নির্জন সমুদ্রের রোমান্স

চট্টগ্রামের সমুদ্রতীরে এক সকাল। সূর্য উঠছে ধীরে ধীরে, লাল আভা ছড়িয়ে পড়ছে পানির উপর। সাগরের ঢেউগুলো আজ যেন একটু বেশিই খেলছে। রাহাত দাঁড়িয়ে ছিল পিয়ারের কাছে। তার বয়স ২৮। লম্বা, সুঠাম শরীর, চোখে একটা স্বপ্নিল দৃষ্টি। সে একজন ফ্রিল্যান্স গ্রাফিক ডিজাইনার। চাকরির চাপ থেকে মুক্তি পেতে সে আজ একটা ছোট নৌকা ভাড়া করে সমুদ্রে ঘুরতে এসেছে। একা। শান্তি খুঁজতে।

kxz

ঠিক তখনই সে দেখল মেয়েটিকে। নাম তার আয়েশা। বয়স ২৪। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বর্ষের ছাত্রী। লম্বা কালো চুল, ফর্সা গায়ের রং, চোখ দুটো যেন সমুদ্রের গভীরতা ধরে রেখেছে। সে তার বান্ধবীদের সাথে এসেছিল সমুদ্র দেখতে। কিন্তু বান্ধবীরা অন্যদিকে ঘুরতে গিয়ে তাকে একা রেখে চলে গেছে। আয়েশা একটা ছোট নৌকায় উঠে বসল, ভাবল একটু কাছাকাছি ঘুরে আসবে।

রাহাতের নৌকাটা পাশেই ছিল। দুজনের চোখাচোখি হলো। রাহাত হাসল, “একা যাচ্ছেন? সমুদ্র তো আজ একটু রাগী।”

kx/춺'

আয়েশা লজ্জায় লাল হয়ে বলল, “হ্যাঁ, একটু ঘুরব। আপনি?”

“আমিও। চলুন, একসাথে যাই। নিরাপদ হবে।” রাহাতের কথায় আয়েশা রাজি হয়ে গেল। দুজনে একই নৌকায় উঠল। নৌকার মাঝি ছিল এক বয়স্ক লোক। সে নৌকা চালাতে চালাতে বলল, “আজকের আবহাওয়া ভালো না স্যার। তাড়াতাড়ি ফিরবেন।”

কিন্তু সমুদ্র কখনো মানুষের কথা শোনে না। তারা যখন একটু দূরে চলে গেছে, হঠাৎ করে আকাশ কালো হয়ে গেল। ঝড় উঠল প্রচণ্ড। ঢেউগুলো যেন দানবের মতো লাফিয়ে উঠতে লাগল। নৌকার মাঝি চিৎকার করে বলল, “স্যার, নৌকা সামলাতে পারছি না!” একটা বিশাল ঢেউ এসে নৌকাটাকে উল্টে দিল। মাঝি পানিতে পড়ে গেল। রাহাত আর আয়েশা কোনোমতে নৌকার একটা অংশ ধরে রইল। ঝড়ের মধ্যে তারা দুজন ছাড়া আর কেউ ছিল না।

ঝড় থামল প্রায় দুই ঘণ্টা পর। কিন্তু তারা তখন সমুদ্রের অনেক গভীরে ভেসে যাচ্ছে। নৌকার মোটর নষ্ট হয়ে গেছে। মোবাইলের সিগন্যাল নেই। চারদিকে শুধু পানি আর পানি। সূর্য ডুবছে। ঠান্ডা হাওয়া বইছে।

রাহাত আয়েশাকে জড়িয়ে ধরে বলল, “ভয় পাবেন না। আমি আছি। আমরা বেঁচে যাব।”

আয়েশার চোখে জল। কিন্তু রাহাতের বুকে মাথা রেখে সে কাঁপতে কাঁপতে বলল, “আপনি কে? কেন আমাকে সাহায্য করছেন?”

“কারণ... আপনাকে দেখে মনে হয়েছে আপনি আমার কেউ।” রাহাতের কথায় আয়েশা চুপ করে গেল।

রাত নামল। তারা নৌকার ভিতরে ছোট্ট জায়গায় বসে রইল। ঠান্ডায় কাঁপছে দুজনেই। রাহাত তার জ্যাকেট খুলে আয়েশাকে দিল। “আপনি পরুন।”

“আর আপনি?” আয়েশা জিজ্ঞাসা করল।

“আমি ঠিক আছি।” কিন্তু রাহাত কাঁপছিল। আয়েশা কাছে সরে এসে তার হাত ধরল। “একসাথে থাকলে ঠান্ডা কম লাগবে।”

দুজনের শরীর একে অপরের সাথে লেগে গেল। রাহাতের বুকের উষ্ণতা আয়েশার গায়ে ছড়িয়ে পড়ল। আয়েশার নরম স্তন রাহাতের বুকে চেপে গেল। দুজনেই লজ্জায় চুপ করে রইল। কিন্তু সমুদ্রের নির্জনতায় সেই লজ্জা ধীরে ধীরে মিলিয়ে যেতে লাগল।

পরের দিন সকাল। সূর্য উঠেছে। কিন্তু কোনো জাহাজ বা সাহায্যের চিহ্ন নেই। তারা নৌকায় যা খাবার ছিল তা ভাগ করে খেল। পানির বোতলও কম। রাহাত মাছ ধরার চেষ্টা করল। আয়েশা তার সাথে হাসতে হাসতে সাহায্য করল। “আমি কখনো ভাবিনি সমুদ্র এত সুন্দর হতে পারে... আর এত ভয়ংকর।”

রাহাত তাকিয়ে বলল, “আপনার সাথে থাকলে সব সুন্দর লাগে।”

আয়েশা লজ্জায় মাথা নিচু করল। কিন্তু তার হাত রাহাতের হাতে চলে গেল। দিন গড়াতে লাগল। তারা একে অপরের জীবনের গল্প শুনতে লাগল। রাহাত বলল তার একাকী জীবনের কথা। আয়েশা বলল তার পরিবারের চাপ আর স্বপ্নের কথা।

তৃতীয় দিন। খাবার প্রায় শেষ। পানি কম। ঠান্ডায় আর ভয়ে দুজনেই ক্লান্ত। রাতে আয়েশা কাঁদতে শুরু করল। “আমরা মরে যাব রাহাত ভাইয়া...”

রাহাত তাকে জড়িয়ে ধরল শক্ত করে। “না। আমি তোমাকে বাঁচাব। তুমি আমার জীবন।” প্রথমবার সে “তুমি” বলল। আয়েশা তার দিকে তাকাল। চোখে চোখ রেখে দুজনের ঠোঁট কাছে চলে এল। একটা লম্বা, গভীর চুমু। সমুদ্রের ঢেউয়ের শব্দের সাথে তাদের হৃদয়ের তাল মিলে গেল।

চুমুর পর আয়েশা রাহাতের বুকে মাথা রেখে বলল, “আমি তোমাকে ভালোবাসি। এই কয়েকদিনে যতটা ভালোবেসেছি, সারা জীবনেও হয়তো এতটা হয়নি।”

রাহাত তার চুলে হাত বুলিয়ে বলল, “আমিও তোমাকে ভালোবাসি আয়েশা। তুমি আমার সমুদ্র।”

তাদের শরীর আরও কাছে এল। নৌকার ছোট্ট জায়গায় তারা একে অপরকে জড়িয়ে ধরল। রাহাতের হাত আয়েশার পিঠ বেয়ে নেমে গেল। আয়েশার নরম শরীর কাঁপছিল আনন্দে। তারা পরস্পরের পোশাক খুলে ফেলল ধীরে ধীরে। চাঁদের আলোয় তাদের শরীর জ্বলজ্বল করছিল। রাহাত আয়েশার স্তন চুমু খেল, তার নিপল চুষতে লাগল। আয়েশা আর্তনাদ করে উঠল, “আহ... রাহাত...”

তার হাত রাহাতের শক্ত লিঙ্গে গিয়ে ধরল। ধীরে ধীরে উপর নিচ করতে লাগল। রাহাতের আঙুল আয়েশার ভেজা যোনিতে প্রবেশ করল। দুজনেই একে অপরকে আদর করতে লাগল। শেষে রাহাত আয়েশার উপর উঠল। তার শক্ত লিঙ্গ আয়েশার ভিতরে ঢুকে গেল ধীরে ধীরে। “উফফ... তোমার ভিতরটা এত গরম...” রাহাত ফিসফিস করে বলল।

আয়েশা তার পা দিয়ে রাহাতের কোমর জড়িয়ে ধরল। “জোরে... ভালোবাসো আমাকে...” তারা দুজনেই একসাথে উঠানামা করতে লাগল। সমুদ্রের ঢেউয়ের তালে তাল মিলিয়ে তাদের শরীর নাচতে লাগল। আয়েশা চিৎকার করে কয়েকবার কামানোর পর রাহাতও তার ভিতরে বীর্য ঢেলে দিল। দুজনে জড়াজড়ি করে শুয়ে রইল।

পরের কয়েকদিন তারা এভাবেই কাটাল। ভালোবাসা, আদর, রোমান্স আর বেঁচে থাকার সংগ্রাম। তারা একটা ছোট দ্বীপের মতো জায়গা দেখতে পেল। সেখানে নৌকা ভিড়িয়ে উঠল। দ্বীপে নারকেল গাছ, কিছু ফল। তারা সেখানে আশ্রয় নিল। রাহাত আগুন জ্বালাল। আয়েশা তার কোলে মাথা রেখে শুয়ে রইল।

প্রতি রাতে তারা একে অপরকে ভালোবাসল। কখনো নরম করে, কখনো উন্মাদের মতো। আয়েশা রাহাতের লিঙ্গ মুখে নিয়ে চুষত, রাহাত আয়েশার যোনি চেটে চেটে তাকে পাগল করে দিত। তাদের শরীর এক হয়ে গিয়েছিল।

একদিন সকালে দূরে একটা জাহাজ দেখা গেল। তারা চিৎকার করে হাত নাড়ল। জাহাজ তাদের দেখতে পেল। উদ্ধারকারী দল এসে তাদের তুলে নিল।

হাসপাতালে দুজনের চিকিৎসা চলল। কিন্তু তাদের ভালোবাসা আরও গভীর হয়ে গিয়েছিল। রাহাত আয়েশার হাত ধরে বলল, “এখন থেকে তুমি আমার। চিরকাল।”

আয়েশা চোখে জল নিয়ে বলল, “হ্যাঁ। সমুদ্র আমাদের মিলিয়েছে। কেউ আলাদা করতে পারবে না।”

তারা বিয়ে করল। চট্টগ্রামের সমুদ্রতীরে একটা ছোট বাড়ি বানাল। প্রতি সন্ধ্যায় তারা সমুদ্রের ধারে হাঁটে। হাতে হাত রেখে। তাদের ভালোবাসার গল্প সবাইকে অনুপ্রাণিত করে।

 

....
👁 311