লাবিবার জীবনে সবকিছু ভেঙে পড়েছিল সেই শীতের শেষ দিকে। বাবার হঠাৎ মৃত্যু, মায়ের অসুস্থতা, আর ভাইয়ের চাকরি চলে যাওয়া—সব একসঙ্গে এসে আছড়ে পড়েছিল তার ওপর। ছোট্ট একটা ফ্ল্যাটে তারা তিনজন। ভাড়া বাকি, ওষুধের খরচ, আর প্রতিদিনের খাবারের চিন্তা। লাবিবা তখন একটা প্রাইভেট ফার্মে হিসাবরক্ষকের কাজ করত। বেতন কম, চাপ বেশি। রাতের বেলা হিসাব মিলিয়ে বাড়ি ফিরত, মায়ের পাশে বসে তার শরীর মুছে দিত, তারপর নিজের ঘরে গিয়ে নীরবে কাঁদত।
আহরার এসেছিল সেই সময়ে। সে লাবিবার অফিসের কাছাকাছি একটা কফি শপের মালিক। লম্বা, শান্ত চোখ, কথা কম। প্রথম দেখা হয়েছিল একদিন সকালে, যখন লাবিবা অফিসে যাওয়ার পথে কফি নিতে ঢুকেছিল। হাতে কাঁপছিল। আহরার নিজেই কাউন্টারে দাঁড়িয়ে চা বানিয়ে দিয়েছিল। “আস্তে খান,” বলেছিল শুধু। সেদিন থেকে লাবিবা প্রায় প্রতিদিন সেখানে যেত। কখনো কফি, কখনো শুধু বসার জন্য। আহরার কখনো জিজ্ঞাসা করেনি কী হয়েছে। শুধু পাশে থেকেছে।
একদিন রাতে মায়ের অবস্থা খারাপ হলে লাবিবা হাসপাতালে ছুটে যায়। টাকার অভাব। আহরার সেখানেই ছিল। কোনো কথা না বলে সে নিজেই বিল পরিশোধ করেছিল। লাবিবা প্রতিবাদ করেছিল। আহরার শুধু বলেছিল, “এখন নয়। পরে দেবেন।” সেই রাত থেকে আহরার লাবিবার জীবনের অংশ হয়ে যায়। মায়ের ওষুধ আনত, বাজার করত, কখনো কখনো রাতের খাবার নিয়ে আসত। বড় কোনো প্রতিশ্রুতি দেয়নি কখনো। শুধু প্রতিটি বিপদে পাশে দাঁড়িয়েছে।
লাবিবা ধীরে ধীরে তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। আহরারের উপস্থিতি তার জন্য একটা নিরাপদ জায়গা হয়ে ওঠে। একদিন সন্ধ্যায় অফিস থেকে ফিরে আহরারের দোকানে গিয়েছিল। দোকান বন্ধ। আহরার তাকে ভিতরে নিয়ে যায়। ছোট্ট একটা ঘর, আলো মৃদু। লাবিবা ক্লান্ত হয়ে সোফায় বসে পড়ে। আহরার তার সামনে হাঁটু গেড়ে বসে। হাত ধরে। “আপনি ক্লান্ত,” বলে শুধু।
সেই স্পর্শ থেকে সব শুরু হয়। লাবিবা তার হাত চেপে ধরে। আহরার উঠে এসে তার পাশে বসে। আস্তে আস্তে কাছে সরে আসে। ঠোঁট ছোঁয়। প্রথম চুমুটা ছিল ধীর, সাবধানী। তারপর গভীর হয়ে যায়। আহরারের হাত তার কোমরে, তারপর পিঠে। লাবিবার শ্বাস দ্রুত হয়ে ওঠে। সে আহরারের জামায় হাত দেয়। আহরার তাকে তুলে নিয়ে বিছানায় শোয়। জামা খোলে আস্তে আস্তে। স্তনের ওপর ঠোঁট রাখে, জিভ দিয়ে স্তনবৃন্ত চেটে নেয়। লাবিবা আর্তনাদ করে ওঠে। আহরার তার পায়ের মাঝে হাত স্লিপ করে, আঙুল দিয়ে ভেজা জায়গায় চাপ দেয়। লাবিবার কোমর কেঁপে ওঠে।
আহরার তার প্যান্ট খুলে ফেলে। নিজের জামা-প্যান্ট খুলে নগ্ন হয়। শক্ত লিঙ্গ লাবিবার উরুর ওপর রাখে। “বলুন যদি থামতে চাই,” বলে। লাবিবা মাথা নাড়ে। “না।” আহরার ধীরে ধীরে ভিতরে ঢোকে। লাবিবার চোখ বন্ধ হয়ে যায়। ব্যথা আর আনন্দের মিশ্রণ। আহরার থামে না। গভীর থেকে গভীরে যায়। প্রতিটি ধাক্কায় লাবিবার শরীর কেঁপে ওঠে। আহরার তার স্তন চেপে ধরে, চুমু খায়, কামড় দেয়। লাবিবা তার পিঠে নখ বসায়। “আরও,” বলে ফিসফিসিয়ে। আহরার গতি বাড়ায়। ঘামে ভিজে যায় দুজনের শরীর। শেষে লাবিবা চিৎকার করে ওঠে। আহরারও তার ভিতরে ঝরে পড়ে।
সেই রাত থেকে তাদের শরীরের সম্পর্ক আরও গভীর হয়। প্রায় প্রতি রাতে আহরারের ঘরে বা লাবিবার বাড়িতে। মা ঘুমিয়ে পড়লে আহরার আসত। লাবিবাকে বিছানায় শুইয়ে তার পুরো শরীর চেটে নিত। জিভ দিয়ে তার ভেজা জায়গায় চাপ দিত যতক্ষণ না লাবিবা কাঁপতে কাঁপতে শেষ হয়। তারপর নিজে ঢুকে যেত। কখনো পেছন থেকে, কখনো উপরে উঠে। লাবিবা তার কাঁধে দাঁত বসাত। আহরার তার চুল টেনে ধরে গভীর থেকে গভীরে যেত। কথা কম, শুধু শরীরের ভাষা। ঘাম, গন্ধ, শ্বাসের শব্দ।
লাবিবা তার ওপর এতটাই নির্ভরশীল হয়ে পড়ে যে আহরার ছাড়া একদিনও ভাবা যেত না। অফিসের চাপ, বাড়ির টেনশন—সব ভুলে যেত আহরারের বুকে মাথা রেখে। আহরার কখনো বলেনি “আমি থাকব” বা “আমরা বিয়ে করব”। শুধু থেকেছে। লাবিবা ভাবত, এই নীরব উপস্থিতিই যথেষ্ট।
একদিন সকালে সব শেষ হয়ে যায়। আহরারের দোকান বন্ধ। ফোন বন্ধ। কোনো মেসেজ নেই। লাবিবা দোকানে যায়, প্রতিবেশীদের জিজ্ঞাসা করে। কেউ কিছু জানে না। আহরার উধাও। কোনো ব্যাখ্যা নেই। লাবিবা তার ঘরে গিয়ে দেখে সবকিছু গোছানো। শুধু একটা ছোট্ট নোট—কিছুই লেখা নেই। খালি কাগজ।
লাবিবা ভেঙে পড়ে। কিন্তু কেউ জানতে পারে না। অফিসে যায়, মায়ের সেবা করে, রাতে একা কাঁদে। আহরারের শরীরের ছোঁয়া মনে পড়ে। তার ঠোঁট, তার হাত, তার গভীর ঢোকা। রাত জেগে সেই অনুভূতি মনে করে নিজের শরীর স্পর্শ করে। কিন্তু কিছুই পূরণ হয় না। তিন বছর কেটে যায় এভাবে। আহরারের কোনো খবর নেই। লাবিবা ভাবতে শেখে যে সে চলে গেছে চিরতরে। কিন্তু হৃদয় মানতে চায় না।
তিন বছর। লাবিবার জীবন আবার একটা ছন্দে ফিরে এসেছিল, কিন্তু ভিতরে শূন্যতা রয়ে গিয়েছিল। মা সুস্থ হয়ে উঠেছিল ধীরে ধীরে। ভাই নতুন চাকরি পেয়েছিল। লাবিবা নিজেও প্রমোশন পেয়েছিল। এখন একটা ভালো পজিশনে কাজ করে। ফ্ল্যাট বদলেছে। একটু বড় জায়গা। কিন্তু রাতগুলো এখনও ভারী।
আহরারের স্মৃতি তাকে ছাড়ে না। কখনো রাতে ঘুম ভাঙলে মনে হয় কেউ পাশে আছে। হাত বাড়ায়—খালি বিছানা। কখনো অফিস থেকে ফিরে পথে সেই পুরনো কফি শপের সামনে দাঁড়ায়। এখন অন্য কেউ চালায়। লাবিবা ভিতরে ঢোকে না। শুধু বাইরে থেকে দেখে। মনে পড়ে সেই রাতগুলো। আহরার কীভাবে তার শরীরকে চিনত। কীভাবে তার কোমর ধরে টেনে নিত। কীভাবে তার ভিতরে ঢুকে গভীর থেকে গভীরে যেত যতক্ষণ না লাবিবা আর সহ্য করতে না পেরে চিৎকার করে ওঠে।
লাবিবা চেষ্টা করেছিল ভুলে যেতে। কয়েকজন পুরুষের সঙ্গে দেখা করেছিল। কেউ কেউ ভালো মানুষ। কিন্তু কেউ আহরারের মতো নয়। কেউ তার নীরব উপস্থিতি দিতে পারেনি। কেউ তার শরীরকে এভাবে পড়তে পারেনি। একজনের সঙ্গে এক রাত কাটিয়েছিল। শরীর মিলেছিল, কিন্তু মন মেলেনি। শেষে লাবিবা উঠে গিয়েছিল। বাড়ি ফিরে গোসল করেছিল দীর্ঘক্ষণ। তারপর একা বিছানায় শুয়ে আহরারের নাম ফিসফিস করেছিল।
মা কখনো জিজ্ঞাসা করেনি। শুধু একদিন বলেছিল, “তুমি হাসো না আর আগের মতো।” লাবিবা হেসে উড়িয়ে দিয়েছিল। কিন্তু রাতে একা হলে সব ভেঙে পড়ত। সে নিজের শরীর স্পর্শ করত। আঙুল দিয়ে নিজেকে ভিজিয়ে তুলত। চোখ বন্ধ করে আহরারের মুখ মনে আনত। তার গভীর কণ্ঠস্বর। তার শক্ত লিঙ্গের অনুভূতি। কল্পনায় আহরার এসে তাকে জড়িয়ে ধরে, স্তন চেপে ধরে, পেছন থেকে ঢুকে যায়। লাবিবা কাঁপতে কাঁপতে শেষ হয়। তারপর আরও একা হয়ে যায়।
কাজের চাপ বাড়ে। লাবিবা নিজেকে কাজে ডুবিয়ে রাখে। রাত জেগে রিপোর্ট তৈরি করে। উইকেন্ডে বাড়িতে থাকে। বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটায় কম। একদিন অফিসের এক সহকর্মী তাকে ডিনারে ডাকে। লাবিবা যায়। কথা হয়। সে তাকে পছন্দ করে। কিন্তু লাবিবার মন অন্য কোথাও। বাড়ি ফিরে সে আয়নায় নিজেকে দেখে। চোখের নিচে কালো দাগ। শরীর ক্লান্ত। মনে হয় আহরার যদি দেখত, হয়তো বলত “আপনি ক্লান্ত”। সেই কথাটাই মনে পড়ে সবচেয়ে বেশি।
তিন বছরের শেষের দিকে লাবিবা একটা সিদ্ধান্ত নেয়। সে আহরারকে খুঁজবে না আর। সে এগোবে। নতুন ফ্ল্যাটে নতুন আসবাব। নতুন রুটিন। কিন্তু হৃদয় মানে না। এক রাতে সে পুরনো ছবি খুঁজে বের করে। আহরারের সঙ্গে তোলা কয়েকটা ছবি। একটায় তারা দুজন হাসছে। আরেকটায় আহরারের হাত তার কোমরে। লাবিবা ছবিগুলো দেখে কাঁদে। তারপর মুছে ফেলে। কিন্তু মন থেকে মুছে না।
একদিন সন্ধ্যায় অফিস থেকে ফিরে পথে হঠাৎ থমকে যায়। সামনে একটা গাড়ি দাঁড়িয়ে। কেউ নামে। লম্বা শরীর। পরিচিত হাঁটা। লাবিবার বুক ধড়ফড় করে। আহরার। তিন বছর পর। সে কাছে আসে। লাবিবা সরতে পারে না। আহরার তার সামনে দাঁড়ায়। চোখে সেই একই শান্ত ভাব। বলে শুধু একটা কথা—“তোমাকে ছেড়ে যাওয়া আমার সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত ছিল।”
লাবিবার চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ে। সে কিছু বলতে পারে না। আহরার তার হাত ধরে। “আমাকে শোনার সুযোগ দাও।” লাবিবা মাথা নাড়ে। আহরার তাকে গাড়িতে তোলে। তারা চুপচাপ যায়। আহরারের নতুন ঠিকানায়। একটা ছোট্ট ফ্ল্যাট। ভিতরে ঢুকে লাবিবা দাঁড়িয়ে থাকে। আহরার দরজা বন্ধ করে। তারপর তার দিকে তাকায়।
“আমি চলে গিয়েছিলাম কারণ আমার জীবনে একটা বড় বিপদ এসেছিল,” বলে আহরার। “আমার পরিবার জড়িয়ে পড়েছিল একটা মামলায়। আমাকে লুকিয়ে থাকতে হয়েছিল। তোমাকে জানালে তুমিও বিপদে পড়তে। আমি পারিনি।” লাবিবা শোনে। রাগ, দুঃখ, ভালোবাসা—সব একসঙ্গে। আহরার কাছে আসে। “প্রতিদিন তোমার কথা ভেবেছি। তোমার শরীরের কথা। তোমার গলার শব্দ।”
লাবিবা আর থামতে পারে না। সে আহরারের দিকে এগিয়ে যায়। তার জামায় হাত দেয়। টেনে খুলে ফেলে। আহরারও তার জামা খোলে। দুজন নগ্ন হয় দ্রুত। আহরার তাকে দেয়ালে ঠেলে দেয়। স্তন মুখে নেয়। জোরে চোষে। লাবিবা আর্তনাদ করে। আহরার তার পা তুলে ধরে। এক ঝটকায় ভিতরে ঢুকে যায়। গভীর। শক্ত। লাবিবার নখ তার পিঠে বসে। আহরার দ্রুত ধাক্কা দেয়। দেয়ালে লাবিবার পিঠ ঘষে যায়। ঘাম ঝরে। আহরার তার চুল টেনে ধরে। “আমি মিস করেছি,” বলে। লাবিবা উত্তর দিতে পারে না। শুধু কাঁপে। শেষে দুজন একসঙ্গে ঝরে পড়ে। দেয়ালে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। শ্বাস ফেলতে ফেলতে।
আহরার তাকে বিছানায় নিয়ে যায়। এবার ধীরে। পুরো শরীর চেটে নেয়। জিভ দিয়ে তার ভেজা জায়গায় চাপ দেয় যতক্ষণ না লাবিবা আবার শেষ হয়। তারপর আবার ঢোকে। এবার উপরে থেকে। চোখে চোখ রেখে। প্রতিটি ধাক্কায় লাবিবার শরীর কেঁপে ওঠে। আহরার তার ঠোঁট চেপে ধরে। গভীর চুমু। শেষ পর্যন্ত তারা জড়িয়ে থাকে। ঘামে ভেজা শরীর। লাবিবা তার বুকে মাথা রাখে। “তুমি আর যাবে না,” বলে। আহরার তার চুলে হাত বোলায়। “না।”
সেই রাতের পর আর কোনো বিচ্ছেদ হয়নি। আহরার লাবিবার জীবনে ফিরে আসে পুরোপুরি। প্রথমে সাবধানে। লাবিবার রাগ ছিল। কথা কম। কিন্তু শরীর মিলে যেত প্রতি রাতে। আহরার তার শরীরকে আগের মতোই চিনত। কখনো সকালে ঘুম থেকে উঠিয়ে স্তন চেপে ধরে ঢুকে যেত। কখনো রাতে গোসলের সময় পেছন থেকে জড়িয়ে ধরে উরুর মাঝে লিঙ্গ রেখে ঘষত যতক্ষণ না লাবিবা ভিজে যায়। তারপর তুলে নিয়ে বিছানায় শুইয়ে পা ছড়িয়ে দিয়ে গভীর থেকে গভীরে যেত।
লাবিবা ধীরে ধীরে বিশ্বাস করতে শেখে। আহরার সব খুলে বলে। মামলার কথা, পরিবারের কথা, কীভাবে সে লুকিয়ে থেকেছে তিন বছর। কীভাবে প্রতিদিন লাবিবার কথা ভেবেছে। কীভাবে তার শরীরের প্রতিটি অংশ মনে রেখেছে। লাবিবা শোনে। কখনো কাঁদে। কখনো তার বুকে মাথা রেখে ঘুমায়।
একদিন সন্ধ্যায় আহরার তাকে নিজের নতুন দোকানে নিয়ে যায়। এবার বড় জায়গা। কফি শপ নয়, একটা ছোট রেস্টুরেন্ট। “এটা তোমার জন্য,” বলে। লাবিবা অবাক হয়। আহরার তার হাত ধরে। “আমি প্রতিশ্রুতি দিইনি আগে। এখন দিচ্ছি। আমি থাকব।”
লাবিবা তার দিকে তাকায়। তারপর কাছে সরে আসে। চুমু খায়। গভীর। আহরার তাকে ভিতরের ঘরে নিয়ে যায়। দরজা বন্ধ করে। লাবিবার জামা খুলে ফেলে। তাকে টেবিলের ওপর শোয়। পা ছড়িয়ে দেয়। হাঁটু গেড়ে বসে তার ভেজা জায়গায় মুখ রাখে। জিভ দিয়ে চেটে নেয়। আঙুল ঢোকায়। লাবিবা টেবিল চেপে ধরে। আর্তনাদ করে। আহরার থামে না। যতক্ষণ না লাবিবা কাঁপতে কাঁপতে শেষ হয়। তারপর উঠে দাঁড়ায়। নিজের প্যান্ট খোলে। শক্ত লিঙ্গ বের করে। লাবিবার উরুর ওপর রাখে। “বলো,” বলে। লাবিবা শুধু মাথা নাড়ে। আহরার এক ঝটকায় ঢুকে যায়। গভীর। টেবিল কেঁপে ওঠে। আহরার তার কোমর ধরে টেনে নেয়। প্রতিটি ধাক্কায় লাবিবার স্তন দুলতে থাকে। আহরার স্তন চেপে ধরে। চিমটি কাটে। লাবিবা চিৎকার করে। “আরও জোরে।” আহরার গতি বাড়ায়। শেষে দুজন একসঙ্গে ঝরে পড়ে। টেবিলের ওপর জড়িয়ে থাকে।
সেই রাত থেকে তাদের জীবন নতুন করে শুরু হয়। লাবিবা আহরারের ফ্ল্যাটে সময় কাটায় বেশি। কখনো আহরার লাবিবার বাড়িতে আসে। মা তাকে চিনে নেয়। কোনো প্রশ্ন করে না। শুধু হাসে। লাবিবা আর আহরার রাতে একা হলে সব ভুলে যায়। শুধু শরীর আর শরীর। আহরার কখনো তাকে উল্টো করে শোয়। পেছন থেকে ঢোকে। চুল টেনে ধরে। কোমরে হাত দিয়ে টেনে নেয়। লাবিবা বালিশে মুখ গুঁজে আর্তনাদ করে। কখনো লাবিবা উপরে ওঠে। আহরারের লিঙ্গ ধরে ধীরে ধীরে বসিয়ে নেয়। তারপর নিজে গতি বাড়ায়। স্তন দুলতে থাকে। আহরার তার কোমর ধরে উপরে তোলে। দুজনের শরীর ঘামে ভিজে যায়। শেষে জড়িয়ে পড়ে।
একদিন সকালে লাবিবা জেগে দেখে আহরার তার দিকে তাকিয়ে আছে। “আমি তোমাকে ভালোবাসি,” বলে সে প্রথমবার। লাবিবা তার ঠোঁটে চুমু দেয়। “আমিও।” আহরার তাকে জড়িয়ে ধরে। হাত তার স্তনে যায়। আঙুল দিয়ে স্তনবৃন্ত ঘোরায়। লাবিবার শ্বাস দ্রুত হয়। আহরার তার পায়ের মাঝে হাত দেয়। ভিজে পেয়ে হাসে। “সকাল থেকেই?” লাবিবা লজ্জা পায় না আর। “হ্যাঁ।” আহরার তার ওপর উঠে আসে। ধীরে ধীরে ঢোকে। চোখে চোখ রেখে। প্রতিটি নড়াচড়ায় লাবিবার শরীর কেঁপে ওঠে। আহরার থামে না। গভীর থেকে গভীরে যায়। শেষ পর্যন্ত দুজন একসঙ্গে শেষ হয়। সকালের আলোয় জড়িয়ে থাকে।
লাবিবার জীবনে আহরার আবার এসেছে। এবার আর যাবে না। তারা একসঙ্গে বাঁচে। কাজ করে। রাতে একে অপরকে নেয়। কখনো ধীরে, কখনো পাগলের মতো। আহরারের শরীর লাবিবার জন্য ঘর হয়ে ওঠে। লাবিবার শরীর আহরারের জন্য বাড়ি। তিন বছরের বিচ্ছেদ তাদের আরও কাছে টেনেছে। এখন তারা জানে কী হারানোর ভয়। তাই প্রতি রাতে একে অপরকে আরও গভীরে নেয়। আরও জোরে। আরও কাছে।
লাবিবা এখন আর একা কাঁদে না। আহরারের বুকে মাথা রেখে ঘুমায়। আহরার তার চুলে হাত বোলায়। নীরবে। প্রতিশ্রুতি ছাড়াই। শুধু উপস্থিতি দিয়ে। আর সেই উপস্থিতিই এখন তাদের পুরো জীবন।
....