রাত তখন গভীর। ঢাকার একটা ছোট অ্যাপার্টমেন্টের এক কোণের ঘরে জানালা দিয়ে হালকা বৃষ্টির শব্দ আসছিল। ঘরটা ছোট, কিন্তু আরামদায়ক। একটা ডাবল বেড, একটা ছোট টেবিল, একটা ল্যাম্প যেটা নরম আলো ছড়াচ্ছে। আর সেই ঘরে দুইজন—রাহাত আর নুসরাত।
রাহাত বয়স ত্রিশের কাছাকাছি। লম্বা, সুঠাম শরীর, চোখে একটা গভীরতা। সে একটা ছোট কোম্পানিতে মার্কেটিংয়ে কাজ করে। নুসরাত তার থেকে চার বছরের ছোট। নরম, সুন্দরী, লম্বা চুল, চোখে একটা লাজুক আলো। সে একটা কলেজে লেকচারার। দুজনের পরিচয় হয়েছে মাত্র তিন মাস আগে, একটা বইয়ের দোকানে। সেদিন থেকেই কথা, মেসেজ, তারপর একদিন দেখা। আজ প্রথমবার তারা একা, এক ঘরে।
নুসরাত জানালার কাছে দাঁড়িয়ে বৃষ্টি দেখছিল। তার পরনে একটা হালকা সাদা সালোয়ার কামিজ। রাহাত পেছন থেকে এসে তার কাঁধে হাত রাখল। নুসরাত একটু কেঁপে উঠল, কিন্তু ঘুরে তাকাল না।
“ভয় লাগছে?” রাহাত ফিসফিস করে জিজ্ঞাসা করল।
নুসরাত মাথা নেড়ে না বলল। “না… শুধু… এত কাছে এসে যাওয়াটা অদ্ভুত লাগছে। ভালো লাগছে।”
রাহাত তার কোমর জড়িয়ে ধরল। তার শরীরের উষ্ণতা নুসরাতের পিঠে লাগল। ধীরে ধীরে সে ঘুরে দাঁড়াল। তাদের চোখে চোখ পড়ল। ঘরের ল্যাম্পের নরম আলোয় নুসরাতের মুখটা আরও সুন্দর লাগছিল। রাহাত তার গালে হাত বুলিয়ে দিল।
“তুমি খুব সুন্দর,” সে বলল।
নুসরাত লজ্জায় চোখ নামিয়ে ফেলল। কিন্তু তার হাত রাহাতের বুকে উঠে এল। তার হৃদস্পন্দন অনুভব করল সে। রাহাত তার চিবুক তুলে ধরে আলতো করে চুমু খেল তার ঠোঁটে। প্রথম চুমু। নরম, দ্বিধাগ্রস্ত। তারপর আরেকটা, আরেকটু গভীর। নুসরাতের ঠোঁট কাঁপছিল। তার হাত রাহাতের পিঠ চেপে ধরল।
চুমু গভীর হতে হতে তাদের শ্বাস দ্রুত হয়ে উঠল। রাহাত নুসরাতকে কোলে তুলে নিয়ে বেডের কাছে নিয়ে গেল। তাকে আলতো করে শুইয়ে দিয়ে তার উপর ঝুঁকে পড়ল। তার ঠোঁট নুসরাতের গলায় নেমে এল। নুসরাতের শরীরে একটা শিহরণ খেলে গেল।
“রাহাত…” সে ফিসফিস করে ডাকল।
রাহাত তার কামিজের বোতাম খুলতে শুরু করল। একটা একটা করে। নুসরাতের সাদা ব্রা দেখা গেল। তার বুক উঠানামা করছিল। রাহাত তার কাঁধে চুমু খেল, তারপর নামিয়ে আনল ব্রা স্ট্র্যাপ। নুসরাতের নরম স্তন বেরিয়ে পড়ল। রাহাত একটা স্তন মুখে নিয়ে চুষতে শুরু করল। নুসরাতের মুখ থেকে একটা আলতো শব্দ বেরিয়ে এল, “আহ্…”
তার হাত রাহাতের চুলে জড়িয়ে গেল। রাহাত অন্য স্তনটাও একইভাবে আদর করল। তারপর নিচে নামতে শুরু করল। নুসরাতের পেটে চুমু, নাভিতে চুমু। সালোয়ারের দড়ি খুলে দিল সে। নুসরাত সাহায্য করল, নিজের প্যান্টি খুলতে দিল। তার পুরো শরীর এখন উন্মুক্ত। রাহাত তার উরুতে চুমু খেতে খেতে তার সবচেয়ে নরম জায়গায় মুখ নামাল।
নুসরাতের শরীর কেঁপে উঠল। “রাহাত… এটা… আহ্…” তার কথা শেষ হল না। রাহাতের জিভ তার ক্লিটোরিসে খেলা করছিল। ধীরে ধীরে, তারপর জোরে। নুসরাতের হাত বিছানার চাদর চেপে ধরল। তার কোমর উঠে আসছিল। রাহাত দুই আঙুল ঢুকিয়ে দিল ভেতরে। নুসরাত চিৎকার করে উঠল আনন্দে।
প্রথম অর্গাজম এল দ্রুত। তার শরীর শক্ত হয়ে গেল, তারপর ঢিলে হয়ে পড়ল। রাহাত উঠে এসে তার ঠোঁটে চুমু খেল। নুসরাত তার জামা খুলে দিল। তারপর প্যান্ট। রাহাতের শক্ত লিঙ্গ বেরিয়ে পড়ল। নুসরাত হাত দিয়ে ধরল। গরম, শক্ত। সে আলতো করে উপর নিচ করতে লাগল।
রাহাত আর সহ্য করতে পারছিল না। সে নুসরাতের পা দুটো ফাঁক করে নিজেকে তার মাঝে রাখল। ধীরে ধীরে ঢুকতে শুরু করল। নুসরাতের চোখ বড় হয়ে গেল। “আস্তে… প্রথমবার…”
রাহাত আস্তে আস্তে ঢুকল। পুরোটা ঢোকার পর দুজনেই শ্বাস আটকে রাখল। তারপর ধীর গতিতে চলতে শুরু করল। নুসরাতের নখ রাহাতের পিঠে বসে গেল। তাদের শরীর এক হয়ে গেল। ঘরে শুধু তাদের শ্বাস আর চুমুর শব্দ।
রাহাতের গতি বাড়তে লাগল। নুসরাত তার কোমর জড়িয়ে ধরে নিচ থেকে উঠে আসছিল। “আরও জোরে… রাহাত… প্লিজ…”
তারা পজিশন চেঞ্জ করল। নুসরাত উপরে উঠে এল। রাহাতের উপর বসে নিজে নড়াচড়া করতে লাগল। তার স্তন দুলছিল। রাহাত সেগুলো চেপে ধরে চুষছিল। নুসরাতের চুল এলোমেলো হয়ে গেল। তার মুখ থেকে অবিরাম আনন্দের শব্দ বেরোচ্ছিল।
দ্বিতীয়বার অর্গাজম এল নুসরাতের। তার শরীর কাঁপতে লাগল। রাহাতও আর কাছে চলে এসেছিল। সে নুসরাতকে নিচে শুইয়ে জোরে জোরে ঠাপাতে লাগল। শেষ মুহূর্তে সে বেরিয়ে এসে নুসরাতের পেটে তার বীর্য ঢেলে দিল।
দুজনে জড়াজড়ি করে শুয়ে রইল। ঘামে ভেজা শরীর। হৃদস্পন্দন একসাথে।
“আমি তোমাকে ভালোবাসি,” রাহাত ফিসফিস করে বলল।
নুসরাত তার বুকে মাথা রেখে বলল, “আমিও। এই ঘরটা আজ থেকে আমাদের।”
কিন্তু এটা শুরু মাত্র। রাত এখনও অনেক বাকি।
....