মেঘলা আকাশের নিচে ঢাকার এক ছোট্ট কফি শপে প্রথম দেখা হয় তাদের। রুমি আর আরিয়ান। রুমি তখন কলেজের ফাইনাল ইয়ারে, চুল দুটো আলগা করে রাখা, কালো চোখে একটা অদ্ভুত নিঃসঙ্গতা। আরিয়ান সিটির একটা ডিজাইন ফার্মে কাজ করে, চশমা পরা, হাতের শিরাগুলো স্পষ্ট। সেদিন রুমির হাতে থাকা লাল নোটবুকটা মাটিতে পড়ে যায়। আরিয়ান তুলে দেয়। তাদের আঙুল সামান্য স্পর্শ হয়। সেই স্পর্শটা যেন বিদ্যুৎ।
পরের কয়েক সপ্তাহে তারা প্রায় প্রতিদিনই দেখা করে। কফি থেকে শুরু করে রাতের নদীপার। কথা হয় বই নিয়ে, স্বপ্ন নিয়ে, একাকীত্ব নিয়ে। রুমি বলে, “আমি ভয় পাই কাউকে খুব কাছে আনতে।” আরিয়ান শুধু হাসতে হাসতে বলে, “তাহলে আমাকে দূরেই রাখো।” কিন্তু দূরে রাখা যায় না। এক রাত নদীর পাড়ে, হালকা বৃষ্টির মধ্যে আরিয়ান রুমির মুখটা দুই হাতে ধরে চুমু খায়। নরম, ধীর, গভীর। রুমির শরীর কেঁপে ওঠে। আরিয়ানের ঠোঁট তার নিচের ঠোঁটটা চুষে নেয়, জিভ ঢুকে যায় মুখে। রুমি তার জ্যাকেটের ভেতরে হাত ঢুকিয়ে দেয়, আরিয়ানের বুকের চামড়ায় আঙুল ঘষে। বৃষ্টির জল তাদের চুলে, গলায়, হাতে। আরিয়ান রুমির কোমর চেপে ধরে নিজের শরীরের সঙ্গে লাগিয়ে রাখে। তার শক্ত হয়ে ওঠা লিঙ্গটা রুমির পেটের ওপর চাপ দিচ্ছে। রুমি হাঁপাতে হাঁপাতে বলে, “আজ না… বাসায় চলো।”
আরিয়ানের ফ্ল্যাটে পৌঁছেই দরজা বন্ধ হতে না হতেই তারা একে অপরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। রুমির কালো টপটা আরিয়ান টেনে খুলে ফেলে। তার স্তন দুটো ভেজা ব্রায়ের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসে। আরিয়ান হাঁটু গেড়ে বসে একটা স্তন মুখে নেয়, জিভ দিয়ে স্তনবৃন্তটা ঘোরায়, চুষে নেয়। রুমির কোমর কেঁপে ওঠে। সে আরিয়ানের চুল মুঠো করে টানে। আরিয়ান অন্য হাতে রুমির স্কার্ট উপরে তুলে প্যান্টির ভেতর হাত ঢোকায়। আঙুল দুটো তার ভেজা যোনিমুখে ঘষতে থাকে। রুমি আর দাঁড়াতে পারে না। আরিয়ান তাকে তুলে বিছানায় শুইয়ে দেয়। জামাকাপড় সব খুলে যায়। আরিয়ান রুমির দুই পা আলাদা করে হাঁটু গেড়ে বসে। তার জিভটা রুমির যোনির উপরের কোমল মাংসে লাগে। ধীরে ধীরে চাটতে থাকে। ক্লিটরিসটা জিভের ডগা দিয়ে ঘষে, চুষে নেয়। রুমি বিছানার চাদর মুঠো করে চেঁচিয়ে ওঠে। তার যোনি থেকে স্বচ্ছ রস বেরোচ্ছে, আরিয়ান সবটা চেটে খায়। দুই আঙুল ভেতরে ঢুকিয়ে দ্রুত নাড়াতে থাকে। রুমির শরীর কেঁপে কেঁপে অর্গাজম আসে। সে আরিয়ানের নাম ধরে চিৎকার করে।
আরিয়ান উঠে দাঁড়ায়। তার লিঙ্গটা পুরো শক্ত, রগগুলো ফোলা। রুমি হাঁপাতে হাঁপাতে বসে ওঠে, লিঙ্গটা হাতে নিয়ে মুখে ঢোকায়। জিভ দিয়ে মাথাটা ঘোরায়, গভীরে টেনে নেয়। আরিয়ানের হাত রুমির চুলে। সে আস্তে আস্তে কোমর নাড়ায়। রুমি গলায় লিঙ্গটা নিয়ে গ্যাগ করে, কিন্তু থামে না। আরিয়ান তাকে শুইয়ে দিয়ে দুই পা কাঁধে তোলে। লিঙ্গটার মাথা যোনিমুখে লাগিয়ে ধীরে ধীরে ঢোকায়। রুমির ভেতরটা গরম, সঙ্কীর্ণ। আরিয়ান পুরো ঢুকিয়ে থেমে থাকে। চোখে চোখ রেখে বলে, “তুমি আমার।” তারপর ধীরে ধীরে নড়া শুরু করে। প্রতিটা ধাক্কায় রুমির স্তন দুটো দুলতে থাকে। আরিয়ান কোমর চেপে ধরে গতি বাড়ায়। শব্দ হয়—চামড়ায় চামড়া লাগার শব্দ, রুমির মোহন শব্দ, আরিয়ানের গভীর শ্বাস। রুমি আবার অর্গাজম করে। তার যোনি শক্ত হয়ে আরিয়ানের লিঙ্গ চেপে ধরে। আরিয়ান আর ধরে রাখতে পারে না। গভীরে ঢুকিয়ে বীর্য ঢেলে দেয়। গরম তরল রুমির ভেতরে ছড়িয়ে পড়ে। তারা জড়িয়ে থাকে। ঘামে ভেজা শরীর, হৃদস্পন্দন একসঙ্গে। রুমি আরিয়ানের বুকে মাথা রেখে ফিসফিস করে, “আমি তোমাকে ভালোবাসি।” আরিয়ান তার কপালে চুমু দিয়ে বলে, “আমিও। আর কখনো ছাড়ব না।”
সেই রাত থেকে তাদের সম্পর্ক শুধু শরীরের নয়, মনেরও গভীরে চলে যায়। তারা একে অপরের দুর্বলতা জানে, স্বপ্ন জানে, ভয় জানে। কিন্তু সেই প্রথম রাতের গভীর যৌনতা তাদের বন্ধনকে আরও শক্ত করে।
দুই মাস পর। তাদের সম্পর্ক এখন আরও গভীর, আরও আসক্ত। রুমি আরিয়ানের ফ্ল্যাটে প্রায়ই থাকে। এক শুক্রবারের রাত। বাইরে ঝড়। বিদ্যুৎ নেই। মোমবাতির আলোয় ঘরটা আধোঅন্ধকার। রুমি শুধু আরিয়ানের শার্ট পরে আছে। শার্টের নিচে কিছু নেই। আরিয়ান তাকে দেয়ালের সঙ্গে চাপ দিয়ে চুমু খায়। জিভ গভীরে ঢোকে। হাত দিয়ে রুমির নিতম্ব চেপে ধরে উপরে তোলে। রুমি পা জড়িয়ে ধরে। আরিয়ানের লিঙ্গটা তার যোনির ওপর ঘষতে থাকে। শার্টটা টেনে খুলে ফেলে। রুমির স্তন দুটো মোমবাতির আলোয় উজ্জ্বল। আরিয়ান একটা স্তন মুখে নিয়ে কামড় দেয়, অন্যটা আঙুল দিয়ে নিংড়ে ধরে। রুমি মাথা পেছনে ফেলে হাঁপাতে থাকে। আরিয়ান তাকে বিছানায় শুইয়ে দুই পা ছড়িয়ে দেয়। এবার সে রুমির যোনিতে শুধু জিভ নয়, পুরো মুখ বসিয়ে চাটতে থাকে। জিভ ভেতরে ঢুকিয়ে নাড়ায়, ক্লিটরিস চুষে নেয়। রুমি বিছানায় ছটফট করে। তার হাত আরিয়ানের মাথায় চাপ দিয়ে রাখে। অর্গাজম এসে যায় দ্রুত। রস আরিয়ানের মুখে লেগে যায়। সে উঠে এসে রুমির মুখে চুমু দেয়, যাতে রুমি নিজের স্বাদ পায়।
রুমি উল্টে আরিয়ানকে শুইয়ে দেয়। তার লিঙ্গটা হাতে নিয়ে ধীরে ধীরে মুখে ঢোকায়। গভীরে নিয়ে যায়, গলায় ঠেকিয়ে রাখে। লালা গড়িয়ে পড়ে। আরিয়ান কোমর তুলে ধাক্কা দিতে থাকে। রুমি চোখ তুলে তাকায়। সেই দৃষ্টি দেখে আরিয়ানের আর ধৈর্য থাকে না। সে রুমিকে উল্টে হাঁটু গেড়ে বসায়। পেছন থেকে লিঙ্গ ঢোকায়। এক ধাক্কায় পুরো। রুমি চেঁচিয়ে ওঠে। আরিয়ান কোমর চেপে ধরে জোরে জোরে ধাক্কা দিতে থাকে। প্রতিটা ধাক্কায় রুমির স্তন দুলতে থাকে, যোনি থেকে শব্দ হয়। আরিয়ান এক হাতে রুমির চুল মুঠো করে টানে, অন্য হাতে কোমর চেপে রাখে। রুমি বালিশে মুখ গুঁজে আওয়াজ করে। আরিয়ান গতি বাড়ায়। তার লিঙ্গ পুরো বের করে আবার গভীরে ঢোকায়। রুমির অর্গাজম আসে। তার যোনি স্পন্দিত হয়ে আরিয়ানের লিঙ্গ চেপে ধরে। আরিয়ান থেমে যায় না। সে রুমিকে উল্টে শুইয়ে দুই পা কাঁধে তোলে। আরও গভীরে ঢোকে। চোখে চোখ রেখে বলে, “তোমার ভেতরটা আমার।” রুমি কেঁপে কেঁপে বলে, “সব তোমার… সব।” আরিয়ান শেষ পর্যন্ত গভীরে বীর্য ঢেলে দেয়। গরম তরল ভেতরে জমে থাকে। তারা জড়িয়ে শুয়ে থাকে। মোমবাতির আলোয় তাদের শরীর চকচক করে। রুমি আরিয়ানের বুকে আঙুল ঘষতে ঘষতে বলে, “আমি তোমার ছাড়া বাঁচতে পারব না।” আরিয়ান তার কানে চুমু দিয়ে বলে, “বাঁচতে হবে না। আমি আছি।”
সেই রাতে তারা আরও দুবার করে। একবার বাথরুমে, গরম পানির নিচে। আরিয়ান রুমিকে দেয়ালের সঙ্গে তুলে ধরে ঢোকায়। পানি গড়িয়ে পড়ে তাদের সংযোগস্থলে। রুমির পা আরিয়ানের কোমরে জড়ানো। আরিয়ান জোরে ধাক্কা দেয়। রুমির পিঠ দেয়ালে লাগে। আরেকবার ভোরের দিকে, যখন রুমি ঘুম থেকে উঠে আরিয়ানের লিঙ্গ হাতে নিয়ে মুখে দেয়। আরিয়ান ঘুমন্ত অবস্থায় জেগে ওঠে। সে রুমির মাথা চেপে ধরে গভীরে ঢোকায়। তারপর উল্টে রুমির ওপর চড়ে বসে। রুমি নিচ থেকে কোমর তুলে মেলে দেয়। আরিয়ান পুরো শক্তি দিয়ে ধাক্কা দেয়। বিছানা কেঁপে ওঠে। রুমির নখ আরিয়ানের পিঠে আঁচড় কাটে। শেষে আরিয়ান রুমির মুখে বীর্য ঢেলে দেয়। রুমি সবটা গিলে নেয়, জিভ বের করে দেখায়। আরিয়ান হেসে তার ঠোঁটে চুমু দেয়।
তাদের ভালোবাসা এখন শরীর আর মনের মিশেল। প্রতিটা স্পর্শ, প্রতিটা চুমু, প্রতিটা যৌনতায় তারা আরও গভীরে ডুবে যায়।
ছয় মাস পর। আরিয়ান রুমিকে নিয়ে কক্সবাজারে যায়। সমুদ্রের পাশে একটা ছোট কটেজে। রাতের আকাশ তারার ভর্তি। সমুদ্রের গর্জন। তারা বালিয়াতে শুয়ে থাকে। আরিয়ান রুমির হাতে একটা সাদা সোনার আংটি পরায়। বলে, “আমার সঙ্গে থাকো। চিরকাল।” রুমি কেঁদে ফেলে। চুমু খায়। তারপর কটেজে ফিরে তারা দরজা বন্ধ করে। জানালার বাইরে সমুদ্র। ভেতরে শুধু তারা দুজন।
রুমি আরিয়ানের সামনে দাঁড়িয়ে আস্তে আস্তে কাপড় খোলে। ব্রা, প্যান্টি—সব। আরিয়ান তাকে বিছানায় শুইয়ে পুরো শরীর চুমুতে চুমুতে যায়। গলা, স্তন, পেট, নাভি, যোনির ওপরের নরম চামড়া। তারপর জিভ দিয়ে যোনি খুলে চাটতে থাকে। এবার আর তাড়া নেই। ধীরে ধীরে, গভীরভাবে। রুমির পা কেঁপে ওঠে। সে আরিয়ানের চুল মুঠো করে। অর্গাজম আসে আস্তে আস্তে, ঢেউয়ের মতো। আরিয়ান উঠে এসে রুমির পা দুটো নিজের কাঁধে তোলে। লিঙ্গটা যোনিমুখে লাগিয়ে ধীরে ঢোকায়। চোখে চোখ। প্রতিটা ইঞ্চি অনুভব করে। পুরো ঢুকে গেলে থেমে থাকে। রুমি ফিসফিস করে, “আমাকে ভালোবাসো।” আরিয়ান নড়া শুরু করে। ধীর, গভীর, দীর্ঘ ধাক্কা। রুমির ভেতরটা তাকে সম্পূর্ণ গ্রহণ করে। আরিয়ান কোমর নাড়ায়, কখনো ধীর, কখনো দ্রুত। রুমির স্তন দুটো হাতে নিয়ে নিংড়ে ধরে, স্তনবৃন্ত চুষে নেয়। রুমি আবার অর্গাজম করে। তার যোনি আরিয়ানের লিঙ্গ চেপে ধরে রাখে। আরিয়ান গতি বাড়ায়। বিছানার শব্দ, তাদের শ্বাস, সমুদ্রের গর্জন—সব মিলেমিশে যায়। শেষে আরিয়ান গভীরে ঢুকিয়ে বীর্য ঢেলে দেয়। এতটা যে রুমির যোনি থেকে গড়িয়ে বেরোয়। তারা জড়িয়ে থাকে। ঘাম, বীর্য, ভালোবাসা—সব একসঙ্গে।
ভোরের দিকে আবার করে। এবার রুমি উপরে। সে আরিয়ানের লিঙ্গ হাতে নিয়ে বসিয়ে নেয়। ধীরে ধীরে কোমর নাড়ায়। স্তন দুটো আরিয়ানের মুখের সামনে। আরিয়ান মুখে নিয়ে চুষে নেয়। রুমি গতি বাড়ায়। উঠানামা করে। আরিয়ানের হাত তার নিতম্বে। সে নিচ থেকে ধাক্কা দেয়। রুমি চেঁচিয়ে ওঠে। অর্গাজম এসে যায়। আরিয়ানও। আবার গভীরে বীর্য। রুমি আরিয়ানের বুকে শুয়ে পড়ে। তাদের হৃদস্পন্দন একসঙ্গে।
সকালে সমুদ্রের পাশে দাঁড়িয়ে রুমি আরিয়ানের হাত ধরে বলে, “আমাদের গল্প কখনো শেষ হবে না।” আরিয়ান তার কপালে চুমু দিয়ে বলে, “না। এটা চিরকালের।”
তাদের ভালোবাসা শুধু শরীরের আগুন নয়। এটা গভীর, আসক্ত, অটুট। প্রতিটা চুমু, প্রতিটা যৌনতা, প্রতিটা রাত তাদের আরও কাছে নিয়ে যায়। আর সেই বন্ধন কখনো ভাঙে না।
....