দেয়ালে চেপে গভীর চাহিদা

বৃষ্টির গন্ধে ভিজে উঠেছিল কলকাতার রাস্তা। সন্ধ্যা নামছিল ধীরে ধীরে। আরিয়ান অফিস থেকে বেরিয়ে অটো ধরতে গিয়ে দেখল, তার সামনেই এক মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে। কালো শাড়ি, ভেজা চুল কাঁধে পড়ে আছে, হাতে একটা ছাতা। মেয়েটা হঠাৎ পা পিছলে পড়ে যাচ্ছিল। আরিয়ান দ্রুত এগিয়ে গিয়ে তার কোমর ধরে তুলে নিল।

¦Ëk¢xz˲Úèžé

“সাবধান!” তার গলাটা একটু খসখসে।

মেয়েটা তাকাল। চোখদুটো গভীর কালো, ভেজা চোখের পাতায় জলের ফোঁটা। “ধন্যবাদ… আমি রিয়া।”

¦Ëk¢x/춺'ƒú

আরিয়ানের হাত এখনো তার কোমরে ছিল। শাড়ির নিচের গরম ত্বক স্পর্শ করছিল তার তালু। সে হাত সরিয়ে নিল ধীরে। “আরিয়ান। তুমি কোথায় যাবে?”

“পার্ক স্ট্রিট। অটো পাচ্ছি না।”

আরিয়ান হাসল। “চলো, আমি দিয়ে দিচ্ছি।”

গাড়িতে উঠে রিয়া জানালার দিকে তাকিয়ে রইল। বৃষ্টির শব্দ আর গাড়ির ইঞ্জিনের গুঞ্জন মিলে একটা অদ্ভুত নীরবতা তৈরি হচ্ছিল। আরিয়ান মাঝে মাঝে চোখ সরিয়ে তাকে দেখছিল। ভেজা শাড়ি তার শরীরের রেখাগুলো স্পষ্ট করে দিয়েছে। বুকের উপরের অংশটা সামান্য উন্মুক্ত, গলায় একটা সরু সোনার চেইন।

“তুমি কি সবসময় এভাবে একা ঘোরো?” আরিয়ান জিজ্ঞেস করল।

রিয়া ঘুরে তাকাল। “না। আজ একটু… জরুরি কাজ ছিল।” তার কণ্ঠস্বর নরম, একটু ভেজা।

পার্ক স্ট্রিটে পৌঁছালে রিয়া নামতে গিয়ে থেমে গেল। “চা খাবে? এই পাশের ক্যাফেতে।”

আরিয়ান রাজি হয়ে গেল। ক্যাফের ভিতরে আলো ম্লান। দুজনে একটা কোণের টেবিলে বসল। রিয়া চায়ের কাপ হাতে নিয়ে আরিয়ানের চোখের দিকে তাকিয়ে রইল।

“তোমার হাত… গরম ছিল,” সে হাসল। “আমার গায়ে এখনো সেই উষ্ণতা আছে।”

আরিয়ানের বুকের ভিতরটা কেঁপে উঠল। সে এগিয়ে তার হাত ধরল। রিয়ার আঙুলগুলো তার আঙুলের ফাঁকে ঢুকে গেল। “তুমি কি জানো, তোমার চোখ দেখে মনে হয় তুমি কিছু লুকিয়ে রাখছ?”

রিয়া চুপ করে রইল কিছুক্ষণ। তারপর ফিসফিস করে বলল, “হয়তো। আর তুমি… তুমি কি সবসময় এভাবে অচেনা মেয়ের হাত ধরো?”

আরিয়ান হাসল। তার বুড়ো আঙুল রিয়ার হাতের পেছনে ঘষে দিল। “শুধু তোমার।”

বৃষ্টি আরও জোরে নামল। ক্যাফে থেকে বেরিয়ে দুজনে একসাথে হেঁটে চলল। রিয়ার বাড়ি কাছেই। গেটের সামনে দাঁড়িয়ে রিয়া হঠাৎ ঘুরে দাঁড়াল। বৃষ্টির জল তার চুলে ঝরছে। আরিয়ান এগিয়ে গিয়ে তার চুল সরিয়ে দিল কপাল থেকে। তাদের চোখ মিলল।

রিয়া উঠে এসে তার ঠোঁটে চুমু খেল। হালকা, ভেজা, বৃষ্টির স্বাদ মেশানো। আরিয়ানের হাত তার কোমরে গিয়ে বসল। চুমুটা গভীর হয়ে উঠল। রিয়ার জিভ তার ঠোঁটে স্পর্শ করল। আরিয়ান তাকে দেয়ালের দিকে চেপে ধরল। শাড়ির উপর দিয়ে তার হাত উঠে গেল পিঠে। রিয়ার শ্বাস গরম হয়ে উঠছিল তার গলায়।

“উপরে চলো,” রিয়া ফিসফিস করে বলল।

ফ্ল্যাটে ঢুকেই দরজা বন্ধ হল। আরিয়ান রিয়াকে তুলে নিয়ে বিছানায় শুইয়ে দিল। শাড়ির আঁচল খুলে গেল ধীরে। রিয়ার বুকের উপরের অংশ উন্মুক্ত হয়ে এল। আরিয়ান তার গলায় চুমু খেল, তারপর নিচে নামল। রিয়ার স্তনের উপরের ত্বকে তার জিভ ঘষে দিল। রিয়া কামড়ে ধরল নিজের ঠোঁট। তার হাত আরিয়ানের চুলে গিয়ে আটকে গেল।

আরিয়ান শাড়িটা পুরোপুরি খুলে ফেলল। রিয়ার শরীর বৃষ্টির জলে ভেজা, গরম। সে তার পা দুটো আলাদা করে দিল। আরিয়ানের আঙুল তার উরু বেয়ে উঠে গেল। রিয়া কেঁপে উঠল যখন তার আঙুল ভিতরে ঢুকল। ভেজা, গরম, টানটান।

“আরিয়ান…” তার গলা ভেঙে গেল।

আরিয়ান তার উপর উঠে এল। তাদের শরীর জড়িয়ে গেল। প্রথম প্রবেশের মুহূর্তে রিয়া চোখ বন্ধ করে নিল। ব্যথা আর আনন্দের মিশ্রণ। আরিয়ান ধীরে ধীরে নড়তে শুরু করল। প্রতিটা ধাক্কায় রিয়ার শ্বাস কেঁপে উঠছিল। তার নখ আরিয়ানের পিঠে ফুটে গেল।

বৃষ্টির শব্দ জানালা দিয়ে ভেসে আসছিল। ঘরের ভিতর শুধু তাদের শ্বাস আর শরীরের সংঘর্ষের শব্দ। আরিয়ান তার কানে ফিসফিস করল, “তুমি আমার…”

রিয়া তার ঠোঁট চেপে ধরল। তাদের গতি বাড়ল। রিয়ার পা আরিয়ানের কোমরে জড়িয়ে গেল। শেষ মুহূর্তে রিয়া চিৎকার করে উঠল। তার শরীর কেঁপে কেঁপে উঠল। আরিয়ানও তার ভিতরে ছেড়ে দিল।

দুজনে পাশাপাশি শুয়ে রইল। রিয়ার মাথা আরিয়ানের বুকে। বৃষ্টি থামছিল। আরিয়ান তার চুলে হাত বুলোতে বুলোতে বলল, “এটা শুধু আজকের রাত নয়।”

রিয়া চোখ তুলে তাকাল। “তাহলে কী?”

আরিয়ান হাসল। “আমাদের শুরু।”

বাইরে রাস্তায় জল জমে আছে। ভিতরে দুজনের শরীর এখনো গরম। প্রথম রাত। প্রথম স্পর্শ। আর একটা গল্পের শুরু, যেখানে মন গলতে শুরু করেছে আগুনের মতো।

সকালে আরিয়ান জেগে দেখল রিয়া তার বুকে মাথা রেখে ঘুমাচ্ছে। সূর্যের আলো জানালা দিয়ে ঢুকে তার নগ্ন পিঠে পড়ছে। আরিয়ান ধীরে তার পিঠে চুমু খেল। রিয়া জেগে উঠল। চোখ মেলতেই হাসল।

“আবার?” সে ফিসফিস করল।

আরিয়ান তাকে উপুড় করে শুইয়ে দিল। তার পিঠ বেয়ে জিভ নামিয়ে নিচে গেল। রিয়ার কোমর তুলে ধরল। এবার সে পিছন থেকে প্রবেশ করল। রিয়া বালিশে মুখ গুঁজে চিৎকার চাপল। আরিয়ানের হাত তার সামনে গিয়ে বুক চেপে ধরল। প্রতিটা ধাক্কায় বিছানা কেঁপে উঠছিল।

পরে দুজনে একসাথে গোসল করল। গরম জলের নিচে রিয়া হাঁটু গেড়ে বসল। আরিয়ানের পুরুষাঙ্গ মুখে নিল। জল আর লালা মিশে তার গলা বেয়ে নামছিল। আরিয়ান তার চুল ধরে রাখল। রিয়ার চোখ উপরে তাকিয়ে আছে। সে গভীর করে নিল। আরিয়ান শেষ পর্যন্ত তার মুখেই ছেড়ে দিল।

সেদিন থেকে তাদের দিনগুলো বদলে গেল। অফিস শেষে আরিয়ান সোজা রিয়ার ফ্ল্যাটে চলে আসত। কখনো রিয়া তার অফিসে গিয়ে অপেক্ষা করত। একদিন অফিসের বাথরুমেই তারা মিলিত হল। রিয়া স্কার্ট তুলে দিয়ে দেয়ালে হাত রেখে দাঁড়াল। আরিয়ান পিছন থেকে ঢুকল। বাইরে লোকজন হাঁটছে। ভিতরে শুধু তাদের চাপা শ্বাস।

রাতগুলো আরও গভীর হচ্ছিল। একদিন আরিয়ান রিয়াকে চোখ বাঁধল। তারপর শরীরের প্রতিটা অংশে চুমু খেল। স্তন, পেট, উরু, তারপর জিভ দিয়ে তার ভিতরটা চাটতে লাগল। রিয়া বিছানায় ছটফট করছিল। আরিয়ান থামল না যতক্ষণ না সে কেঁপে কেঁপে শেষ হল। তারপর নিজে ঢুকে পড়ল। ধীরে, গভীরে। রিয়ার পা কাঁধে তুলে ধরে এমনভাবে নড়ল যেন সে ভিতরে পুরোপুরি মিশে যাচ্ছে।

“আমি তোমাকে ভালোবাসি,” আরিয়ান একরাতে বলল। ঘামে ভেজা শরীর জড়িয়ে।

রিয়া চুপ করে রইল। তার চোখে জল এসে গেল। “আমি… ভয় পাই। যদি হারিয়ে যাই?”

আরিয়ান তার ঠোঁট চেপে ধরল। “হারাতে দিব না।”

কিন্তু ভয়টা ছিল। রিয়ার অতীত। একটা ব্যর্থ সম্পর্ক। সে আরিয়ানকে সব খুলে বলল এক রাতে। আরিয়ান শুধু তাকে জড়িয়ে ধরে রাখল। সেদিন তারা শুধু চুমু খেল। গভীর, দীর্ঘ। শরীর মিলল না। শুধু হৃদয়।

পরের দিন আরিয়ান তাকে নিয়ে গেল সমুদ্রের কাছে। রাতের বেলা খালি সৈকতে। ঢেউয়ের শব্দ। আরিয়ান রিয়াকে বালিতে শুইয়ে দিল। পোশাক খুলে ফেলল দুজনের। চাঁদের আলোয় তাদের শরীর চকচক করছিল। আরিয়ান তার উপর উঠে এল। এবার গতি ছিল ধীর। প্রতিটা প্রবেশ যেন প্রার্থনা। রিয়া তার কানে বলল, “আমিও… ভালোবাসি।”

সেই রাতে ঢেউয়ের শব্দে মিশে গেল তাদের চিৎকার। শেষে দুজনে বালিতে শুয়ে রইল। হাত ধরে। তারায় তারায় ভরা আকাশের নিচে।

তবে সবকিছু মসৃণ ছিল না। আরিয়ানের অফিসে এক সহকর্মী রিয়াকে নিয়ে কটাক্ষ করল। রিয়া শুনে চুপ করে গেল। সেই রাতে আরিয়ানের সঙ্গে ঝগড়া হল। রিয়া বলল, “তুমি আমাকে শুধু শরীরের জন্য চাও।”

আরিয়ান রেগে গিয়ে তাকে দেয়ালে চেপে ধরল। “শুধু শরীর? তাহলে এটা কী?” সে তার হাত রিয়ার বুকে রাখল। “এখানে যা আছে, সেটাও আমার।”

রিয়া কেঁদে ফেলল। আরিয়ান তার চোখের জল চেটে নিল। তারপর চুমু খেল। রাগ মিশে গেল আকাঙ্ক্ষায়। সে রিয়াকে তুলে নিয়ে টেবিলের উপর শুইয়ে দিল। জামা ছিঁড়ে ফেলল। এবার প্রেম নয়, দাবি। সে গভীরে ঢুকল। রিয়া চিৎকার করে উঠল। আরিয়ান থামল না। প্রতিটা ধাক্কায় বলছিল, “তুমি আমার। শুধু আমার।”

শেষে দুজনে মেঝেতে পড়ে রইল। ঘামে ভেজা। রিয়া তার বুকে মাথা রেখে বলল, “মাফ করে দাও।”

আরিয়ান তার চুলে চুমু খেল। “কোনো মাফ নেই। শুধু ভালোবাসা।”

সেই রাত থেকে তাদের সম্পর্ক আরও গভীর হল। শরীরের মিলন যত বাড়ল, মনের বাঁধন তত শক্ত হল। তারা একে অপরের অভ্যাস, ভয়, স্বপ্ন সব জানতে লাগল। আর রাতগুলোতে আগুন জ্বলতে থাকল। কখনো নরম, কখনো উগ্র। কিন্তু সবসময় সত্য।

মাস চলে গেল। তাদের মধ্যে একটা অদৃশ্য সুতো বাঁধা হয়ে গেল। আরিয়ান রিয়াকে বিয়ের প্রস্তাব দিল এক বৃষ্টির রাতে। সেই একই ফ্ল্যাটে, সেই একই বিছানায়। রিয়া কাঁদতে কাঁদতে হ্যাঁ বলল।

কিন্তু বিয়ের আগে একটা ঝড় এল। রিয়ার প্রাক্তন প্রেমিক হঠাৎ যোগাযোগ করল। পুরনো ক্ষত জেগে উঠল। রিয়া আরিয়ানের কাছ থেকে দূরে সরে গেল কয়েকদিন। আরিয়ান পাগলের মতো তাকে খুঁজল। শেষে এক রাতে রিয়ার ফ্ল্যাটের সামনে দাঁড়িয়ে বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে ডাকল।

রিয়া দরজা খুলল। চোখে জল। “চলে যাও। আমি তোমার যোগ্য নই।”

আরিয়ান ভিতরে ঢুকে তাকে জড়িয়ে ধরল। “যোগ্যতা দিয়ে ভালোবাসা হয় না। আগুন দিয়ে হয়।”

সে তাকে চুমু খেল। রাগ, ভয়, ভালোবাসা সব মিশে। রিয়া প্রতিরোধ করল প্রথমে। তারপর হার মানল। আরিয়ান তাকে বিছানায় নিয়ে গেল। এবার কোনো নরমতা নেই। সে তার হাত বেঁধে দিল। চোখ বাঁধল। তারপর শরীরের প্রতিটা অংশ দাবি করল। জিভ দিয়ে, দাঁত দিয়ে, হাত দিয়ে। রিয়া কেঁদে কেঁদে আনন্দে ভাসছিল। আরিয়ান শেষ পর্যন্ত তার ভিতরে ঢুকে এমনভাবে নড়ল যেন সে তার আত্মা পর্যন্ত পৌঁছাতে চায়।

“বলো তুমি আমার,” আরিয়ান গর্জে উঠল।

“আমি তোমার… চিরকালের,” রিয়া কেঁদে বলল।

সেই রাতে তারা বহুবার মিলিত হল। শেষবার যখন আরিয়ান তার পিছন থেকে ঢুকল, রিয়ার চুল ধরে টানল, তখন রিয়া চিৎকার করে বলে উঠল তার ভালোবাসার কথা। আরিয়ানও তার ভিতরে ছেড়ে দিয়ে বলল, “এবার আর কাউকে আসতে দিব না আমাদের মধ্যে।”

বিয়ে হল ছোটখাটো করে। হানিমুনে তারা গেল পাহাড়ে। কুটিরের ভিতরে আগুন জ্বলছে। বাইরে তুষার পড়ছে। আরিয়ান রিয়াকে আগুনের সামনে নগ্ন করে দাঁড় করাল। তার শরীরে তেল মাখিয়ে দিল। তারপর ধীরে ধীরে চুমু খেতে খেতে নিচে নামল। রিয়া দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কেঁপে উঠল যখন আরিয়ানের জিভ তার ভিতরে ঢুকল। পরে আরিয়ান তাকে উল্টো করে ধরে মিলিত হল। পাহাড়ের নীরবতায় তাদের আওয়াজ মিশে গেল।

ফিরে এসে তাদের জীবন নতুন করে শুরু হল। কিন্তু আগুন কমেনি। বরং বেড়েছে। একদিন অফিস থেকে ফিরে আরিয়ান দেখল রিয়া শুধু একটা শার্ট পরে আছে। সে হাঁটু গেড়ে বসল আরিয়ানের সামনে। জিপ খুলে তার পুরুষাঙ্গ বের করে মুখে নিল। গভীরে। আরিয়ান তার চুল ধরে রাখল। শেষে তাকে তুলে নিয়ে সোফায় শুইয়ে দিল। পা দুটো কাঁধে তুলে গভীরে ঢুকল। রিয়ার চোখ উপরে উল্টে গেল।

রাতগুলোতে তারা নতুন নতুন খেলা খেলত। কখনো রিয়া উপরে উঠে আরিয়ানকে চালাত। কখনো আরিয়ান তাকে বাঁধত। কিন্তু প্রতিবার শেষে তারা একে অপরকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে থাকত। হৃদয়ের স্পন্দন মিলিয়ে।

একদিন সকালে রিয়া আরিয়ানের বুকে মাথা রেখে বলল, “জানো, প্রথম যেদিন তুমি আমাকে ধরেছিলে বৃষ্টিতে… সেদিন থেকেই আমার মন গলতে শুরু করেছিল।”

আরিয়ান হাসল। তার হাত রিয়ার পেটে বুলোতে বুলোতে বলল, “আর এখন? এখন তো পুরোপুরি গলে গেছি তোমার ভিতরে।”

রিয়া উঠে তার উপর এসে বসল। ধীরে ধীরে তাকে ভিতরে নিল। চোখের দিকে তাকিয়ে নড়তে শুরু করল। “এই আগুন… কোনোদিন নিভবে না।”

আরিয়ান তার কোমর ধরে উল্টে দিল। এবার সে উপরে। গভীরে, জোরে। তাদের শ্বাস মিশে এক হয়ে গেল। শেষ মুহূর্তে দুজনেই চিৎকার করে উঠল। তারপর জড়িয়ে রইল।

বাইরে সূর্য উঠছে। ভিতরে দুজনের শরীর এখনো কাঁপছে। প্রেমের এই আগুন শুধু শরীরের নয়। মনেরও। হৃদয়েরও। আর এটা চলতে থাকবে। বৃষ্টির রাতে, রোদের দুপুরে, অন্ধকার ঘরে। যতদিন না তাদের শ্বাস থাকে।

তারা একে অপরের। সম্পূর্ণ। চিরকালের।

....
👁 88