রাত এগারোটা বেজে গেছে। ঢাকার গুলশানের একটা হাই-রাইজ অ্যাপার্টমেন্টের ১২তলায় নিশা একা দাঁড়িয়ে ছিল ব্যালকনিতে। তার পরনে শুধু একটা কালো সিল্কের নাইটি, যেটা তার গোলাকার স্তন আর নিতম্বের বাঁককে প্রায় সবটাই উন্মুক্ত করে রেখেছে। হাওয়ায় তার লম্বা চুল উড়ছে। সিগারেটের ধোঁয়া ছেড়ে সে ভাবছিল, আজকের এই একাকিত্ব আর কতদিন সহ্য করবে।
হঠাৎ ডোরবেল বাজল। নিশা অবাক হয়ে দরজা খুলতেই দেখল—রাহাত। তার ছোটবেলার বন্ধু, যে লন্ডন থেকে ফিরেছে মাত্র তিনদিন আগে। ছয় ফুটের উপর লম্বা, চওড়া কাঁধ, টাইট কালো শার্টে তার পেশী ফেটে বেরোচ্ছে। চোখে সেই পরিচিত তীব্র দৃষ্টি।
“নিশা…” রাহাতের গলা ভারী, চাপা। “আয় ভেতরে।”
দুজনে সোফায় বসল। ওয়াইনের গ্লাসে চুমুক দিতে দিতে পুরনো স্মৃতি হাসতে হাসতে শেয়ার করছিল। কিন্তু বাতাসে যেন বিদ্যুৎ খেলছিল। রাহাতের চোখ বারবার নিশার গলার নিচে, তার স্তনের উপরের অংশে, উরুর ফাঁকে চলে যাচ্ছিল। নিশার শ্বাস দ্রুত হয়ে আসছিল।
হঠাৎ রাহাত তার হাতটা নিশার উরুর উপর রাখল। গরম স্পর্শ। “তোকে আমি কখনো ভুলতে পারিনি,” সে ফিসফিস করে বলল।
নিশা আর নিজেকে সামলাতে পারল না। সে ঝুঁকে রাহাতের ঠোঁটে জড়িয়ে ধরল। প্রথম চুমু নরম, তারপর জিভের লড়াই শুরু হলো। রাহাতের হাত নিশার পিঠ বেয়ে নেমে তার নিতম্ব শক্ত করে চেপে ধরল। নিশা তার কোলে উঠে বসল। তার নাইটির নিচে কিছুই ছিল না। রাহাতের শক্ত লিঙ্গ তার ভেজা যোনির উপর চেপে লাগছিল।
“আমি তোকে চাই…” নিশা তার কানে কামড় দিয়ে বলল।
রাহাত নিশাকে সোফায় শুইয়ে দিল। নাইটিটা এক টানে খুলে ফেলল। নিশার সাদা, নরম, ভরাট শরীর পুরোপুরি উন্মুক্ত। গোল গোল স্তন, শক্ত গোলাপি বোঁটা, সম্পূর্ণ কামানো যোনি—সবকিছু দেখে রাহাতের চোখে আগুন জ্বলে উঠল। সে একটা বোঁটা মুখে নিয়ে জোরে চুষতে লাগল, অন্য হাত দিয়ে দ্বিতীয় স্তন মালিশ করতে লাগল। নিশা আঁকড়ে ধরল তার চুল।
রাহাত নিচে নেমে নিশার উরু ফাঁক করে তার জিভ দিয়ে যোনির ফাঁক চাটতে শুরু করল। জিভ ঢুকিয়ে ভেতর ঘোরাতে লাগল, তারপর ক্লিটোরিস চুষতে লাগল। নিশা পাগলের মতো কাঁপছিল। “আহহহ… রাহাত… জোরে… চুষে খা আমাকে…”
দুই আঙুল ঢুকিয়ে গি-স্পটে চাপ দিতে দিতে জিভের গতি বাড়াল। নিশার শরীর শক্ত হয়ে গেল। প্রথম অর্গাজম এসে গেল। তার রস রাহাতের মুখে ছড়িয়ে পড়ল।
নিশা আর অপেক্ষা করতে পারছিল না। সে রাহাতের প্যান্ট খুলে তার মোটা, শিরাওয়ালা, প্রায় সাড়ে সাত ইঞ্চি লিঙ্গ বের করে মুখে নিল। গলা পর্যন্ত ঢুকিয়ে চুষতে লাগল। রাহাত তার চুল ধরে মুখে ঠাপাতে লাগল।
“তোর মুখটা আগুন…” সে গোঙাল।
কিছুক্ষণ পর রাহাত নিশাকে তুলে নিয়ে বেডরুমে নিয়ে গেল। বিছানায় শুইয়ে তার পা দুটো কাঁধের উপর তুলে এক ঠেলায় পুরো লিঙ্গ ঢুকিয়ে দিল। “আআআহহহ!” নিশা চিৎকার করে উঠল।
রাহাত ধীরে ধীরে তারপর জোরে জোরে ঠাপাতে লাগল। প্রত্যেক ঠাপে নিশার স্তন লাফাচ্ছিল। সে নিশার গলা কামড়ে, স্তন চেপে, ঠোঁট কামড়ে ঠাপিয়ে যাচ্ছিল। নিশা তার নখ দিয়ে রাহাতের পিঠ আঁচড়াচ্ছিল।
“আরও জোরে… ফাটিয়ে দে আমার ভোদা…” নিশা চেঁচিয়ে বলল।
রাহাত তাকে উল্টে কুকুরের ভঙ্গিতে নিল। পেছন থেকে জোরে জোরে ঠাপাতে লাগল। তার বল নিশার নিতম্বে আছড়ে পড়ছিল। নিশার দ্বিতীয় অর্গাজম হলো। তার পা কাঁপছিল। রাহাতও আর সহ্য করতে পারল না। গভীরে ঢুকিয়ে তার গরম বীর্য নিশার ভেতর ঢেলে দিল। দুজনে একসাথে কেঁপে উঠল।
কিন্তু রাত এখানে শেষ হলো না।
শাওয়ারে গিয়ে আবার শুরু হলো। গরম পানির নিচে রাহাত নিশাকে দেওয়ালে চেপে ধরে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ঠাপাল। নিশা তার পা রাহাতের কোমরে জড়িয়ে ঝুলছিল। পানির সাথে ঘাম মিশে তাদের শরীর পিচ্ছিল হয়ে গিয়েছিল।
সকালে ঘুম ভাঙতেই নিশা দেখল রাহাতের লিঙ্গ আবার শক্ত। সে উপরে উঠে বসে চড়ে ঠাপাতে লাগল। তার স্তন রাহাতের মুখের সামনে লাফাচ্ছিল। রাহাত দুই হাতে স্তন চেপে ধরে নিচ থেকে ঠাপিয়ে সাহায্য করছিল।
সারাদিন তারা বিছানা থেকে উঠল না। বিভিন্ন পজিশন—মিশনারি, ডগি, কাউগার্ল, স্পুনিং, স্ট্যান্ডিং। রাহাত নিশার পায়ের আঙুল চুষল, কান কামড়াল, ঘাড়ে লালচে চুম্বনের দাগ করে দিল। নিশা তার লিঙ্গ চুষে, বল চুষে, এমনকি আঙুল দিয়ে তার পেছনের ছিদ্রও খেলাল।
বিকেলে নিশা শুধু একটা এপ্রন পরে রান্না করছিল। রাহাত পেছন থেকে এসে এপ্রন তুলে আবার ঢুকিয়ে দিল। রান্নাঘরের টেবিলে ঝুঁকে নিশা ঠাপ খাচ্ছিল। তার রস টেবিলে পড়ে যাচ্ছিল।
রাতে তারা বাইরে ডিনারে গেল। কিন্তু রেস্টুরেন্টের টয়লেটে ঢুকে দ্রুত এক রাউন্ড হয়ে গেল। নিশা সিঙ্কে ঝুঁকে, রাহাত পেছন থেকে জোরে ঠাপাচ্ছিল। নিশা তার মুখ চেপে ধরে চিৎকার চেপে রাখছিল।
পরের কয়েকদিন তাদের সম্পর্ক আরও তীব্র হয়ে উঠল। একদিন রাহাত নিশাকে নিয়ে হোটেলে গেল। জ্যাকুজিতে বসে নিশা তার কোলে উঠে চড়ে ঠাপাল। পানিতে তাদের শরীর মিশে যাচ্ছিল। ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে পেছন থেকে নিল। এমনকি লিফটে উঠেও দ্রুত এক রাউন্ড হয়ে গেল।
এক রাতে রাহাত নিশাকে অন্ধকার রুমে নিয়ে হাত-পা বেঁধে ফেলল। তার শরীরে আইসক্রিম লাগিয়ে পুরোটা চেটে খেল। তারপর ভাইব্রেটর দিয়ে ক্লিটোরিস ঘষতে ঘষতে আঙুল দিয়ে গি-স্পটে চাপ দিয়ে বারবার অর্গাজম করাল। নিশা চিৎকার করে কেঁদে ফেলছিল আনন্দে। শেষে রাহাত তার মোটা লিঙ্গ ঢুকিয়ে এমন জোরে ঠাপাল যে নিশা দুবার অর্গাজম করে প্রায় অজ্ঞান হয়ে গেল।
তাদের এই শারীরিক ও আবেগের মিলন চলতেই থাকল। নিশা তার জীবনে প্রথমবার এতটা পূর্ণতা অনুভব করল। রাহাতও নিশার শরীরের প্রতিটা ইঞ্চি চিনে ফেলেছিল।
কয়েক সপ্তাহ পর এক রাতে, ঘামে ভেজা শরীরে জড়াজড়ি করে শুয়ে রাহাত নিশার কানে ফিসফিস করে বলল, “আমি তোকে বিয়ে করতে চাই।”
নিশা তার বুকে মাথা রেখে হাসল, “আমিও… কিন্তু এই আগুনটা কখনো নিভতে দিবি না।”
রাহাত হেসে তার ঠোঁটে চুমু খেল। “কখনো না।”
তারপর আবার তাদের শরীর জড়িয়ে গেল। রাতটা আরও গভীর হলো।
....