ভাবীর কোলে আমার স্বর্গ

রাজশাহীর একটা ছোট গ্রামে, নদীর পাশে আমাদের পুরনো বাড়ি। আমি রাহাত। ঢাকায় চাকরি করি, কিন্তু প্রতি মাসে গ্রামে আসি মায়ের কাছে। আমার বড় ভাই রিয়াজ চাকরির সুবাদে চট্টগ্রামে থাকে। তার বিয়ে হয়েছে তিন বছর আগে। বউয়ের নাম নিলুফা। আমরা সবাই ডাকি নিলু ভাবী।

kxz

নিলু ভাবী বয়স ২৬। ফর্সা, লম্বা, চোখ দুটো যেন কাজল মাখা। শরীরটা এমন যে দেখলেই মনটা অস্থির হয়ে যায়। পুরু ঠোঁট, ভারী স্তন, নিতম্বের বাঁকা রেখা—সবকিছু যেন সৃষ্টিকর্তা নিজ হাতে গড়েছেন পুরুষের মন ভোলানোর জন্য। কিন্তু আমি কখনো খারাপ চোখে দেখিনি। সে আমার ভাবী।

সেবার বর্ষাকাল। ঢাকা থেকে গ্রামে এসেছি দুই সপ্তাহের ছুটিতে। ভাই চট্টগ্রামে। মা বলল, “নিলু একা আছে, তুই ওর সাথে একটু খেয়াল রাখিস।”

kx/춺'

প্রথম দিনগুলো স্বাভাবিক ছিল। নিলু ভাবী রান্না করে, আমি খাই। সন্ধ্যায় বারান্দায় বসে গল্প করি। সে আমাকে ছোটবেলার গল্প শোনায়, আমি ঢাকার অফিসের হাসি-মজার কথা বলি। তার হাসিটা এত মিষ্টি যে আমার বুকের ভিতর কেমন করে।

একদিন রাতে প্রচণ্ড বৃষ্টি। বিদ্যুৎ চলে গেছে। বাড়ির সবাই ঘুমিয়ে। আমি জানালার পাশে বসে বাইরের বৃষ্টি দেখছি। হঠাৎ দরজায় টোকা। নিলু ভাবী এসেছে, হাতে মোমবাতি। তার পরনে সাদা সুতির নাইটি, ভিজে গেছে কাঁধের কাছটা। নাইটির ভিতর দিয়ে তার স্তনের আকৃতি স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে।

“রাহাত, ঘুম আসছে না। একা লাগছে।” তার গলা কাঁপছে।

আমি তাকে বসতে বললাম। আমরা কথা বলতে বলতে অনেক রাত হয়ে গেল। সে বলল, “রিয়াজ ভাইয়া অনেকদিন বাড়ি আসে না। আমার খুব একা লাগে।” তার চোখে জল। আমি তার হাত ধরে সান্ত্বনা দিতে গেলাম। হাতটা ধরতেই তার শরীর কেঁপে উঠল।

সেই রাতে প্রথমবার আমাদের মধ্যে কিছু একটা ঘটল। আমি তার কপালে চুমু খেলাম। সে চোখ বন্ধ করে আমার বুকে মাথা রাখল। তার নরম স্তন আমার বুকে চেপে আছে। আমার লিঙ্গ শক্ত হয়ে উঠল। কিন্তু আমি নিজেকে সামলালাম।

পরের কয়েকদিন আমরা খুব কাছাকাছি হয়ে গেলাম। সকালে সে চা নিয়ে আসে, আমি তার কোমর জড়িয়ে ধরি। সে লজ্জায় মাথা নিচু করে। কিন্তু চোখে আগুন।

এক বিকেলে আমরা নদীর ধারে বেড়াতে গেলাম। বৃষ্টি শুরু হলো। আমরা একটা পরিত্যক্ত ঘরে আশ্রয় নিলাম। ভিতরে পুরনো খড়ের গাদা। নিলু ভাবী ভিজে গেছে। তার নাইটি শরীরের সাথে লেপটে আছে। তার স্তনের বোঁটা দুটো স্পষ্ট। আমি আর সহ্য করতে পারলাম না।

“ভাবী…” আমি তার কাছে এগিয়ে গেলাম।

সে কোনো কথা বলল না। শুধু চোখ বন্ধ করে দাঁড়িয়ে রইল। আমি তার ঠোঁটে চুমু খেলাম। প্রথমে হালকা, তারপর গভীর। তার জিভ আমার জিভের সাথে জড়িয়ে গেল। আমার হাত তার পিঠ বেয়ে নেমে নিতম্বে চেপে ধরল। সে ফিসফিস করে বলল, “রাহাত… আমি তোমাকে অনেকদিন ধরে চাই।”

আমি তার নাইটির স্ট্র্যাপ নামিয়ে দিলাম। তার দুই স্তন বেরিয়ে পড়ল। সাদা, ভারী, গোলাপি বোঁটা। আমি একটা স্তন মুখে নিয়ে চুষতে লাগলাম। সে আঃ আঃ করে কেঁপে উঠল। তার হাত আমার প্যান্টের ভিতর ঢুকে আমার শক্ত লিঙ্গ ধরল।

“এত বড়… রাহাত, তোমারটা অনেক মোটা।” সে লজ্জায় বলল।

আমি তাকে খড়ের উপর শুইয়ে দিলাম। তার নাইটি পুরো তুলে ফেললাম। তার কামানো যোনি দেখে আমার মাথা ঘুরে গেল। গোলাপি, ভিজে চকচক করছে। আমি মুখ নামিয়ে চাটতে লাগলাম। তার ক্লিটোরিস চুষছি, আঙুল ঢুকিয়ে ঘষছি। সে পাগলের মতো চিৎকার করছে, “আহহহ… রাহাত… খেয়ে ফেলো আমাকে…!”

সে দুবার জোরে অর্গাজম করল। তারপর আমাকে উপরে টেনে নিল। “এবার ঢোকাও… প্লিজ।”

আমি আমার ৭ ইঞ্চি লম্বা, মোটা লিঙ্গ তার যোনিতে ঢোকালাম। প্রথমে ধীরে, তারপর জোরে জোরে ঠাপাতে লাগলাম। তার স্তন দুটো লাফাচ্ছে। সে আমার পিঠে নখ বসিয়ে দিচ্ছে। “জোরে… আরও জোরে… তোমার বউ হয়ে যাবো আমি… আজ থেকে তুমিই আমার স্বামী…”

আমরা প্রায় এক ঘণ্টা ধরে বিভিন্ন পজিশনে মিলিত হলাম। ডগি স্টাইলে তার নিতম্বে চড় মেরে ঠাপালাম। সে আমার উপর উঠে চড়ে নাচল। শেষে আমি তার মুখে বীর্য ঢেলে দিলাম। সে সবটা গিলে ফেলল।

এরপর থেকে আমাদের সম্পর্ক পাল্টে গেল। রাতে সে আমার ঘরে আসে। কখনো আমি তার ঘরে। আমরা সারারাত ধরে ভালোবাসি। সে আমাকে বলে, “তোমার সাথে এত সুখ কখনো পাইনি রিয়াজ ভাইয়ার সাথে।”

একদিন সে বলল, “আমি তোমার বাচ্চা নিতে চাই।” আমি অবাক হয়ে গেলাম। কিন্তু তার চোখে এত ভালোবাসা যে আমি রাজি হয়ে গেলাম।

পরের কয়েক সপ্তাহ আমরা প্রায় প্রতিদিন সেক্স করতাম। সকালে রান্নাঘরে দাঁড়িয়ে, বিকেলে নদীর ধারে, রাতে বিছানায়। একদিন সে আমাকে বলল, “আমি গর্ভবতী হয়েছি। তোমার বাচ্চা।”

আমি আনন্দে তাকে জড়িয়ে ধরলাম। কিন্তু সমস্যা হলো ভাইয়ের কথা। নিলু বলল, “চিন্তা করো না। আমি সামলে নেব।”

গল্পটা এখানে শেষ করব না। আরও বিস্তারিত বলি।

(এখন বিস্তারিত দৃশ্যগুলো…)

সেই প্রথম রাতের পরের দিন সকালে। নিলু ভাবী রান্নাঘরে দাঁড়িয়ে রুটি বানাচ্ছে। আমি পিছন থেকে গিয়ে তার কোমর জড়িয়ে ধরলাম। আমার শক্ত লিঙ্গ তার নিতম্বে ঠেকছে। সে হাসতে হাসতে বলল, “কী করছো সকাল সকাল?”

আমি তার কানে কামড় দিয়ে বললাম, “তোমাকে ছাড়া থাকতে পারছি না।” আমি তার শাড়ির আঁচল সরিয়ে স্তন মালিশ করতে লাগলাম। সে গ্যাস বন্ধ করে আমার দিকে ঘুরল। আমি তাকে কাউন্টারে তুলে বসালাম। শাড়ি তুলে তার প্যান্টি সরিয়ে আঙুল ঢুকালাম। সে ঠোঁট কামড়ে কেঁপে উঠল।

“রাহাত… মা ঘুম থেকে উঠলে কী হবে?”

“চুপ করে থাকো।” আমি হাঁটু গেড়ে তার যোনি চাটতে লাগলাম। তার রস আমার মুখে ঝরছে। সে আমার চুল ধরে চেপে ধরল। তারপর আমি উঠে আমার লিঙ্গ বের করে ঢুকিয়ে দিলাম। রান্নাঘরে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ঠাপাতে লাগলাম। তার পা আমার কোমরে জড়ানো। প্রত্যেক ঠাপে তার স্তন লাফাচ্ছে। শেষে আমি তার ভিতরেই ঢেলে দিলাম।

এভাবে দিন কাটতে লাগল। একদিন বিকেলে আমরা দুজনে বাড়ির পিছনের আমবাগানে গেলাম। সেখানে কেউ নেই। সে একটা গাছের সাথে হেলান দিয়ে দাঁড়াল। আমি তার পেছন থেকে শাড়ি তুলে ঢুকিয়ে দিলাম। ডগি স্টাইলে জোরে জোরে ঠাপাচ্ছি। তার নিতম্বে চড় মারছি। সে বলছে, “মারো… তোমার ভাবীকে চোদো… আমি তোমার রান্ডি…”

আমরা দুজনেই একসাথে ক্লাইম্যাক্সে পৌঁছালাম।

রাতে বিছানায় সে আমাকে নতুন নতুন পজিশন শেখায়। কখনো সে উপরে উঠে রাইড করে, কখনো আমি তার পা কাঁধে তুলে মিশনারি করে গভীরে ঢুকাই। তার গালে, ঠোঁটে, স্তনে চুমু খেতে খেতে বলি, “তুমি আমার। শুধু আমার।”

এক রাতে সে আমাকে বলল, “আমি তোমার সাথে পালিয়ে যেতে চাই। কিন্তু মা আছে।” আমি তাকে আশ্বাস দিলাম। আমরা ঠিক করলাম, ধীরে ধীরে সব সামলে নেব।

গর্ভবতী হওয়ার পর তার শরীর আরও সুন্দর হয়ে উঠল। স্তন দুটো আরও ভারী, নিতম্ব আরও মোটা। আমি তার গর্ভবতী পেটে চুমু খাই, তারপর তার যোনিতে ঢুকি। সে বলে, “আস্তে… বাচ্চার ক্ষতি হবে না তো?” আমি আস্তে আস্তে ঠাপাই। তার শরীর থেকে দুধের মতো গন্ধ বের হয়।

আমাদের এই নিষিদ্ধ প্রেম চলতে থাকে। ভাই যখন আসে, সে স্বাভাবিক থাকে। কিন্তু রাতে আমার কাছে চুপিচুপি আসে। “তোমার সাথেই আমার সুখ।”

একদিন সবাই ঘুমিয়ে থাকতে সে আমার ঘরে এল। পরনে শুধু ব্লাউজ আর পেটিকোট। আমি তাকে বিছানায় নিয়ে পুরো নগ্ন করে ফেললাম। তার শরীরে তেল মালিশ করলাম। তারপর তার পায়ের আঙ্গুল থেকে শুরু করে মাথা পর্যন্ত চুমু খেলাম। তার যোনিতে মুখ দিয়ে অনেকক্ষণ চাটলাম। সে তিনবার ঝরে গেল।

শেষে সে আমাকে বলল, “আজ আমার পেছনে ঢোকাও।” আমি অবাক। “প্রথমবার?” সে লজ্জায় মাথা নেড়ে হ্যাঁ বলল।

আমি তার নিতম্বে লুব্রিকেন্ট মতো তার নিজের রস লাগিয়ে ধীরে ধীরে ঢোকালাম। সে ব্যথায় কেঁদে উঠল, কিন্তু থামতে দিল না। “চালিয়ে যাও… আমি তোমার সব দিতে চাই।”

আমি তার পায়ুতে পুরো ঢুকিয়ে ঠাপাতে লাগলাম। সে আর্তনাদ করছে, কিন্তু আনন্দও পাচ্ছে। শেষে আমি তার পেছনেই বীর্য ঢেলে দিলাম।

এভাবে আমাদের রোমান্টিক ও যৌন জীবন চলতে লাগল। গল্পটা অনেক লম্বা, কিন্তু শেষে আমরা একসাথে থাকার উপায় বের করলাম। নিলু ভাবী আমার সন্তানের মা হলো। আর আমরা দুজন গোপনে একে অপরের সবকিছু হয়ে গেলাম।

 

....
👁 785