বৃষ্টি নামছিল ধীরে ধীরে। জানালার কাঁচে জলের ফোঁটা গড়িয়ে পড়ছিল। রুমটা আধোঅন্ধকার। শুধু একটা টেবিল ল্যাম্প জ্বলছিল। আরিয়ান চেয়ারে বসে ছিল। শার্টের ওপরের দুটো বোতাম খোলা। গলায় ঘামের ছোঁয়া। সামনে দাঁড়িয়ে আছে নয়নতারা। তার কলেজের ইংরেজি সাহিত্যের শিক্ষিকা। বয়স পঁয়ত্রিশ। স্বামী বিদেশে। সন্তান নেই। আর আরিয়ান—উনিশ। ক্লাসের সবচেয়ে নীরব ছেলে। কিন্তু তার চোখে এমন একটা ক্ষুধা যে নয়নতারা অনেকদিন ধরে অনুভব করছিল।
“স্যার, অ্যাসাইনমেন্টটা চেক করে দিয়েছেন?” আরিয়ান জিজ্ঞেস করল। কণ্ঠস্বর শান্ত, কিন্তু চোখ নয়নতার ঠোঁটে আটকে ছিল।
নয়নতারা হাসল। “আজ আর অ্যাসাইনমেন্ট নয়।” সে এগিয়ে গেল। হাত দিয়ে আরিয়ানের চুল সরিয়ে দিল। “তুমি জানো কেন আমি তোমাকে এখানে ডেকেছি?”
আরিয়ান উঠে দাঁড়াল। উচ্চতায় প্রায় সমান। “জানি।”
নয়নতারা আর অপেক্ষা করল না। তার ঠোঁট আরিয়ানের ঠোঁটে এসে লাগল। প্রথমে নরম, তারপর জোরে। জিভ ঢুকল। আরিয়ান তার কোমর শক্ত করে ধরল। নয়নতার শাড়ির প্লিট হাতের তলায় উঠে এল। তার গরম ত্বক। কোনো ব্রা নেই। স্তন দুটো শাড়ির কাপড়ের নিচে শক্ত হয়ে উঠেছে।
আরিয়ান শাড়ির আঁচল টেনে খুলল। নয়নতারা বাধা দিল না। শাড়ি পড়ে গেল মেঝেতে। শুধু পেটিকোট আর ব্লাউজ। আরিয়ান ব্লাউজের বোতাম খুলতে গিয়ে হাত কাঁপিয়ে দিল। নয়নতারা নিজেই খুলে ফেলল। স্তন দুটো বেরিয়ে এল। গোলাপি বোঁটা শক্ত। আরিয়ান মাথা নামিয়ে একটা স্তন মুখে নিল। জিভ দিয়ে ঘুরাল। দাঁত দিয়ে হালকা কামড় দিল। নয়নতারা আর্তনাদ করল। “আরও জোরে…”
আরিয়ান অন্য স্তনও একইভাবে চুষতে লাগল। এক হাত পেটিকোটের ভেতর ঢুকিয়ে তার ভেজা জায়গায় আঙুল চালিয়ে দিল। নয়নতারা এত ভিজে যে আঙুল সহজেই ঢুকে গেল। দুটো আঙুল। ভেতরে ঘোরাতে লাগল। নয়নতার হাঁটু কেঁপে উঠল। সে টেবিলে হেলান দিল। পা দুটো চওড়া করে দিল।
আরিয়ান হাঁটু গেড়ে বসল। পেটিকোট সরিয়ে তার গরম, ফোলা যোনি মুখে নিল। জিভ ঢুকিয়ে উপরের দানাটা চাটতে লাগল। নয়নতারা চুল মুঠো করে ধরে টানল। “এভাবে… হ্যাঁ… ওখানে…” তার শরীর কেঁপে উঠল। প্রথমবার অর্গাজম এল। রস আরিয়ানের মুখে গড়িয়ে পড়ল। সে সবটা চেটে খেল।
নয়নতারা আরিয়ানকে টেনে তুলল। তার প্যান্ট খুলে দিল। অন্তর্বাস সরিয়ে তার শক্ত লিঙ্গ বের করল। মোটা, লম্বা, শিরা ফোলা। নয়নতারা হাঁটু গেড়ে মুখে নিল। গভীরে। গলা পর্যন্ত। আরিয়ান আর্তনাদ করল। নয়নতারা চুষতে লাগল। জিভ দিয়ে মাথা ঘোরাল। থুতু মিশিয়ে ভিজিয়ে দিল। তারপর উঠে টেবিলে শুয়ে পড়ল। পা দুটো হাওয়ায় তুলে ধরল।
“এখন ভিতরে আয়।”
আরিয়ান এগিয়ে গেল। লিঙ্গের মাথা তার ফোলা ফাটলে রেখে ধীরে ঢোকাল। নয়নতারা চোখ বন্ধ করে চিৎকার করল। পুরোটা ঢুকে গেল। আরিয়ান থামল না। জোরে ধাক্কা দিতে লাগল। টেবিল কেঁপে উঠল। নয়নতার স্তন দুটো দুলছিল। আরিয়ান এক হাত দিয়ে স্তন চেপে ধরল, অন্য হাত দিয়ে তার ক্লিটরিস ঘষতে লাগল। নয়নতারা আবার অর্গাজম করল। যোনি শক্ত হয়ে আরিয়ানের লিঙ্গ চেপে ধরল। আরিয়ান আর সহ্য করতে পারল না। গভীরে ঢুকে বীর্য ঢেলে দিল। গরম, ঘন। নয়নতারা সবটা গ্রহণ করল।
দুজনে হাঁপাতে হাঁপাতে শুয়ে রইল। বৃষ্টি এখনও নামছে। নয়নতারা আরিয়ানের বুকের ওপর মাথা রাখল। “এটা শুধু আজকের জন্য নয়,” সে ফিসফিস করে বলল। “তুমি প্রতিদিন আসবে। ক্লাস শেষে। দরজা বন্ধ করে।”
আরিয়ান তার চুলে হাত বুলিয়ে বলল, “আমি আসব। আর কেউ জানবে না।”
কিন্তু দুজনেই জানত—এটা নিষিদ্ধ। শিক্ষক-ছাত্র। বয়সের ব্যবধান। সমাজের চোখ। তবু শরীরের ক্ষুধা বড় হয়ে উঠেছিল। নয়নতারা আরিয়ানের লিঙ্গ আবার হাতে নিল। এখনও শক্ত। সে আবার মুখে নিল। আরিয়ান শুয়ে শুয়ে উপভোগ করতে লাগল। রাত গভীর হয়ে এল। তারা আবার মিলিত হল। এবার বিছানায়। ধীরে ধীরে। চুমু খেতে খেতে। নয়নতারা উপরে উঠে বসল। তার যোনি আরিয়ানের লিঙ্গ গ্রহণ করল। সে নিজেই উঠানামা করতে লাগল। স্তন দুটো আরিয়ানের মুখে। আরিয়ান চুষতে লাগল। নয়নতারা আবার কাঁপতে কাঁপতে অর্গাজম করল। আরিয়ানও তার ভিতরে ঢেলে দিল।
সকালে নয়নতারা আরিয়ানকে বিদায় দিল। “কাল আবার এসো। আরও সময় থাকবে।” আরিয়ান চলে গেল। নয়নতারা একা শুয়ে রইল। শরীরে আরিয়ানের গন্ধ। ভিতরে তার বীর্যের অনুভূতি। সে জানত এটা ভুল। কিন্তু থামাতে পারছিল না।
পরের দিন ক্লাস শেষে আরিয়ান আবার এল। নয়নতারা দরজা বন্ধ করে দিল। আজ সে সালোয়ার-কামিজ পরেছিল। কোনো ব্রা নেই। আরিয়ান এসেই তাকে দেয়ালে ঠেস দিয়ে চুমু খেল। জিভ গভীরে ঢোকাল। হাত সালোয়ারের ভেতর ঢুকিয়ে তার নিতম্ব চেপে ধরল। নয়নতারা আর্তনাদ করল। আরিয়ান তার কামিজ তুলে স্তন মুখে নিল। জোরে চুষতে লাগল। দাঁত দিয়ে কামড় দিল। নয়নতারা ব্যথায় আর আনন্দে কেঁপে উঠল।
আরিয়ান তাকে উল্টে দেয়ালে হেলান দিল। সালোয়ার নামিয়ে দিল। প্যান্টি সরিয়ে তার পিছনের ফাটল দেখল। আঙুল ভিজিয়ে সেখানে চাপ দিল। নয়নতারা চমকে উঠল। “আগে কখনো… সেখানে নয়…” কিন্তু বাধা দিল না। আরিয়ান ধীরে ধীরে এক আঙুল ঢোকাল। নয়নতারা আর্তনাদ করল। আরিয়ান অন্য হাত দিয়ে তার যোনি ঘষতে লাগল। দুটো জায়গায় একসঙ্গে। নয়নতারা কাঁপতে লাগল। আরিয়ান আঙুল বাড়িয়ে দুটো করল। তারপর তিনটে। নয়নতারা দেয়ালে মাথা রেখে চিৎকার করল। অর্গাজম এল। রস মেঝেতে পড়ল।
আরিয়ান তাকে বিছানায় নিয়ে গেল। উপুড় করে শোয়াল। নিতম্ব উঁচু করে দিল। লিঙ্গ তার যোনিতে ঢোকাল। জোরে ধাক্কা দিতে লাগল। এক হাত দিয়ে তার চুল টানল। অন্য হাত দিয়ে পিছনের ফাটলে আঙুল ঘোরাতে লাগল। নয়নতারা পাগলের মতো চিৎকার করল। “আরও… জোরে… ভিতরে…” আরিয়ান পুরোটা ঢুকিয়ে বীর্য ঢেলে দিল। তারপর লিঙ্গ বের করে পিছনের ফাটলে মাথা রাখল। নয়নতারা শক্ত হয়ে গেল। আরিয়ান ধীরে ধীরে চাপ দিল। মাথা ঢুকল। নয়নতারা ব্যথায় চিৎকার করল। আরিয়ান থামল। “বললে থামব।”
নয়নতারা মাথা নেড়ে বলল, “চালিয়ে যাও… আস্তে…”
আরিয়ান আরও ঢোকাল। ধীরে ধীরে। পুরোটা। নয়নতারা কামড়ে বিছানা ধরল। আরিয়ান নড়তে শুরু করল। ছোট ছোট ধাক্কা। নয়নতারা অভ্যস্ত হতে লাগল। ব্যথা মিশে গেল আনন্দে। আরিয়ান জোরে করতে লাগল। এক হাত দিয়ে তার ক্লিটরিস ঘষতে লাগল। নয়নতারা আবার অর্গাজম করল। যোনি আর পিছন দুটোই শক্ত হয়ে গেল। আরিয়ান গভীরে ঢুকে বীর্য ঢেলে দিল। নয়নতারা কেঁপে উঠল।
তারা পাশাপাশি শুয়ে রইল। নয়নতারা আরিয়ানের বুকে মাথা রাখল। “তুমি আমাকে নষ্ট করে দিচ্ছ,” সে বলল। আরিয়ান হাসল। “তুমিই আমাকে ডেকেছ।” নয়নতারা তার লিঙ্গ হাতে নিল। আবার শক্ত করে তুলল। মুখে নিয়ে চুষতে লাগল। আরিয়ান উপরে উঠে তার মুখে ধাক্কা দিতে লাগল। গভীরে। নয়নতারা গলা দিয়ে গ্রহণ করল। আরিয়ান বীর্য ঢেলে দিল তার মুখে। নয়নতারা সবটা গিলে খেল।
রাতভর তারা থামল না। নয়নতারা উপরে বসে দোল খেলল। আরিয়ান তাকে উল্টে পিছন থেকে নিল। তারপর তাকে কোলে তুলে দাঁড়িয়ে করল। নয়নতার পা আরিয়ানের কোমরে জড়িয়ে ছিল। লিঙ্গ গভীরে ঢুকে যাচ্ছিল। নয়নতারা আর্তনাদ করে অর্গাজম করল। আরিয়ানও তার ভিতরে ঢেলে দিল। শেষে তারা ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়ল। সকালে নয়নতারা আরিয়ানকে জাগাল। আবার একবার। ধীরে ধীরে। চুমু খেতে খেতে। তারপর বিদায় দিল।
কিন্তু এবার নয়নতারা ভয় পেতে শুরু করল। কেউ যদি জেনে যায়? কলেজের কেউ যদি দেখে? তবু সে থামাতে পারছিল না। আরিয়ানের শরীর তার নেশা হয়ে উঠেছিল।
তৃতীয় দিন। নয়নতারা বাড়িতে ডাকল। স্বামী বিদেশে। বাড়ি খালি। আরিয়ান এল সন্ধ্যায়। নয়নতারা শুধু একটা রেশমি গাউন পরে অপেক্ষা করছিল। কোনো অন্তর্বাস নেই। আরিয়ান এসেই গাউন খুলে ফেলল। নয়নতার নগ্ন শরীর। সে তাকে বারান্দায় নিয়ে গেল। রাতের অন্ধকারে। কেউ দেখবে না। আরিয়ান তাকে রেলিংয়ে হেলান দিয়ে পিছন থেকে নিল। জোরে। নয়নতারা চিৎকার দাবাতে পারছিল না। আরিয়ান এক হাত দিয়ে তার মুখ চেপে ধরল। অন্য হাত দিয়ে স্তন চেপে মোচড় দিল। নয়নতারা অর্গাজম করল। আরিয়ান ভিতরে ঢেলে দিল।
ভিতরে এসে তারা শোয়ার ঘরে গেল। নয়নতারা আরিয়ানকে বিছানায় শোয়াল। নিজে উপরে উঠে বসল। পিছন মুখ করে। তার যোনি আরিয়ানের মুখের ওপর। আরিয়ান জিভ ঢুকিয়ে চাটতে লাগল। নয়নতারা একইসঙ্গে তার লিঙ্গ মুখে নিল। দুজনেই একে অপরকে চুষতে লাগল। নয়নতারা আগে অর্গাজম করল। রস আরিয়ানের মুখে গড়াল। আরিয়ানও তার মুখে বীর্য ঢেলে দিল। নয়নতারা গিলে খেল।
তারপর আরিয়ান তাকে চারহাত-পা করে তুলল। লিঙ্গ তার যোনিতে ঢোকাল। জোরে ধাক্কা দিতে লাগল। নয়নতারা আর্তনাদ করল। আরিয়ান পিছনের ফাটলেও আঙুল ঢোকাল। দুটো জায়গায় একসঙ্গে। নয়নতারা পাগল হয়ে গেল। একের পর এক অর্গাজম। শরীর কাঁপছিল। আরিয়ান শেষে পিছনে ঢুকে পুরোটা ঢোকাল। নয়নতারা চিৎকার করে উঠল। আরিয়ান জোরে করতে লাগল। নয়নতার চুল টানতে টানতে। শেষে গভীরে বীর্য ঢেলে দিল।
তারা শুয়ে রইল। ঘামে ভিজে। নয়নতারা আরিয়ানের মুখের দিকে তাকাল। “এটা শেষবার,” সে বলল। “কাল থেকে আর নয়। বিপদ।” আরিয়ান চুপ করে রইল। তারপর তাকে আবার চুমু খেল। “শেষবার হলে আজ পুরোটা দাও।”
নয়নতারা রাজি হল। তারা আবার শুরু করল। এবার আরও কাঁচা। আরিয়ান তাকে বাথরুমে নিয়ে গেল। শাওয়ারের নিচে। দেয়ালে ঠেস দিয়ে নিল। তারপর মেঝেতে। নয়নতারা হাঁটু গেড়ে মুখে নিল। আরিয়ান তার মাথা চেপে ধরে গলা পর্যন্ত ঢোকাল। নয়নতারা চোখ দিয়ে জল বেরোল। কিন্তু থামল না। আরিয়ান বীর্য ঢেলে দিল। নয়নতারা গিলে খেল। তারপর আরিয়ান তাকে উল্টে মেঝেতে শোয়াল। পা দুটো কাঁধে তুলে পুরোটা ঢোকাল। এত গভীরে যে নয়নতারা আর্তনাদ করে উঠল। আরিয়ান থামল না। জোরে জোরে ধাক্কা দিতে লাগল। নয়নতারা অর্গাজম করতে করতে অজ্ঞানের মতো হয়ে গেল। আরিয়ানও শেষবারের মতো ভিতরে ঢেলে দিল।
সকালে আরিয়ান চলে গেল। নয়নতারা একা শুয়ে রইল। শরীরে দাগ। ভিতরে তার অনুভূতি। সে জানত এটা শেষ। কিন্তু রাতে আবার আরিয়ানের মেসেজ এল—“আমি আসছি।” নয়নতারা দরজা খুলে দিল। আবার।
নিষিদ্ধ সম্পর্ক থামেনি। শুধু আরও গভীরে চলে গেছে।
....