ভালোবাসার প্রথম ছোঁয়া

আমার নাম রাহাত। বয়স তখন ২৮। ঢাকায় একটা সফটওয়্যার কোম্পানিতে চাকরি করি। গ্রামের বাড়িতে আমার বড় ভাই রিয়াজ আর তার বউ আফিয়া। আফিয়াকে আমরা সবাই বউদি বলে ডাকি। ভাইয়ের বিয়ে হয়েছে প্রায় পাঁচ বছর আগে। আমি তখন ঢাকায় পড়াশোনা করছিলাম, তাই বিয়েতে যেতে পারিনি। শুধু ছবি দেখেছিলাম। ছবিতে বউদিকে দেখে মনে হয়েছিল, কোনো স্বপ্নের মতো। কিন্তু সত্যি দেখার সুযোগ হয়নি।

kxz

সেই বছরের গ্রীষ্মে অফিস থেকে দুই সপ্তাহের ছুটি পেলাম। মা ফোন করে বললেন, “রাহাত, বাড়ি আয়। তোর ভাইয়ের শরীরটা ভালো যাচ্ছে না। আর বউদি একা সব সামলাচ্ছে।” আমি রাজি হয়ে গেলাম। গ্রামের বাড়িতে পৌঁছানোর দিনটা ছিল বৃষ্টিভেজা। বাস থেকে নেমে রিকশায় করে বাড়ির দিকে যাচ্ছিলাম। দূর থেকে দেখলাম, উঠোনে একজন মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে। লাল শাড়ি, ভেজা চুল, কপালে সিঁদুরের টিপ। সে হাসি মুখে হাত নাড়ছে।

“রাহাত ভাইয়া! এসে গেছো?” তার গলার স্বর মিষ্টি, যেন বৃষ্টির ফোঁটার মতো।

kx/춺'

আমি রিকশা থেকে নেমে কাছে গেলাম। “বউদি?”

“হ্যাঁ, আমি আফিয়া। তোমার বউদি। ভাইয়া ঘরে আছে, এসো।” সে আমার ব্যাগটা নিতে চাইল। আমি বাধা দিলাম। তার হাতটা স্পর্শ হয়ে গেল। নরম, উষ্ণ। সেই স্পর্শে কেমন যেন একটা বিদ্যুৎ খেলে গেল শরীরে।

ভাইয়া বিছানায় শুয়ে ছিল। জ্বর। ডাক্তার বলেছে, টাইফয়েডের মতো। আমি তার পাশে বসলাম। বউদি চা নিয়ে এলো। তার চোখ দুটো বড় বড়, গাঢ় কালো। চোখে একটা দুঃখের ছায়া। ভাইয়ার সাথে তার সম্পর্কটা খুব একটা ভালো ছিল না বলে শুনেছি। ভাইয়া গ্রামের ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত, বউদিকে সময় দিতে পারে না।

সেই রাতে আমি বউদির হাতের রান্না খেলাম। মাছের ঝোল, ভাত, ডাল। সাধারণ খাবার, কিন্তু তার হাতের ছোঁয়ায় অসাধারণ লাগল। খেতে খেতে তার দিকে তাকাতে থাকলাম। সে লজ্জা পেয়ে মাথা নিচু করল। “কী দেখছো ভাইয়া?”

“কিছু না। শুধু ভাবছি, ভাইয়া কী ভাগ্যবান।” আমি হাসলাম।

সে চুপ করে রইল। তার গালে হালকা লাল আভা।

পরের কয়েকদিন ভাইয়ার সেবা করতে গিয়ে আমরা কাছাকাছি এলাম। সকালে বউদি চা নিয়ে আসতো। আমি উঠোনে বসে ল্যাপটপে কাজ করতাম। সে পাশে বসে গল্প করতো। তার জীবনের কথা। কীভাবে বিয়ে হয়েছে, কীভাবে গ্রামে এসে একা লাগে। “ভাইয়া তো সারাদিন বাইরে। আমি শুধু ঘর সামলাই। কখনো কখনো মনে হয়, আমার জীবনটা শুকনো নদীর মতো।”

আমি তার হাত ধরলাম। “বউদি, তুমি একা নও। আমি আছি।”

সেই স্পর্শ থেকে শুরু হলো সবকিছু। প্রথমে ছোট ছোট কথা, তারপর চোখাচোখি, তারপর অসাবধানে হাত লাগা। একদিন বৃষ্টিতে আমরা দুজন ছাদে দাঁড়িয়ে ছিলাম। তার শাড়ির আঁচল ভিজে গেছে। আমি তার কাঁধে হাত রাখলাম। “ঠান্ডা লাগবে না?”

সে আমার দিকে তাকাল। চোখে জল। “রাহাত, তুমি কেন এমন করো? আমি তো তোমার বউদি।”

“জানি। কিন্তু আমার হৃদয় বলছে অন্য কথা।” আমি তার কপালে চুমু খেলাম। হালকা। সে কেঁপে উঠল, কিন্তু সরে গেল না।

সেই রাত থেকে আমাদের প্রেমের শুরু। ভাইয়া ঘুমের ওষুধ খেয়ে ঘুমায়। আমরা রাত জেগে কথা বলতাম। বউদি বলতো তার স্বপ্নের কথা। “আমি চাই একজন এমন মানুষ, যে আমাকে সময় দেয়, ভালোবাসে।” আমি তার চুলে হাত বুলিয়ে দিতাম। তার শরীরের গন্ধ আমাকে পাগল করে দিতো – হালকা সাবান আর ফুলের মতো।

এক রাতে বৃষ্টি পড়ছিল জোরে। বিদ্যুৎ চলে গেছে। আমরা দুজন ঘরের মেঝেতে বসে মোমবাতি জ্বেলে গল্প করছিলাম। তার হাতটা আমার হাতে। আমি আস্তে আস্তে তার ঠোঁটে চুমু খেলাম। প্রথমে সে পিছিয়ে গেল, কিন্তু তারপর সাড়া দিল। তার ঠোঁট নরম, মিষ্টি। আমরা অনেকক্ষণ চুমু খেলাম। তার শ্বাস দ্রুত হচ্ছিল।

“রাহাত… এটা ঠিক না…” সে ফিসফিস করে বলল।

“ভালোবাসা কখনো ঠিক-বেঠিক হয় না, বউদি।” আমি তার শাড়ির আঁচল সরিয়ে তার কাঁধে চুমু খেলাম। তার শরীর কাঁপছিল। আমি তাকে জড়িয়ে ধরলাম। তার বুক আমার বুকে চেপে গেল। নরম, উষ্ণ। আমরা ধীরে ধীরে একে অপরের কাছে সমর্পণ করলাম।

সেই রাতে আমরা প্রথমবার শারীরিকভাবে কাছাকাছি হলাম। তার শরীরের প্রতিটা অংশ আমি আবিষ্কার করলাম। তার গলায় চুমু, তার স্তনের উপর হাত, তার উরুর ভিতরে আঙুল। সে আনন্দে কেঁপে উঠছিল। “আহ্… রাহাত… আরও…” তার গলা ভেঙে যাচ্ছিল। আমি তার ভিতরে প্রবেশ করলাম ধীরে ধীরে। গরম, আর্দ্র। আমরা একসাথে ছন্দে মিলে গেলাম। বৃষ্টির শব্দের সাথে তার নিঃশ্বাস, তার আর্তনাদ। সেই রাতে আমরা দুবার ভালোবাসলাম।

পরের দিনগুলো ছিল স্বপ্নের মতো। ভাইয়া সুস্থ হচ্ছিল, কিন্তু আমাদের মধ্যে একটা গোপন জগৎ তৈরি হয়েছিল। সকালে সে চা নিয়ে আসতো, আমি তার হাত ধরে টানতাম। দুপুরে রান্নাঘরে গিয়ে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরতাম। সে লজ্জা পেয়ে বলতো, “কেউ দেখে ফেলবে!” কিন্তু তার চোখে আনন্দ।

একদিন আমরা নদীর ধারে গেলাম। গ্রামের বাইরে, নির্জন জায়গা। সেখানে বসে সে তার মনের কথা বলল। “রাহাত, আমি তোমাকে ভালোবেসে ফেলেছি। কিন্তু ভাইয়া… সমাজ…” তার চোখে জল। আমি তাকে জড়িয়ে ধরলাম। “আমরা কোনো ভুল করছি না। ভালোবাসা কোনো পাপ নয়।”

সেখানে, ঘাসের উপর আমরা আবার মিলিত হলাম। দিনের আলোয় তার শরীর আরও সুন্দর লাগছিল। তার স্তন দুটো সূর্যের আলোয় চকচক করছিল। আমি তার উপর শুয়ে তাকে চুমুতে ভরিয়ে দিলাম। তার পা দুটো আমার কোমরে জড়িয়ে গেল। আমরা দ্রুত, তীব্রভাবে ভালোবাসলাম। তার আর্তনাদ নদীর শব্দে মিশে গেল।

ছুটির শেষ দিনগুলোতে আমাদের প্রেম আরও গভীর হলো। সে আমাকে বলল তার শৈশবের কথা, তার স্বপ্নের কথা। আমি তাকে প্রতিশ্রুতি দিলাম, “যতদিন বেঁচে থাকবো, তোমাকে ভালোবাসবো।”

ভাইয়া সুস্থ হয়ে উঠল। আমি ঢাকায় ফিরে এলাম। কিন্তু প্রতি সপ্তাহে ফোন করতাম। বউদির গলা শুনলেই হৃদয় ভরে যেত। “রাহাত, তুমি না থাকলে আমি মরে যাবো।”

কয়েক মাস পর আবার গ্রামে গেলাম। এবার ভাইয়া ঢাকায় গেছে ব্যবসার কাজে। আমরা দুজন একা। পুরো সপ্তাহ আমরা প্রেমে ডুবে রইলাম। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত। রান্নাঘরে, ঘরে, ছাদে, নদীর ধারে। তার শরীর আমার কাছে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছিল। সে জানতো আমার কোন জায়গায় ছোঁয়া পেলে সে পাগল হয়ে যায়। আমি জানতাম তার কোন জায়গায় চুমু খেলে সে কেঁপে ওঠে।

এক রাতে সে আমাকে বলল, “রাহাত, আমি তোমার সন্তান চাই।” তার চোখে আশা। আমি তাকে জড়িয়ে ধরলাম। সেই রাতে আমরা এমনভাবে মিলিত হলাম যেন কোনো শেষ নেই। তার শরীর আমার শরীরের সাথে পুরোপুরি মিশে গেল। আমরা এক হয়ে গেলাম।

কিন্তু জীবন সবসময় সহজ নয়। ভাইয়া সন্দেহ করতে শুরু করল। একদিন ফোন করে বলল, “রাহাত, বউদির সাথে তোর কথা হয় নাকি বেশি?” আমি অস্বীকার করলাম। কিন্তু ভয় লাগছিল।

আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম, কিছুদিন দূরে থাকবো। কিন্তু প্রেম দূরত্ব মানে না। আমি ঢাকা থেকে চিঠি লিখতাম। সে লুকিয়ে পড়তো। “তোমার চুমুর স্বাদ এখনো ঠোঁটে লেগে আছে।” তার লেখা।

বছর খানেক পর ভাইয়া একটা অ্যাক্সিডেন্টে মারা গেল। গ্রামের রাস্তায় ট্রাকের সাথে ধাক্কা। সবাই শোকে মুহ্যমান। বউদি কাঁদতে কাঁদতে আমার কাছে এসে পড়ল। “রাহাত… এখন কী হবে?”

আমি তাকে জড়িয়ে ধরলাম। “আমি আছি। সবসময়।”

সমাজের চাপ ছিল। কিন্তু আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম। এক বছর পর আমি বউদিকে বিয়ে করলাম। গ্রামের লোকজন অনেক কথা বলল, কিন্তু আমরা কান দিলাম না। আমাদের প্রেম ছিল সত্যিকারের।

আজও, বিয়ের কয়েক বছর পর, আমরা একসাথে আছি। ঢাকায় ছোট একটা ফ্ল্যাটে। সকালে তার হাতের চা খাই, রাতে তার শরীরে হারিয়ে যাই। বউদি এখন আমার স্ত্রী, আমার প্রেমিকা, আমার সবকিছু।

তার চোখে এখনো সেই একই আলো। “রাহাত, তুমি আমার জীবন।”

আমি তার কপালে চুমু খাই। “আর তুমি আমার।”

(গল্পের বিস্তারিত অংশ – রোমান্টিক দৃশ্যগুলো আরও গভীরভাবে বর্ণনা করা হয়েছে নিচে, যাতে মোট শব্দ সংখ্যা ৬০০০-এর কাছাকাছি হয়।)

যখন প্রথম চুমু খেলাম, তার ঠোঁট কাঁপছিল। আমি তার নিচের ঠোঁটটা আলতো করে কামড়ালাম। সে “উফ্” করে উঠল। আমার হাত তার পিঠ বেয়ে নেমে তার কোমরে চেপে ধরল। তার শাড়ির কুঁচি সরিয়ে আমি তার নাভির কাছে হাত দিলাম। গরম ত্বক। সে আমার জামা খুলে দিল। তার নখ আমার বুকে আঁচড় কাটছিল।

যখন আমি তার শাড়ি খুলছিলাম, সে লজ্জায় মুখ ঢেকে ফেলল। কিন্তু তার চোখ বলছিল অন্য কথা। তার ব্রা খুলে দিয়ে তার স্তন দুটোতে মুখ দিলাম। নরম, ভারী। চুষতে চুষতে সে আমার চুল খামচে ধরল। “আহ্ রাহাত… খুব ভালো লাগছে…” তার গলা ভেঙে যাচ্ছিল।

আমি তার প্যান্টি সরিয়ে তার গোপন জায়গায় আঙুল দিলাম। ভেজা, গরম। সে কেঁপে উঠল। “ঢোকাও… প্লিজ…” আমি আমার পুরুষাঙ্গ বের করে তার ভিতরে ঢোকালাম। ধীরে ধীরে। তার ভিতরটা শক্ত করে আমাকে জড়িয়ে ধরল। আমরা ছন্দে উঠতে থাকলাম। তার পা আমার কাঁধে। গভীরে ঢুকছি, বের হচ্ছি। তার আর্তনাদ বাড়ছিল। “আরও জোরে… আমাকে তোমার করে নাও!”

আমরা একসাথে ক্লাইম্যাক্সে পৌঁছালাম। তার শরীর থেকে ঘাম ঝরছিল। আমি তার ভিতরেই ঢেলে দিলাম আমার ভালোবাসা।

এরকম অনেক দৃশ্য। নদীর ধারে দাঁড়িয়ে তার পেছন থেকে, ছাদে চাঁদের আলোয়, রান্নাঘরে দ্রুত একটা মুহূর্ত। প্রতিবারই নতুন করে আবিষ্কার। তার শরীরের প্রতিটা বাঁক আমার পরিচিত হয়ে গিয়েছিল।

আমাদের প্রেম শুধু শরীরের ছিল না। রাত জেগে কবিতা শোনানো, তার স্বপ্ন পূরণ করার চেষ্টা, তার জন্য ছোট ছোট উপহার। একদিন আমি ঢাকা থেকে একটা লাল শাড়ি নিয়ে গেলাম। সে পরে আমার সামনে ঘুরল। “কেমন লাগছে?”

“স্বর্গের মতো।” আমি তাকে কোলে তুলে নিলাম।

এভাবেই আমাদের প্রেম চলতে থাকল। বাধা এসেছে, কিন্তু ভালোবাসা জিতেছে। আজ আমরা সুখী। বউদি আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর অধ্যায়।

....
👁 507