সায়মার বিয়ের পর থেকেই বাসায় একটা অদ্ভুত খেলা শুরু হয়ে গিয়েছিল। বিয়ের আগে রাফির সঙ্গে তার কথা হতো অনেক, ফোনে হাসত, কখনো কখনো রাত জেগে গল্প করত। কিন্তু বিয়ের পর যখন তারা একই ছাদের নিচে থাকতে শুরু করল, সায়মার শরীরে যেন একটা অদৃশ্য দেয়াল তৈরি হয়ে গেল। সে রাফির সামনে ঠিকমতো চোখ তুলে তাকাতেই পারত না। রাফি যখন কাছে আসত, তার গলা শুকিয়ে যেত, হাতের তালু ঘামত, আর মনে হতো যেন পুরো শরীর জ্বলে উঠছে।
প্রথম কয়েকদিন সে নানা অজুহাতে ঘর থেকে বেরিয়ে যেত। কখনো বলত, “মায়ের কাছে যাচ্ছি, কিছুক্ষণের জন্য।” কখনো বান্ধবী রিমির বাসায় চলে যেত। আর কখনো ছাদে উঠে বসে থাকত, মোবাইলে অকারণে স্ক্রল করত। রাফি প্রথমে হেসে উড়িয়ে দিত। “আবার পালাচ্ছিস?” বলে ধরার ভান করত। কিন্তু সায়মা সত্যিই পালিয়ে যেত। একদিন সে ছাদে উঠেছিল সকালে। রাফি অফিস থেকে ফিরে বাসা খালি পেয়ে সরাসরি ছাদে উঠল। সায়মা দেয়ালে হেলান দিয়ে বসে ছিল। রাফি এসে তার পাশে বসল।
“কী হয়েছে বলো তো?” রাফি নরম গলায় জিজ্ঞেস করল।
সায়মা মুখ ফিরিয়ে নিল। “কিছু না। গরম লাগছে।”
রাফি তার চুলের একটা লোক সরিয়ে দিল। আঙুলটা কানের পাশ দিয়ে গালে লেগে গেল। সায়মার শরীর কেঁপে উঠল। সে দ্রুত উঠে দাঁড়াল। “নিচে যাচ্ছি।”
রাফি তার হাত ধরল। “থাক। আজ আর পালাবি না।”
সেই স্পর্শে সায়মার বুকের ভিতরটা দুরুদুরু করতে লাগল। রাফির হাত তার কব্জিতে ছিল, গরম, শক্ত। সায়মা জানত রাফি বুঝে ফেলেছে। সে জানে যে সায়মা লজ্জায় মরে যাচ্ছে। আর ঠিক সেই কারণেই রাফি আরও কাছে এসে তার কোমরে হাত রাখল। “দেখি তো, কতক্ষণ পালাতে পারবি।”
সায়মা নিশ্বাস ফেলতে পারছিল না। রাফির শরীরের গন্ধ, তার গলার স্বর—সবকিছু যেন তাকে ঘিরে ধরছিল। সে চেষ্টা করল সরে যেতে, কিন্তু রাফি তাকে দেয়ালের দিকে ঠেলে দিল। ঠোঁট তার গলার কাছে এসে লাগল। হালকা চুমু। সায়মার চোখ বন্ধ হয়ে গেল। রাফি আস্তে আস্তে তার গলার নিচে নামল, জামার কলার সরিয়ে কাঁধে চুমু দিল। সায়মার হাত রাফির বুকের ওপর চেপে ধরল, কিন্তু ধাক্কা দিতে পারল না। বরং তার আঙুলগুলো রাফির শার্টের বোতাম আঁকড়ে ধরল।
“এখনো লজ্জা করছে?” রাফি ফিসফিস করে বলল। তার গরম নিশ্বাস সায়মার কানে লাগছিল। “আমি তোর স্বামী। তুই আমার স্ত্রী। এখানে লজ্জার কী আছে?”
সায়মা কোনো উত্তর দিতে পারল না। রাফি তার জামার বোতাম খুলতে শুরু করল। একটা, দুটো। সায়মার বুকের উপরের অংশ খুলে গেল। রাফি তার ঠোঁট সেখানে রাখল। জিভ দিয়ে আস্তে আস্তে চাটল। সায়মার শরীর কেঁপে উঠল। সে রাফির চুল আঁকড়ে ধরল। রাফি আরও নিচে নামল। তার হাত সায়মার কোমর বেয়ে নিচে নামছিল। স্কার্টের ভিতর ঢুকে গেল। আঙুলগুলো উরু ছুঁয়ে উঠল। সায়মা হাঁপাচ্ছিল। রাফি তার কানে বলল, “আজ আর পালাবি না। আজ আমি তোকে পুরোপুরি নেব।”
সায়মা চোখ খুলল। রাফির চোখে আগুন জ্বলছিল। সে জানত, আজ রাতে সে আর পালাতে পারবে না। রাফি তাকে কোলে তুলে নিয়ে নিচে নামল। শোবার ঘরে নিয়ে গিয়ে বিছানায় শুইয়ে দিল। সায়মার জামা পুরো খুলে ফেলল। তারপর নিজের শার্ট। দুজনের শরীর একে অপরের সঙ্গে লেগে গেল। রাফির হাত সায়মার বুক চেপে ধরল, আঙুল দিয়ে স্তনমণ্ডল ঘষতে লাগল। সায়মা আর সহ্য করতে পারছিল না। সে রাফির পিঠে নখ বসিয়ে দিল। রাফি তার পা দুটো আলাদা করে তার মাঝখানে এসে বসল। হাত দিয়ে সায়মার ভেজা জায়গা ছুঁয়ে দেখল। “এত ভিজে গেছিস?” বলে হাসল।
সায়মা মুখ ফিরিয়ে নিল। লজ্জায় তার গাল লাল হয়ে গিয়েছিল। রাফি আঙুল ভিতরে ঢোকাল। সায়মা চিৎকার চেপে ধরল। রাফি আরেকটা আঙুল ঢোকাল। তারপর তৃতীয়। সায়মার শরীর কেঁপে উঠছিল। রাফি তার ঠোঁট চেপে ধরল, জিভ ঢুকিয়ে দিল। সায়মা রাফির জিভ চুষতে লাগল। রাফি আঙুল সরিয়ে নিজেকে প্রস্তুত করল। তারপর ধীরে ধীরে ভিতরে ঢুকল। সায়মা চোখ বন্ধ করে শুধু অনুভব করল। রাফি পুরোপুরি ঢুকে গেল। তারপর নড়তে শুরু করল। প্রথমে আস্তে, তারপর জোরে। সায়মার বুকের ওপর রাফির শরীর চাপা পড়ছিল। প্রতিটা ধাক্কায় সায়মার শরীর কেঁপে উঠছিল। রাফি তার কানে ফিসফিস করল, “তুই আমার। পুরোপুরি আমার।”
সায়মা আর কথা বলতে পারছিল না। শুধু হাঁপাচ্ছিল। রাফি তার পা দুটো কাঁধে তুলে আরও গভীরে ঢুকল। সায়মার চোখ দিয়ে পানি বেরিয়ে এল। লজ্জা আর আনন্দ মিশে এক হয়ে গিয়েছিল। রাফি তার গতি বাড়াল। সায়মার ভিতর থেকে একটা অদ্ভুত শব্দ বেরোতে লাগল। রাফি জানত সে কাছাকাছি। সে আরও জোরে ধাক্কা দিতে লাগল। সায়মা হঠাৎ শরীর শক্ত করে ধরল। তারপর একটা লম্বা নিশ্বাসের সঙ্গে ছেড়ে দিল। রাফিও তার সঙ্গে সঙ্গে। দুজনের শরীর একসঙ্গে কেঁপে উঠল।
কিছুক্ষণ পর রাফি তার পাশে শুয়ে পড়ল। সায়মার চুল সরাচ্ছিল। “এখনো লজ্জা করছে?”
সায়মা চোখ বন্ধ করে বলল, “হ্যাঁ।”
রাফি হাসল। “তাহলে কাল আরও বেশি লজ্জা দেব।”
সায়মা জানত, রাফি সত্যিই দেবে। আর সে পালাতে চাইলেও পারবে না। কারণ এখন তার শরীরও রাফিকে চায়।
পরের দিন সকালে সায়মা চোখ খুলতেই দেখল রাফি তার বুকের ওপর হাত রেখে ঘুমাচ্ছে। তার শরীর এখনো গতরাতের স্মৃতিতে ভিজে ছিল। সে আস্তে করে উঠতে চাইল, কিন্তু রাফি চোখ না খুলেই হাতটা শক্ত করে ধরল। “কোথায় যাচ্ছিস?”
“বাথরুমে।”
রাফি চোখ খুলল। “আমিও যাচ্ছি।”
সায়মা লজ্জায় মুখ লাল করে বলল, “একা যাব।”
রাফি উঠে বসল। “না। আজ থেকে তুই আর একা কোথাও যাবি না।”
সে সায়মাকে কোলে তুলে বাথরুমে নিয়ে গেল। দরজা বন্ধ করে সায়মার শাড়ি খুলে ফেলল। সায়মা প্রতিবাদ করল না। রাফি তাকে ঝরনার নিচে দাঁড় করাল। গরম পানি পড়তে লাগল। রাফি তার পিছন থেকে জড়িয়ে ধরল। এক হাত দিয়ে তার বুক চেপে ধরল, অন্য হাত দিয়ে নিচে নামল। সায়মার ভেজা জায়গায় আঙুল ঘষতে লাগল। সায়মা দেয়ালে হাত রেখে দাঁড়িয়ে রইল। রাফি তার কানে চুমু দিয়ে বলল, “আজ সারাদিন তোকে লজ্জায় ফেলব। দেখি কতক্ষণ সহ্য করতে পারবি।”
সে সায়মাকে ঘুরিয়ে দিল। হাঁটু গেড়ে বসে তার দুই পা আলাদা করল। তারপর জিভ দিয়ে চাটতে শুরু করল। সায়মার হাঁটু কেঁপে উঠল। রাফি তার কোমর শক্ত করে ধরে রেখে আরও গভীরে জিভ ঢোকাল। সায়মা মুখ চেপে ধরে চিৎকার আটকাল। রাফি উঠে দাঁড়িয়ে তাকে দেয়ালে চেপে ধরল। তারপর নিজেকে ভিতরে ঢোকাল। দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে। প্রতিটা ধাক্কায় সায়মার শরীর দেয়ালে ঠেকা খাচ্ছিল। রাফি তার গলায় হাত দিয়ে হালকা চেপে ধরল। সায়মার চোখ বড় হয়ে গেল। রাফি হাসল। “ভয় পাচ্ছিস? না, উপভোগ করছিস?”
সায়মা কোনো উত্তর দিতে পারল না। রাফি তার গতি বাড়াল। পানি পড়ছিল দুজনের শরীরে। রাফির শরীর সায়মার শরীরের সঙ্গে লেপ্টে ছিল। সায়মা রাফির কাঁধে দাঁত বসিয়ে দিল। রাফি আরও জোরে ধাক্কা দিল। সায়মা আবার ছেড়ে দিল। রাফিও। দুজন কিছুক্ষণ জড়িয়ে দাঁড়িয়ে রইল।
পরে নাস্তা টেবিলে বসার সময় সায়মা চোখ তুলে তাকাতে পারছিল না। রাফি ইচ্ছে করেই তার পায়ের নিচে পা রেখে ঘষছিল। সায়মা টেবিলের নিচে তার হাত চেপে ধরল। “থামো।”
রাফি হাসল। “থামব না। আজ তোকে পুরোপুরি ভাঙব।”
দুপুরে রাফি অফিস থেকে ছুটি নিয়ে এল। সায়মা রান্নাঘরে ছিল। রাফি পিছন থেকে এসে তাকে জড়িয়ে ধরল। হাত দিয়ে তার বুক চেপে ধরল। “আজ রান্না বাদ। চল উপরে।”
সায়মা প্রতিবাদ করল, কিন্তু রাফি তাকে টেনে ছাদে নিয়ে গেল। ছাদে কেউ ছিল না। রাফি তাকে দেয়ালে চেপে ধরল। শাড়ির আঁচল সরিয়ে তার স্তন বের করে চুষতে লাগল। সায়মা চারদিকে তাকাল। “কেউ দেখতে পারে।”
রাফি মাথা তুলে বলল, “দেখুক। তুই আমার স্ত্রী।”
সে সায়মার শাড়ি কোমর পর্যন্ত তুলে দিল। তারপর নিজের প্যান্ট খুলে সায়মাকে ঘুরিয়ে দিল। পিছন থেকে ঢুকল। সায়মা দেয়ালে হাত রেখে দাঁড়িয়ে রইল। রাফি জোরে জোরে ধাক্কা দিতে লাগল। ছাদের ওপর দিয়ে হাওয়া বইছিল। সায়মার চুল উড়ছিল। রাফি তার চুল আঁকড়ে ধরে টানল। সায়মা আর লজ্জা লুকোতে পারছিল না। তার গলা থেকে অদ্ভুত শব্দ বেরোচ্ছিল। রাফি তার কানে বলল, “চিৎকার কর। কেউ শুনবে না।”
সায়মা চিৎকার করল। রাফি আরও জোরে। সায়মা আবার ছেড়ে দিল। রাফিও তার ভিতরেই। দুজন হাঁপাতে হাঁপাতে দেয়ালে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে রইল। রাফি সায়মার কানে চুমু দিয়ে বলল, “এখনো পালাবি?”
সায়মা মাথা নাড়ল। “না।”
রাফি হাসল। “ভালো। কারণ আজ রাতে আরও অনেক কিছু বাকি।”
সন্ধ্যায় বাসায় এসে রাফি সায়মাকে বিছানায় শুইয়ে তার পুরো শরীর চুমুতে ভরিয়ে দিল। পা থেকে মাথা পর্যন্ত। সায়মা আর লজ্জা করতে পারছিল না। তার শরীর নিজে থেকেই রাফির দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল। রাফি তার দুই পা কাঁধে তুলে গভীরে ঢুকল। সায়মা তার পিঠে নখ বসাল। রাফি তার ঠোঁট চেপে ধরে জোরে জোরে নড়তে লাগল। সায়মার ভিতর থেকে শব্দ বেরোচ্ছিল। রাফি তার গতি বাড়াল। সায়মা চোখ বন্ধ করে শুধু অনুভব করল। রাফি তার কানে ফিসফিস করল, “তুই এখন আমার। পুরোপুরি।”
সায়মা মাথা নাড়ল। “হ্যাঁ… তোমার।”
সেই রাতে তারা তিনবার একসঙ্গে হল। শেষবার সায়মা নিজে থেকে রাফির ওপর উঠে বসল। লজ্জা ভুলে। রাফি তার কোমর ধরে উপরে তুলছিল। সায়মা নিজেই নড়ছিল। তার চুল এলোমেলো, শরীর ঘামে ভিজে। রাফি তার বুক চেপে ধরে বলল, “এভাবেই থাক। আর কখনো পালাবি না।”
সায়মা হাসল। প্রথমবার। “পালাব না।”
তৃতীয় দিন সকালে সায়মা আর পালাল না। সে রাফির পাশে শুয়ে তার বুকের ওপর হাত রেখেছিল। রাফি চোখ খুলে তাকে দেখে হাসল। “আজ আর ছাদে যাবি না?”
সায়মা মাথা নাড়ল। “না। আজ তোমার সঙ্গে থাকব।”
রাফি তাকে টেনে নিজের ওপর তুলে নিল। “তাহলে প্রমাণ দাও।”
সায়মা রাফির ঠোঁটে চুমু দিল। আস্তে আস্তে। তারপর জিভ ঢোকাল। রাফি তার চুল আঁকড়ে ধরল। সায়মা নিজে থেকেই নিচে নামল। রাফির প্যান্ট খুলে তার শক্ত অংশটা হাতে নিল। তারপর মুখে নিল। রাফি চোখ বন্ধ করে শুয়ে রইল। সায়মা আস্তে আস্তে চুষতে লাগল। রাফি তার মাথা ধরে আরও গভীরে চাপ দিল। সায়মা চোখ তুলে রাফির দিকে তাকাল। রাফি হাসল। “ভালো লাগছে?”
সায়মা মাথা নাড়ল। রাফি তাকে টেনে উপরে তুলল। তারপর নিজে নিচে নামল। সায়মার দুই পা আলাদা করে জিভ দিয়ে চাটতে লাগল। সায়মা বিছানার চাদর আঁকড়ে ধরল। রাফি তার ভিতরে আঙুল ঢোকাল। দুটো। তারপর তিনটে। সায়মা হাঁপাচ্ছিল। রাফি উঠে এসে তার ওপর এসে বসল। ধীরে ধীরে ঢুকল। সায়মা তার পিঠে হাত বুলোতে লাগল। রাফি আস্তে আস্তে নড়তে শুরু করল। তারপর গতি বাড়াল। সায়মার স্তন মুখে নিয়ে চুষতে লাগল। সায়মা আরও জোরে চিৎকার করল। রাফি তার পা দুটো ভাঁজ করে আরও গভীরে ঢুকল। প্রতিটা ধাক্কায় সায়মার শরীর কেঁপে উঠছিল। রাফি তার কানে বলল, “আজ তোকে এতবার নেব যে তুই হাঁটতে পারবি না।”
সায়মা হাসল। “নেও।”
রাফি তার কথা রাখল। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত তারা বিছানা ছাড়ল না। রাফি সায়মাকে নানাভাবে নিল। কখনো উপরে, কখনো নিচে, কখনো পাশে শুয়ে। কখনো সায়মাকে হাঁটু গেড়ে বসিয়ে পিছন থেকে। সায়মা প্রতিবারই ছেড়ে দিচ্ছিল। তার শরীর আর লজ্জা মানছিল না। রাফি তার গায়ে ঘাম মুছে দিচ্ছিল। চুমু দিচ্ছিল। বলছিল, “তুই এত সুন্দর। আমার।”
বিকালে রাফি সায়মাকে নিয়ে ছাদে গেল। এবার সায়মা নিজে থেকেই শাড়ি খুলে ফেলল। রাফি তাকে মেঝেতে শুইয়ে তার ওপর এসে বসল। সায়মা তার কোমর ধরে উপরে তুলছিল। রাফি তার বুক চেপে ধরে জোরে নড়ছিল। ছাদের ওপর দিয়ে সূর্যের আলো পড়ছিল। সায়মার শরীর চকচক করছিল। রাফি তার ঠোঁট চেপে ধরে আরও জোরে ধাক্কা দিল। সায়মা চিৎকার করে ছেড়ে দিল। রাফিও। দুজন জড়িয়ে শুয়ে রইল।
সন্ধ্যায় বাসায় ফিরে রাফি সায়মাকে স্নান করাল। নিজে হাতে সাবান মাখাল। প্রতিটা জায়গায় হাত বুলোল। সায়মা আর লজ্জা করল না। সে রাফির হাত ধরে নিজের বুকে রাখল। “আরও করো।”
রাফি হাসল। “আজ রাতে করব। এখন খা।”
রাতের খাবারের পর রাফি সায়মাকে বিছানায় নিয়ে গেল। এবার সে সায়মাকে বাঁধল। রুমাল দিয়ে চোখ বাঁধল। হাত দুটো বিছানার খুঁটির সঙ্গে বেঁধে দিল। সায়মা শুধু অনুভব করছিল। রাফির হাত তার শরীরে ঘুরছিল। কখনো বুকে, কখনো উরুতে, কখনো ভিতরে। রাফি তার কানে ফিসফিস করল, “এখন তুই আমার খেলনা। যা ইচ্ছে তাই করব।”
সায়মা মাথা নাড়ল। “করো।”
রাফি তার ভিতরে ঢুকল। আস্তে আস্তে। তারপর জোরে। সায়মা চোখ বাঁধা অবস্থায় শুধু অনুভব করছিল। রাফি তার স্তন চিমটি কাটছিল। গলায় হালকা চাপ দিচ্ছিল। সায়মা আরও জোরে চিৎকার করছিল। রাফি তার গতি বাড়াল। সায়মা হঠাৎ শরীর শক্ত করে ধরল। তারপর লম্বা নিশ্বাসের সঙ্গে ছেড়ে দিল। রাফিও। তারপর চোখের বাঁধন খুলে দিল। সায়মা রাফির দিকে তাকিয়ে হাসল। “আরও চাই।”
রাফি তার ঠোঁটে চুমু দিয়ে বলল, “আজ সারারাত আছে।”
সেই রাতে তারা আরও দুবার একসঙ্গে হল। শেষবার সায়মা রাফির ওপর শুয়ে তার কানে বলল, “আমি আর কখনো পালাব না। তুমি আমাকে এভাবেই রেখো।”
রাফি তার চুল সরিয়ে চুমু দিল। “রেখেছি। চিরকালের জন্য।”
সায়মা জানত, তার লজ্জা এখন আর লজ্জা নয়। সে রাফির কাছে সম্পূর্ণ খুলে গেছে। আর রাফি সেই খোলা সায়মাকে প্রতিদিন নতুন করে আবিষ্কার করবে। বাংলাদেশের এই ছোট্ট শহরের এই ছোট্ট বাসায় তাদের খেলা চলতে থাকবে। লজ্জা আর আনন্দের খেলা। যেখানে সায়মা আর পালাবে না। কারণ এখন সে জানে, রাফির সামনে দাঁড়ানোই তার সবচেয়ে বড় আনন্দ।
....