বউয়ের শরীর পূর্ণ দখল

বিয়ের রাত। হোটেলের প্রিমিয়াম সুইট রুমে ঢুকেই দরজা বন্ধ করে দিলাম। বাইরের আওয়াজ সব থেমে গেছে। শুধু আমাদের দুজনের শ্বাস আর হৃদয়ের দ্রুত স্পন্দন।

¦Ëk¢xz˲Úèžé

আমি পিছন ফিরে তাকালাম। নতুন বউ আমার। লাল শাড়ি, গলায় সোনার হার, কপালে সিঁদুরের লম্বা রেখা। চোখে সেই লজ্জা আর আকাঙ্ক্ষার মিশ্রণ যা আমাকে পাগল করে দিচ্ছিল। সে ধীরে ধীরে শাড়ির আঁচল নামিয়ে রেখেছিল কাঁধে। ব্লাউজের নিচে তার দুই স্তনের গোলাকার আকার স্পষ্ট হচ্ছিল।

আমি কাছে গিয়ে তার কোমর জড়িয়ে ধরলাম। “আজ থেকে তুমি সম্পূর্ণ আমার,” ফিসফিসিয়ে বললাম তার কানে। আমার গরম শ্বাস তার ঘাড়ে লাগতেই সে কেঁপে উঠল। আমি তার ঘাড়ে চুমু খেলাম, জিভ দিয়ে চাটলাম সেই নরম ত্বক। সে আমার কাঁধে হাত রেখে চেপে ধরল।

¦Ëk¢x/춺'ƒú

ধীরে ধীরে আমি তার শাড়ি খুলতে লাগলাম। কাপড়ের ভাঁজ খুলে খুলে তার শরীর উন্মোচিত হচ্ছিল। প্রথমে পেটের নরম চামড়া, তারপর নাভির নিচে সাদা পেটিকোট। আমি হাঁটু গেড়ে বসলাম এবং পেটিকোটের গিঁট খুলে দিলাম। কাপড় নিচে নেমে গেল। তার দুই উরুর মাঝে সাদা প্যান্টি, ভিজে আর্দ্র। আমি নাক দিয়ে সেই গন্ধ শুঁকলাম। গরম, মিষ্টি, নারীর সেই বিশেষ গন্ধ।

সে লজ্জায় চোখ বন্ধ করে ফেলল, কিন্তু পা সরিয়ে দিল না। আমি প্যান্টির কিনারা ধরে ধীরে টেনে নামিয়ে দিলাম। তার যোনি সম্পূর্ণ উন্মুক্ত। কালো ঘন লোমের মাঝে গোলাপি ফাঁক, একটু ফোলা, ভিজে চকচকে। আমি আঙুল দিয়ে আলতো করে স্পর্শ করলাম। সে কেঁপে উঠে “আহ্...” বলে উঠল।

আমি উঠে দাঁড়িয়ে তার ব্লাউজের হুক খুললাম। ব্লাউজ খুলে পড়তেই দুই স্তন বেরিয়ে এল। বড়, গোল, গোলাপি বোঁটা শক্ত হয়ে উঠেছে। আমি একটা স্তন মুখে নিয়ে চুষতে লাগলাম। জিভ দিয়ে বোঁটা ঘোরাতে ঘোরাতে চাপ দিলাম। অন্য হাত দিয়ে অন্য স্তন চেপে ধরলাম। সে আমার চুল আঁকড়ে ধরে মুখ উপরে তুলে নিশ্বাস ফেলছিল।

আমি তাকে বিছানায় শুইয়ে দিলাম। নিজেও কাপড় খুলে ফেললাম। আমার লিঙ্গ ইতিমধ্যে শক্ত, মোটা, রগ ফোলা। সে চোখ খুলে তাকিয়ে দেখল এবং গলায় শ্বাস আটকে গেল। আমি তার দুই পা আলাদা করে মাঝখানে বসলাম। আমার লিঙ্গের মাথা দিয়ে তার যোনির ভেজা ফাঁকে ঘষতে লাগলাম। সে কোমর উঁচু করে আমার দিকে চাপ দিল।

“ঢোকাও...” সে ফিসফিসিয়ে বলল, গলা কাঁপছে।

আমি ধীরে ধীরে ঢোকালাম। প্রথমে মাথা, তারপর এক ইঞ্চি করে। তার ভিতরটা গরম, সরু, ভিজে। সে ব্যথায় কামড় দিয়ে আমার কাঁধ চেপে ধরল, কিন্তু পা আমাকে জড়িয়ে রাখল। পুরোটা ঢুকে গেলে আমরা দুজনেই থেমে গেলাম। শুধু শ্বাস আর হৃদস্পন্দন।

তারপর আমি নড়তে শুরু করলাম। ধীরে, গভীর। প্রতিটা ধাক্কায় তার স্তন দুলছিল। সে চোখ বন্ধ করে হাঁপাচ্ছিল, কখনো “আরও...” বলছিল, কখনো আমার পিঠে নখ বসাচ্ছিল। আমি গতি বাড়ালাম। শব্দ হচ্ছিল—চাপচাপ, ভেজা শব্দ। তার যোনি আমার লিঙ্গ চেপে ধরছিল।

আমি তার এক পা কাঁধে তুলে আরও গভীরে ঢুকলাম। সে চিৎকার করে উঠল। আমি তার ক্লিটরিসে আঙুল রেখে ঘষতে লাগলাম। সে কেঁপে কেঁপে উঠল, পা দুটো শক্ত হয়ে গেল, এবং হঠাৎ করে তার ভিতরটা স্পন্দিত হতে লাগল। সে অর্গাজম করল। গরম তরল আমার লিঙ্গে গড়িয়ে পড়ল।

আমি থামলাম না। তার অর্গাজমের মধ্যেই আরও জোরে ধাক্কা মারতে লাগলাম। সে আরও একবার কেঁপে উঠল। আমিও আর সহ্য করতে পারছিলাম না। গভীরে ঢুকে শক্ত করে ধরে রেখে বীর্য ঢেলে দিলাম। গরম, ঘন তরল তার গর্ভে প্রবাহিত হচ্ছিল। সে আমার পিঠ চেপে ধরে নিজের শরীর আমার সাথে আটকে রাখল।

কয়েক মিনিট আমরা এভাবেই পড়ে রইলাম। আমার লিঙ্গ এখনও তার ভিতরে, নরম হয়ে আসছে। আমি তার কপালে চুমু খেয়ে বললাম, “এটা শুধু শুরু।”

সে চোখ খুলে হাসল। ক্লান্ত, তৃপ্ত, কিন্তু চোখে এখনও ক্ষুধা। আমি তার স্তনে হাত রেখে আলতো চেপে ধরলাম। সে আবার কেঁপে উঠল। রাত এখনও লম্বা। আমরা আবার শুরু করব।

কিছুক্ষণ পর আমি তার শরীর থেকে সরে গিয়ে পাশে শুয়ে পড়লাম। কিন্তু হাত সরালাম না। তার পেটের ওপর দিয়ে আঙুল চালাতে চালাতে নাভির নিচে নেমে গেলাম। আমার বীর্য তার যোনি থেকে বেরিয়ে উরুর ভিতরে গড়াচ্ছিল। আমি আঙুল দিয়ে সেটা মাখিয়ে তার ক্লিটরিসে ঘষলাম। সে আবার নড়ে উঠল।

“এখনও চাও?” আমি জিজ্ঞেস করলাম।

সে মাথা নাড়ল। “হ্যাঁ... কিন্তু এবার আমি করব।”

সে উঠে বসে আমার বুকে হাত রেখে আমাকে চুমু খেল। গভীর, জিভ ঢুকিয়ে। তার হাত নামতে নামতে আমার লিঙ্গে পৌঁছল। এখনও অর্ধেক শক্ত। সে আঙুল দিয়ে ঘষতে ঘষতে মুখ নামিয়ে আমার বুকে চুমু খেল, তারপর পেটে, তারপর আরও নিচে।

তার গরম মুখ আমার লিঙ্গে লাগল। সে জিভ দিয়ে মাথাটা চাটল, তারপর পুরোটা মুখে নিল। গভীরে। আমি হাঁ করে শুয়ে রইলাম। তার গলা আমার লিঙ্গ চেপে ধরছিল। সে উপরে-নিচে করতে লাগল, লালা গড়িয়ে পড়ছিল। হাত দিয়ে নিচের অংশ চেপে ধরে ঘষছিল।

আমি তার চুল ধরে একটু গতি বাড়ালাম। সে গলায় শব্দ করছিল, কিন্তু থামল না। আমি আর বেশিক্ষণ সহ্য করতে পারছিলাম না। “উঠে এসো,” বললাম।

সে উঠে আমার ওপর এসে বসল। তার যোনি আমার লিঙ্গের ওপর ঘষতে ঘষতে ধীরে ঢুকিয়ে নিল। পুরোটা ভিতরে নিয়ে সে কোমর দুলাতে শুরু করল। স্তন দুটো আমার মুখের সামনে দুলছিল। আমি দুটোই মুখে নিয়ে চুষতে লাগলাম। সে আরও জোরে কোমর নাড়ছিল। শব্দ হচ্ছিল—চাপচাপ, ভেজা।

আমি তার কোমর ধরে নিজেও ওপরের দিকে ধাক্কা মারতে লাগলাম। সে চিৎকার করে উঠল। “আরও জোরে... ভিতরে...”

আমি তাকে উল্টে দিয়ে হাঁটু গেড়ে বসিয়ে পিছন থেকে ঢুকলাম। তার কোমর ধরে জোরে জোরে ধাক্কা মারতে লাগলাম। তার স্তন দুলছিল, মুখ বালিশে চেপে আওয়াজ করছিল। আমি এক হাত এগিয়ে তার ক্লিটরিস ঘষতে লাগলাম। সে কেঁপে কেঁপে আবার অর্গাজম করল। তার যোনি স্পন্দিত হয়ে আমার লিঙ্গ চেপে ধরল।

আমিও আর থামতে পারলাম না। গভীরে ঢুকে আবার বীর্য ঢেলে দিলাম। এবার আরও বেশি। সে নিচে নেমে গিয়ে আমার লিঙ্গ মুখে নিল এবং বাকিটা চেটে খেল। আমি চোখ বন্ধ করে শুয়ে রইলাম।

কিছুক্ষণ পর সে আমার বুকে মাথা রেখে শুয়ে পড়ল। আমি তার পিঠে হাত বুলোচ্ছিলাম। “ক্লান্ত?” জিজ্ঞেস করলাম।

সে মাথা নাড়ল। “না। আরও চাই।”

আমি হাসলাম। উঠে তাকে বিছানার কিনারায় বসিয়ে দুই পা আলাদা করে হাঁটু গেড়ে বসলাম। তার যোনি এখনও আমার বীর্যে ভেজা, লালচে, ফোলা। আমি জিভ দিয়ে চাটতে শুরু করলাম। ক্লিটরিস চুষলাম, জিভ ঢুকিয়ে ভিতরটা চাটলাম। সে আমার চুল আঁকড়ে ধরে কোমর উঁচু করে রাখল। “জিভ... আরও ভিতরে...”

আমি দুই আঙুল ঢুকিয়ে জিভ দিয়ে ক্লিটরিস ঘষতে লাগলাম। সে আবার কেঁপে উঠল। এবার অর্গাজমটা লম্বা হল। তার পা আমার কাঁধে শক্ত হয়ে গেল, যোনি থেকে গরম তরল বেরিয়ে আমার মুখে এল। আমি সব চেটে নিলাম।

তারপর উঠে তাকে আবার শুইয়ে দিয়ে ঢুকে পড়লাম। এবার ধীরে, গভীরে। চোখে চোখ রেখে। প্রতিটা ধাক্কায় সে আমার দিকে তাকিয়ে হাঁপাচ্ছিল। আমি তার স্তন চেপে ধরে চুমু খেতে খেতে গতি বাড়ালাম। রাতের বাকিটা আমরা এভাবেই কাটালাম—কখনো আমি ওপরে, কখনো সে, কখনো পাশে শুয়ে একসাথে নড়াচড়া করে।

শেষবার যখন আমি তার ভিতরে বীর্য ঢাললাম, তখন সে আমার গলা জড়িয়ে ধরে কাঁদছিল আনন্দে। আমরা ক্লান্ত হয়ে একে অপরের বাহুতে ঘুমিয়ে পড়লাম। বাইরে ভোর হয়ে আসছিল, কিন্তু আমাদের রাত এখনও শেষ হয়নি।

সকাল বেলা যখন চোখ খুললাম, সে আমার বুকে মাথা রেখে ঘুমাচ্ছিল। শরীর নগ্ন, আমার হাত তার কোমরে। আমি ধীরে তার পিঠে হাত বুলোতে লাগলাম। সে নড়ে উঠে চোখ খুলল। চোখে ঘুম আর তৃপ্তির ছাপ।

“আবার?” সে হেসে জিজ্ঞেস করল।

আমি তার ঠোঁটে চুমু খেয়ে বললাম, “স্নান করি আগে।”

বাথরুমে গিয়ে গরম জল চালু করলাম। সে আমার পিছনে এসে দাঁড়াল। আমি তাকে জলে ভিজিয়ে সাবান মাখতে লাগলাম। হাত দিয়ে তার স্তন চেপে চেপে সাবান মাখছিলাম, বোঁটা দুটো আবার শক্ত হয়ে উঠল। সে আমার লিঙ্গ ধরে ঘষতে লাগল। জলের নিচে তার হাতের স্পর্শ অন্য রকম লাগছিল।

আমি তাকে দেয়ালে হেলান দিয়ে দাঁড় করিয়ে এক পা তুলে ঢুকিয়ে দিলাম। জল পড়ছে আমাদের শরীরে, শব্দ হচ্ছে। সে আমার কাঁধে মাথা রেখে হাঁপাচ্ছিল। আমি জোরে ধাক্কা মারছিলাম। তার যোনি আবার ভিজে গেল। কয়েক মিনিটের মধ্যেই সে অর্গাজম করল। আমিও তার পিছনে লেগে থেকে শেষ করলাম।

স্নান শেষে বিছানায় ফিরে এলাম। তোয়ালে মুছে নগ্ন হয়ে শুয়ে পড়লাম। সে আমার ওপর এসে বসল। এবার ধীরে। চোখে চোখ রেখে কোমর দুলাতে লাগল। আমি তার স্তন দুটো হাতে নিয়ে চেপে ধরলাম। সে আমার বুকে হাত রেখে আরও জোরে নড়তে লাগল।

আমি তাকে উল্টে দিয়ে পা দুটো কাঁধে তুলে গভীরে ঢুকলাম। এভাবে আমি তার সবচেয়ে গভীরে পৌঁছাতে পারি। সে চিৎকার করে উঠল। আমি থামলাম না। প্রতিটা ধাক্কায় তার স্তন দুলছিল, মুখ বিকৃত হচ্ছিল আনন্দে। আমি তার ক্লিটরিস ঘষতে ঘষতে গতি বাড়ালাম। সে আবার অর্গাজম করল—এবার আরও তীব্র। তার যোনি স্পন্দিত হয়ে আমার লিঙ্গ চেপে ধরল, গরম তরল বেরিয়ে এল।

আমিও আর সহ্য করতে পারলাম না। গভীরে ঢুকে শক্ত করে ধরে রেখে বীর্য ঢেলে দিলাম। এবার এতটা যে তার যোনি থেকে উপচে পড়ল। সে আমার পিঠে নখ বসিয়ে আমাকে চেপে ধরে রাখল।

কিছুক্ষণ পর আমরা পাশাপাশি শুয়ে পড়লাম। আমি তার পেটে হাত রেখে আলতো চেপে ধরলাম। “এভাবেই প্রতিদিন চাই,” সে ফিসফিসিয়ে বলল।

আমি তার কানে চুমু খেয়ে বললাম, “পাবে। আজ সারাদিন ঘর থেকে বেরোব না।”

সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত আমরা আরও কয়েকবার করলাম। কখনো চেয়ারে বসিয়ে, কখনো জানালার কাছে দাঁড় করিয়ে, কখনো মেঝেতে। তার শরীর এখন আমার হাতে অভ্যস্ত। আমি জানি কোথায় স্পর্শ করলে সে কেঁপে ওঠে, কোথায় চাপ দিলে সে চিৎকার করে।

বিকেলে যখন রোদ একটু নরম হল, আমরা আবার বিছানায় শুয়ে একে অপরকে ছুঁয়ে ছুঁয়ে কথা বলছিলাম। সে আমার লিঙ্গ ধরে আলতো ঘষছিল। আমি তার যোনিতে আঙুল ঢুকিয়ে ধীরে নাড়াচ্ছিলাম। কোনো তাড়া নেই। শুধু উপভোগ।

রাত নামার আগে আমরা আবার একসাথে জড়িয়ে ধরলাম। এবার সবচেয়ে ধীরে, সবচেয়ে গভীরে। চোখে চোখ রেখে, শ্বাস মিলিয়ে। যখন শেষ হল, সে আমার বুকে মাথা রেখে বলল, “আমি তোমার। সম্পূর্ণ।”

আমি তার কপালে চুমু খেয়ে চোখ বন্ধ করলাম। বিয়ের পরের এই রাতগুলো আমাদের জীবনের সেরা সময় হয়ে থাকবে। আরও অনেক রাত আসবে। আরও অনেকবার আমরা এভাবে একে অপরকে নেব।

....
👁 21