লিফটের আটকে পড়া রাত

আরিয়ান রহমান — বয়স ২৯। লম্বা-চওড়া, ফর্সা গায়ের রং, সুশৃঙ্খল চুল, চোখে সরু ফ্রেমের চশমা। তিনি ১৫ তলায় একটি নামকরা সফটওয়্যার কোম্পানির সিনিয়র সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার। আজ একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ প্রজেক্টের ডেডলাইন শেষ করতে অনেক রাত হয়ে গেছে। ক্লান্ত শরীর নিয়ে লিফটের দিকে হাঁটছিলেন। মনে মনে ভাবছিলেন — বাসায় গিয়ে এক কাপ কফি খেয়ে ঘুমাতে পারলে বাঁচি।

kxz

লিফটের সামনে এসে বাটন টিপলেন। দরজা খুলে গেল। ভিতরে ঢুকতেই তাঁর চোখ আটকে গেল একজন মেয়ের উপর।

নাফিসা আহমেদ — বয়স ২৫। লম্বা কালো চুল কোমর ছাড়িয়ে নেমেছে, গাঢ় বাদামি চোখ, পাতলা ঠোঁটে হালকা লাল লিপস্টিকের ছোঁয়া। আজ পরনে ছিল সাদা সিল্কের শাড়ি, যার আঁচলটা সামান্য সরে গিয়ে তাঁর ভরাট স্তন আর কার্ভি কোমরের আভাস দিচ্ছিল। ব্লাউজটা একটু টাইট, হাই হিলে পা। তিনি ১২ তলায় একটি মাল্টিন্যাশনাল মার্কেটিং কোম্পানিতে সিনিয়র এক্সিকিউটিভ হিসেবে কাজ করেন। আজও ক্লায়েন্টের প্রেজেন্টেশন শেষ করে বেরোচ্ছিলেন।

kx/춺'

আরিয়ান হালকা হেসে বললেন, “ভালো আছেন?”

নাফিসা লজ্জায় মুচকি হেসে মাথা নাড়লেন, “জি, আপনি?”

লিফট নামতে শুরু করল। দুজনের মধ্যে প্রথমে কোনো কথা নেই। কিন্তু চোখাচোখি হচ্ছিল বারবার। আরিয়ানের চোখ নাফিসার সুন্দর মুখ, ঠোঁট, তারপর এক পলক নিচে নেমে আবার উঠে যাচ্ছিল। নাফিসাও লজ্জা পেয়ে চোখ সরিয়ে নিচ্ছিলেন, কিন্তু আবার তাকাচ্ছিলেন। একটা অদ্ভুত আকর্ষণ তৈরি হচ্ছিল প্রথম দেখাতেই।

হঠাৎ লিফটটা প্রচণ্ড জোরে ঝাঁকি দিয়ে থেমে গেল। সব আলো নিভে গেল। কয়েক সেকেন্ড পর ইমার্জেন্সি লাইট জ্বলে উঠল — মৃদু লালচে আলোয় পুরো লিফটটা একটা রোমান্টিক-রহস্যময় পরিবেশে ভরে গেল।

“আল্লাহ! কী হলো এটা?!” নাফিসা ভয়ে চিৎকার করে উঠলেন। তাঁর শরীর কাঁপছিল। অজান্তেই তিনি আরিয়ানের হাত চেপে ধরলেন।

আরিয়ান শান্ত গলায় বললেন, “ভয় পাবেন না। হয়তো পাওয়ার ফেল করেছে। আমি ইমার্জেন্সি বাটন টিপছি।” তিনি বাটন টিপলেন। কিন্তু কোনো সাড়া নেই। মোবাইল নেটওয়ার্কও নেই। বাইরে বৃষ্টির শব্দ আর বজ্রপাতের গর্জন।

নাফিসা আরও কাছে সরে এলেন। “আমার খুব ভয় লাগছে… কখন ছাড়বে?”

আরিয়ান তাঁর কোটটা খুলে নাফিসার কাঁধে জড়িয়ে দিলেন। “ঠান্ডা লাগছে তো? বসুন। আমি আছি। কিছু হবে না।”

দুজনে লিফটের মেঝেতে বসে পড়লেন। জায়গা কম, তাই তাদের হাঁটু একে অপরের সাথে লেগে আছে। আরিয়ান আলতো করে নাফিসার হাত ধরে রাখলেন।

রোমান্টিক কথোপকথন শুরু…

“আমি আরিয়ান রহমান। ১৫ তলায় কাজ করি। আপনি?”

“নাফিসা আহমেদ। ১২ তলায়। আজ প্রেজেন্টেশন ছিল… খুব টায়ার্ড লাগছে।”

কথা শুরু হলো। প্রথমে অফিসের কথা, তারপর ধীরে ধীরে ব্যক্তিগত। আরিয়ান বললেন তাঁর ছোটবেলার গল্প — চট্টগ্রামে বড় হয়েছেন, ঢাকায় পড়তে এসেছেন। নাফিসা শেয়ার করলেন তাঁর স্বপ্নের কথা — একদিন নিজের মার্কেটিং এজেন্সি খুলবেন। বললেন তাঁর পরিবারের বিয়ের চাপের কথা।

ঘণ্টা খানেক কেটে গেল। বাইরে বৃষ্টি আরও জোরে। নাফিসা আরও কাছে সরে এসে আরিয়ানের কাঁধে মাথা রাখলেন। “আপনার কাছে থাকলে সত্যি ভয় লাগছে না… আপনি খুব শান্ত।”

আরিয়ান তাঁর চুলে আলতো করে হাত বুলিয়ে দিলেন। “তুমি খুব সুন্দর নাফিসা। প্রথম দেখাতেই মনে হয়েছে যেন তোমাকে অনেকদিন চিনি। তোমার চোখ দুটো… খুব গভীর।”

নাফিসা চোখ তুলে তাকালেন। দুজনের চোখে চোখ পড়ল। সময় যেন থেমে গেল। আরিয়ান ধীরে ধীরে মুখ নামিয়ে নাফিসার কপালে একটা চুমু দিলেন। তারপর ঠোঁটে। নরম, আলতো চুমু। নাফিসা চোখ বন্ধ করে সাড়া দিলেন। চুমু গভীর হতে লাগল। জিভ একে অপরের সাথে জড়িয়ে গেল। নিঃশ্বাস ভারী হয়ে উঠল।

আরিয়ান নাফিসার ঘাড়ে, কানের লতিতে চুমু খেতে লাগলেন। নাফিসা “উফফ… আরিয়ান…” করে কেঁপে উঠলেন। তাঁর হাত আরিয়ানের বুকে চলে গেল।

“এটা কী করছি আমরা?” নাফিসা ফিসফিস করে বললেন।

“যা মন চায়। আজকের এই রাতটা শুধু আমাদের। কেউ জানবে না।” আরিয়ান বলে নাফিসার ঠোঁট আবার চেপে ধরলেন।

প্রথম ইরোটিক স্পর্শ…

আরিয়ান নাফিসার শাড়ির আঁচল সরিয়ে ব্লাউজের উপর দিয়ে স্তন চেপে ধরলেন। নাফিসা আঃ করে উঠলেন। আরিয়ান ব্লাউজের হুক খুলে ফেললেন। সাদা লেইস ব্রা বেরিয়ে পড়ল। তিনি ব্রা সরিয়ে নাফিসার গোলাপি, ভরাট স্তন দুটো বের করে আদর করতে লাগলেন। জিভ দিয়ে চাটতে লাগলেন, চুষতে লাগলেন, আলতো কামড় দিতে লাগলেন। নাফিসা তাঁর চুল খামচে ধরে আর্তনাদ করছিলেন।

“আহহহ… আরিয়ান… খুব ভালো লাগছে… আরো জোরে…”

নাফিসা আরিয়ানের শার্টের বোতাম খুলে তাঁর চওড়া, শক্ত বুকে চুমু দিতে দিতে নিচে নামলেন। প্যান্টের চেন খুলে আরিয়ানের শক্ত, মোটা, লম্বা লিঙ্গটা বের করে হাতে নিলেন। গরম, শিরা-উঠা। নাফিসা মুখ নামিয়ে চুষতে শুরু করলেন। জিভ দিয়ে চাটতে লাগলেন, পুরোটা মুখে নিয়ে গলার ভিতর ঢুকিয়ে দিতে লাগলেন। আরিয়ান আনন্দে গোঙাতে লাগলেন, “নাফিসা… উফফ… তুমি পাগল করে দিচ্ছো…”

নাফিসা পুরো উৎসাহে চুষছিলেন। আরিয়ানের হাত তাঁর চুলে। কয়েক মিনিট পর আরিয়ান আর সহ্য করতে পারলেন না। তিনি নাফিসাকে উঠিয়ে লিফটের দেয়ালে হেলান দিয়ে দাঁড় করালেন। শাড়ি কোমর পর্যন্ত তুলে প্যান্টি সরিয়ে দিলেন। নাফিসার ভোদা ইতিমধ্যে ভিজে চুপচুপ করছিল। আরিয়ান আঙুল ঢুকিয়ে নাড়াতে লাগলেন। জিভ দিয়ে চুষতে লাগলেন। নাফিসা পাগলের মতো চিৎকার করছিলেন, “আরো… আরো জোরে… আহহহ… আমি যাবো…”

নাফিসা প্রথম অর্গাজমে কেঁপে উঠলেন। পা কাঁপছিল। আরিয়ান উঠে নাফিসাকে কোলে তুলে নিলেন। নাফিসা পা দিয়ে আরিয়ানের কোমর জড়িয়ে ধরলেন। আরিয়ান তাঁর শক্ত লিঙ্গটা ধীরে ধীরে নাফিসার ভিতরে ঢুকিয়ে দিলেন।

“আআআহহহ… খুব বড়… পুরো ভরে গেছে… আল্লাহ!” নাফিসা চেঁচিয়ে উঠলেন।

আরিয়ান ধীরে ধীরে ঠাপ দিতে শুরু করলেন। লিফটের দেয়ালে নাফিসার পিঠ ঠেকে যাচ্ছিল। চুমু, কামড়, চাটা — সব চলছিল একসাথে। গতি বাড়ল। জোরে জোরে ঠাপাতে লাগলেন। নাফিসার স্তন লাফাচ্ছিল। দুজনেই ঘামে ভিজে গেলেন। নাফিসা আরিয়ানের কাঁধ কামড়ে ধরে চিৎকার করছিলেন।

প্রথম রাউন্ডে দুজন একসাথে চরম আনন্দে পৌঁছালেন। নাফিসার ভিতরে আরিয়ানের বীর্য ঢেলে দিলেন।

বিশ্রাম ও দ্বিতীয় রাউন্ড…

দুজনে ক্লান্ত হয়ে মেঝেতে শুয়ে পড়লেন। আরিয়ান নাফিসাকে জড়িয়ে ধরে চুমু খাচ্ছিলেন। “তুমি অসাধারণ নাফিসা। আমি তোমাকে ছাড়তে চাই না।”

নাফিসা লজ্জায় মুখ লুকিয়ে বললেন, “আমিও না… এটা স্বপ্নের মতো লাগছে।”

কিছুক্ষণ পর আবার শুরু। এবার নাফিসা আরিয়ানকে মেঝেতে শুইয়ে দিয়ে উপরে উঠলেন। কাউগার্ল পজিশনে বসে নিজে নড়তে লাগলেন। তাঁর স্তন লাফাচ্ছিল। আরিয়ান নিচ থেকে স্তন চুষছিলেন, নিতম্ব চেপে ধরছিলেন। নাফিসা চুল ছড়িয়ে পাগলের মতো চড়ছিলেন। “আমার ভোদা তোমার লিঙ্গে পুরো ভরে গেছে… আহহ… আরো গভীরে…”

তারপর ডগি স্টাইল। আরিয়ান পিছন থেকে জোরে ঠাপ দিচ্ছিলেন। নাফিসার কোমর ধরে টেনে টেনে। নিতম্বে চড় মারছিলেন। নাফিসা চিৎকার করছিলেন, “জোরে… মেরে দাও আমাকে… আহহহ!”

তৃতীয় রাউন্ড — আরও ইমোশনাল ও তীব্র

এবার তারা শুয়ে শুয়ে। অনেক কথা বলতে বলতে। আরিয়ান বলছিলেন, “তুমি আমার জীবন বদলে দিয়েছো নাফিসা।” নাফিসা বলছিলেন, “আমিও তোমাকে ভালোবেসে ফেলেছি।” চুমু খেতে খেতে, আদর করতে করতে তারা আবার মিলিত হলেন। ধীর গতিতে, অনেকক্ষণ ধরে।

এভাবে সারা রাত কাটল। চার-পাঁচটা রাউন্ড। বিভিন্ন পজিশন — স্ট্যান্ডিং, লিফটের হ্যান্ড্রেল ধরে, মেঝেতে, দেয়ালে। ফোরপ্লে, অরাল, ৬৯ পজিশন — সবই। নাফিসার শরীরের প্রতিটা অংশ আরিয়ান আদর করলেন। আরিয়ানের শরীর নাফিসা চুষে চুষে লাল করে দিলেন।

রাত শেষ হয়ে সকাল প্রায় ছয়টা বাজল। লিফটটা হঠাৎ কেঁপে উঠে চলতে শুরু করল। দুজনে তাড়াতাড়ি কাপড় ঠিক করে নিলেন। কিন্তু দরজা খোলার আগে আরেকবার জড়িয়ে ধরে গভীর চুমু খেলেন।

লিফটের দরজা খুলতেই সিকিউরিটি গার্ড অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল। কিন্তু তারা হাসতে হাসতে হাত ধরে বেরিয়ে এলেন।

সকালের পর…

বাইরে বৃষ্টি থেমে গেছে। তারা একসাথে ব্রেকফাস্ট করলেন একটা কাফেতে। তারপর নাফিসাকে বাসায় ড্রপ করে দিলেন আরিয়ান। কিন্তু বিদায় নেওয়ার সময় নাফিসা বললেন, “আজ রাতে আবার দেখা হবে?”

আরিয়ান হেসে বললেন, “অবশ্যই। এখন থেকে প্রতি রাত আমাদের।”

এরপর তাদের সম্পর্ক আরও গভীর হতে লাগল। অফিসে লুকিয়ে দেখা, হোটেলে রাত কাটানো, উইকেন্ডে ট্রিপ — আরও অনেক হট অ্যাডভেঞ্চার। কিন্তু সেই প্রথম রাতের লিফটের স্মৃতি সবসময় তাদের উত্তেজিত করে রাখত।

....
👁 1049