প্রাচীন কামরূপ নগরী। চারদিকে ঘন জঙ্গল, উঁচু পাহাড় আর বয়ে চলা নদী দিয়ে ঘেরা এই রাজ্যের রাজা ছিলেন রাজেন্দ্র দেব। বয়স মাত্র আটাশ। লম্বা-চওড়া শরীর, পেশিবহুল বুক, শক্ত হাত-পা, গাঢ় কালো চুল আর তীক্ষ্ণ চোখ। রাজ্যের প্রজারা তাকে “বীর রাজা” বলে সম্মান করত। যুদ্ধে অজেয়, দরবারে ন্যায়বান, কিন্তু প্রাসাদের অন্দরমহলে তিনি ছিলেন এক অদম্য কামুক পুরুষ। তার লিঙ্গের খ্যাতি অন্দরমহলের দাসীদের মুখে মুখে ঘুরত।
রাজেন্দ্রের রানি সুমিত্রা। চব্বিশ বছরের যুবতী। ফর্সা গায়ের রং, ভারী টসটসে স্তন, সরু কোমর, নিতম্বের মোচড় আর রক্তিম ঠোঁট। বিয়ের দু’বছর হয়েছে। প্রতি রাতে রাজেন্দ্র তাকে নিয়ে এমন উন্মাদ কামকেলি করতেন যে পুরো অন্দরমহলের দাসীরা লজ্জায় মুখ লুকাত। সুমিত্রাও তার স্বামীর লিঙ্গের নেশায় পাগল ছিল।
কিন্তু সবকিছু বদলে গেল যেদিন সুমিত্রার ছোট বোন শর্মিষ্ঠা প্রাসাদে এসে থাকতে শুরু করল। মাত্র উনিশ বছরের শর্মিষ্ঠা যেন একটা জ্যান্ত আগুনের শিখা। তার স্তন দুটো পাকা আমের মতো টসটসে, কোমর এতটাই সরু যে দু’হাতে ধরা যায়, পাহা দুটো মোটা আর নরম, হাঁটার সময় দুলে দুলে যে কোনো পুরুষের মাথা ঘুরিয়ে দেয়। তার চোখ দুটো নিষ্পাপ কিন্তু শরীরটা পুরোপুরি কামাতুর।
সেদিন সন্ধ্যা নেমেছে। প্রাসাদের রাজকীয় শয়নকক্ষে মশাল জ্বলছে। রাজেন্দ্র শুধু সাদা ধুতি পরে বিছানায় বসে আছেন। গা খোলা, বুকের লোমের ওপর ঘাম চকচক করছে। আজ দরবার শেষ হয়েছে অনেক আগে। তার মন শান্ত নয়।
“সুমিত্রা... এসো।” গম্ভীর গলায় ডাকলেন তিনি।
সুমিত্রা লাল বেনারসি শাড়ি পরে ভিতরে ঢুকল। আঁচল কোমরে জড়ানো, পেটের নাভি আর স্তনের উপরের অনেকটা অংশ খোলা। সে স্বামীর সামনে এসে দাঁড়াতেই রাজেন্দ্র তাকে এক টানে কোলে তুলে নিলেন। তার শক্ত লিঙ্গটা সুমিত্রার নিতম্বের নিচে চেপে ধরল।
“আজ তোমার বোনকে দেখলাম স্নানঘরে যেতে। ওর শরীরটা... আঃ, আমি আর সহ্য করতে পারছি না সুমিত্রা। ওকে আমি চাই।” রাজেন্দ্র কানে কানে ফিসফিস করে বললেন।
সুমিত্রা লজ্জায় লাল হয়ে গেল। কিন্তু তার চোখে উত্তেজনা ঝলকাল। সে স্বামীর বুকে হাত বুলিয়ে বলল, “মহারাজ... ও তো আমারই ছোট বোন। যদি আপনি সত্যি চান, তাহলে আমি নিজে ওকে আপনার কাছে নিয়ে আসব। ওকে শেখাব কীভাবে আপনাকে সুখ দিতে হয়।”
রাজেন্দ্র আর কথা না বাড়িয়ে সুমিত্রার শাড়ির আঁচল এক টানে খুলে ফেললেন। দুই ভারী স্তন লাফিয়ে বেরিয়ে পড়ল। তিনি একটা স্তন মুখে পুরে জোরে চুষতে শুরু করলেন। অন্য হাতটা সুমিত্রার শাড়ির ভিতর ঢুকিয়ে তার ভিজে যোনিতে আঙুল চালাতে লাগলেন। সুমিত্রা “আঃ আঃ মহারাজ...” করে কাঁপতে লাগল। তার হাত রাজার ধুতির ভিতর ঢুকে বিশাল শক্ত লিঙ্গটা ধরে উপর-নিচ করতে লাগল।
ঠিক তখনই দরজার ফাঁকে শর্মিষ্ঠা দাঁড়িয়ে সব দেখছিল। তার পা কাঁপছে, যোনির ভিতরটা একদম ভিজে গেছে। সে এক হাতে নিজের স্তন টিপছে, অন্য হাত শাড়ির ভিতর ঢুকিয়ে আঙুল ঘষছে।
রাজেন্দ্র সুমিত্রাকে বিছানায় শুইয়ে তার পুরো শাড়ি খুলে ফেললেন। সুমিত্রা সম্পূর্ণ নগ্ন। তার কামাতুর যোনি থেকে রস গড়িয়ে পড়ছে। রাজেন্দ্র নিজের ধুতি খুলে আট ইঞ্চি লম্বা, মোটা লিঙ্গ বের করলেন। সুমিত্রার পা দুটো কাঁধের ওপর তুলে এক ঠাপে পুরো লিঙ্গ ঢুকিয়ে দিলেন।
“আআআহ্... মহারাজ... জোরে... ফাটিয়ে দিন আমার যোনি!” সুমিত্রা চিৎকার করে উঠল।
রাজেন্দ্র জোরে জোরে ধাক্কা দিতে লাগলেন। ঘটঘট ঘটঘট শব্দে পুরো ঘর ভরে গেল। তিনি চোখ তুলে দরজার দিকে তাকালেন। শর্মিষ্ঠার সাথে চোখাচোখি হল। কিন্তু তিনি থামলেন না, বরং আরও জোরে চোদতে লাগলেন। সুমিত্রাকে দেখিয়ে দেখিয়ে শর্মিষ্ঠাকে উত্তেজিত করছেন।
পনেরো মিনিট পর রাজেন্দ্র গর্জন করে সুমিত্রার ভিতরে ঢেলে দিলেন। সুমিত্রা ঝাঁকুনি দিয়ে অর্গাজমে চলে গেল।
রাজেন্দ্র লিঙ্গ বের করে উঠে দাঁড়ালেন। এখনও শক্ত। তিনি সোজা দরজার কাছে গিয়ে শর্মিষ্ঠার হাত ধরে টেনে ভিতরে নিয়ে এলেন।
“কী দেখছিলি লুকিয়ে? এসো, তোর পালা শর্মিষ্ঠা।”
শর্মিষ্ঠা কাঁপতে কাঁপতে বলল, “জেঠু... আমি ভয় পাচ্ছি... আমার তো এখনও হয়নি...”
রাজেন্দ্র তার চিবুক ধরে গভীর চুমু খেলেন। তারপর ধীরে ধীরে তার শাড়ির আঁচল খুলতে শুরু করলেন। শর্মিষ্ঠার টসটসে স্তন বেরিয়ে পড়তেই রাজেন্দ্র দুই হাতে চেপে ধরে চুষতে লাগলেন। সুমিত্রা উঠে এসে বোনের পিছন থেকে জড়িয়ে ধরল। তার হাত শর্মিষ্ঠার যোনিতে বুলিয়ে দিতে লাগল।
“দিদি... আঃ... কী করছো... লজ্জা করছে...” শর্মিষ্ঠা কেঁপে উঠল।
রাজেন্দ্র শর্মিষ্ঠাকে বিছানায় শুইয়ে তার পা ফাঁক করলেন। তার নরম গোলাপি যোনি দেখে লিঙ্গ আরও শক্ত হয়ে গেল। তিনি লিঙ্গের মাথা ঘষতে ঘষতে ধীরে ধীরে ঢোকাতে শুরু করলেন।
“উউউহ্... ব্যথা করছে জেঠু... বের করে নিন...” শর্মিষ্ঠা কাঁদতে কাঁদতে বলল।
সুমিত্রা বোনের কপালে চুমু খেয়ে সান্ত্বনা দিল, “সহ্য কর মনি... প্রথমবার একটু ব্যথা লাগে। তারপর অনেক আনন্দ পাবি।”
রাজেন্দ্র পুরো লিঙ্গ ঢুকিয়ে দিয়ে ধীরে ধীরে চোদতে শুরু করলেন। শর্মিষ্ঠার চিৎকার প্রথমে ব্যথায়, তারপর আনন্দে বদলে গেল। “আঃ জেঠু... আরও জোরে... আমাকে চোদুন... ভরে দিন...”
রাজেন্দ্র তাকে বিভিন্ন পজিশনে চোদলেন — মিশনারি, ডগি স্টাইল, কাউগার্ল। সুমিত্রা মাঝে মাঝে বোনের স্তন চুষে, যোনি চেটে সাহায্য করছিল। রাতভর চলল এই তিনজনের উন্মাদ কামকেলি। শর্মিষ্ঠা দু’বার অর্গাজমে গেল। শেষে রাজেন্দ্র দুই বোনের মুখে আর যোনিতে বীর্য ঢেলে শান্ত হলেন।
তারপর থেকে প্রাসাদের অন্দরমহল হয়ে উঠল তাদের গোপন কামরাজ্য। রাজেন্দ্র প্রায় প্রতি রাতে দুই বোনকে নিয়ে খেলতেন। কখনো দাসীদেরও ডেকে আনতেন। শর্মিষ্ঠা আর সুমিত্রা দুজনেই রাজার লিঙ্গের নেশায় পাগল হয়ে গিয়েছিল।
একদিন রাজেন্দ্র ঘোষণা করলেন, “এখন থেকে তোরা দুজনেই আমার প্রধান রানি। প্রাসাদের সবাই জানুক, রাজা এখন দুই বোনের মালিক।”
রাজ্যের রাজনীতি, যুদ্ধ আর প্রজাদের দেখাশোনার পাশাপাশি রাজেন্দ্রের এই গোপন জীবন চলতে থাকল।
....