তিন বছর পর দাবি

বৃষ্টির শব্দ জানালার কাঁচে ঝমঝম করে বাজছিল। কলকাতার একটা পুরনো বাড়ির ছাদে দাঁড়িয়ে রুচি চোখ বন্ধ করে শুনছিল। ২৮ বছর বয়স। ডিভোর্সের পর তিন বছর একা। শরীর আর মন দুটোই শুকিয়ে গিয়েছিল। আজ রাতে সে একাই এসেছে এই পুরনো বন্ধুদের পার্টিতে। বাড়ির মালিক আরিয়ান। আগে কলেজে একসাথে পড়ত। তখন শুধু চোখে-চোখে কথা হত। এখন সে ফিরে এসেছে বিদেশ থেকে। সফল, আত্মবিশ্বাসী, আর... খুবই আকর্ষণীয়।

¦Ëk¢xz˲Úèžé

পার্টি শেষ হয়ে গেছে। বেশিরভাগ লোক চলে গেছে। রুচি একা ছাদে। হঠাৎ পেছন থেকে গলা শোনা গেল।

“একা দাঁড়িয়ে আছো?”

¦Ëk¢x/춺'ƒú

আরিয়ান। কালো শার্টের স্লিভ গুটিয়ে, চুল ভিজে, চোখে একটা অদ্ভুত আলো। রুচি ঘুরে তাকাল। বুকের ভেতরটা কেঁপে উঠল।

“বৃষ্টি দেখছিলাম,” সে বলল, গলা একটু কেঁপে উঠল।

আরিয়ান কাছে এল। খুব কাছে। তার শরীরের গরম বাতাস রুচির গলায় লাগল। “তুমি বদলে গেছো রুচি। আরও... গভীর হয়েছো।”

রুচি হাসল, কিন্তু হাসির নিচে একটা অস্থিরতা ছিল। “তুমিও। অনেক কিছুই বদলে গেছে।”

আরিয়ান হাত বাড়িয়ে তার চুলে স্পর্শ করল। আঙুলগুলো ধীরে ধীরে চুলের ফাঁকে ঢুকে গেল। রুচির শ্বাস থমকে গেল। সে পিছু হটল না।

“আজ রাত তুমি কোথাও যাচ্ছ না,” আরিয়ান ফিসফিস করে বলল। “আমার সাথে থাকো।”

রুচি তাকাল তার চোখে। সেখানে লোভ ছিল, ক্ষুধা ছিল, আর একটা গভীর নরমতাও। সে মাথা নাড়ল। হ্যাঁ।

তারা নিচে নামল। আরিয়ানের বেডরুম। আলো মৃদু। বিছানায় সাদা চাদর। আরিয়ান দরজা বন্ধ করে ঘুরে দাঁড়াল। তার চোখ রুচির শরীর ঘুরে দেখল—কালো শাড়ি, গলায় হালকা সোনার চেইন, ভেজা চুল।

সে ধীরে ধীরে এগিয়ে এল। দুই হাত দিয়ে রুচির কোমর ধরল। আঙুলগুলো শাড়ির ওপর দিয়ে চেপে ধরল। রুচি কাঁপল। আরিয়ান তার গলায় নাক ঘষে শুঁকল।

“তোমার গন্ধ... আমি ভুলতে পারিনি।”

তারপর ঠোঁট এল। প্রথমে হালকা। শুধু স্পর্শ। তারপর চাপ বাড়ল। জিভ ঢুকে গেল রুচির মুখে। রুচি হাঁটুতে জোর পেল না। আরিয়ান তাকে বিছানার দিকে ঠেলে দিল। শাড়ির আঁচল খুলে গেল। ব্লাউজের বোতাম খুলতে খুলতে আরিয়ানের হাত কাঁপছিল।

ব্লাউজ খুলে গেল। ব্রা-র ওপর দিয়ে আরিয়ান চুমু খেল। জিভ দিয়ে স্তনের ওপর দিয়ে ঘষল। রুচি আর সহ্য করতে পারল না। হাত দিয়ে তার চুল চেপে ধরল।

“আরিয়ান...” তার গলা ভেঙে গেল।

আরিয়ান উঠে এল। চোখে চোখ রেখে বলল, “আজ রাত আমি তোমাকে ধীরে ধীরে নেব। তোমার শরীরের প্রতিটা অংশ আমার হবে।”

সে প্যান্ট খুলল। রুচি দেখল তার শরীর—শক্ত, গরম, ক্ষুধার্ত। আরিয়ান তার দুই পা আলাদা করে হাঁটুর ওপর বসল। আঙুল দিয়ে রুচির ভেতর স্পর্শ করল। ভেজা। খুব ভেজা।

“এতটা চাওয়া...” আরিয়ান গর্জন করে উঠল। “তুমি জানতেও না কতদিন ধরে আমি এটা কল্পনা করেছি।”

সে নিজেকে ঢোকাল। ধীরে। এক ইঞ্চি করে। রুচি চোখ বন্ধ করে চিৎকার চেপে ধরল। পূর্ণ হয়ে যাওয়ার অনুভূতি তাকে কেঁপে তুলল। আরিয়ান থেমে গেল। তার কপাল রুচির কপালে ঠেকিয়ে বলল,

“দেখো আমাকে। চোখ খোলো।”

রুচি চোখ খুলল। আরিয়ানের চোখে শুধু সে। শুধু সেই মুহূর্ত। তারপর আরিয়ান নড়তে শুরু করল। গভীর। ধীর। প্রতিটা ধাক্কায় রুচির শরীর কেঁপে উঠছিল। তার স্তন আরিয়ানের বুকে ঘষা খাচ্ছিল। ঘামের গন্ধ মিশে যাচ্ছিল।

আরিয়ান এক হাত দিয়ে তার দুই কব্জি চেপে ধরল মাথার ওপর। অন্য হাত দিয়ে তার কোমর শক্ত করে ধরে আরও গভীরে ঢুকল।

“তুমি আমার,” সে ফিসফিস করে বলল। “আজ রাত থেকে তুমি আমার।”

রুচি আর কথা বলতে পারল না। শুধু আর্তনাদ। শুধু শরীরের কম্পন। আরিয়ান তার গতি বাড়াল। বিছানা কেঁপে উঠল। রুচির পা জড়িয়ে গেল তার কোমরে। নখ দিয়ে তার পিঠে আঁচড় কাটল।

শেষ মুহূর্তে আরিয়ান তার ঠোঁটে চুমু খেয়ে গভীর এক ধাক্কা দিল। দুজনেই একসাথে ভেঙে পড়ল। শরীর শরীরে জড়িয়ে। শ্বাস হাঁপিয়ে।

বৃষ্টি এখনও পড়ছিল। জানালার বাইরে। ভেতরে দুজন মানুষ একে অপরের বুকে শুয়ে শুনছিল নিজেদের হৃদয়ের শব্দ।

আরিয়ান তার চুলে চুমু খেয়ে বলল, “এটা শুধু শুরু রুচি। আমি এখনও শেষ করিনি।”

রুচি চোখ বন্ধ করে হাসি দিল। তার শরীর এখনও কাঁপছিল। আর সে জানত—এই রাত আরও অনেক কিছু বাকি রেখেছে।

সকালের আলো এখনও আসেনি। ঘড়িতে রাত দুটো। রুচি ঘুম থেকে জেগে উঠল। আরিয়ানের হাত তার কোমরে জড়ানো। তার নগ্ন শরীর রুচির পিঠে লেগে আছে। গরম। শক্ত।

রুচি ধীরে ঘুরল। আরিয়ানের চোখ খোলা। সে জেগেই ছিল।

“ঘুমাচ্ছ না?” রুচি ফিসফিস করল।

আরিয়ান উত্তর না দিয়ে তার ঠোঁটে চুমু খেল। এবার আর নরম নয়। ক্ষুধার্ত। জিভ দিয়ে তার মুখ ভরে দিল। হাত নেমে গেল নিচে। আঙুল ঢুকে গেল রুচির ভেতর। দুটো আঙুল। গভীর। রুচি হাঁপাতে শুরু করল।

“আমি তোমাকে সারা রাত নিতে চাই,” আরিয়ান তার কানে ফুঁ দিয়ে বলল। “প্রতিটা কোণে। প্রতিটাভাবে।”

সে উঠে বসল। রুচিকে উপুড় করে শোয়াল। পিছন থেকে ঢুকল। একবারে। রুচি মুখে চাদর চেপে চিৎকার দিল। আরিয়ান তার চুল টেনে ধরল। অন্য হাত দিয়ে তার কোমর শক্ত করে ধরে দ্রুত গতিতে ধাক্কা দিতে লাগল।

প্রতিটা ধাক্কায় রুচির শরীর সামনে ঝুঁকে পড়ছিল। স্তন বিছানায় ঘষা খাচ্ছিল। আরিয়ানের শরীর তার পিঠে লেগে ঘাম মিশে যাচ্ছিল।

“বলো,” আরিয়ান গর্জন করল। “কতটা চাও।”

“সব...” রুচি কেঁদে বলল। “আমাকে সব দাও...”

আরিয়ান থামল না। সে রুচিকে উল্টে দিল। এবার মুখোমুখি। তার দুই পা কাঁধে তুলে ধরল। আরও গভীরে ঢুকল। রুচির চোখ থেকে জল বেরিয়ে এল। ব্যথা আর আনন্দের মিশ্রণ। আরিয়ান তার গালে চুমু খেয়ে বলল,

“আমি জানি। আমি সবকিছু জানি তোমার শরীরের।”

সে গতি বাড়াল। বিছানার পায়া কেঁপে উঠল। রুচির নখ তার পিঠে গভীর আঁচড় কাটল। রক্তের দাগ। আরিয়ান সেই ব্যথা উপভোগ করছিল। সে আরও জোরে ধাক্কা দিল।

শেষে দুজনেই একসাথে কেঁপে উঠল। আরিয়ান তার ভেতরেই রেখে দিল। গরম তরল ভরে উঠল। রুচি কাঁপতে কাঁপতে তার বুকে মুখ লুকোল।

কিছুক্ষণ পর আরিয়ান উঠে গেল। বাথরুমে গিয়ে ভেজা তোয়ালে নিয়ে এল। রুচির শরীর মুছে দিল। খুব যত্ন করে। তারপর আবার শুয়ে পড়ল। রুচিকে বুকে টেনে নিল।

“তুমি কাঁদছো কেন?” সে জিজ্ঞেস করল।

রুচি মাথা নাড়ল। “কারণ... অনেকদিন পর আমি নিজেকে অনুভব করতে পারছি। পুরোপুরি।”

আরিয়ান তার চুলে চুমু খেল। “আমি তোমাকে হারাতে চাই না রুচি। আজ রাতের পরও না।”

রুচি উঠে তার ওপর উঠে বসল। নিজেকে আবার তার ওপর বসাল। ধীরে ধীরে। আরিয়ানের চোখ বড় হয়ে গেল।

“আবার?” সে হাসল।

রুচি মাথা নাড়ল। “এবার আমি নেব।”

সে নড়তে শুরু করল। উপরে-নিচে। তার স্তন আরিয়ানের মুখের সামনে দুলছিল। আরিয়ান মুখ তুলে একটা স্তন মুখে নিয়ে চুষতে লাগল। দাঁত দিয়ে হালকা কামড় দিল। রুচি আরও দ্রুত নড়ল। তার কোমর ঘুরছিল। ভেতরের দেয়াল ঘষা খাচ্ছিল।

আরিয়ান তার কোমর দুই হাতে চেপে ধরে নিজেও ওপরের দিকে ধাক্কা দিতে লাগল। ঘরের বাতাস ভারী হয়ে উঠল। শুধু শরীরের শব্দ। শুধু নিঃশ্বাস। শুধু নাম ধরে ডাক।

রুচি প্রথমে ভেঙে পড়ল। তার শরীর শক্ত হয়ে গেল। তারপর আরিয়ান। আবার ভরে দিল তাকে।

এবার তারা ক্লান্ত হয়ে পাশাপাশি শুয়ে পড়ল। আরিয়ান তার হাত ধরে আঙুলে চুমু খেল।

“সকালেও আমি তোমাকে চাইব,” সে বলল।

রুচি চোখ বন্ধ করে হাসল। “আমিও।”

বাইরে বৃষ্টি থেমে গেছে। কিন্তু ভেতরে ঝড় এখনও চলছে।

সকাল নয়টা। রোদ জানালা দিয়ে ঢুকছে। রুচি উঠে বসল। শরীর ব্যথা করছে। সুন্দর ব্যথা। আরিয়ান বাথরুম থেকে বেরিয়ে এল। তোয়ালে কোমরে জড়ানো। চুলে জল।

সে বিছানায় এসে বসল। রুচির ঠোঁটে চুমু খেল। “স্নান করবে?”

রুচি মাথা নাড়ল। আরিয়ান তাকে কোলে তুলে নিয়ে বাথরুমে নিয়ে গেল। গরম জলের ধারায় দুজনে দাঁড়াল। আরিয়ান সাবান হাতে নিয়ে রুচির শরীর ধুতে লাগল। বুক। পেট। উরু। তারপর আঙুল আবার ঢুকিয়ে দিল। রুচি দেয়ালে হাত দিয়ে ভর দিয়ে দাঁড়াল। আরিয়ান পেছন থেকে ঢুকল। জলের শব্দের সাথে মিশে গেল তাদের শ্বাস।

এবার আর তাড়া ছিল না। ধীর। গভীর। প্রতিটা ধাক্কায় আরিয়ান তার কানে বলছিল, “আমি তোমাকে ভালোবাসি। আজ থেকে তুমি আমার।”

রুচি পেছনে মুখ ঘুরিয়ে তার ঠোঁট খুঁজল। চুমু খেতে খেতেই তারা একসাথে শেষ করল। জলের নিচে। জড়িয়ে।

পরে তারা বিছানায় ফিরল। নাস্তা আনল না। শুধু একে অপরকে। আরিয়ান রুচির ওপর শুয়ে তার চোখে চোখ রেখে বলল,

“তিন বছর আগে তুমি চলে গিয়েছিলে। আমি প্রতিটা রাত তোমার কথা ভেবেছি। আজ আর ছাড়ব না।”

রুচি তার গালে হাত রাখল। “আমিও আর পালাতে চাই না।”

আরিয়ান হাসি দিল। তারপর আবার নামল। এবার মুখ দিয়ে। রুচির দুই উরুর মাঝে। জিভ দিয়ে চেটে চেটে তাকে পাগল করে তুলল। রুচি চুল ছিঁড়ে ধরল। পা কাঁপছিল। আরিয়ান থামল না। যতক্ষণ না রুচি আবার ভেঙে পড়ল।

তারপর উঠে এসে নিজেকে ঢোকাল। এবার চোখে চোখ। হাত হাতে জড়ানো। ধীর গতিতে। গভীর ভালোবাসার সাথে। প্রতিটা স্পর্শে একটা প্রতিশ্রুতি।

শেষে যখন তারা একসাথে কাঁপল, আরিয়ান তার কপালে চুমু খেয়ে বলল,

“এটা শুধু এক রাতের গল্প নয় রুচি। এটা আমাদের শুরু।”

রুচি তার বুকে কান পাতল। হৃদয়ের শব্দ শুনল। শক্ত। নিশ্চিত।

বাইরে শহর জেগে উঠছে। ভেতরে দুজন মানুষ একে অপরকে পুরোপুরি দাবি করে নিয়েছে। শরীরে। মনে। আর চিরকালের জন্য।

....
👁 23