চাঁদের আলোয় প্রেম

চাঁদের আলোয় ভেজা রাত তখন আমার জানালার পাশে দাঁড়িয়ে তুমি প্রথমবার আমার হৃদয় ছুঁয়ে দিয়েছিলে। তোমার নাম রাহাত। আর আমি — সাধারণ একটা মেয়ে, নাম নিশি। কোনো রূপকথার রাজকন্যা নই, শুধু একটা ছোট ফ্ল্যাটে থাকা, অফিসের চাকরি করা, সাধারণ চেহারার একটা মেয়ে। কিন্তু সেই রাতে তোমার চোখে যে আলো দেখেছিলাম, সেটা আমার সারা জীবনের সব অন্ধকার মুছে দিয়েছিল।
আমি জানালা খুলে দাঁড়িয়েছিলাম। হালকা বৃষ্টি পড়ছিল। আমার লম্বা চুল ভিজে যাচ্ছিল। হঠাৎ পাশের বিল্ডিংয়ের বারান্দায় তোমাকে দেখলাম। তুমি সিগারেট ধরাতে গিয়েও থেমে গেলে। তোমার চোখ আমার চোখে আটকে গেল। কয়েক সেকেন্ড কেউ কথা বললাম না। শুধু চেয়ে রইলাম। তোমার ঠোঁটে একটা নরম হাসি ফুটে উঠল। আমিও লজ্জায় মাথা নিচু করে হাসলাম। সেই মুহূর্ত থেকেই আমার বুকের ভিতরে একটা অদ্ভুত ঢেউ উঠতে শুরু করল।
পরের দিন সকালে অফিস যাওয়ার সময় লিফটে তোমার সাথে দেখা। তুমি আমার পাশে দাঁড়ালে। তোমার শরীর থেকে হালকা পারফিউমের গন্ধ আসছিল। আমার হাত কাঁপছিল। তুমি আস্তে করে বললে,
“কাল রাতে তোমাকে দেখে মনে হয়েছিল চাঁদ নেমে এসেছে। আজ সকালে দেখছি সূর্য উঠেছে।”
আমার গাল লাল হয়ে গেল। আমি চুপ করে হাসলাম। লিফটের দরজা খুলতেই তুমি আমার হাতটা স্পর্শ করে বললে, “আজ সন্ধ্যায় কফি খাবে আমার সাথে?” আমি মাথা নেড়ে সম্মতি দিলাম। সারাদিন অফিসে বসে শুধু তোমার কথা মনে পড়ছিল। তোমার গভীর চোখ, তোমার নরম গলা, তোমার হাতের ছোঁয়া।
সন্ধ্যায় আমরা দুজনে ধানমন্ডির একটা ছোট ক্যাফেতে বসলাম। বাইরে বৃষ্টি পড়ছিল। তুমি আমার হাত ধরে রেখেছিলে। তোমার আঙুলগুলো আমার আঙুলের ফাঁকে আটকে ছিল। আমরা অনেক কথা বললাম। আমি তোমাকে বললাম আমার সাধারণ জীবনের কথা — বাবা-মা মারা যাওয়ার পর একা থাকি, চাকরি করি, কখনো কারো সাথে এত কাছাকাছি হয়নি। তুমি আমার চোখে চেয়ে বললে,
“নিশি, তুমি সাধারণ নও। তুমি আমার কাছে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরী। তোমার চোখে যে ভালোবাসা লুকিয়ে আছে, সেটা আমাকে পাগল করে দিয়েছে।”
সেই রাতে তুমি আমাকে বাসায় পৌঁছে দিলে। দরজার সামনে দাঁড়িয়ে তুমি আমার কপালে আলতো করে চুমু খেলে। আমার শরীরে বিদ্যুৎ খেলে গেল। আমি তোমার বুকে মাথা রেখে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে রইলাম। তোমার হৃদস্পন্দন আমার কানে বাজছিল। সেই মুহূর্তে আমি বুঝলাম — আমি তোমাকে ভালোবেসে ফেলেছি।
কিন্তু আমি জানতাম না, এই ভালোবাসার গল্পে আরেকজন আসবে। তোমার ছোট ভাই — রিয়ান। চাঁদের আলোয় ভেজা রাতের সেই প্রথম ছোঁয়ার পর থেকে আমার প্রতিটি মুহূর্ত রাহাতের চারপাশে ঘুরতে শুরু করেছিল। কিন্তু জীবন তো শুধু এক রঙের হয় না। কখনো কখনো দুই রঙ মিশে নতুন একটা রঙ তৈরি করে — যেটা আরও গভীর, আরও মাদকতাময়।
সেই রাতের পরের সকালে আমি ঘুম থেকে উঠেই রাহাতের কথা ভাবছিলাম। তার কপালের চুমুটা এখনো আমার চামড়ায় অনুভব করছিলাম। ফোনটা হাতে নিয়ে দেখলাম সে একটা মেসেজ করেছে — “গুড মর্নিং আমার চাঁদের আলো। আজ অফিসের পর তোমার সাথে দেখা হবে? তোমাকে ছাড়া দিনটা অসম্পূর্ণ লাগছে।” আমার হৃদয়টা লাফিয়ে উঠল। আমি তাড়াতাড়ি রিপ্লাই করলাম, “হ্যাঁ, অবশ্যই। তোমার জন্য অপেক্ষা করব।”
অফিসে সারাদিন তার কথা মনে পড়ছিল। কাজ করতে করতে হঠাৎ হঠাৎ আমার গাল লাল হয়ে যাচ্ছিল। বিকেলে অফিস শেষ করে যখন লিফটে নামছি, তখনই রাহাতকে দেখলাম। সে নিচে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছিল। তার পরনে সাদা শার্ট, কালো জিন্স। চুলটা সামান্য এলোমেলো। আমাকে দেখে তার চোখে যে হাসি ফুটে উঠল, সেটা আমাকে পুরোপুরি গলে দিল।
“নিশি…” সে আস্তে করে ডাকল। তারপর আমার হাতটা ধরে বাইরে নিয়ে গেল। বৃষ্টি থেমে গিয়েছিল। আমরা হাঁটতে হাঁটতে ধানমন্ডি লেকের পাশে চলে গেলাম। সূর্য ডুবছিল। লাল আকাশের নিচে আমরা দুজনে বেঞ্চে বসলাম। রাহাত আমার কাঁধে হাত রাখল। তার শরীরের উষ্ণতা আমার শরীরে ছড়িয়ে পড়ছিল।
“তুমি জানো নিশি, তোমাকে প্রথম দেখার পর থেকে আমার ঘুম হয় না। তোমার চোখ দুটো আমার মনে রাত-দিন ঘুরে বেড়ায়।” তার গলা ভারী হয়ে গেল। আমি তার বুকে মাথা রাখলাম। তার হৃদস্পন্দন শুনতে শুনতে বললাম, “আমিও তোমাকে ছাড়া কিছু ভাবতে পারি না রাহাত। তুমি আমার জীবনে এসে সবকিছু বদলে দিয়েছ।”
সে আমার চিবুকটা তুলে ধরল। তার চোখে চোখ রেখে আস্তে করে ঠোঁটের কাছে মুখ নিয়ে এল। আমার শ্বাস বন্ধ হয়ে গেল। তার ঠোঁট আমার ঠোঁট ছুঁয়ে গেল — নরম, উষ্ণ, ভালোবাসায় ভরা। সেই চুমুটা ধীরে ধীরে গভীর হয়ে গেল। তার হাত আমার পিঠ বেয়ে নেমে আসছিল। আমার শরীর কাঁপছিল আনন্দে। চুমু থামিয়ে সে আমার কানে ফিসফিস করে বলল, “তোমাকে আমার কাছে চাই নিশি… খুব কাছে।”
সেই রাতে সে আমাকে তার ফ্ল্যাটে নিয়ে গেল। তার ফ্ল্যাটটা আমারটার ঠিক পাশেই। দরজা বন্ধ করে সে আমাকে জড়িয়ে ধরল। তার হাত আমার শাড়ির আঁচল সরিয়ে দিল। আমার বুকের উপর তার ঠোঁট নেমে এল। আমি তার চুলে হাত বুলিয়ে দিচ্ছিলাম। তার প্রতিটা ছোঁয়ায় আমার শরীর আগুন হয়ে যাচ্ছিল। সে আমাকে বিছানায় শুইয়ে দিল। তারপর ধীরে ধীরে আমার সব কাপড় খুলে দিল। আমার নগ্ন শরীরের উপর তার চোখ বুলিয়ে সে বলল, “তুমি কত সুন্দর নিশি… আমার সবকিছু।”
তারপর সে নিজের জামা খুলে আমার উপর শুয়ে পড়ল। তার শক্ত শরীর আমার নরম শরীরের সাথে মিশে গেল। তার ঠোঁট আমার ঠোঁট, গলা, বুক, পেট — সব জায়গায় ঘুরে বেড়াচ্ছিল। আমি তার নাম ধরে কাঁপছিলাম। যখন সে আমার ভিতরে প্রবেশ করল, তখন আমার চোখে জল চলে এসেছিল — এত ভালোবাসা, এত আনন্দ। আমরা দুজনে এক হয়ে গিয়েছিলাম। অনেকক্ষণ ধরে আমরা একে অপরকে ভালোবাসলাম। তার প্রতিটা ধাক্কায় আমি তার নাম নিয়ে চিৎকার করে উঠছিলাম। শেষে যখন আমরা দুজনেই চূড়ায় পৌঁছালাম, তখন সে আমাকে জড়িয়ে ধরে বলল, “তুমি আমার চিরকালের নিশি।”
কিন্তু সেই রাতের পর সকালে যখন আমি তার ফ্ল্যাট থেকে বের হচ্ছিলাম, তখনই দেখলাম তার ছোট ভাই রিয়ান এসে দাঁড়িয়েছে। রিয়ান — রাহাতের থেকে একটু ছোট, কিন্তু দেখতে আরও আকর্ষক। তার চোখে একটা দুষ্টুমি মেশানো গভীরতা। সে আমাকে দেখে হেসে বলল, “ভাবী? নাকি… নতুন কেউ?”
রাহাত বেরিয়ে এসে রিয়ানকে জড়িয়ে ধরল। “ইয়ার, এ হলো নিশি। আমার সব।” রিয়ান আমার দিকে তাকিয়ে চোখ নাচাল। তার চোখে যে আগুন দেখলাম, সেটা আমাকে অস্বস্তিতে ফেলে দিল। কিন্তু সেই সাথে একটা অদ্ভুত আকর্ষণও অনুভব করলাম।
রিয়ান বলল, “দাদা, তোমার পছন্দ তো অসাধারণ। নিশি আপু, আজ থেকে আমিও তোমার ভক্ত হয়ে গেলাম।” তার কথায় লজ্জা পেয়ে আমি মাথা নিচু করলাম। কিন্তু আমার মনে একটা প্রশ্ন জেগে উঠল — এই দুই ভাইয়ের মাঝে আমি কীভাবে ভাগ হয়ে যাব?
সেদিন বিকেলে রাহাত অফিসে গেলে রিয়ান এসে আমার দরজায় নক করল। তার হাতে একটা গোলাপের তোড়া। “দাদার জন্য নয়, তোমার জন্য। তুমি যে হাসি দাও, সেটা আমার দাদার চেয়েও বেশি মুগ্ধ করে।” আমি দরজা খুলে দাঁড়ালাম। তার চোখ আমার শরীর বেয়ে নেমে গেল। আমার শাড়ির আঁচলটা সামান্য সরে গিয়েছিল। সে আস্তে করে বলল, “নিশি, তুমি জানো না তুমি কতটা বিপজ্জনক।”
আমি লজ্জায় পিছিয়ে গেলাম। কিন্তু তার কথায় আমার শরীরে আবার সেই আগুন জ্বলে উঠল। রাহাতের ছোঁয়া এখনো শরীরে লেগে আছে, আর এখন রিয়ানের চোখ আমাকে নতুন করে পাগল করছে। রিয়ানের সেই চোখের দৃষ্টি আর গোলাপের তোড়া আমার মনে এক অদ্ভুত ঝড় তুলে দিয়েছিল। রাহাতের সাথে যে গভীর ভালোবাসা আর শারীরিক মিলনের আনন্দ আমি পেয়েছিলাম, সেটা এখনো আমার শরীরে লেগে ছিল। কিন্তু রিয়ানের উপস্থিতি আমার ভিতরে নতুন একটা আগুন জ্বালিয়ে দিল — যেটা নিষিদ্ধ, কিন্তু অসম্ভব আকর্ষক।
সেদিন সন্ধ্যায় রাহাত ফিরে এসে আমাকে জড়িয়ে ধরল। তার ঠোঁট আমার ঠোঁটে মিশে গেল। “আজ অফিসে সারাদিন তোমার কথা ভেবে কাজ করতে পারিনি নিশি। তোমার শরীরের উষ্ণতা এখনো আমার হাতে লেগে আছে।” সে আমাকে তুলে নিয়ে বিছানায় নিয়ে গেল। আমার শাড়ি খুলে ফেলল ধীরে ধীরে। তার আঙুল আমার নগ্ন বুকের উপর বুলিয়ে দিচ্ছিল। আমি চোখ বন্ধ করে তার নাম নিয়ে ফিসফিস করছিলাম।
সে আমার উরুর ভিতরে মুখ নামিয়ে দিল। তার জিভ আমার সবচেয়ে নরম জায়গায় ঘুরতে লাগল। আমি কাঁপতে কাঁপতে তার চুল খামচে ধরলাম। “রাহাত… আরও… প্লিজ…” আমার শরীর থেকে রস ঝরে পড়ছিল। সে উঠে এসে তার শক্ত লিঙ্গ আমার ভিতরে ঢুকিয়ে দিল। ধীরে ধীরে জোরে জোরে ধাক্কা দিতে লাগল। আমরা দুজনে ঘামে ভিজে এক হয়ে গেলাম। চূড়ায় পৌঁছে সে আমার ভিতরে তার বীর্য ঢেলে দিল। আমি তাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদছিলাম আনন্দে।
কিন্তু রাতে যখন রাহাত ঘুমিয়ে পড়ল, তখন আমার ফোনে রিয়ানের মেসেজ এল — “আপু, দাদার সাথে কেমন কাটল? আমি জানি তুমি এখনো জেগে আছ। তোমার চোখে আমি যে আগুন দেখেছি, সেটা আমাকে পাগল করছে। কাল সকালে দেখা হবে?”
আমার হাত কাঁপছিল। আমি রিপ্লাই করলাম না। কিন্তু সারারাত রিয়ানের চোখ আর তার দুষ্টু হাসি আমার স্বপ্নে ঘুরতে লাগল।
পরের সকালে রাহাত অফিসে চলে গেল। আমি বাসায় একা। দরজায় নক। রিয়ান এসেছে। পরনে টি-শার্ট আর শর্টস। তার শরীরের পেশি স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল। “নিশি আপু, একা একা বোর হচ্ছ না তো?” সে হেসে ভিতরে ঢুকে দরজা বন্ধ করল।
আমি পিছিয়ে গেলাম। “রিয়ান, এটা ঠিক না। রাহাত…”
সে আমার কাছে এগিয়ে এল। তার হাত আমার কোমরে রাখল। “দাদা জানবে না। আর তুমি তো জানো, আমি তোমাকে দাদার চেয়েও বেশি চাই। তোমার এই সাধারণ চেহারা, এই নরম শরীর — আমাকে পাগল করে দিয়েছে।”
তার কথায় আমার শরীরে শিহরণ খেলে গেল। সে আমার ঠোঁটে চুমু খেল। প্রথমে আলতো, তারপর গভীর। তার জিভ আমার মুখের ভিতর ঢুকে আমার জিভের সাথে খেলতে লাগল। আমি প্রতিরোধ করতে চাইলাম, কিন্তু পারলাম না। তার হাত আমার বুকের উপর চলে গেল। শাড়ির উপর দিয়েই সে চেপে ধরল। আমার বোঁটা শক্ত হয়ে উঠল।
“রিয়ান… না…” আমি ফিসফিস করলাম। কিন্তু সে আমাকে সোফায় শুইয়ে দিল। আমার শাড়ি উঠিয়ে দিয়ে আমার প্যান্টি সরিয়ে তার আঙুল ঢুকিয়ে দিল। আমি কাঁপছিলাম। “তুমি এত ভিজে গেছ আপু… আমার জন্যই তো?” তার আঙুল জোরে জোরে নড়তে লাগল। আমি আর সহ্য করতে পারলাম না। আমার শরীর থেকে রস বেরিয়ে তার হাত ভিজিয়ে দিল।
সে তার শর্টস খুলে তার শক্ত, লম্বা লিঙ্গ বের করল। আমার মুখের কাছে নিয়ে এল। “চোষো আপু… প্লিজ।” আমি লজ্জায় চোখ বন্ধ করে তার লিঙ্গ মুখে নিলাম। গরম, শক্ত। আমি চুষতে লাগলাম। সে আমার চুল ধরে মুখে ধাক্কা দিচ্ছিল। তারপর সে আমার উপর উঠে আমার ভিতরে ঢুকে গেল। এক ঝটকায় পুরোটা ঢুকিয়ে দিল। আমি চিৎকার করে উঠলাম।
রিয়ানের ধাক্কা রাহাতের চেয়ে আরও জোরালো, আরও দুষ্টু। সে আমার বুক কামড়াতে কামড়াতে জোরে জোরে চোদতে লাগল। “নিশি… তুমি আমার… দাদার সাথে যেমন করো, আমার সাথেও তেমনি করো।” আমি তার কোমর জড়িয়ে ধরে নিচে থেকে ধাক্কা দিচ্ছিলাম। আমাদের ঘাম মিশে এক হয়ে গেল। অনেকক্ষণ ধরে সে আমাকে বিভিন্ন পজিশনে চোদল — কুকুরের মতো, উপরে উঠে, পাশ থেকে। শেষে সে আমার ভিতরে ঢেলে দিল তার গরম বীর্য।
আমি লজ্জায় আর আনন্দে কাঁদছিলাম। রিয়ান আমাকে জড়িয়ে ধরে চুমু খেল। “এটা আমাদের গোপন ভালোবাসা নিশি। দাদা জানবে না। কিন্তু তুমি এখন আমাদের দুজনের।”
সেই দিন থেকে আমার জীবন দুই রঙে ভরে গেল। রাহাতের নরম, গভীর ভালোবাসা আর রিয়ানের দুষ্টু, জোরালো আকর্ষণ। দুজনেই আমাকে চায়, দুজনেই আমাকে পাগল করে। রিয়ানের সাথে সেই গোপন, উন্মাদনাময় মিলনের পর আমার শরীর আর মন দুটোই দুই ভাইয়ের মাঝে ছিঁড়ে যাচ্ছিল। রাহাতের নরম, আবেগপূর্ণ ভালোবাসা যেমন আমাকে শান্তি দিত, রিয়ানের দুষ্টু, জোরালো আকর্ষণ তেমনি আমাকে পাগল করে তুলছিল। আমি জানতাম এটা ঠিক না, কিন্তু থামতে পারছিলাম না। দুজনের ছোঁয়াই আমার শরীরকে নতুন করে জাগিয়ে তুলছিল।
সেদিন বিকেলে রাহাত অফিস থেকে ফিরে এসে আমাকে দেখে হাসল। “নিশি, তোমাকে আজ আরও সুন্দর লাগছে।” সে আমাকে জড়িয়ে ধরে চুমু খেল। তার ঠোঁটের নরমতা আমার সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ল। আমি তার বুকে মাথা রেখে ভাবছিলাম — রিয়ানের সাথে যা হয়েছে, সেটা যেন সে কখনো না জানে। কিন্তু আমার শরীর এখনো রিয়ানের ছোঁয়ায় ভিজে ছিল।
রাহাত আমাকে শোবার ঘরে নিয়ে গেল। সে ধীরে ধীরে আমার শাড়ি খুলতে লাগল। প্রত্যেকটা কাপড় সরানোর সাথে সে আমার শরীরের প্রতিটা ইঞ্চি চুমু দিয়ে ভরিয়ে দিচ্ছিল। “তোমার এই নরম বুক, এই কোমর, এই উরু… সব আমার।” তার জিভ আমার বোঁটায় ঘুরতে লাগল। আমি কাঁপছিলাম। সে আমাকে বিছানায় শুইয়ে তার মুখ আমার পায়ের ফাঁকে নামিয়ে দিল। তার জিভ আমার ভিতরে ঢুকে গভীর করে চাটতে লাগল। আমি তার চুল খামচে ধরে চিৎকার করছিলাম, “রাহাত… আমাকে তোমার করে নাও…”
সে উঠে তার শক্ত লিঙ্গ আমার ভিতরে ঢুকিয়ে দিল। ধীরে ধীরে, গভীর করে ধাক্কা দিতে লাগল। তার চোখে শুধু ভালোবাসা। আমরা দুজনে চুমু খেতে খেতে এক হয়ে গেলাম। অনেকক্ষণ ধরে সে আমাকে ভালোবাসল — কখনো উপরে, কখনো পাশ থেকে। শেষে সে আমার ভিতরে ঢেলে দিল তার উষ্ণ বীর্য। আমি তাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদলাম। “তুমি আমার সব রাহাত।”
কিন্তু রাতে রাহাত ঘুমিয়ে পড়লে রিয়ানের মেসেজ এল — “আপু, দাদা ঘুমিয়ে গেছে? আমি তোমার কাছে আসছি। দরজা খোলা রাখো।” আমার হৃদয় দ্রুত চলতে লাগল। আমি দরজা খুলে রাখলাম। কিছুক্ষণ পর রিয়ান চুপিচুপি ঢুকল। তার চোখে দুষ্টু আগুন। সে আমাকে দেওয়ালের সাথে চেপে ধরে জোর করে চুমু খেল। “দাদার পর এখন আমার পালা। তুমি এখন আমাদের দুজনের রানী।”
সে আমার নাইটি তুলে দিয়ে তার আঙুল ঢুকিয়ে দিল। “এখনো দাদার রস লেগে আছে? ভালোই তো, আরও ভিজে যাবে।” তার আঙুল জোরে নড়তে লাগল। আমি কামড়ে তার কাঁধ চেপে ধরলাম যাতে চিৎকার না বের হয়। তারপর সে আমাকে বিছানার কিনারায় বসিয়ে তার লিঙ্গ মুখে ঢুকিয়ে দিল। আমি জোরে চুষতে লাগলাম। সে আমার মাথা ধরে গলার ভিতর পর্যন্ত ঠেলে দিচ্ছিল।
“এবার পেছন থেকে নেব আপু।” সে আমাকে কুকুরের মতো করে দাঁড় করিয়ে পেছন থেকে এক ঝটকায় ঢুকিয়ে দিল। তার ধাক্কা এত জোরে যে বিছানা কাঁপছিল। সে আমার চুল ধরে টানতে টানতে চোদছিল। “বলো নিশি, কে তোমাকে বেশি ভালো চোদে — দাদা নাকি আমি?” আমি লজ্জায় কিছু বলতে পারছিলাম না, শুধু কাঁপছিলাম। সে আমার বুক চেপে ধরে আরও জোরে ধাক্কা দিতে লাগল। শেষে সে আমার পেছনেই ঢেলে দিল।
রিয়ান চলে যাওয়ার পর আমি বিছানায় শুয়ে দুজনের কথা ভাবছিলাম। দুজনের শরীরের গন্ধ আমার শরীরে মিশে ছিল। আমি বুঝতে পারছিলাম — এখন আর ফেরার পথ নেই। আমি দুজনকেই চাই।
পরের দিন ছুটির দিন। রাহাত বলল, “আজ আমরা তিনজনে বাইরে ঘুরতে যাব। রিয়ানও যাবে।” আমার মুখ লাল হয়ে গেল। তিনজনে একসাথে। গাড়িতে যেতে যেতে রাহাত আমার হাত ধরে রেখেছিল, আর রিয়ান পেছনের সিট থেকে আমার ঘাড়ে আলতো করে হাত বুলিয়ে দিচ্ছিল। কেউ কিছু বুঝতে পারছিল না।
সন্ধ্যায় ফিরে আসার পর রাহাত বলল, “আজ রাতে একসাথে খাব।” খাওয়ার পর তিনজনে বসে গল্প করছিলাম। হঠাৎ রাহাত আমাকে কাছে টেনে চুমু খেল। রিয়ান হেসে বলল, “দাদা, আমিও তোমার সাথে শেয়ার করতে চাই। নিশি কি বলে?”
আমার শরীর কাঁপছিল। রাহাত আমার চোখে চেয়ে হাসল, “যদি তুমি চাও নিশি… আমরা দুজনেই তোমাকে ভালোবাসি।” আমি লজ্জায় মাথা নিচু করলাম, কিন্তু মাথা নেড়ে সম্মতি দিলাম।
সেই রাতে তিনজনে বিছানায়… সেই রাতটা আমার জীবনের সবচেয়ে উন্মাদনাময় রাত হয়ে উঠল। রাহাত আর রিয়ান — দুই ভাই, দুই রঙের ভালোবাসা — দুজনেই আমাকে একসাথে চাইছিল। আমার শরীর কাঁপছিল লজ্জায়, উত্তেজনায় আর অসম্ভব আকাঙ্ক্ষায়। রাহাত আমার চোখে চেয়ে আস্তে করে বলল, “নিশি, যদি তুমি না চাও তাহলে থাক। কিন্তু আমরা দুজনেই তোমাকে এত ভালোবাসি যে শেয়ার করতেও রাজি।” রিয়ান পাশ থেকে আমার কোমরে হাত বুলিয়ে দিয়ে ফিসফিস করল, “আপু, তুমি আমাদের রানী। আজ রাতে তোমাকে আমরা দুজনে মিলে স্বর্গে নিয়ে যাব।”
আমি লজ্জায় মাথা নিচু করে আস্তে করে মাথা নেড়ে সম্মতি দিলাম। রাহাত আমাকে জড়িয়ে ধরে গভীর চুমু খেল। তার নরম ঠোঁট আমার ঠোঁট চুষতে লাগল। একই সময়ে রিয়ান পেছন থেকে আমার নাইটি খুলে ফেলল। তার হাত আমার নগ্ন পিঠ বেয়ে নেমে আমার নিতম্ব চেপে ধরল। তিনজনের শরীরের উষ্ণতায় ঘরটা গরম হয়ে উঠল।
রাহাত আমাকে বিছানায় শুইয়ে দিল। সে আমার বুকের উপর ঝুঁকে একটা বোঁটা মুখে নিয়ে চুষতে লাগল। তার জিভ ঘুরতে ঘুরতে আমার শরীরে শিহরণ তুলছিল। রিয়ান নিচে নেমে আমার উরুর ফাঁকে মুখ দিল। তার জিভ আমার ভিতরের নরম ফুলে ঢুকে চাটতে লাগল। “আহহহ… রিয়ান… রাহাত…” আমি দুজনের নাম নিয়ে কাঁপছিলাম। দুজনের জিভ একসাথে আমার শরীরের দুই প্রান্তে কাজ করছিল। আমার রস ঝরে পড়ছিল রিয়ানের মুখে।
রাহাত উঠে তার শক্ত লিঙ্গ আমার মুখের কাছে নিয়ে এল। “চোষো নিশি… তোমার মুখটা আমার খুব প্রিয়।” আমি তার লিঙ্গ মুখে নিয়ে চুষতে লাগলাম। রিয়ান উঠে তার লিঙ্গ আমার ভিতরে ঢুকিয়ে দিল। জোরে জোরে ধাক্কা দিতে লাগল। তিনজনের শ্বাসের শব্দ, চুমুর শব্দ, আর আমার আনন্দের আর্তনাদে ঘর ভরে গেল।
রিয়ান আমাকে চোদতে চোদতে বলল, “দাদা, তোমার মেয়েটা কত টাইট… আজ তো আমরা দুজন মিলে ওকে ভরে দিব।” রাহাত হেসে আমার বুক চেপে ধরল। তারপর তারা পজিশন বদল করল। রাহাত নিচে শুয়ে আমাকে তার উপর বসিয়ে নিল। তার লিঙ্গ পুরোটা আমার ভিতরে ঢুকে গেল। আমি উপর-নিচ করতে লাগলাম। রিয়ান পেছনে এসে আমার পেছনের ছিদ্রে আঙুল দিয়ে লুব্রিকেট করে তার লিঙ্গ ঢোকাতে লাগল।
“আআআহহহ… দুজন একসাথে… খুব বড়… আস্তে…” আমি চিৎকার করে উঠলাম। কিন্তু ব্যথার সাথে অসম্ভব আনন্দ হচ্ছিল। দুই ভাইয়ের দুটো শক্ত লিঙ্গ একসাথে আমার ভিতরে ঢুকছিল — একটা সামনে, একটা পেছনে। তারা তাল মিলিয়ে ধাক্কা দিতে লাগল। রাহাত নিচ থেকে আমার বুক চুষছিল, রিয়ান পেছন থেকে আমার ঘাড় কামড়াচ্ছিল। আমার শরীর থেকে ঘাম ঝরছিল। আমি দুজনের কাঁধ খামচে ধরে কাঁপছিলাম।
একসাথে তিনজন চূড়ায় পৌঁছালাম। রাহাত আর রিয়ান দুজনেই আমার ভিতরে তাদের গরম বীর্য ঢেলে দিল। আমি অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো হয়ে পড়লাম আনন্দে। তারা দুজনে আমাকে জড়িয়ে ধরে চুমু খেতে লাগল। রাহাত বলল, “নিশি, তুমি আমাদের সব।” রিয়ান আমার কানে ফিসফিস করল, “এখন থেকে প্রতি রাত এমনই হবে আপু।”
সেই রাতের পর সকালে আমি তিনজনের মাঝে জেগে উঠলাম। দুজনের হাত আমার শরীরে। আমি বুঝলাম — এই তিনজনের ভালোবাসার গল্প এখন আর থামবে না। কিন্তু বাইরের দুনিয়া কি এটা মেনে নেবে? সেই রাতের পর সকালে যখন আমি দুই ভাইয়ের মাঝে জেগে উঠলাম, তখন আমার শরীর আর মন দুটোই অদ্ভুত শান্তি অনুভব করছিল। রাহাতের নরম হাত আমার বুকের উপর, রিয়ানের দুষ্টু হাত আমার কোমরে। সূর্যের আলো জানালা দিয়ে এসে আমাদের তিনজনের নগ্ন শরীরে পড়ছিল। আমি চুপ করে তাদের দুজনের ঘুমন্ত মুখের দিকে তাকিয়ে রইলাম।
রাহাত চোখ খুলে প্রথমে আমাকে দেখল। তার চোখে সেই একই গভীর ভালোবাসা। সে আস্তে করে আমার কপালে চুমু খেলো। “গুড মর্নিং, আমার চাঁদের আলো।” তারপর রিয়ানও জেগে উঠে আমার ঘাড়ে মুখ ঘষল। “আপু, সকালেই আবার শুরু করব নাকি?”
আমি লজ্জায় হাসলাম। কিন্তু এবার আর কোনো অপরাধবোধ ছিল না। আমি দুজনের হাত ধরে বললাম, “আমি তোমাদের দুজনকেই ভালোবাসি। একজনকে ছেড়ে অন্যজনকে বেছে নিতে পারব না। এটা পাপ কি না জানি না… কিন্তু এটাই আমার সত্যি।”
রাহাত আমার চোখে চেয়ে হাসল। তার গলা ভারী হয়ে গেল, “নিশি, আমরা তিনজন একসাথে থাকব। বাইরের দুনিয়া যা বলুক, আমাদের ব্যাপার। তুমি আমাদের দুজনেরই। আমি তোমাকে শান্তি দিতে চাই, রিয়ান তোমাকে উন্মাদনা দিতে চায়। দুটোই তোমার প্রাপ্য।”
রিয়ানও সিরিয়াস হয়ে বলল, “দাদা ঠিক বলেছে। আমরা তিনজনে একটা ছোট পরিবার। কেউ জানবে না। শুধু আমরা তিনজন।”
সেই দিন থেকে আমাদের জীবন নতুন রূপ নিল। দিনের বেলায় রাহাত আমার সাথে অফিস যেত, সন্ধ্যায় লেকের ধারে হাঁটতাম, চুমু খেতাম। আর রাতে রিয়ান আসত। কখনো কখনো দুজনে একসাথে। কখনো একজন একা। কিন্তু প্রতিটা মুহূর্তে আমি অনুভব করতাম — আমি আর একা নই। আমার দুই রঙের ভালোবাসা আমাকে পুরোপুরি ভরিয়ে দিয়েছে।
মাস কয়েক পর এক চাঁদের আলোয় ভেজা রাতে, ঠিক যেভাবে প্রথম দেখা হয়েছিল, আমরা তিনজনে জানালার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলাম। রাহাত আমার কাঁধে হাত রেখে বলল, “তুমি আমাদের জীবনের সবচেয়ে সুন্দর অধ্যায় নিশি।”
রিয়ান পেছন থেকে জড়িয়ে ধরে কানে ফিসফিস করল, “আর এই অধ্যায় কখনো শেষ হবে না আপু।”
আমি দুজনের মাঝে দাঁড়িয়ে চোখ বন্ধ করলাম। বৃষ্টির শব্দ, তাদের শরীরের উষ্ণতা আর চাঁদের আলোয় আমি বুঝলাম — ভালোবাসা যদি সত্যি হয়, তাহলে কোনো নিয়মের বেড়াজাল তাকে আটকে রাখতে পারে না।
আমি নিশি — দুই ভাইয়ের ভালোবাসার রানী। আর এই গল্পটা এখানেই চিরকালের জন্য সুন্দরভাবে থেমে রইল।

....
👁 170