মেহরিনের বিয়ের দিনটা ছিল শুধুই একটা চুক্তির স্বাক্ষর। ঢাকার গুলশানের একটা ফ্ল্যাটে, সাক্ষীদের সামনে কাগজে নাম লিখেছিল দুজনে। অর্ণব সোজাসুজি বলেছিল, “এই সম্পর্ক এক বছরের। কোনো আবেগ, কোনো ভালোবাসা, কোনো প্রত্যাশা থাকবে না। শুধু একটা ব্যবস্থা।”
মেহরিন মাথা নেড়েছিল। তার আর কোনো উপায় ছিল না। বাবার ব্যবসা দেউলিয়া, মায়ের চিকিৎসা চলছে, ছোট ভাইয়ের পড়াশোনা। অর্ণবের পরিবারের সঙ্গে পুরনো একটা সম্পর্ক ছিল। অর্ণব নিজেই প্রস্তাব দিয়েছিল—এক বছরের চুক্তি, মাসে নির্দিষ্ট টাকা, আর কোনো দাবি থাকবে না।
বিয়ের পর থেকে তারা একই ছাদের নিচে থাকতে শুরু করল। অর্ণবের ফ্ল্যাটটা বড়, পরিপাটি। মেহরিন সকালে উঠে রান্না করত, অর্ণব অফিসে যেত। সন্ধ্যায় ফিরে এসে টেবিলে বসত, কথা কম বলত। মেহরিনও চুপচাপ থাকত। কিন্তু দিন পেরোতে পেরোতে সেই নীরবতা বদলাতে শুরু করল।
অর্ণব রাতে দেরি করে ফিরলে মেহরিন খাবার গরম করে রাখত। একদিন অর্ণব জিজ্ঞেস করল, “কেন এত করে?” মেহরিন সরলভাবে বলল, “ক্ষুধা লাগলে খাবার গরম থাকা ভালো।” অর্ণব কিছু বলল না, শুধু তাকিয়ে রইল। তার চোখে একটা অদ্ভুত আলো খেলা করছিল।
মেহরিনের সরলতা অর্ণবকে অস্থির করে তুলছিল। সে জানত নিজেকে দূরে রাখতে হবে। কিন্তু মেহরিন যখন সকালে চা বানিয়ে তার টেবিলে রাখত, যখন তার শার্ট ইস্ত্রি করে দিত, যখন তার ক্লান্ত মুখ দেখে চুপচাপ পাশে বসে যেত—তখন অর্ণবের ভেতরের দেওয়ালগুলো টাল খেত।
এক রাতে অর্ণব দেরি করে ফিরল। বৃষ্টি ছিল না, শুধু রাতের নরম বাতাস। মেহরিন দরজা খুলে দিল। অর্ণবের চোখে ক্লান্তি। মেহরিন কোনো কথা না বলে তার হাত ধরে টেনে নিয়ে গেল ডাইনিং টেবিলের কাছে। গরম খাবার সাজানো। অর্ণব বসল। খেতে খেতে হঠাৎ বলল, “তুমি কেন এত যত্ন কর?”
মেহরিন মাথা তুলে তাকাল। “কারণ তুমি আমার স্বামী। চুক্তি থাকুক বা না থাকুক।”
অর্ণবের হাত থেমে গেল। সে ধীরে ধীরে উঠে এসে মেহরিনের সামনে দাঁড়াল। তার হাত উঠে মেহরিনের গাল ছুঁল। আঙুলের স্পর্শ নরম, কিন্তু গরম। মেহরিনের শ্বাস বন্ধ হয়ে এল। অর্ণব তার ঠোঁটের কাছে এসে ফিসফিস করল, “তুমি জানো না তুমি কী করছ আমার সঙ্গে।”
সেই রাতে প্রথমবার তারা একে অপরের কাছাকাছি এল। অর্ণব মেহরিনকে বিছানায় শুইয়ে দিল। তার হাত মেহরিনের শরীর ঘেঁষে নামল। জামা খুলতে খুলতে অর্ণবের চোখ জ্বলছিল। মেহরিনের বুকের ওপর তার হাত রাখল, আঙুল দিয়ে আলতো করে ঘষল। মেহরিনের শরীর কেঁপে উঠল। অর্ণব তার ঠোঁট চেপে ধরল। চুমুটা ছিল গভীর, ক্ষুধার্ত। জিভ ঢুকে গেল মুখে, স্বাদ নিয়ে নিল। মেহরিনের হাত অর্ণবের চুল আঁকড়ে ধরল।
অর্ণব মেহরিনের গলায় চুমু দিল, তারপর বুকে নামল। জিভ দিয়ে স্তনের বোঁটা ঘিরে নিল, চুষতে লাগল। মেহরিনের কণ্ঠস্বর বেরিয়ে এল—নরম, আনত। অর্ণব তার পা দুটো আলাদা করে তার মাঝখানে নামল। আঙুল দিয়ে স্পর্শ করল, নরম জায়গাটা ভিজে ছিল। সে আঙুল ঢোকাল, ধীরে ধীরে নড়াতে লাগল। মেহরিনের কোমর উঠে এল। অর্ণব তার মুখ সেখানে লাগাল। জিভ দিয়ে চেটে নিল, চুষল, চাপ দিল। মেহরিনের শরীর কেঁপে উঠল, সে চিৎকার চেপে ধরল।
অর্ণব উঠে এসে নিজেকে ঢোকাল। ধীরে ধীরে পুরোপুরি। মেহরিনের ভেতরটা গরম, শক্ত। অর্ণব নড়তে শুরু করল—প্রথমে ধীর, তারপর জোরে। প্রতিটা ধাক্কায় মেহরিনের শরীর কেঁপে উঠছিল। অর্ণব তার হাত ধরে বিছানার ওপর চেপে ধরল, চোখে চোখ রেখে নড়ল। মেহরিনের পা তার কোমরে জড়িয়ে গেল। তারা একসঙ্গে শেষ হল—মেহরিনের শরীর কেঁপে উঠল, অর্ণবের গরম তরল ভেতরে ছড়িয়ে পড়ল।
সেই রাতের পর থেকে সব বদলে গেল। দিনে অর্ণব অফিসে যেত, কিন্তু রাতে ফিরে এসে মেহরিনকে ধরত। কখনো রান্নাঘরে, কখনো সোফায়, কখনো বিছানায়। মেহরিনের শরীর তার হাতে পরিচিত হয়ে উঠল। অর্ণব তার প্রতিটা অঙ্গ চিনে নিল—বুকের নরমতা, কোমরের বাঁক, পায়ের ভেতরের গরম। মেহরিনও অর্ণবের শরীর শিখল। তার বুকের লোম, পেশির শক্ততা, ঠোঁটের চাপ।
এক রাতে অর্ণব মেহরিনকে দেয়ালে ঠেস দিয়ে দাঁড় করিয়ে তার জামা উপরে তুলল। স্তনে মুখ লাগাল, চুষতে লাগল। মেহরিনের হাত তার চুলে। অর্ণব তার প্যান্ট খুলে নিজেকে ঢোকাল দাঁড়িয়েই। জোরে জোরে নড়ল। মেহরিনের পিঠ দেয়ালে ঠেকছিল, শরীর কেঁপে উঠছিল। অর্ণব তার কানে ফিসফিস করল, “তুমি আমার। চুক্তি যাই হোক।”
মেহরিন সেই রাতে প্রথমবার মনে মনে স্বীকার করল—সে অর্ণবকে আপন করে নিয়েছে। শুধু শরীর নয়, মনও। তার নীরব যত্ন, তার হাতের স্পর্শ, তার চোখের আগুন—সব কিছু তাকে বদলে দিয়েছে।
দিন পেরোতে লাগল। চুক্তির মেয়াদ কাছাকাছি আসছিল। মেহরিন ভয় পাচ্ছিল। কিন্তু অর্ণবের আচরণ দেখে মনে হচ্ছিল, হয়তো সেও বদলে গেছে। তারা একসঙ্গে সিনেমা দেখত, রান্না করত, রাতে জড়িয়ে ঘুমাত। অর্ণব কখনো কখনো মেহরিনের চুল আঙুল দিয়ে আঁচড়াত, কপালে চুমু দিত। সেই নীরব ভালোবাসা মেহরিনকে আরও গভীরে টেনে নিচ্ছিল।
এক সন্ধ্যায় অর্ণব বাড়ি ফিরে মেহরিনকে বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখল। সে পেছন থেকে এসে জড়িয়ে ধরল। হাত তার পেটের ওপর রাখল, ঠোঁট ঘাড়ে লাগাল। মেহরিন চোখ বন্ধ করে দিয়েছিল। অর্ণব ফিসফিস করল, “তুমি জানো, আমি তোমাকে কতটা চাই?”
মেহরিন ঘুরে দাঁড়াল। চোখে চোখ রেখে বলল, “আমিও।”
সেই রাতে তাদের মিলন আরও গভীর হল। অর্ণব মেহরিনকে উপুড় করে শুইয়ে তার পিঠে চুমু দিল, কোমরে হাত বোলাল, তারপর ভেতরে ঢুকে গেল। ধীর গতিতে নড়ল, প্রতিটা নড়াচড়ায় মেহরিনের শরীর সাড়া দিল। অর্ণব তার চুল মুঠো করে টানল, কানে কানে বলল কতটা ভালো লাগে। মেহরিনের কণ্ঠস্বর ভেঙে পড়ছিল। তারা একসঙ্গে শেষ হল, শরীর জড়িয়ে রইল।
মেহরিন সেই মুহূর্তে নিশ্চিত হল—অর্ণবকে সে সত্যিই আপন করে নিয়েছে। চুক্তি যাই হোক, সে আর ফিরে যেতে চায় না।
কিন্তু চুক্তির শেষ দিনটা এসে গেল।
চুক্তির শেষ দিন সকালে অর্ণব উঠে চা বানাল। মেহরিন ঘুম থেকে উঠে দেখল টেবিলে দুটো কাপ। অর্ণব তাকিয়ে বলল, “আজ শেষ দিন।”
মেহরিনের বুক কেঁপে উঠল। সে বসল। অর্ণব তার হাত ধরল। “মেয়াদ শেষ। তোমাকে যেতে হবে।”
মেহরিন চোখ তুলে তাকাল। “তুমি কি চাও না আমি থাকি?”
অর্ণব চুপ করে রইল কিছুক্ষণ। তারপর বলল, “চুক্তি শেষ। এটাই ছিল কথা।”
মেহরিন কিছু বলতে পারল না। তার গলা শুকিয়ে গেল। অর্ণব উঠে গিয়ে তার ব্যাগ গুছিয়ে দিল। টাকা একটা খামে রাখল। “এটা তোমার। মায়ের চিকিৎসার জন্য আরও লাগলে বলো।”
মেহরিন কেঁদে ফেলল। অর্ণব এগিয়ে এসে তার চোখের জল মুছে দিল। “কাঁদো না। এটাই ভালো।”
মেহরিন তার হাত চেপে ধরল। “আমি তোমাকে আপন করে নিয়েছি। তুমি কি কিছুই অনুভব করো না?”
অর্ণবের চোখে একটা ছায়া নেমে এল। সে মেহরিনকে জড়িয়ে ধরল শক্ত করে। তার বুকের ওপর মেহরিনের মাথা। অর্ণব ফিসফিস করল, “অনুভব করি। খুব বেশি। কিন্তু যেতে হবে।”
সেই দিন দুপুরে মেহরিন চলে গেল। অর্ণব দরজায় দাঁড়িয়ে দেখল। মেহরিন পেছন ফিরে তাকাল একবার। অর্ণবের চোখে জল ছিল, কিন্তু সে মুখ ফিরিয়ে নিল।
মেহরিন ফিরে গেল তার পুরনো বাড়িতে। মায়ের চিকিৎসা চলছিল, ভাই পড়াশোনা করছিল। অর্ণবের দেওয়া টাকায় সব চলছিল। কিন্তু রাতে ঘুম আসত না। অর্ণবের হাতের স্পর্শ মনে পড়ত। তার চুমু, তার গরম শরীর, তার নীরব যত্ন।
কয়েক সপ্তাহ পেরিয়ে গেল। মেহরিন একদিন অর্ণবকে ফোন করল। অর্ণব ধরল। “কেমন আছ?”
মেহরিন বলল, “ভালো নেই। তোমাকে মনে পড়ে।”
অর্ণব চুপ করে রইল। তারপর বলল, “ভুলে যাও আমাকে। এটাই ভালো।”
ফোন কেটে গেল। মেহরিন কাঁদল।
কিন্তু অর্ণবও ভুলতে পারেনি। রাতে একা বিছানায় শুয়ে মেহরিনের গন্ধ মনে পড়ত। তার হাসি, তার সরল কথা, তার শরীরের নরমতা। সে কতবার মেহরিনকে ফোন করতে গিয়ে থেমে গিয়েছিল।
এক মাস পর মেহরিনের মায়ের অবস্থা খারাপ হল। হাসপাতালে ভর্তি করতে হল। মেহরিন অর্ণবকে জানাল। অর্ণব এসে গেল। সব খরচ নিজে বহন করল। মেহরিনকে দেখে তার চোখে ব্যথা। কিন্তু সে দূরে রইল।
এক রাতে হাসপাতালের করিডোরে মেহরিন অর্ণবের সামনে দাঁড়াল। “তুমি কেন এত দূরে?”
অর্ণব মাথা নাড়ল। “কারণ কাছে থাকলে আর ছাড়তে পারব না।”
মেহরিন তার হাত ধরল। “তাহলে ছাড়ো না।”
অর্ণব তাকে টেনে নিয়ে গেল একটা খালি রুমে। দরজা বন্ধ করে মেহরিনকে দেয়ালে ঠেস দিয়ে চুমু দিল। গভীর, ক্ষুধার্ত চুমু। হাত মেহরিনের শরীরে ঘুরতে লাগল। জামা তুলে স্তনে মুখ লাগাল। মেহরিনের শ্বাস বন্ধ হয়ে এল। অর্ণব তার প্যান্ট খুলে নিজেকে ঢোকাল। জোরে জোরে নড়ল। মেহরিনের পা তার কোমরে জড়িয়ে গেল। তারা চুপচাপ, দ্রুত মিলিত হল। শেষ হওয়ার পর অর্ণব মেহরিনের কপালে চুমু দিয়ে বলল, “এটা শেষবার।”
মেহরিন কাঁদতে কাঁদতে বলল, “কেন?”
অর্ণব কোনো জবাব দিল না। চলে গেল।
আরও কয়েক মাস পেরিয়ে গেল। মেহরিনের মা সুস্থ হল। কিন্তু মেহরিনের ভেতরটা ফাঁকা। সে অর্ণবের খোঁজ নিতে গিয়ে জানতে পারল অর্ণব ঢাকা ছেড়ে চলে গেছে। কেউ জানে না কোথায়।
মেহরিন হতাশ হয়ে পড়ল। সে ভাবল, অর্ণব তাকে সত্যিই ছেড়ে দিয়েছে। চুক্তি শেষ, সম্পর্ক শেষ।
কিন্তু তারপর একদিন তার ভাই একটা খবর আনল। অর্ণবের এক বন্ধু বলেছে, অর্ণব কোনো বিপদের মুখে পড়েছিল। কেউ তাকে হুমকি দিয়েছিল। মেহরিনকে জড়াতে চাইছিল। অর্ণব তাই তাকে দূরে সরিয়ে রেখেছিল।
মেহরিন বিশ্বাস করতে পারল না প্রথমে। কিন্তু যত খোঁজ নিল, ততই সত্যি বেরিয়ে এল। অর্ণবের ব্যবসার প্রতিদ্বন্দ্বী কেউ একজন তাকে টার্গেট করেছিল। মেহরিনকে ব্যবহার করতে চেয়েছিল। অর্ণব জানত। তাই চুক্তি শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাকে সরিয়ে দিয়েছিল। নিজে একা লড়াই করেছিল।
মেহরিনের চোখে জল এল। অর্ণব তাকে ছেড়ে যায়নি। রক্ষা করেছিল।
সে অর্ণবকে খুঁজতে শুরু করল।
মেহরিন অর্ণবকে খুঁজে পেল চট্টগ্রামের একটা ছোট অফিসে। অর্ণব সেখানে নতুন করে ব্যবসা শুরু করেছিল। মেহরিন দরজায় দাঁড়িয়ে দেখল অর্ণব টেবিলে কাজ করছে। ক্লান্ত, কিন্তু একগুঁয়ে।
অর্ণব মাথা তুলে তাকাল। চোখ বড় হয়ে গেল। “তুমি এখানে কেন?”
মেহরিন ভেতরে ঢুকে দরজা বন্ধ করল। “আমি সব জেনেছি। তুমি আমাকে রক্ষা করেছিলে।”
অর্ণব উঠে দাঁড়াল। “তুমি জানার কথা ছিল না।”
মেহরিন এগিয়ে গেল। “আমি জেনেছি। তুমি আমাকে ছেড়ে যাওনি। তুমি আমাকে বাঁচিয়েছ।”
অর্ণবের চোখে ব্যথা। “বিপদ এখনো শেষ হয়নি পুরোপুরি।”
মেহরিন তার হাত ধরল। “তাহলে একসঙ্গে মোকাবিলা করব। আমি আর দূরে থাকব না।”
অর্ণব মেহরিনকে জড়িয়ে ধরল। শক্ত করে। তার বুকের ওপর মেহরিনের মাথা। অর্ণব ফিসফিস করল, “আমি তোমাকে হারাতে চাইনি। কিন্তু তোমাকে বাঁচাতে হয়েছিল।”
মেহরিন মাথা তুলে তাকাল। “এখন আর হারাবে না।”
অর্ণব তার ঠোঁট চেপে ধরল। চুমুটা ছিল দীর্ঘ, গভীর। জিভ ঢুকে গেল, স্বাদ নিল। মেহরিনের হাত তার চুলে। অর্ণব তাকে তুলে নিয়ে অফিসের ভেতরের ছোট ঘরে নিয়ে গেল। সেখানে একটা সোফা ছিল। অর্ণব মেহরিনকে শুইয়ে দিল। জামা খুলতে খুলতে চুমু দিতে লাগল—গলায়, বুকে, পেটে।
মেহরিনের শরীর কেঁপে উঠল। অর্ণব তার স্তনে মুখ লাগাল, চুষতে লাগল, জিভ দিয়ে ঘিরে নিল। মেহরিনের কণ্ঠস্বর বেরিয়ে এল। অর্ণব তার প্যান্ট খুলে ফেলল, আঙুল দিয়ে স্পর্শ করল। ভিজে ছিল। সে আঙুল ঢোকাল, নড়াতে লাগল। মেহরিনের কোমর উঠে এল। অর্ণব তার মুখ সেখানে লাগাল। জিভ দিয়ে চেটে নিল, চুষল, চাপ দিল। মেহরিনের হাত তার চুল আঁকড়ে ধরল। সে কাঁপতে কাঁপতে শেষ হল প্রথমবার।
অর্ণব উঠে এসে নিজেকে ঢোকাল। পুরোপুরি। মেহরিনের ভেতরটা তাকে চেনে। অর্ণব নড়তে শুরু করল—ধীর, গভীর। প্রতিটা ধাক্কায় মেহরিনের শরীর সাড়া দিল। অর্ণব তার হাত ধরে সোফার ওপর চেপে ধরল, চোখে চোখ রেখে নড়ল। মেহরিনের পা তার কোমরে জড়িয়ে গেল। তারা একসঙ্গে শেষ হল—মেহরিনের শরীর কেঁপে উঠল, অর্ণবের গরম তরল ভেতরে ছড়িয়ে পড়ল।
পরে তারা জড়িয়ে শুয়ে রইল। অর্ণব মেহরিনের চুল আঙুল দিয়ে আঁচড়াতে লাগল। “আমি তোমাকে কখনো আর ছাড়ব না।”
মেহরিন হাসি মুখে বলল, “আমিও না।”
সেই রাত থেকে তারা আবার একসঙ্গে থাকতে শুরু করল। অর্ণবের নতুন ফ্ল্যাটে। বিপদ এখনো কিছুটা ছিল, কিন্তু অর্ণব সবকিছু সামলে নিল। মেহরিন তার পাশে রইল। দিনে কাজ, রাতে একে অপরের কাছে।
তাদের রাতগুলো আরও গভীর হল। কখনো অর্ণব মেহরিনকে রান্নাঘরের টেবিলে তুলে বসিয়ে তার পা দুটো আলাদা করে ঢুকে যেত। জোরে জোরে নড়ত। মেহরিনের পিঠ টেবিলে ঠেকত, শরীর কেঁপে উঠত। কখনো বিছানায় মেহরিন উপুড় হয়ে শুয়ে থাকত, অর্ণব পেছন থেকে ঢুকত, কোমর ধরে টানত। মেহরিনের কণ্ঠস্বর ভেঙে পড়ত। কখনো সোফায়, কখনো দেয়ালে। প্রতিটা মিলনে তারা একে অপরকে আরও গভীরে পেত।
এক রাতে অর্ণব মেহরিনকে জিজ্ঞেস করল, “তুমি কি এখনো চুক্তির কথা মনে রাখো?”
মেহরিন হাসি মুখে বলল, “চুক্তি শেষ। এখন শুধু আমরা।”
অর্ণব তাকে জড়িয়ে ধরল। “হ্যাঁ। শুধু আমরা।”
মেহরিনের মা সুস্থ। ভাইয়ের পড়াশোনা চলছে। অর্ণবের ব্যবসা আবার গড়ে উঠেছে। আর তাদের সম্পর্ক—একটা চুক্তি থেকে শুরু হয়ে সত্যিকারের ভালোবাসায় পৌঁছেছে। নীরব যত্ন, সরলতা, আর গভীর আবেগ মিলেমিশে এক হয়ে গেছে।
রাতের বাতাস নরম। অর্ণব মেহরিনের কপালে চুমু দিয়ে বলল, “আমি তোমাকে ভালোবাসি।”
মেহরিন চোখ বন্ধ করে উত্তর দিল, “আমিও তোমাকে।”
তারা জড়িয়ে ঘুমিয়ে পড়ল। আর কোনো বিচ্ছেদ নেই। শুধু একসঙ্গে থাকা, একসঙ্গে বাঁচা, আর একসঙ্গে ভালোবাসা।
....