ঢাকা শহরের ব্যস্ত রাস্তায়, গুলশানের একটি ছোট ক্যাফেতে বসে ছিল রাহাত। বয়স আটাশ। সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। চোখে চশমা, মুখে হালকা দাড়ি। সে সবসময় একটু একাকী থাকতে পছন্দ করে। আজও ল্যাপটপে কোড লিখছিল, কিন্তু মনটা কেমন উদাস। বাইরে বৃষ্টি পড়ছে। হঠাৎ ক্যাফের দরজায় একটা মেয়ে ঢুকল। তার নাম ছিল নিশা। বয়স চব্বিশ। লম্বা চুল, ফর্সা গায়ের রং, চোখ দুটো যেন দুটো তারা। সে ভিজে গিয়েছে বৃষ্টিতে। ক্যাফের ওয়েটারের কাছে এক কাপ কফি অর্ডার করল।
রাহাতের চোখ পড়ল তার দিকে। নিশা একটা টেবিল খুঁজছিল, কিন্তু সব ভর্তি। রাহাত নিজের টেবিলের দিকে ইশারা করল, “যদি কোনো সমস্যা না হয়, এখানে বসুন।”
নিশা হেসে বলল, “থ্যাঙ্ক ইউ। বৃষ্টিটা হঠাৎ শুরু করল।”
তাদের কথা শুরু হলো। নিশা একটা প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে লেকচারার। সাহিত্য পড়ায়। রাহাতের সাথে কথা বলতে বলতে তার মনে হলো, এই ছেলেটার মধ্যে একটা শান্ত গভীরতা আছে। রাহাতও অনুভব করল, নিশার হাসিতে কেমন একটা উষ্ণতা। বৃষ্টি থামার পরও তারা প্রায় এক ঘণ্টা কথা বলল। নম্বর বিনিময় হলো।
পরের কয়েকদিন তারা মেসেজ করল। নিশা রাহাতকে তার প্রিয় কবিতা পাঠাত, রাহাত নিশাকে তার লেখা ছোট ছোট গানের লাইন শোনাত। ধীরে ধীরে তারা কাছাকাছি হয়ে উঠল।
এক সন্ধ্যায় রাহাত নিশাকে ফোন করে বলল, “আজকে যদি সময় হয়, একটু বাইরে ঘুরে আসি? পুরান ঢাকায় একটা ছোট রেস্টুরেন্ট আছে, খুব ভালো খাবার।”
নিশা রাজি হলো। তারা রিকশায় করে পুরান ঢাকার সরু গলিতে ঘুরল। হাতে হাত লাগল প্রথমবার। নিশার হাতটা নরম, উষ্ণ। রাহাতের বুকের ভিতর কেমন একটা শিহরণ হলো। রেস্টুরেন্টে বসে তারা খেল – ইলিশ মাছ, ভাত, ডাল। কথা বলতে বলতে নিশা বলল, “আমি কখনো এত স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করিনি কারো সাথে।”
রাহাত তার চোখের দিকে তাকিয়ে বলল, “আমিও না। তোমার সাথে থাকলে মনে হয় সময় থেমে যায়।”
সেই রাতে বাড়ি ফেরার পথে রাহাত নিশাকে তার বাসায় নামিয়ে দিল। দরজায় দাঁড়িয়ে নিশা হঠাৎ রাহাতের গালে একটা হালকা চুমু দিল। “গুড নাইট।”
রাহাতের শরীরটা কেঁপে উঠল। সে বাড়ি ফিরে সারারাত নিশার কথা ভাবল।
তারপর থেকে তাদের দেখা হওয়া বাড়তে লাগল। সপ্তাহান্তে তারা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঘুরত, বুক রেস্টুরেন্টে বসত, লেকের পাড়ে হাঁটত। রাহাত নিশার হাত ধরে রাখত। নিশা তার কাঁধে মাথা রাখত। একদিন বৃষ্টির মধ্যে তারা ভিজতে ভিজতে হাসতে হাসতে দৌড়াল। ভিজে যাওয়া নিশার শাড়ি তার শরীরের সাথে লেপটে গিয়েছিল। রাহাতের চোখ পড়ল তার বুকের উপর। নিশা লজ্জায় মুখ নিচু করল, কিন্তু চোখে একটা আমন্ত্রণ ছিল।
এক রাতে নিশার বাসায় কেউ ছিল না। তার রুমমেট গ্রামে গিয়েছে। নিশা রাহাতকে ডেকে নিল। “আজকে আসবে? একটু রান্না করব।”
রাহাত গেল। নিশা সুন্দর করে সাজিয়েছিল ঘরটা। মোমবাতি জ্বালিয়েছিল। তারা খেল, তারপর সোফায় বসে গান শুনল। নিশা রাহাতের কোলে মাথা রেখে শুয়ে পড়ল। রাহাত তার চুলে হাত বুলাতে লাগল। ধীরে ধীরে তার হাত নেমে এল নিশার গালে, ঘাড়ে। নিশা চোখ বন্ধ করে উপভোগ করছিল।
রাহাত নিশার ঠোঁটে একটা হালকা চুমু দিল। নিশা সাড়া দিল। চুমুটা গভীর হলো। তাদের জিভ একে অপরের সাথে খেলতে লাগল। রাহাতের হাত নিশার পিঠে, কোমরে ঘুরতে লাগল। নিশা আস্তে আস্তে রাহাতের শার্টের বোতাম খুলতে শুরু করল।
“তুমি সুন্দর,” ফিসফিস করে বলল রাহাত।
নিশা লজ্জায় হাসল, “তুমিও।”
তারা উঠে বেডরুমে চলে গেল। নিশা শাড়ির আঁচল সরিয়ে দিল। তার ব্লাউজের ভিতর থেকে তার সুন্দর বুক উঁকি দিচ্ছিল। রাহাত তার ব্লাউজের হুক খুলল। নিশার সাদা ব্রা বেরিয়ে পড়ল। রাহাত তার বুকে চুমু দিল। নিশা কেঁপে উঠল, “আহ্... রাহাত...”
রাহাত ধীরে ধীরে নিশার শাড়ি খুলে ফেলল। তার প্যান্টি পর্যন্ত। নিশা পুরোপুরি নগ্ন হয়ে শুয়ে পড়ল। তার শরীরটা চাঁদের আলোয় চকচক করছিল। গোল গোল স্তন, সমতল পেট, নরম উরু। রাহাতও তার কাপড় খুলে ফেলল। তার শরীর শক্ত, পুরুষালি।
তারা একে অপরকে জড়িয়ে ধরল। চুমুতে চুমুতে তাদের শরীর মিশে যাচ্ছিল। রাহাত নিশার স্তনে চুষতে লাগল। নিশা তার চুল ধরে চাপ দিচ্ছিল। “আরো জোরে...”
রাহাতের হাত নিশার উরুর মাঝে চলে গেল। নিশা ইতিমধ্যে ভিজে গিয়েছে। তার আঙুল নিশার গোপন জায়গায় ঘুরতে লাগল। নিশা আর্তনাদ করে উঠল, “উফফ... রাহাত... আমি আর পারছি না...”
রাহাত নিশার উপর উঠল। তার শক্ত লিঙ্গ নিশার ভেজা যোনিতে ঘষতে লাগল। নিশা চোখ বন্ধ করে বলল, “আস্তে... প্রথমবার...”
রাহাত ধীরে ধীরে ঢুকিয়ে দিল। নিশা একটু কষ্ট পেল, কিন্তু তারপর আনন্দে ভরে গেল। “আহ্... ভালো লাগছে... আরো গভীরে...”
রাহাত তার কোমর ধরে ধীরে ধীরে ঠাপাতে লাগল। তাদের শরীর একসাথে নড়ছিল। ঘামে ভিজে যাচ্ছিল দুজনেই। নিশা তার পা দিয়ে রাহাতের কোমর জড়িয়ে ধরল। “জোরে... জোরে করো...”
রাহাতের গতি বাড়ল। ঘর ভরে গেল তাদের নিঃশ্বাস আর আর্তনাদে। নিশার স্তন দুলছিল প্রতি ঠাপে। রাহাত এক হাতে স্তন চেপে ধরে চুমু খাচ্ছিল।
অনেকক্ষণ পর নিশা কেঁপে উঠল। তার শরীর শিথিল হয়ে গেল। সে অর্গাজমে পৌঁছেছে। “আমি... আমি যাচ্ছি... আহ্!”
রাহাতও আর ধরে রাখতে পারল না। সে নিশার ভিতরেই তার বীর্য ঢেলে দিল। দুজনে জড়াজড়ি করে শুয়ে রইল। হৃদস্পন্দন একসাথে চলছিল।
এরপর থেকে তাদের মিলন আরো ঘন ঘন হতে লাগল। কখনো নিশার বাসায়, কখনো রাহাতের ফ্ল্যাটে। তারা নানাভাবে একে অপরকে আবিষ্কার করল।
একদিন রাহাত নিশাকে শাওয়ারের নিচে নিয়ে গেল। ভেজা শরীরে সাবান মাখিয়ে একে অপরকে ঘষতে ঘষতে তারা আবার মিলিত হলো। পানির শব্দের সাথে তাদের আর্তনাদ মিশে যাচ্ছিল।
আরেকদিন তারা বেডে শুয়ে ৬৯ পজিশনে একে অপরকে চাটল। নিশা রাহাতের লিঙ্গ মুখে নিয়ে চুষছিল, রাহাত নিশার যোনি চুষছিল। দুজনেই একসাথে ক্লাইম্যাক্স করল।
তাদের প্রেম আরো গভীর হলো। রাহাত নিশাকে বলল, “তুমি আমার জীবনের আলো।”
নিশা বলল, “তুমি আমার সব।”
কয়েক মাস পর তারা বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিল। কিন্তু তার আগে এক চাঁদনি রাতে তারা ছাদে গেল। ঢাকার আকাশে চাঁদ উঠেছে। তারা একটা চাদর পেতে শুয়ে পড়ল।
নিশা রাহাতের উপর চড়ে বসল। তার যোনি রাহাতের লিঙ্গের উপর বসিয়ে ধীরে ধীরে উঠানামা করতে লাগল। চাঁদের আলোয় তাদের শরীর চকচক করছিল। নিশার স্তন দুলছিল। রাহাত তার কোমর ধরে সাহায্য করছিল।
“আমি তোমাকে ভালোবাসি,” বলতে বলতে নিশা জোরে জোরে চড়ছিল।
রাহাতও উত্তেজিত হয়ে নিচ থেকে ঠাপ দিচ্ছিল। শেষে দুজনে একসাথে চরমে পৌঁছাল। তারা চাঁদের নিচে জড়াজড়ি করে শুয়ে রইল।
এইভাবে দুটি আত্মা এক হয়ে গেল চিরকালের জন্য।
....