বিপদের মাঝে শরীরের ঝড়

আমি আরিয়ানা। বয়স ২৬। ঢাকার একটা বড় বিজ্ঞাপন এজেন্সিতে কাজ করি। জীবনটা ছিল একঘেয়ে—অফিস, বাড়ি, কফি আর মাঝেমধ্যে বন্ধুদের সাথে আড্ডা। প্রেম? সেটা আমার জীবনে অনেকদিন ধরেই অনুপস্থিত। যতক্ষণ না সে এলো।

¦Ëk¢xz˲Úèžé

তার নাম রেহান। নতুন ক্লায়েন্টের ব্র্যান্ড ম্যানেজার। প্রথম দেখায়ই চোখে পড়ে গেল। লম্বা, চওড়া কাঁধ, কালো চুল একটু এলোমেলো, আর চোখ দুটো যেন রাতের আকাশের মতো গভীর। সে আমার দিকে তাকাল, আর আমি অনুভব করলাম বুকের ভিতরটা হালকা করে কেঁপে উঠছে।

মিটিংয়ের পর সে এসে দাঁড়াল আমার ডেস্কের পাশে। “আরিয়ানা, তোমার প্রেজেন্টেশনটা খুব ভালো লেগেছে,” বলল গম্ভীর কণ্ঠে। “কফি খাবে?”

¦Ëk¢x/춺'ƒú

আমি হ্যাঁ বলে ফেললাম। নিজেরও জানি না কেন।

কফি শপটা ছিল অফিসের কাছেই। আমরা বসেছিলাম জানালার পাশে। বাইরে বৃষ্টি নামছিল। রেহান আমার দিকে তাকিয়ে হাসল—সে হাসিতে একটা বিপজ্জনক আকর্ষণ ছিল। “তুমি খুব চুপচাপ থাকো,” বলল সে। “কিন্তু চোখে তোমার একটা আগুন আছে।”

আমি লজ্জায় মুখ ফিরিয়ে নিলাম। “তুমি খুব সরাসরি কথা বলো।”

“আমি যা চাই, সেটা স্পষ্ট করে বলি।” তার কণ্ঠস্বর একটু নিচু হয়ে এল। “আর আমি চাই তোমাকে আরও কাছ থেকে জানতে।”

সেদিন থেকেই শুরু। প্রতিদিন অফিসে তার সাথে দেখা হতো। মাঝেমধ্যে সে আমার কাছে এসে দাঁড়াত, হাতের পিঠ দিয়ে আমার কাঁধ ছুঁয়ে যেত, আর আমি শিউরে উঠতাম। তার গায়ের গন্ধ—কাঠ আর ভ্যানিলার মিশ্রণ—আমাকে পাগল করে দিত।

এক সন্ধ্যায় অফিস প্রায় খালি। আমি লেট কাজ করছিলাম। হঠাৎ তার গলা শুনতে পেলাম। “এখনো এখানে?”

উঠে দাঁড়ালাম। রেহান দরজার কাছে দাঁড়িয়ে। শার্টের উপরের দুটো বাটন খোলা, গলায় হালকা ঘামের চকচকে আভা। “হ্যাঁ… একটু কাজ বাকি ছিল।”

সে ধীরে ধীরে এগিয়ে এল। আমার ডেস্কের সামনে এসে থামল। “কাজ পরে হবে।” তার হাত উঠে এল আমার গালে। বুড়ো আঙুল দিয়ে আমার নিচের ঠোঁট স্পর্শ করল। “এখন আমি চাই তোমাকে।”

আমি শ্বাস নিতে পারছিলাম না। তার চোখের দিকে তাকিয়ে আমি ফিসফিস করে বললাম, “এখানে…?”

“হ্যাঁ।”

সে আমার কোমর ধরে টেনে নিল তার বুকের সাথে। তার শরীরের উষ্ণতা আমার শরীরে ছড়িয়ে পড়ল। তার ঠোঁট নামল আমার ঠোঁটে—প্রথমে নরম, তারপর ক্ষুধার্ত। আমি তার জিভের স্বাদ নিলাম। মিষ্টি আর একটু তিক্ত, কফির মতো। তার হাত আমার পিঠ দিয়ে নেমে এল, পরে আমার নিতম্ব চেপে ধরল। আমি আর নিজেকে সংযত রাখতে পারলাম না। আমার হাত তার চুলের মধ্যে গিয়ে আটকে গেল।

সে আমাকে ডেস্কের ওপর তুলে বসাল। আমার স্কার্ট উপরে উঠে গেল। তার আঙুল আমার উরু দিয়ে উঠতে লাগল, আর যখন সে আমার প্যান্টির ভিতর ঢুকল, আমি একটা নিঃশ্বাস ফেললাম। “রেহান…”

“শহর,” সে ফিসফিস করল আমার কানে। “তোমার শরীর আমার জন্য তৈরি।”

তার আঙুল আমার ভিতরে ঢুকল। ধীরে ধীরে, তারপর দ্রুত। আমি তার কাঁধে মুখ গুঁজে চিৎকার চেপে ধরলাম। তার অন্য হাত আমার ব্লাউজের বাটন খুলতে লাগল। ব্রা সরিয়ে দিয়ে সে আমার স্তন মুখে নিল। জিভ দিয়ে আমার নিপল ঘষতে লাগল, আর আমি তার আঙুলের ছন্দে কাঁপতে কাঁপতে চরমসুখে পৌঁছে গেলাম।

যখন আমি শান্ত হলাম, সে আমাকে চুম্বন করল। “এটা শুধু শুরু,” বলল সে। “আজ রাতে আমার বাড়িতে চলো।”

আমি রাজি হয়ে গেলাম।

তার অ্যাপার্টমেন্ট ছিল গুলশানে। আধো আলোয় সাজানো, আধুনিক। দরজা বন্ধ হতে না হতেই সে আমাকে দেয়ালের সাথে চেপে ধরল। আমার পোশাক খুলে ফেলল একের পর এক। আমি তার শার্ট খুলে তার বুকের ওপর হাত বুলিয়ে দিলাম—শক্ত পেশী, গরম ত্বক।

সে আমাকে বিছানায় শুইয়ে দিল। নিজেকে আমার ওপর নামিয়ে এনে চুম্বন করল আমার গলায়, স্তনে, পেটে। তারপর নিচে নেমে গেল। তার জিভ যখন আমার ভিতরে ঢুকল, আমি চাদর চেপে ধরে আর্তনাদ করলাম। সে আমার ক্লিট চুষতে লাগল, দুই আঙুল দিয়ে ভিতরটা ভরে দিল। আমি তার চুল টানতে টানতে আবার চরমসুখে ভেঙে পড়লাম।

রেহান উঠে এসে আমার ওপর এল। তার প্যান্ট খুলে ফেলল। তার শক্ত লিঙ্গ আমার উরুর ওপর স্পর্শ করল—গরম, ভারী। “তোমাকে চাই,” সে ফিসফিস করল।

“নে,” আমি বললাম।

সে ধীরে ধীরে আমার ভিতরে ঢুকল। আমি তার পিঠে নখ বসিয়ে দিলাম। সে পুরোপুরি ভিতরে এসে থামল এক মুহূর্ত। তারপর শুরু করল—ধীর, গভীর ধাক্কা। প্রতিটা ধাক্কায় আমি তার নাম ডাকছিলাম। সে আমার পা দুটো তার কাঁধে তুলে দিল, আর গভীর থেকে গভীরে ঢুকতে লাগল। বিছানা কাঁপছিল। আমাদের শরীরের শব্দ, ঘামের গন্ধ, আর আমাদের নিঃশ্বাস মিশে একটা উত্তপ্ত বাতাস তৈরি করছিল ঘরে।

সে আমার কানে ফিসফিস করল, “তুমি আমার।” আমি শুধু মাথা নাড়লাম। সে দ্রুত হয়ে গেল। তার হাত আমার স্তন চেপে ধরল, আর আমি তার সাথে মিলেমিশে আবার চরমসুখে পৌঁছালাম। সেও আমার ভিতরেই ছেড়ে দিল—গরম, তরল স্পন্দন।

আমরা পাশাপাশি শুয়ে রইলাম। তার হাত আমার কোমরে জড়িয়ে। বৃষ্টি এখনো পড়ছিল জানালার বাইরে। রেহান আমার কপালে চুমু খেয়ে বলল, “এটা শুধু এক রাত নয়, আরিয়ানা। আমি আরও চাই।”

আমি তার চোখের দিকে তাকালাম। সেখানে ক্ষুধা ছিল, আর কিছু একটা গভীরতর। আমি জানতাম, আমিও চাই।

কিন্তু আমি তখনো জানতাম না, এই আকর্ষণ কতটা বিপজ্জনক হতে চলেছে। রেহানের জীবনে যে রহস্য লুকিয়ে আছে, সেটা আমাকে টানবে আরও গভীরে—যেখানে প্রেম আর কামনার সীমারেখা মুছে যাবে।

সকালে চোখ খুললাম রেহানের বিছানায়। তার বাহু আমার কোমরে জড়িয়ে ছিল। শরীরটা এখনো ভারী, রাতের স্মৃতিগুলো একে একে ফিরে আসছিল—তার হাত, তার মুখ, তার ভিতরে আমার শরীরের প্রতিক্রিয়া। আমি ধীরে ধীরে তার বুকের ওপর হাত রাখলাম। সে চোখ না খুলেই আমার হাত চেপে ধরল।

“ঘুম থেকে উঠেছ?” তার কণ্ঠস্বর সকালের মতো ঘন।

“হুম।” আমি তার দিকে তাকালাম। “তুমি কী করো এখন?”

সে হাসল। “তোমাকে আবার চাই।”

সে আমাকে টেনে নিল তার ওপর। আমি তার শক্ত হয়ে ওঠা লিঙ্গ অনুভব করলাম আমার উরুর মাঝে। সে আমার কোমর ধরে উল্টে দিল। এবার আমি তার ওপর। তার হাত আমার স্তন চেপে ধরল, আর আমি ধীরে ধীরে তার ওপর বসলাম। সে আমার ভিতরে ঢুকে গেল একটা দীর্ঘ শ্বাসের সাথে। আমি তার বুকের ওপর হাত রেখে উপরে-নিচে নড়তে শুরু করলাম। তার চোখ আমার চোখের সাথে মিশে গেল। প্রতিটা উঠানামায় তার হাত আমার নিতম্ব চেপে ধরছিল।

“আরও দ্রুত,” সে ফিসফিস করল।

আমি দ্রুত হলাম। তার শরীর আমার ভিতরে স্পন্দিত হচ্ছিল। সে হঠাৎ উঠে বসে আমার পিঠ ধরে টানল। তার মুখ আমার স্তনে লাগল। জিভ দিয়ে আমার নিপল চুষতে লাগল, আর আমি তার কাঁধে মুখ গুঁজে আর্তনাদ করলাম। আমরা একসাথে চরমসুখে পৌঁছালাম—তার গরম তরল আমার ভিতরে ছড়িয়ে পড়ল, আর আমি তার বুকে ভেঙে পড়লাম।

স্নানের পর সে আমাকে নাস্তা বানাতে গেল। রান্নাঘরে দাঁড়িয়ে আমি তার পিঠ দেখছিলাম। শার্টহীন, পেশীবহুল। হঠাৎ তার ফোন বাজল। সে এক নজর দেখে মুখ গম্ভীর করে নিল। বাইরে গিয়ে কথা বলল। আমি শুনতে পেলাম না, কিন্তু তার কণ্ঠস্বর রুক্ষ হয়ে উঠেছিল।

ফিরে এসে সে বলল, “কাজের জরুরি কল। আজকে অফিসে দেরি হতে পারে।”

আমি কিছু জিজ্ঞেস করলাম না। কিন্তু মনে একটা অস্বস্তি জন্ম নিল।

অফিসে গিয়ে দেখলাম রেহান অন্য ক্লায়েন্টদের সাথে ব্যস্ত। দুপুরে সে আমার ডেস্কের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় আমার হাত ছুঁয়ে গেল। “আজ রাতে আমার বাড়িতে আসবে?”

আমি হ্যাঁ বললাম।

সন্ধ্যায় তার অ্যাপার্টমেন্টে পৌঁছালাম। দরজা খুলে সে আমাকে ভিতরে টেনে নিল। চুমু খেলল ক্ষুধার্তভাবে। কিন্তু আজ তার চোখে একটা অস্থিরতা ছিল। আমি তার গালে হাত রেখে বললাম, “কী হয়েছে?”

সে আমার হাত সরিয়ে দিল না। “কিছু না। শুধু… কাজের চাপ।”

আমি বিশ্বাস করিনি। কিন্তু সে আমাকে আর কথা বলতে দিল না। সে আমাকে সোফায় শুইয়ে দিল। আমার পোশাক খুলে ফেলল। তার হাত আমার শরীরে ঘুরতে লাগল—স্তন, পেট, উরু। তারপর সে আমার পা দুটো খুলে আমার ভিতরে মুখ নামিয়ে দিল। তার জিভ আমাকে পাগল করে দিচ্ছিল। আমি তার চুল টানতে টানতে কাঁপছিলাম। সে দুই আঙুল ঢুকিয়ে আমার ভিতরটা ঘষতে লাগল, আর আমি চিৎকার করে উঠলাম।

যখন আমি কাঁপতে কাঁপতে শান্ত হলাম, সে উঠে এসে আমার ওপর এল। তার লিঙ্গ আমার প্রবেশদ্বারে স্পর্শ করল। “আজ আমি তোমাকে ধীরে ধীরে নেব,” সে বলল।

সে ঢুকল—এক ইঞ্চি করে। প্রতিটা ধাক্কায় আমি তার নাম ডাকছিলাম। সে আমার হাত দুটো মাথার ওপর ধরে রেখে গভীর থেকে গভীরে ঢুকতে লাগল। তার শরীর আমার শরীরের সাথে মিশে যাচ্ছিল। ঘামে ভিজে যাচ্ছিল দুজনেরই ত্বক। সে আমার কানে ফিসফিস করল, “তুমি আমার। শুধু আমার।”

আমি তার পিঠে নখ বসিয়ে দিলাম। সে দ্রুত হয়ে গেল। বিছানার পরিবর্তে সোফা কাঁপছিল। তার শেষ ধাক্কাগুলো এত জোরালো ছিল যে আমি তার সাথে মিলে আবার চরমসুখে ভেঙে পড়লাম। সে আমার ভিতরেই ছেড়ে দিল, আর আমরা জড়িয়ে শুয়ে রইলাম।

কিছুক্ষণ পর সে উঠে গিয়ে ওয়াইন এনে দিল। আমরা পাশাপাশি বসে পান করছিলাম। আমি তার দিকে তাকিয়ে বললাম, “রেহান, তুমি আমাকে কিছু গোপন করছ।”

সে এক মুহূর্ত চুপ করে রইল। তারপর বলল, “আমার অতীত… জটিল। কিছু মানুষ আছে যারা আমাকে খুঁজছে। আমি চাই না তুমি বিপদে পড়ো।”

আমি তার হাত ধরলাম। “আমি ভয় পাই না। তুমি আমাকে বলো।”

সে আমার চোখের দিকে তাকাল। “একসময় আমি একটা বড় কর্পোরেশনে কাজ করতাম। কিছু নথি দেখে ফেলেছিলাম যা দেখার কথা ছিল না। তারপর থেকে… তারা আমাকে ছাড়ছে না। আমি নাম বদলে এখানে এসেছি।”

আমার বুকের ভিতরটা হিম হয়ে গেল। “কী ধরনের নথি?”

সে মাথা নাড়ল। “এখন বলব না। কিন্তু যদি তারা জানে যে তুমি আমার কাছে আছ… তারা তোমাকেও টার্গেট করতে পারে।”

আমি তার গালে হাত রাখলাম। “তাহলে আমি আরও কাছে থাকব। তুমি একা নও।”

সে আমাকে চুমু খেলল—এবার নরম, গভীর। তার হাত আমার পিঠ দিয়ে নেমে এল। আবার উত্তেজনা জেগে উঠল। সে আমাকে বিছানায় নিয়ে গেল। এবার আরও ধীর, আরও ঘনিষ্ঠ। সে আমার শরীরের প্রতিটা অংশ চুম্বন করল। তারপর আমাকে তার ওপর বসাল। আমি তার লিঙ্গ নিজের ভিতরে নিয়ে নিলাম। তার হাত আমার কোমরে, আমার হাত তার বুকে। আমরা একসাথে নড়ছিলাম—ধীর ছন্দে, চোখে চোখ রেখে।

“আমি তোমাকে হারাতে চাই না,” সে ফিসফিস করল।

“হারবে না,” আমি বললাম।

সে আমাকে উল্টে দিল। এবার সে ওপরে। তার ধাক্কাগুলো গভীর, ভালোবাসার মতো। আমি তার সাথে মিলেমিশে আবার চরমসুখে পৌঁছালাম। সেও আমার ভিতরেই শেষ করল। আমরা জড়িয়ে শুয়ে রইলাম। তার হৃদস্পন্দন আমার কানে বাজছিল।

রাত গভীর হলে সে আমার কানে বলল, “আগামীকাল… একটা জায়গায় যেতে হবে। তুমি সাথে আসবে?”

আমি হ্যাঁ বললাম। জানতাম না সে জায়গাটা কী। জানতাম না বিপদ কত কাছে। কিন্তু তার শরীরের উষ্ণতা, তার চুম্বন, তার ভিতরে আমার শরীরের প্রতিক্রিয়া—সবকিছু আমাকে টেনে নিচ্ছিল আরও গভীরে।

পরদিন সকালে সে আমাকে একটা কালো গাড়িতে তুলল। শহর ছেড়ে বাইরের দিকে যাচ্ছিল। রাস্তা ঘন জঙ্গলে ঢাকা। আমি তার হাত ধরে বসেছিলাম। সে মাঝে মাঝে আমার উরুতে হাত বুলিয়ে দিচ্ছিল, আর আমি শিউরে উঠছিলাম।

হঠাৎ গাড়ি থামল একটা পুরনো বাংলোর সামনে। রেহান আমার দিকে তাকিয়ে বলল, “এখানে কেউ আছে যাকে আমাকে দেখতে হবে। তুমি গাড়িতে থাকো।”

আমি রাজি হলাম না। “আমি যাব।”

সে একটু দ্বিধা করে হ্যাঁ বলল। আমরা একসাথে ভিতরে ঢুকলাম। বাংলোটার ভিতরটা অন্ধকার। হঠাৎ একটা ছায়া আমাদের সামনে এল। একজন পুরুষ। রেহানের চেহারা শক্ত হয়ে গেল।

“তুমি এসেছ,” পুরুষটা বলল। “আর সাথে… কেউ আছে।”

বাংলোর অন্ধকারে সেই পুরুষটা আমাদের দিকে এগিয়ে এল। তার গলায় একটা ঠান্ডা হাসি। “রেহান… নাকি এখন অন্য নাম? তুমি ভেবেছিলে পালিয়ে বাঁচবে?”

রেহান আমার হাত আরও শক্ত করে ধরল। “যা চাও বলো। ওকে এর মধ্যে টেনে আনো না।”

পুরুষটা হাসল। “ওকেই তো লাগবে। তুমি নথিগুলো ফেরত দাও, তাহলে দুজনকেই ছাড়ব। নাহলে…”

রেহানের চোখে আগুন জ্বলে উঠল। হঠাৎ সে আমার কোমর ধরে পেছনে টেনে নিল আর নিজের শরীর দিয়ে আমাকে ঢেকে দিল। “দৌড়াও,” সে ফিসফিস করল আমার কানে।

আমরা বাংলোর পেছনের দরজা দিয়ে বেরিয়ে জঙ্গলে ঢুকে পড়লাম। পেছন থেকে পায়ের শব্দ। রেহান আমার হাত ধরে টানতে টানতে দৌড়াচ্ছিল। বৃষ্টি আবার শুরু হয়ে গিয়েছিল। কাদামাটি, ভেজা পাতা, আর আমাদের দমবন্ধ হওয়া শ্বাস।

একটা পুরনো গুদামের মতো জায়গায় আমরা লুকিয়ে পড়লাম। রেহান দরজা বন্ধ করে আমাকে দেয়ালের সাথে চেপে ধরল। তার বুক দ্রুত ওঠানামা করছিল। “তুমি ঠিক আছ?”

আমি মাথা নাড়লাম। তার চোখে ভয় আর রাগ মেশানো। আমি তার গালে হাত রাখলাম। “আমি তোমার সাথে আছি।”

সে আমাকে চুমু খেলল—ক্ষুধার্ত, প্রয়োজনীয়। বৃষ্টির শব্দের মধ্যে তার হাত আমার ভেজা কাপড়ের নিচে ঢুকে গেল। আমার স্তন চেপে ধরল, নিপল মোচড়াল। আমি তার মুখে আর্তনাদ চাপা দিলাম। সে আমার স্কার্ট তুলে আমার প্যান্টি একপাশে সরিয়ে দুই আঙুল ভিতরে ঢুকিয়ে দিল। দ্রুত, জরুরি। আমি তার কাঁধে নখ বসিয়ে কাঁপতে লাগলাম। কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই আমি তার হাতে চরমসুখে ভেঙে পড়লাম।

সে নিজের প্যান্ট খুলে আমার উরু তুলে ধরল। এক ধাক্কায় ভিতরে ঢুকে গেল। আমি তার গলায় মুখ গুঁজে চিৎকার চেপে ধরলাম। সে দ্রুত, গভীর ধাক্কা মারতে লাগল। দেয়ালে আমার পিঠ ঘষা খাচ্ছিল। তার শরীরের উত্তাপ, বৃষ্টির ঠান্ডা, আর বিপদের রোমাঞ্চ—সব মিলে আমাকে পাগল করে দিচ্ছিল। সে আমার কানে ফিসফিস করল, “আমি তোমাকে হারাব না।”

আমরা একসাথে চরমসুখে পৌঁছালাম। তার গরম তরল আমার ভিতরে ছড়িয়ে পড়ল। আমরা কাঁপতে কাঁপতে জড়িয়ে রইলাম।

কিছুক্ষণ পর সে ফোন বের করল। একটা নম্বরে মেসেজ পাঠাল। “আমার এক বন্ধু আছে,” সে বলল। “সে সাহায্য করবে।”

আধঘণ্টা পর একটা গাড়ি এল। আমরা তাতে উঠে শহরের দিকে ফিরলাম। রেহান আমার হাত ছাড়ল না এক মুহূর্তের জন্যও।

তার অ্যাপার্টমেন্টে ফিরে সে দরজা বন্ধ করে আমাকে জড়িয়ে ধরল। “আমি তোমাকে বিপদে ফেলে দিয়েছি।”

আমি তার মুখ তুলে ধরলাম। “আমি নিজেই এসেছি। আর আমি যাব না।”

সে আমাকে বিছানায় নিয়ে গেল। এবার আর তাড়াহুড়ো নেই। সে আমার শরীরের প্রতিটা অংশ আস্তে আস্তে চুম্বন করল—গলার নীচে, স্তনের ডগায়, পেটের নরম চামড়ায়, উরুর ভিতরে। তার জিভ যখন আমার ভিতরে ঢুকল, আমি চাদর চেপে ধরে কাঁপতে লাগলাম। সে আমাকে ধীরে ধীরে চরমসুখের কাছে নিয়ে গেল, তারপর থামল। আবার শুরু করল। আমি তার চুল টানতে টানতে তার নাম ডাকছিলাম।

যখন সে উঠে এল, আমি তাকে আমার ওপর টেনে নিলাম। সে আমার ভিতরে ঢুকল—ধীর, গভীর। চোখে চোখ রেখে। প্রতিটা ধাক্কায় তার হাত আমার হাতের সাথে জড়িয়ে ছিল। “আমি তোমাকে ভালোবাসি,” সে ফিসফিস করল।

আমার চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ল। “আমিও।”

সে দ্রুত হয়ে গেল। আমাদের শরীর একসাথে কাঁপছিল। আমি তার পিঠে নখ বসিয়ে আবার চরমসুখে পৌঁছালাম। সেও আমার ভিতরেই শেষ করল, আমার নাম ডেকে।

রাতভর আমরা এভাবেই কাটালাম। মাঝে ঘুম, মাঝে আবার জাগা। সে আমাকে তার ওপর বসাল, আমি তার লিঙ্গ নিজের ভিতরে নিয়ে ধীরে ধীরে নড়লাম। তার হাত আমার কোমরে, আমার স্তনে। আমরা চোখে চোখ রেখে একসাথে শেষ করলাম।

সকালে তার ফোন বাজল। সে কথা বলে এসে বলল, “বন্ধুরা নথিগুলো সঠিক জায়গায় পৌঁছে দিয়েছে। যারা আমাকে খুঁজছিল, তারা এখন নিজেরাই বিপদে। আমরা নিরাপদ।”

আমি তার বুকে মাথা রাখলাম। “তাহলে… এখন কী?”

সে আমার চিবুক তুলে ধরল। “এখন শুধু আমরা। কোনো ছায়া নেই, কোনো ভয় নেই। শুধু তুমি আর আমি।”

সে আমাকে আবার চুমু খেলল। তার হাত আমার শরীরে ঘুরতে লাগল। আমি তার প্যান্টের দড়ি খুলে দিলাম। সে আমার পা দুটো কাঁধে তুলে ধীরে ধীরে ভিতরে ঢুকল। এবার আর কোনো তাড়া নেই। শুধু গভীর, ভালোবাসার ছন্দ। প্রতিটা ধাক্কায় আমরা একে অপরের আরও কাছে চলে যাচ্ছিলাম।

আমি তার কানে ফিসফিস করলাম, “আর কখনো আমাকে ছেড়ো না।”

সে আমার ঠোঁটে চুমু খেয়ে বলল, “কখনো না।”

সূর্যের আলো জানালা দিয়ে ঢুকছিল। আমাদের শরীর এখনো জড়িয়ে। রেহানের হাত আমার কোমরে, আমার মাথা তার বুকে। বিপদ কেটে গেছে। কামনা আর ভালোবাসা এক হয়ে গেছে।

আমি জানতাম, এটা শেষ নয়। এটা শুধু আমাদের গল্পের নতুন শুরু—যেখানে প্রতিটা রাত হবে আগের রাতের মতোই উত্তপ্ত, আর প্রতিটা সকাল হবে তার বাহুর মধ্যে নিরাপদ।

রেহান আমার কপালে চুমু খেয়ে বলল, “আজ অফিস যাব না। পুরোদিন তোমার।”

আমি হাসলাম। তার হাত আমার উরু দিয়ে উঠতে লাগল। আবার উত্তেজনা জেগে উঠল। আমি তার দিকে তাকিয়ে বললাম, “তাহলে শুরু করো।”

সে আমাকে উল্টে দিল। তার মুখ আমার স্তনে নামল। আর গল্পটা… আমাদের শরীরে আবার নতুন করে লেখা হতে লাগল।

....
👁 80