পুরোনো চিঠির নতুন অধ্যায়

রওশন আর আয়রিশের গল্পটা শুরু হয়েছিল এক অসম্ভব ভুল বোঝাবুঝি দিয়ে। সেই সময় দুজনের বয়স মাত্র বাইশ। ঢাকার এক ছোট্ট মেসবাড়ির ছাদে, রাতের আকাশের নিচে তারা প্রথমবার একে অপরকে ছুঁয়েছিল। আয়রিশের চুলের গন্ধ, রওশনের গরম হাত—সবকিছু মিলিয়ে একটা নতুন জগত তৈরি হয়েছিল।

¦Ëk¢xz˲Úèžé

আয়রিশ এসেছিল নারায়ণগঞ্জ থেকে। বাবার ছোট ব্যবসা ভেঙে যাওয়ার পর মা-বাবা তাকে ঢাকায় পাঠিয়েছিল কলেজে পড়তে। রওশন ছিল ফরিদপুরের ছেলে। তার বাবা সরকারি চাকরি করতেন, তাই ঢাকায় একটা ফ্ল্যাট ভাড়া নেওয়া হয়েছিল। দুজনের দেখা হয়েছিল কলেজের লাইব্রেরিতে। আয়রিশ বইয়ের তাকে হাতড়াচ্ছিল, রওশন পাশে দাঁড়িয়ে সাহায্য করেছিল। সেই থেকে শুরু।

তারা প্রতিদিন দেখা করত। কখনো পার্কের বেঞ্চে, কখনো নদীর পাড়ে, কখনো ছাদে। রওশন আয়রিশকে গল্প শোনাতো তার গ্রামের। আয়রিশ শুনত চোখ বড় করে। এক রাতে ছাদে বসে রওশন তার হাত ধরে বলেছিল, “তুমি আমার সব।” আয়রিশ হেসে উত্তর দিয়েছিল, “আমিও।” তারপর তারা চুমু খেয়েছিল। প্রথম চুমু। নরম, কাঁপা কাঁপা, কিন্তু গভীর। আয়রিশের ঠোঁট রওশনের ঠোঁটে চেপে ধরেছিল, হাত তার চুলের মধ্যে ঢুকে গিয়েছিল। রওশনের হাত আয়রিশের কোমরে, তারপর আরও নিচে। সে রাতে তারা শুধু চুমুই খায়নি। আয়রিশের শরীর রওশনের হাতে উন্মুক্ত হয়েছিল। রওশন তার স্তন ছুঁয়েছিল, নিপল মুখে নিয়ে চুষেছিল। আয়রিশ দীর্ঘশ্বাস ফেলেছিল, নখ দিয়ে রওশনের পিঠে দাগ কেটেছিল। তাদের প্রথম মিলন হয়েছিল সেই ছাদে, চাদরের নিচে। আয়রিশের ভেতর রওশন ঢুকেছিল ধীরে ধীরে, তারপর দ্রুত। দুজনের শরীর ঘামে ভিজে গিয়েছিল। আয়রিশ চিৎকার চেপে রেখেছিল, শুধু ফিসফিস করে বলেছিল, “আরও...”। রওশন আরও গভীরে গিয়েছিল, আরও জোরে। শেষে দুজন একসঙ্গে শিখরে পৌঁছেছিল।

¦Ëk¢x/춺'ƒú

সেই রাতের পর তাদের সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছিল। তারা প্রায় প্রতিদিন দেখা করত। আয়রিশের মেসবাড়ির ঘরে, যখন রুমমেট বাইরে থাকত, তারা ঘণ্টার পর ঘণ্টা শরীর মিলাত। রওশন আয়রিশকে বিছানায় শুইয়ে তার পা দুটো আলাদা করত, তারপর জিভ দিয়ে তার গোপন জায়গা চেটে চেটে ভিজিয়ে দিত। আয়রিশ কাঁপত, হাত রওশনের মাথায় চেপে ধরত। তারপর রওশন উপরে উঠে আয়রিশের ভেতর ঢুকত। ধীর গতিতে শুরু করে, পরে দ্রুত। আয়রিশের নখ তার পিঠে ফুটে যেত। কখনো কখনো আয়রিশ উপরে উঠে রওশনের ওপর বসত, নিজে নিজে দোলাত। তার স্তন রওশনের মুখের সামনে দুলত, রওশন সেগুলো চেপে ধরে চুষত। তাদের রাতগুলো ছিল গরম, ভিজে, আর অন্তহীন।

কিন্তু ভুল বোঝাবুঝি এসেছিল হঠাৎ। রওশনের এক বন্ধু তাকে বলেছিল যে আয়রিশ অন্য এক ছেলের সঙ্গে দেখা করছে। আয়রিশের মেসবাড়ির সামনে সেই ছেলেকে দেখা গিয়েছিল। রওশন বিশ্বাস করে ফেলেছিল। সে আয়রিশকে জিজ্ঞাসা করেনি। শুধু দূরে সরে গিয়েছিল। আয়রিশও ভেবেছিল রওশন অন্য কাউকে বেছে নিয়েছে। কারণ রওশনের ফোন আর ধরত না। একদিন রওশনকে কলেজের গেটে অন্য এক মেয়ের সঙ্গে হাঁটতে দেখে আয়রিশের হৃদয় ভেঙে গিয়েছিল। সেই মেয়ে ছিল শুধু ক্লাসমেট, কিন্তু আয়রিশ জানত না।

দুজনেই নীরব হয়ে গেল। কোনো কথা হয়নি। কোনো ব্যাখ্যা হয়নি। আয়রিশ নারায়ণগঞ্জে ফিরে গেল। রওশন ঢাকায় থেকে গেল। তাদের শেষ দেখা হয়েছিল কলেজের গেটে। আয়রিশ দূরে দাঁড়িয়েছিল, চোখে জল। রওশন তাকিয়েছিল, কিন্তু কিছু বলেনি। সে ভেবেছিল আয়রিশ তাকে কখনো সত্যি করে চায়নি। আয়রিশ ভেবেছিল রওশন তাকে ছেড়ে অন্য কাউকে বেছে নিয়েছে।

বছর চলে গেল। রওশন চাকরি পেল এক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে। বিয়ে করে বসল। স্ত্রীর নাম ছিল নাদিয়া। দুই সন্তান হলো। কিন্তু রাতগুলোতে সে একা একা জেগে থাকত। আয়রিশের শরীরের স্মৃতি তাকে তাড়া করত। তার ঠোঁটের স্বাদ, তার ভেতরের উষ্ণতা—কিছুই ভোলেনি। নাদিয়ার সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল শান্ত, কিন্তু গরম কিছু ছিল না। সে নাদিয়াকে ভালোবাসত, কিন্তু আয়রিশের মতো নয়।

আয়রিশও বিয়ে করেছিল। স্বামীর নাম ছিল করিম। ব্যবসায়ী। এক মেয়ে হলো। কিন্তু রাতগুলোতে সেও জেগে থাকত। রওশনের হাতের স্পর্শ মনে পড়ত। তার গরম শ্বাস, তার শক্ত শরীর—সবকিছু। করিমের সঙ্গে তার মিলন ছিল নিয়মিত, কিন্তু গভীর নয়। সে কখনো রওশনের মতো তাকে কাঁপাত না।

দশ বছর পর একদিন আয়রিশের হাতে এলো একটা পুরোনো চিঠি। চিঠিটা পাওয়া গিয়েছিল তার মায়ের পুরোনো বাক্স থেকে। চিঠিটা রওশনের লেখা। সেই সময়ের। চিঠিতে লেখা ছিল—সে আয়রিশকে ছেড়ে যায়নি। বন্ধুর কথার কারণে দূরে সরে গিয়েছিল। সে চেয়েছিল আয়রিশকে ফিরে পেতে, কিন্তু গর্ব তাকে থামিয়ে দিয়েছিল। চিঠিটা কখনো পাঠানো হয়নি। হয়তো হারিয়ে গিয়েছিল।

আয়রিশ চিঠিটা পড়ে কেঁদে ফেলল। তারপর সিদ্ধান্ত নিল। সে রওশনকে খুঁজবে। ঢাকায় গিয়ে। হারানো সময় কি ফিরে পাওয়া সম্ভব? সে জানত না। কিন্তু চেষ্টা করবে।

রওশনের জীবনেও পরিবর্তন এসেছিল। নাদিয়া একদিন বলেছিল যে সে অন্য কাউকে ভালোবাসে। বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে গিয়েছিল। সন্তানরা মায়ের সঙ্গে থাকত। রওশন একা হয়ে গিয়েছিল। একদিন অফিসে তার হাতে এলো একটা অজানা নম্বর থেকে মেসেজ। “আমি আয়রিশ। আমরা কথা বলতে পারি?”

রওশনের হাত কেঁপে গেল। সে উত্তর দিল। “হ্যাঁ।”

তারা দেখা করার সিদ্ধান্ত নিল। ঢাকার এক কফি শপে। আয়রিশ এসে দাঁড়াল দরজায়। রওশন তাকাল। দশ বছর পরও আয়রিশের চোখ একই রকম। রওশন উঠে দাঁড়াল। দুজনে একে অপরের দিকে তাকিয়ে রইল। কোনো কথা হলো না প্রথমে। শুধু নীরবতা। তারপর আয়রিশ এগিয়ে গেল। রওশন তার হাত ধরল। হাতের উষ্ণতা পরিচিত।

“আমি ভেবেছিলাম তুমি...” আয়রিশ বলল।

“আমিও।” রওশন উত্তর দিল।

তারা বসে কথা বলল ঘণ্টার পর ঘণ্টা। ভুল বোঝাবুঝির কথা, চিঠির কথা, হারানো বছরগুলোর কথা। আয়রিশ চিঠিটা দেখাল। রওশন পড়ে চুপ হয়ে গেল। “আমি পাঠাইনি। গর্ব করেছিলাম।”

আয়রিশ হাসল। “এখন আর গর্ব নেই।”

সন্ধ্যা নেমে এলো। তারা কফি শপ থেকে বের হলো। রওশন আয়রিশকে তার ফ্ল্যাটে নিয়ে গেল। দরজা বন্ধ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তারা একে অপরকে জড়িয়ে ধরল। চুমু হলো গভীর। আয়রিশের ঠোঁট রওশনের ঠোঁটে চেপে ধরল, জিভ ঢুকিয়ে দিল। রওশনের হাত আয়রিশের পিঠে, তারপর নিচে নেমে তার নিতম্ব চেপে ধরল। আয়রিশ দীর্ঘশ্বাস ফেলল। তারা বিছানায় গড়িয়ে পড়ল। কাপড় খুলে ফেলল তাড়াতাড়ি। আয়রিশের শরীর এখনও সুন্দর। রওশন তার স্তন মুখে নিল, নিপল চুষতে লাগল। আয়রিশ আর্তনাদ করল। রওশনের হাত তার পায়ের মাঝে গিয়ে আঙুল ঢোকাল। আয়রিশ ভিজে গিয়েছিল। রওশন আঙুল ঘোরাল, আরও একটা ঢোকাল। আয়রিশ কোমর দোলাতে লাগল।

তারপর রওশন তার পা দুটো আলাদা করে নিজেকে ঢোকাল। ধীরে ধীরে। আয়রিশের ভেতর এখনও পরিচিত। গরম, সঙ্কুচিত। রওশন ধাক্কা দিতে লাগল। আয়রিশ নখ দিয়ে তার পিঠে দাগ কাটল। “জোরে...” সে ফিসফিস করল। রওশন জোরে ধাক্কা দিল। বিছানা কেঁপে উঠল। আয়রিশের স্তন দুলতে লাগল। রওশন সেগুলো চেপে ধরে চুষতে লাগল। দুজনের শরীর ঘামে ভিজে গেল। আয়রিশ চিৎকার করল যখন শিখরে পৌঁছাল। রওশনও তার সঙ্গে। তারা একসঙ্গে কেঁপে উঠল।

পরে তারা পাশাপাশি শুয়ে রইল। রওশন আয়রিশের চুল সরিয়ে বলল, “হারানো সময় ফিরে পাওয়া যায় না। কিন্তু নতুন সময় শুরু করা যায়।”

আয়রিশ হাসল। “শুরু করি।”

সেই রাত থেকে তাদের নতুন জীবন শুরু হলো। কিন্তু পুরোনো ক্ষতগুলো এখনও ছিল। আয়রিশের মেয়ে, রওশনের সন্তানরা—সবকিছু মিলিয়ে জটিল। তবুও তারা চেষ্টা করতে লাগল। প্রতি রাতে তারা একে অপরকে খুঁজত। শরীর দিয়ে, হৃদয় দিয়ে। আয়রিশ কখনো রওশনের ওপর বসে দোলাত, কখনো হাঁটু গেড়ে সামনে থেকে নেয়। রওশন তাকে পিছন থেকে ধরত, গভীরে ঢুকত। তাদের মিলন হতো ঘণ্টার পর ঘণ্টা। ক্লান্ত হয়েও থামত না। কারণ দশ বছরের ক্ষুধা এক রাতে মেটে না।

এক সপ্তাহ পর আয়রিশ নারায়ণগঞ্জে ফিরে গেল মেয়ের কাছে। রওশন ঢাকায় থাকল। তারা প্রতিদিন ফোনে কথা বলত। কখনো ভিডিও কলে। আয়রিশ নগ্ন হয়ে শুয়ে রওশনকে দেখাত। রওশন নিজেকে ধরে আন্দোলন করত। আয়রিশও নিজের হাত দিয়ে নিজেকে স্পর্শ করত। দূরত্ব তাদের আরও ক্ষুধার্ত করে তুলত।

রওশন সিদ্ধান্ত নিল আয়রিশের কাছে যাবে। নারায়ণগঞ্জে। সেখানে তারা আবার মিলিত হবে। হারানো সময়ের ক্ষতিপূরণ করতে।

নারায়ণগঞ্জের ছোট্ট এক বাড়িতে আয়রিশ অপেক্ষা করছিল। মেয়ে স্কুলে গিয়েছিল। করিম ব্যবসার কাজে বাইরে। আয়রিশ জানত করিম আর ফিরবে না আগামী কয়েকদিন। রওশন এসে পৌঁছাল দুপুরে। দরজা খুলে আয়রিশ তাকে টেনে ভেতরে নিল। চুমু হলো তৎক্ষণাৎ। গভীর, ক্ষুধার্ত। রওশনের হাত আয়রিশের পোশাকের নিচে ঢুকে তার স্তন চেপে ধরল। আয়রিশ দীর্ঘশ্বাস ফেলল। তারা সোজা শোবার ঘরে গেল।

কাপড় খুলে ফেলল তাড়াতাড়ি। আয়রিশ বিছানায় শুয়ে পড়ল। রওশন তার পা দুটো আলাদা করে হাঁটু গেড়ে বসল। জিভ দিয়ে আয়রিশের গোপন জায়গা চেটে চেটে ভিজিয়ে দিল। আয়রিশ কোমর তুলে ধরল, হাত রওশনের মাথায় চেপে ধরল। “আরও...” সে আর্তনাদ করল। রওশন দুই আঙুল ঢোকাল, জিভ দিয়ে ক্লটরিস চুষতে লাগল। আয়রিশ কেঁপে উঠল। শিখরে পৌঁছাল দ্রুত। তারপর রওশন উপরে উঠে নিজেকে ঢোকাল। এক ধাক্কায়। আয়রিশ চিৎকার করল। রওশন ধাক্কা দিতে লাগল জোরে জোরে। বিছানা দেয়ালে ঠেকতে লাগল। আয়রিশের স্তন দুলছিল। রওশন সেগুলো মুখে নিল, কামড় দিল হালকা। আয়রিশ নখ দিয়ে তার পিঠে রক্তের দাগ কাটল। দুজন একসঙ্গে শিখরে পৌঁছাল। রওশনের বীর্য আয়রিশের ভেতর গরম হয়ে ছড়িয়ে পড়ল।

পরে তারা পাশাপাশি শুয়ে কথা বলল। আয়রিশ বলল তার মেয়ের কথা। রওশন বলল তার সন্তানদের কথা। তারা জানত জীবন সহজ হবে না। কিন্তু তারা চাইছিল।

সন্ধ্যায় মেয়ে ফিরে এলো। রওশন অন্য ঘরে লুকিয়ে থাকল। রাতে মেয়ে ঘুমিয়ে পড়ার পর আবার তারা মিলিত হলো। এবার আরও ধীর। আরও গভীর। আয়রিশ রওশনের ওপর বসে দোলাতে লাগল। তার কোমর ঘুরছিল। রওশন তার নিতম্ব চেপে ধরে উপরে তুলছিল। আয়রিশের চোখ বন্ধ, ঠোঁট খোলা। রওশন তার নিপল চুষতে লাগল। আয়রিশ দ্রুত দোলাতে লাগল। শিখরে পৌঁছে কেঁপে উঠল। তারপর রওশন তাকে উল্টে শুইয়ে পিছন থেকে ঢুকল। হাত দিয়ে তার কোমর ধরে জোরে ধাক্কা দিতে লাগল। আয়রিশ বালিশে মুখ গুঁজে চিৎকার করল। রওশন আরও গভীরে গেল। শেষে দুজন আবার একসঙ্গে।

তিন দিন ধরে তারা এভাবেই কাটাল। দিনের বেলা আয়রিশ মেয়ের সঙ্গে থাকত, রাতে রওশনের সঙ্গে। প্রতি রাতে নতুন করে আবিষ্কার করত একে অপরকে। কখনো আয়রিশ হাঁটু গেড়ে রওশনের লিঙ্গ মুখে নিত, চুষত, জিভ ঘোরাত। রওশন তার চুল ধরে ধাক্কা দিত। কখনো রওশন আয়রিশকে দেয়ালে ঠেসে দাঁড় করিয়ে তুলত, পা জড়িয়ে ধরিয়ে ঢুকত। আয়রিশের পা রওশনের কোমরে জড়িয়ে থাকত। তাদের শরীর এক হয়ে যেত।

চতুর্থ দিন করিম ফিরে এলো। রওশন চলে গেল ঢাকায়। কিন্তু তারা প্রতিদিন যোগাযোগ রাখত। আয়রিশ করিমকে বলার সিদ্ধান্ত নিল। বিবাহবিচ্ছেদের কথা। করিম রাগ করল। কিন্তু আয়রিশ স্থির ছিল। সে রওশনকে চেয়েছিল।

কয়েক সপ্তাহ পর বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে গেল। আয়রিশ মেয়েকে নিয়ে ঢাকায় চলে এলো। রওশনের ফ্ল্যাটে। প্রথমে মেয়ে অভ্যস্ত হচ্ছিল না। কিন্তু ধীরে ধীরে। রওশনও তার সন্তানদের সঙ্গে সময় কাটাত। দুই পরিবার মিলেমিশে এক হয়ে উঠছিল।

রাতগুলো তাদের নিজেদের। আয়রিশ এখন প্রতি রাতে রওশনের বিছানায়। তারা ঘণ্টার পর ঘণ্টা মিলিত হতো। কখনো ধীর, কখনো উগ্র। আয়রিশ কখনো রওশনের লিঙ্গ মুখে নিয়ে চুষত যতক্ষণ না রওশন শিখরে পৌঁছাত। তারপর নিজে লিখে নিয়ে ভেতরে ঢুকিয়ে দিত। রওশন তাকে উল্টে শুইয়ে পিছন থেকে ধরত, হাত দিয়ে তার ক্লটরিস ঘষত যতক্ষণ না আয়রিশ কেঁপে উঠত। তাদের শরীর একে অপরকে চেনে যেত নতুন করে। দশ বছরের ব্যবধান মুছে যাচ্ছিল।

এক রাতে আয়রিশ বলল, “আমি ভয় পাই। হারানো সময় আর ফিরবে না।”

রওশন তাকে জড়িয়ে ধরে বলল, “ফিরবে না। কিন্তু আমরা এখন আছি। এটাই যথেষ্ট।”

তারা আবার মিলিত হলো। এবার আরও গভীর ভালোবাসা নিয়ে। রওশন আয়রিশের চোখে তাকিয়ে ঢুকল। ধীরে ধীরে। প্রতিটি ধাক্কায় তাদের হৃদয় কাছাকাছি আসছিল। আয়রিশের চোখে জল এসেছিল। রওশন সেই জল মুছে দিয়ে চুমু খেল। তারা একসঙ্গে শিখরে পৌঁছাল। শরীর আর হৃদয় দুটোই।

জীবন চলতে লাগল। আয়রিশ চাকরি পেল এক স্কুলে। রওশনের অফিস চলছিল। সন্তানরা স্কুলে যাচ্ছিল। বাইরে থেকে দেখলে সব স্বাভাবিক। কিন্তু ভেতরে তাদের সম্পর্ক ছিল আগুনের মতো। প্রতি রাতে সেই আগুন জ্বলত। কখনো তারা রান্নাঘরে মিলিত হতো, যখন সবাই ঘুমিয়ে থাকত। রওশন আয়রিশকে টেবিলে তুলে পা আলাদা করে ঢুকত। আয়রিশ মুখ চেপে ধরত যাতে শব্দ না হয়। কখনো বাথরুমে। গরম পানির নিচে তাদের শরীর মিলত। রওশন আয়রিশকে দেয়ালে ঠেসে ধরত, জোরে জোরে ধাক্কা দিত। আয়রিশের স্তন তার হাতে চেপা থাকত।

একদিন রওশনের স্ত্রী নাদিয়া এসে হাজির হলো। সন্তানদের দেখতে। সে আয়রিশকে দেখে চুপ হয়ে গেল। পরে রওশনকে বলল, “তুমি সুখী?” রওশন মাথা নাড়ল। নাদিয়া চলে গেল। কোনো ঝগড়া হলো না।

আয়রিশের সাবেক স্বামী করিমও একদিন এলো। মেয়েকে দেখতে। সে রওশনকে দেখে রাগ করল, কিন্তু কিছু বলল না। আয়রিশ দৃঢ় ছিল।

তাদের জীবন এগিয়ে চলছিল। কিন্তু একটা প্রশ্ন থেকেই গিয়েছিল। হারানো সময় কি সত্যিই ফিরে পাওয়া সম্ভব? নাকি শুধু নতুন সময় শুরু করা যায়?

এক রাতে আয়রিশ রওশনের বুকে মাথা রেখে বলল, “আমি চাই তোমার সঙ্গে বাকি জীবন কাটাতে।”

রওশন তার চুল সরিয়ে বলল, “আমিও।”

তারা আবার একে অপরকে ছুঁল। ধীরে ধীরে। ভালোবাসা দিয়ে। শরীর দিয়ে। হৃদয় দিয়ে। আয়রিশের ভেতর রওশন ঢুকল। প্রতিটি নড়াচড়ায় তাদের বন্ধন মজবুত হচ্ছিল। আয়রিশের আর্তনাদ, রওশনের দীর্ঘশ্বাস—সব মিলে একটা নতুন গান তৈরি হচ্ছিল। তারা একসঙ্গে শিখরে পৌঁছাল। তারপর পাশাপাশি শুয়ে রইল। হাত ধরাধরি করে।

সকালে সূর্য উঠল। নতুন এক দিন। তাদের জীবনের নতুন অধ্যায়।

মাস চলে গেল। রওশন আর আয়রিশ এখন একসঙ্গে থাকত স্থায়ীভাবে। ঢাকার একটা নতুন ফ্ল্যাটে। সন্তানরা সবাই একসঙ্গে। প্রথমে অসুবিধা হয়েছিল। কিন্তু সময় সব ঠিক করে দিয়েছিল। আয়রিশের মেয়ে রওশনকে ‘চাচা’ ডাকত প্রথমে। পরে ‘আব্বু’। রওশনের ছেলেমেয়েরা আয়রিশকে ‘আপা’ ডাকত। পরিবার হয়ে উঠেছিল।

তাদের রাতগুলো এখনও গরম ছিল। কিন্তু এখন আর শুধু ক্ষুধা ছিল না। ভালোবাসাও ছিল। এক রাতে রওশন আয়রিশকে বিছানায় শুইয়ে তার পুরো শরীর চুমু দিয়ে ঢেকে দিল। গলা থেকে শুরু করে স্তন, পেট, তারপর আরও নিচে। জিভ দিয়ে আয়রিশের গোপন জায়গা খুলল। ধীরে ধীরে চেটে চেটে। আয়রিশ কোমর তুলল। রওশন দুই আঙুল ঢোকাল, ঘোরাল। আয়রিশ কেঁপে উঠল। তারপর রওশন উপরে উঠে ঢুকল। চোখে চোখ রেখে। ধীর গতিতে। প্রতিটি ধাক্কায় “আমি তোমাকে ভালোবাসি” ফিসফিস করল। আয়রিশও একই কথা বলল। তারা একসঙ্গে শিখরে পৌঁছাল। হাত ধরাধরি করে।

কখনো তারা আরও উগ্র হতো। আয়রিশ রওশনের ওপর বসে দ্রুত দোলাত। তার স্তন রওশনের মুখের সামনে। রওশন সেগুলো চেপে ধরে কামড় দিত। আয়রিশ চিৎকার করত। রওশন তার নিতম্ব তুলে ধরে আরও গভীরে যেত। শেষে দুজন ঘামে ভিজে একসঙ্গে পড়ে থাকত।

একদিন রওশন প্রস্তাব দিল। “চলো বিয়ে করি।” আয়রিশ হাসল। “আমরা তো আগেই একে অপরের।” কিন্তু সম্মতি দিল। ছোট্ট এক অনুষ্ঠান হলো। শুধু পরিবারের সামনে। কোনো বড় আয়োজন নয়। শুধু তারা দুজন, হাত ধরাধরি করে।

বিয়ের রাতে তারা নতুন করে মিলিত হলো। আয়রিশ সাদা পোশাক পরেছিল। রওশন সেটা খুলে ফেলল ধীরে ধীরে। প্রতিটি ইঞ্চি চুমু দিয়ে। আয়রিশের শরীর কাঁপছিল। রওশন তাকে বিছানায় শুইয়ে পা আলাদা করল। জিভ দিয়ে শুরু করল। আয়রিশ আর্তনাদ করল। তারপর রওশন ঢুকল। গভীরে। জোরে। আয়রিশের পা তার কোমরে জড়িয়ে থাকল। তারা ঘণ্টার পর ঘণ্টা মিলিত হলো। কখনো আয়রিশ উপরে, কখনো রওশন। কখনো পাশাপাশি। শেষে ক্লান্ত হয়ে একে অপরের বুকে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়ল।

বছর চলে গেল। তাদের সন্তানরা বড় হলো। আয়রিশের মেয়ে কলেজে ভর্তি হলো। রওশনের ছেলেমেয়েরাও। পরিবার আরও বড় হলো। কিন্তু রওশন আর আয়রিশের সম্পর্ক একই রকম গরম থাকল। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের মিলন আরও গভীর হলো। কখনো ধীর, কখনো উগ্র। কিন্তু সবসময় ভালোবাসা দিয়ে।

একদিন আয়রিশ পুরোনো চিঠিটা বের করল। সেই চিঠি যা তাদের আবার মিলিয়ে দিয়েছিল। রওশন পড়ল। হাসল। “এই চিঠি না থাকলে আমরা হয়তো আর দেখা করতাম না।”

আয়রিশ বলল, “হারানো সময় ফিরে পাওয়া যায় না। কিন্তু আমরা যা পেয়েছি, তা যথেষ্ট।”

রাতে তারা আবার মিলিত হলো। ছাদে। যেখানে তাদের প্রথম মিলন হয়েছিল অনেক বছর আগে। এবার অন্য ছাদ। কিন্তু অনুভূতি একই। রওশন আয়রিশকে চাদরের নিচে নিয়ে গেল। কাপড় খুলল। চুমু খেল গভীর। তারপর ঢুকল। ধীরে ধীরে। আয়রিশের চোখে তাকিয়ে। “আমি তোমাকে কখনো ছাড়ব না।” আয়রিশ উত্তর দিল, “আমিও না।” তারা একসঙ্গে দোলাল। শহরের আলো দূরে জ্বলছিল। তাদের শরীর এক হয়ে গিয়েছিল। আয়রিশ কেঁপে উঠল। রওশনও। তারা একসঙ্গে শিখরে পৌঁছাল। তারপর পাশাপাশি শুয়ে রইল। হাত ধরাধরি করে।

সকালে সূর্য উঠল। নতুন এক দিন। তাদের জীবনের বাকি দিনগুলো। হারানো সময় ফিরে আসেনি। কিন্তু যা পেয়েছিল, তা দিয়েই তারা এগিয়ে চলছিল। ভালোবাসা দিয়ে। শরীর দিয়ে। হৃদয় দিয়ে।

রওশন আয়রিশের কপালে চুমু দিয়ে বলল, “এবার আর কোনো ভুল বোঝাবুঝি নয়।”

আয়রিশ হাসল। “না। শুধু আমরা।”

এবং সেই থেকে তাদের গল্প চলতে থাকল। বাংলাদেশের এই শহরে। দুই হৃদয়ের মিলনে। গভীর। গরম। অন্তহীন।

....
👁 13