ঢাকার এক ব্যস্ত সন্ধ্যার সময়। মেঘনা রিভারভিউ অ্যাপার্টমেন্টের ১২ তলার ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে আরিয়ান সিগারেট টানছিল। তার শরীরটা লম্বা, পেশীবহুল, কালো জিন্স আর হাফ-স্লিভ টি-শার্টে বুকের পেশিগুলো স্পষ্ট। চোখে একটা ক্ষুধার্ত ঝিলিক। নিচের ফ্ল্যাট থেকে হঠাৎ কেউ বেরিয়ে এলো।
সারা। তার নাম সারা।
সাদা শাড়ির উপর কালো ব্লাউজ। কোমরের রেখাটা এতটাই তীক্ষ্ণ যে আরিয়ানের গলা শুকিয়ে গেল। সে সিঁড়ি দিয়ে নামছিল। আরিয়ান ইচ্ছে করেই লিফটের দরজায় দাঁড়িয়ে রইল।
“মাফ করবেন… সিগারেটের ধোঁয়া…” সারা বলল, কিন্তু চোখ তুলে তাকালেই থেমে গেল। আরিয়ানের চোখের সেই ক্ষুধাটা তার শরীরে এমনভাবে লেগেছিল যে তার নিজের শরীরটাও গরম হয়ে উঠল।
“ধোঁয়া নয়,” আরিয়ান নিচু গলায় বলল, “আপনার সুগন্ধে মাথা খারাপ হয়ে যাচ্ছে।”
সারা হাসল। সেই হাসিটা ছিল লজ্জা আর সাহসের মিশ্রণ। “আপনি কি সবসময় এভাবে কথা বলেন?”
“শুধু তখনই, যখন কেউ আমার ঘুম কেড়ে নেয়।”
রাতের খাবারের আমন্ত্রণ হয়ে গেল। আরিয়ানের ফ্ল্যাটে। ওয়াইন, নরম আলো, আর জানালার বাইরে ঢাকার আলোগুলো। সারা বসল সোফায়। আরিয়ান তার পাশে। হাত দুটো প্রায় ছুঁয়ে যাচ্ছিল।
“আপনি কি জানেন,” আরিয়ান বলল, “আপনার গলায় ওই ছোট্ট তিলটা… আমি কতদিন ধরে দেখছি।”
সারা মুখ ফিরিয়ে নিল, কিন্তু গলায় শ্বাস আটকে গেল। আরিয়ানের আঙুলটা ধীরে ধীরে তার চিবুকের নিচে উঠে এলো। স্পর্শটা ছিল গরম, শক্ত।
“দেখবেন নাকি?” আরিয়ান ফিসফিস করে বলল।
সারা কোনো উত্তর দিল না। শুধু চোখ বন্ধ করল। আরিয়ানের ঠোঁট তার গলার তিলের ওপর এসে পড়ল। চুমুটা ছিল ধীর, ভেজা, আর চাপা গর্জনের মতো। সারার হাত নিজে থেকেই আরিয়ানের বুকে উঠে গেল। পেশির নিচে হৃদস্পন্দনটা তার আঙুলে লাগছিল।
আরিয়ান তার শাড়ির আঁচলটা সরিয়ে দিল। ব্লাউজের বোতাম খুলতে খুলতে তার মুখ সারার কানের কাছে চলে এলো। “আজ রাতটা আমার। পুরোটা।”
সারা কেঁপে উঠল। আরিয়ানের হাত তার কোমর বেয়ে নিচে নামল। শাড়ির ভাঁজের ভেতর দিয়ে আঙুল ঢুকে গেল। সেখানে ইতিমধ্যেই ভেজা। আরিয়ান একটা গভীর নিঃশ্বাস ফেলল। “এত গরম… এত ভেজা…”
সে তার আঙুল দিয়ে সারার ক্লিটরে স্পর্শ করল। ধীরে, বৃত্তাকারে। সারার পা দুটো নিজে থেকেই খুলে গেল। আরিয়ান তার গলায় চুমু খেতে খেতে আঙুলটা ভেতরে ঢোকাল। একটা, তারপর দুটো। সারা আর চুপ থাকতে পারল না। একটা চাপা আর্তনাদ বেরিয়ে এলো।
“আরও…” সে ফিসফিস করে বলল।
আরিয়ান তার শাড়িটা পুরোপুরি খুলে ফেলল। সারার নগ্ন শরীর সোফার ওপর শুয়ে পড়ল। বুকের দুটো ফোলা স্তন, কোমরের রেখা, আর উরুর ভেতরের সাদা চামড়া। আরিয়ান হাঁটু গেড়ে বসল। তার জিভটা সারার উরুর ভেতর দিয়ে উঠে এলো। তারপর সরাসরি সেই ভেজা জায়গায়।
সারা চিৎকার করে উঠল। আরিয়ানের জিভ দ্রুত, তারপর ধীর। দুই আঙুল ভেতরে ঢোকে আর বের হয়। সারার হাত আরিয়ানের চুল আঁকড়ে ধরল। তার শরীর কেঁপে উঠছে। আরিয়ান তার ক্লিটরে চুষতে লাগল। সারা আর সহ্য করতে পারল না। একটা প্রচণ্ড অর্গাজম এসে তাকে ভাসিয়ে দিল। তার পা দুটো আরিয়ানের মাথা চেপে ধরল।
আরিয়ান উঠে এসে তার মুখের কাছে এলো। তার ঠোঁটে সারার স্বাদ। “এটা শুধু শুরু,” সে বলল।
সারা তার প্যান্টের জিপার নামিয়ে দিল। আরিয়ানের লিঙ্গটা বেরিয়ে এলো—মোটা, শক্ত, রগগুলো ফুলে উঠেছে। সারা হাঁটু গেড়ে বসল। তার ঠোঁট দিয়ে আরিয়ানের অগ্রভাগ চুষল। আরিয়ানের হাত তার চুলে গিয়ে জড়িয়ে ধরল। “হ্যাঁ… এভাবেই…”
সারা গভীর করে মুখে নিল। আরিয়ানের কোমর এগিয়ে এলো। তার শ্বাস ভারী হয়ে উঠল। কিন্তু সে থামল। “আজ রাতটা পুরোপুরি তোমার ভেতরে শেষ করব।”
সে সারাকে তুলে নিয়ে বিছানায় শুইয়ে দিল। পা দুটো কাঁধে তুলে ধরল। তারপর ধীরে ধীরে ঢুকিয়ে দিল। সারা আর্তনাদ করে উঠল। পুরোটা ভেতরে চলে গেল। আরিয়ান থামল না। গভীর, শক্ত, ছন্দময় ধাক্কা। প্রতিটা ধাক্কায় সারার স্তন কেঁপে উঠছে। আরিয়ান তার স্তনের বোঁটা চুষছে, কামড় দিচ্ছে।
সারা আবার অর্গাজমে পৌঁছাল। তার দেয়ালগুলো আরিয়ানের লিঙ্গকে চেপে ধরল। আরিয়ানও আর থামতে পারল না। গভীর একটা গর্জনের সাথে সে সারার ভেতরে ঝরে পড়ল। গরম, ঘন তরল ভেতরে ছড়িয়ে পড়ল।
রাতের বাকি সময়টা তারা আর কথা বলল না। শুধু শরীর আর শরীর। আরিয়ান তাকে আবার উল্টে দিল। পিছন থেকে ঢুকল। সারার চুল ধরে টানল। সারা চিৎকার করল, কিন্তু থামল না।
সকালে সারা উঠে দাঁড়াল। শরীরে আরিয়ানের চিহ্ন। গলায় কামড়ের দাগ, উরুতে লাল দাগ। আরিয়ান তার কোমর জড়িয়ে ধরল।
“এটা শুধু এক রাত নয়,” সে বলল। “আমি তোমাকে ছাড়ব না।”
সারা পিছন ফিরে তাকাল। চোখে এখনও সেই আগুন। “তাহলে আরও গরম করে দেখাও।”
আরিয়ান হাসল। তার হাত আবার সারার ভেতরের দিকে চলে গেল।
এক সপ্তাহ পরে। আরিয়ানের ফ্ল্যাট এখন সারার দ্বিতীয় বাড়ি। তারা দিনে কাজ করে, রাতে একে অপরকে খেয়ে ফেলে।
আজ রাতে আরিয়ান সারাকে বাথরুমে টেনে নিয়ে গেল। গরম পানির ঝরনা চলছে। সারা নগ্ন। আরিয়ানও। তার পিছন থেকে এসে সারার স্তন দুটো চেপে ধরল। আঙুল দিয়ে বোঁটা মোচড়াল। সারা আর্তনাদ করে উঠল।
“আজ আমি তোমাকে ভেঙে ফেলব,” আরিয়ান তার কানে বলল।
সে সারাকে দেয়ালে ঠেস দিয়ে দাঁড় করাল। পা দুটো ছড়িয়ে দিল। তারপর হাঁটু গেড়ে বসে সারার ভেতরের দিকে মুখ লাগাল। জিভটা গভীর করে ঢুকিয়ে দিল। সারা দেয়ালে হাত রেখে চিৎকার করল। আরিয়ান তার ক্লিটরে দাঁত দিয়ে হালকা কামড় দিল। সারা কেঁপে উঠল। একটা অর্গাজম এসে গেল, কিন্তু আরিয়ান থামল না। সে দুই আঙুল ঢোকাল, তারপর তিন। সারার ভেতরটা এতটাই ভেজা যে পানি আর তার রস মিশে যাচ্ছে।
আরিয়ান উঠে দাঁড়াল। তার লিঙ্গটা সারার পিছনের ফাঁকে ঘষল। “বলো তুমি চাও।”
“চাই… ভেতরে দাও…” সারা কাঁপতে কাঁপতে বলল।
আরিয়ান এক ঠেলায় ঢুকিয়ে দিল। পুরোটা। সারা চিৎকার করে উঠল। আরিয়ান তার চুল ধরে টানল। গভীর ধাক্কা শুরু করল। প্রতিটা ধাক্কায় সারার স্তন দেয়ালে লেগে যাচ্ছে। আরিয়ান তার কোমর চেপে ধরে আরও জোরে ধাক্কা দিল। সারার অর্গাজম একে একে আসতে লাগল। সে আর দাঁড়াতে পারছিল না। আরিয়ান তাকে তুলে নিয়ে বিছানায় নিয়ে গেল।
এবার সারা উপরে উঠল। তার ভেজা যোনি আরিয়ানের লিঙ্গের ওপর বসল। ধীরে ধীরে নামল। পুরোটা ভেতরে চলে গেল। সারা কোমর দোলায়। আরিয়ান তার স্তন দুটো চেপে ধরে চুষতে লাগল। সারা আরও জোরে দোলাতে লাগল। তার অর্গাজম এসে গেল। দেয়ালগুলো আরিয়ানকে চেপে ধরল। আরিয়ানও আর থাকতে পারল না। সারার ভেতরে ঝরে পড়ল।
কিন্তু তারা থামল না। আরিয়ান সারাকে উল্টে দিল। পিছন থেকে আবার ঢুকল। এবার আরও গভীর। সারার গলায় হাত দিয়ে হালকা চেপে ধরল। সারা আর্তনাদ করল, কিন্তু তার শরীর আরও ভেজা হয়ে উঠল। আরিয়ান তার ক্লিটরে আঙুল ঘষতে লাগল। সারা আবার অর্গাজমে পৌঁছাল। তার শরীর কেঁপে উঠছে।
রাত গভীর হলো। আরিয়ান সারাকে বাঁধল। তার হাত দুটো বিছানার মাথার সাথে। তারপর চোখ বেঁধে দিল। সারা অন্ধকারে শুধু অনুভব করছিল। আরিয়ানের জিভ তার স্তনে, উরুতে, তারপর ভেতরে। সে একটা ভাইব্রেটর নিয়ে এলো। সারার ক্লিটরে লাগিয়ে দিল। সারা চিৎকার করে উঠল। আরিয়ান একই সাথে তার ভেতরে ঢুকিয়ে দিল। দ্বিগুণ চাপ। সারা একাধিক অর্গাজমে ভেঙে পড়ল। তার শরীর থেকে ঘাম ঝরছে। আরিয়ান তার মুখের কাছে এসে লিঙ্গটা মুখে দিল। সারা চুষল, গভীর করে। আরিয়ান তার চুল ধরে ধাক্কা দিল। তারপর আবার ভেতরে ঢুকিয়ে ঝরে পড়ল।
সকালে সারা উঠতে পারছিল না। শরীরটা অবসন্ন। আরিয়ান তার পাশে শুয়ে আঙুল দিয়ে তার নগ্ন পিঠে আঁকছিল।
“তুমি আমার,” সে বলল। “পুরোপুরি।”
সারা ঘুরে তাকাল। “তাহলে আমাকে আরও নাও।”
আরিয়ান হাসল। তার হাত আবার সারার উরুর ভেতরে চলে গেল। সেখানে এখনও তার রস আর আরিয়ানের বীর্য মিশে আছে। আরিয়ান আঙুল দিয়ে সেটা তুলে সারার মুখে লাগিয়ে দিল। সারা চুষল।
দিনটা পুরোটাই তারা বিছানায় কাটাল। আরিয়ান সারাকে বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গিতে নিল। দেয়ালে, মেঝেতে, ব্যালকনির কাঁচের সামনে। রাতে ঢাকার আলো দেখতে দেখতে সারা অর্গাজমে কাঁপছিল। আরিয়ান তার কানে বলল, “আমি তোমাকে বিয়ে করব। কিন্তু তার আগে তোমাকে আরও অনেকবার ভাঙব।”
সারা হাসল। তার শরীর এখনও কাঁপছে। “তাহলে ভাঙো।”
আরিয়ান আবার তার ভেতরে ঢুকে পড়ল। এবার আরও ধীর, আরও গভীর। সারার চোখের জল বেরিয়ে এলো—সুখের জল।
দুই মাস পরে। আরিয়ান সারাকে নিয়ে কক্সবাজারে গেল। সমুদ্রের পাশে একটা প্রাইভেট ভিলা। বিয়ের আগে শেষবার একা।
সন্ধ্যায় সমুদ্রের গর্জন। আরিয়ান সারাকে সমুদ্রের পাশে নিয়ে গেল। চাঁদের আলোয় সারার শরীর ঝিলিক দিচ্ছিল। আরিয়ান তার শাড়ি খুলে দিল। সারা নগ্ন হয়ে দাঁড়াল। আরিয়ান হাঁটু গেড়ে বসে তার যোনিতে মুখ লাগাল। সমুদ্রের ঢেউয়ের শব্দের সাথে সারার আর্তনাদ মিশে গেল। আরিয়ান তাকে বালিতে শুইয়ে দিল। পা দুটো ছড়িয়ে ধরল। তারপর ঢুকিয়ে দিল।
গভীর। শক্ত। প্রতিটা ধাক্কায় সারার শরীর বালিতে নড়ছে। আরিয়ান তার স্তন চুষছে, কামড় দিচ্ছে। সারা চিৎকার করল। অর্গাজম এসে গেল। আরিয়ান থামল না। সে সারাকে উল্টে দিল। পিছন থেকে আরও গভীর করে নিল। সারার চুল ধরে টানল। সারা আর্তনাদ করল, “আরও জোরে…”
আরিয়ান জোরে ধাক্কা দিল। তার লিঙ্গ পুরোটা ভেতরে চলে যাচ্ছে। সারা আবার অর্গাজমে পৌঁছাল। আরিয়ানও তার ভেতরে ঝরে পড়ল। গরম তরল বালি আর সারার রসের সাথে মিশে গেল।
ভিলায় ফিরে তারা আরও পাগল হয়ে উঠল। আরিয়ান সারাকে বিছানায় বেঁধে রাখল। চোখ বেঁধে। তারপর বরফের টুকরো দিয়ে তার স্তন, পেট, যোনি স্পর্শ করল। সারা কেঁপে উঠল। আরিয়ান বরফটা তার ভেতরে ঢোকাল। সারা চিৎকার করে উঠল। তারপর আরিয়ানের গরম লিঙ্গ বরফের জায়গায় ঢুকে গেল। দ্বিগুণ অনুভূতি। সারা একাধিক অর্গাজমে ভেঙে পড়ল।
আরিয়ান তাকে খুলে দিল। সারা উপরে উঠে বসল। তার যোনি আরিয়ানের মুখের ওপর। আরিয়ান জিভ দিয়ে চেটে খেলল। সারা দুলতে লাগল। অর্গাজম এসে গেল। তার রস আরিয়ানের মুখে গড়িয়ে পড়ল। আরিয়ান সেটা চুষে নিল।
রাতভর তারা একে অপরকে নিল। দেয়ালে, শাওয়ারে, ব্যালকনিতে। সারার শরীরে আরিয়ানের কামড়ের দাগ। আরিয়ানের পিঠে সারার নখের দাগ।
সকালে আরিয়ান হাঁটু গেড়ে বসল। হাতে একটা রিং।
“সারা,” সে বলল, “তুমি আমার শরীর, আমার রাত, আমার সব। বিয়ে করবে?”
সারা কাঁদতে কাঁদতে হ্যাঁ বলল। আরিয়ান তাকে তুলে নিয়ে আবার বিছানায় শুইয়ে দিল। এবার আরও ধীর, আরও গভীর। ভালোবাসার সাথে কাম। সারা তার কানে বলল, “বিয়ের পরও এভাবেই নাও আমাকে।”
আরিয়ান হাসল। “প্রতি রাত।”
এক মাস পরে তাদের বিয়ে হলো। ছোট্ট একটা অনুষ্ঠান। কিন্তু রাতে, হোটেলের রুমে, আরিয়ান সারার বিয়ের পোশাক খুলে দিল। নতুন বউকে সে আবার প্রথমবারের মতো নিল। গভীর, জোরালো, অবিরাম। সারা চিৎকার করল। আরিয়ান তার ভেতরে ঝরে পড়ল।
তারা একে অপরের হয়ে গেল। শরীরে, মনে, আর চিরকালের জন্য।
....