকচক করছিল। আমি তার উরুর ভিতর হাত দিলাম। গরম, ভেজা। আঙুল দিয়ে তার ক্লিটোরিস ঘষতেই বউদি কেঁপে উঠল।
“আমাকে চাও রাহাত… তোমার করে নাও।”
আমি আমার জামা-প্যান্ট খুলে ফেললাম। আমার শক্ত লিঙ্গ বেরিয়ে পড়ল। বউদি হাত দিয়ে ধরল। “অনেক বড়…” বলে হাসল। তারপর মুখে নিয়ে চুষতে লাগল। গভীর গলায় নিয়ে যাচ্ছে, জিভ দিয়ে চাটছে। আমি আর থাকতে পারলাম না।
তাকে খাটে শুইয়ে দিয়ে তার পা দুটো ফাঁক করলাম। তার যোনি লাল হয়ে আছে। আমি ধীরে ধীরে ঢুকিয়ে দিলাম। “আআআহ্…” বউদি চিৎকার করে উঠল। আমি পুরোটা ঢুকিয়ে দিয়ে জোরে জোরে ঠাপাতে লাগলাম। তার স্তন দুটো লাফাচ্ছে। আমি চুমু খাচ্ছি, কামড়াচ্ছি।
“জোরে… আরও জোরে রাহাত… তোমার বউদিকে ফাটিয়ে দাও!”
আমরা দু’জনে ঘামে ভিজে গেলাম। ঝড়ের শব্দের সাথে আমাদের নিঃশ্বাস আর আনন্দের শব্দ মিশে যাচ্ছিল। প্রথম রাউন্ডে আমি তার ভিতরেই ঢেলে দিলাম। বউদি কাঁপতে কাঁপতে অর্গাজম করল।
কিন্তু রাত তো অনেক বাকি। আমরা আবার শুরু করলাম। এবার বউদি উপরে উঠল। আমার লিঙ্গের উপর বসে নাচতে লাগল। তার স্তন দুটো আমার মুখের সামনে দুলছে। আমি চুষছি, সে চড়ছে। দ্বিতীয় রাউন্ড আরও জোরে হলো।
রাত দুটোর দিকে আমরা ক্লান্ত হয়ে পড়লাম। বউদি আমার বুকে মাথা রেখে শুয়ে আছে। “এটা আমাদের গোপন রহস্য থাকবে রাহাত। কিন্তু যতবার ইচ্ছে আসবে, আমি তোমার।”
....