স্বামীর কাছে স্ত্রীর আবদার

ঢাকার গুলশানের একটা ফ্ল্যাটে রাত দশটা বাজে। ফাতেমা আর রাসেল বিয়ের পর তিন বছর পার করেছে। দুজনেরই চাকরি, ব্যস্ত জীবন। কিন্তু রাতগুলো শুধু তাদের। আজকের রাতটা আলাদা। রাসেল অফিস থেকে একটু আগেই এসেছে। ফাতেমা কিচেন থেকে বেরিয়ে এসে দেখে স্বামীকে সোফায় বসে আছে। সাদা শার্টের কলার খোলা, চোখে ক্লান্তি মেশানো একটা হাসি।

¦Ëk¢xz˲Úèžé

ফাতেমা কাছে গিয়ে তার কাঁধে হাত রাখে। “ক্লান্ত লাগছে?”

রাসেল মাথা তুলে তাকিয়ে তার চোখে চোখ রাখে। “তোর মুখ দেখলে ক্লান্তি উড়ে যায়।” তার হাত উঠে ফাতেমার কোমর ধরে। আঙুলগুলো আস্তে আস্তে শাড়ির ওপর দিয়ে ঘষে। ফাতেমা সামনে ঝুঁকে পড়ে। দুজনের ঠোঁট মেশে। প্রথমে নরম, তারপর গভীর। জিভের স্বাদ, দাঁতের কামড়। রাসেলের হাত শাড়ির আঁচল তুলে তার পেটের ওপর রাখে। গরম ত্বক।

¦Ëk¢x/춺'ƒú

ফাতেমা তার হাঁটুর ওপর বসে। শাড়ির কাপড় সরে যায়। রাসেলের হাত উঠে তার বুকের কাপড় খোলে। ব্রা খুলে ফেলে। দুটো স্তন তার হাতে আসে। আঙুল দিয়ে স্তনবৃন্ত চেপে ধরে। ফাতেমা চোখ বন্ধ করে হাঁপায়। “আরও জোরে…”

রাসেল উঠে দাঁড়ায়। ফাতেমাকে কোলে তুলে বেডরুমে নিয়ে যায়। বিছানায় শুইয়ে দেয়। শাড়ি খুলে ফেলে। পেটিকোট, তারপর প্যান্টি। ফাতেমা সম্পূর্ণ নগ্ন। রাসেল নিজের কাপড় খোলে। শার্ট, প্যান্ট, আন্ডারওয়্যার। তার শরীর শক্ত, পুরুষাঙ্গ উত্তেজিত।

সে হাঁটু গেড়ে ফাতেমার দুই পা আলাদা করে। মাথা নামিয়ে তার দুই উরুর মাঝখানে মুখ রাখে। জিভ বের করে লেহন করে। ফাতেমা দুই হাত দিয়ে চাদর চেপে ধরে। কোমর উঠে আসে। রাসেলের জিভ আরও গভীরে যায়। ঠোঁট দিয়ে চুষে নেয়। ফাতেমা আর সহ্য করতে পারে না। এক হাত তার চুলে গুঁজে ধরে। “রাসেল… ভিতরে নিয়ে আয়…”

রাসেল উঠে আসে। তার পুরুষাঙ্গ ফাতেমার যোনিমুখে রাখে। ধীরে ধীরে ঢোকায়। ফাতেমা চিৎকার চেপে ধরে। পুরোপুরি ভিতরে গেলে দুজন একসঙ্গে থামে। তারপর রাসেল নড়তে শুরু করে। ধীর গতিতে। প্রতিটা ধাক্কায় ফাতেমার স্তন কাঁপে। রাসেল নিচু হয়ে একটা স্তন মুখে নেয়। জিভ দিয়ে ঘোরায়, দাঁত দিয়ে হালকা কামড় দেয়।

ফাতেমা তার পিঠে নখ বসায়। “জোরে কর…” রাসেল গতি বাড়ায়। বিছানা কাঁপে। ঘামে ভিজে যায় দুজনের শরীর। ফাতেমার পা রাসেলের কোমরে জড়িয়ে ধরে। সে আরও গভীরে ঢোকে। প্রতিটা আঘাতে ফাতেমা আর্তনাদ করে। রাসেল এক হাত দিয়ে তার কোমর চেপে ধরে, অন্য হাত দিয়ে স্তন নিংড়ে।

কিছুক্ষণ পর ফাতেমা কেঁপে উঠে। তার ভিতরের পেশীগুলো শক্ত হয়ে রাসেলকে চেপে ধরে। রাসেলও আর ধরে রাখতে পারে না। গভীরে ঢুকে থেমে যায়। গরম তরল ভিতরে ছড়িয়ে পড়ে। দুজন একে অন্যের ওপর শুয়ে থাকে। শ্বাস-প্রশ্বাস ভারী।

একটু পর রাসেল সরে যায়। ফাতেমা তার বুকে মাথা রাখে। আঙুল দিয়ে তার বুকের লোম আঁচড়ায়। “আজকের মতো আরও চাই…” রাসেল হেসে তার ঠোঁটে চুমু খায়। “রাত এখনো বাকি।”

তারা আবার জড়িয়ে ধরে। এবার ফাতেমা উপরে ওঠে। রাসেলের পুরুষাঙ্গ আবার শক্ত হয়ে ওঠে। ফাতেমা নিজেই ধরে ঢুকিয়ে নেয়। উপরে-নিচে নড়তে থাকে। স্তন দুটো রাসেলের মুখের কাছে আসে। সে দুটোই একসঙ্গে চেপে ধরে। জিভ দিয়ে একটার পর একটা চাটে। ফাতেমা মাথা পেছনে ফেলে আর্তনাদ করে। তার কোমর দ্রুত নড়ে। ঘাম ঝরে পড়ে রাসেলের বুকে।

রাসেল দুই হাত দিয়ে তার নিতম্ব চেপে ধরে। নিজেও নিচ থেকে ধাক্কা দিতে থাকে। শব্দ হয়—চামড়ায় চামড়া লাগার শব্দ। ফাতেমা আবার কেঁপে ওঠে। এবার আরও জোরে। রাসেলও তার সঙ্গে। দুজন একসঙ্গে শেষ করে। ফাতেমা তার বুকে ঢলে পড়ে।

রাত এগারোটা বাজে। তারা এখনো জড়িয়ে আছে। রাসেলের হাত ফাতেমার পিঠে ঘুরছে। আঙুল নিতম্বের ফাঁকে ঢুকে যায়। ফাতেমা আস্তে হাসে। “আবার?” রাসেল কিছু না বলে তাকে উল্টে দেয়। এবার পেছন থেকে। ফাতেমা হাঁটু গেড়ে দাঁড়ায়। রাসেল পেছন থেকে ঢোকে। দুই হাত দিয়ে তার স্তন ধরে। জোরে জোরে ধাক্কা দিতে থাকে। ফাতেমার মাথা বালিশে গুঁজে যায়। চিৎকার বেরিয়ে আসে।

এভাবেই রাত গড়ায়। তারা থামে না। প্রতিবারই আরও গভীর, আরও ভেজা, আরও গরম। শরীরের প্রতিটা অংশ স্পর্শ হয়। চুমু, কামড়, চাপ, চোষা। বিছানা ভিজে যায়। ঘরের বাতাস গরম হয়ে ওঠে।

শেষবার যখন তারা শেষ করে, তখন রাত দুটো। ফাতেমা রাসেলের বাহুতে মাথা রেখে চোখ বন্ধ করে। রাসেল তার কপালে চুমু খায়। “কালকেও এমনই হবে।” ফাতেমা হেসে চোখ খোলে। “প্রতি রাতই এমন চাই।”

দুজন ঘুমিয়ে পড়ে। শরীর জড়ানো, ঘাম শুকিয়ে যায়। বাইরে ঢাকার রাত নিস্তব্ধ। কোনো বৃষ্টি নেই। শুধু দুজন মানুষের শরীরের তাপ।

 

পরের দিন সন্ধ্যা। রাসেল অফিস থেকে ফিরে এসে দেখে ফাতেমা বাথরুমে। দরজা আধখোলা। সে ভিতরে ঢোকে। ফাতেমা গোসল করছে। পানির ধারা তার শরীরে পড়ছে। রাসেল কাপড় খুলে তার পেছনে দাঁড়ায়। দুই হাত দিয়ে তার কোমর ধরে। পুরুষাঙ্গ তার নিতম্বের ফাঁকে রাখে।

ফাতেমা পেছন ফিরে তাকায়। চোখে হাসি। “এসে গেছ?” রাসেল কোনো কথা বলে না। ঠোঁট দিয়ে তার ঘাড়ে চুমু খায়। এক হাত সামনে এনে তার যোনিতে আঙুল ঢোকায়। দুই আঙুল। ভিতরে ঘোরায়। ফাতেমা দেয়ালে হাত রেখে হাঁপায়। রাসেলের আঙুল আরও দ্রুত নড়ে। অন্য হাত দিয়ে একটা স্তন নিংড়ে।

ফাতেমা ঘুরে দাঁড়ায়। হাঁটু গেড়ে বসে। রাসেলের পুরুষাঙ্গ মুখে নেয়। জিভ দিয়ে চাটে, ঠোঁট দিয়ে চুষে। রাসেল মাথা পেছনে ফেলে হাহাকার করে। এক হাত ফাতেমার চুলে গুঁজে ধরে। গভীরে ঢোকায়। ফাতেমা চোখ তুলে তাকায়। গলায় শব্দ হয়। সে থামে না। লালা গড়িয়ে পড়ে।

রাসেল তাকে তুলে তোলে। দেয়ালে ঠেস দিয়ে দাঁড় করিয়ে পা তুলে ধরে। এক ঠোঙায় ঢুকিয়ে দেয়। জোরে জোরে ধাক্কা দিতে থাকে। পানির ধারা এখনো পড়ছে। দুজনের শরীর ভিজে, পিছল। ফাতেমার পিঠ দেয়ালে ঘষে যায়। সে রাসেলের ঘাড়ে দাঁত বসায়। কামড় দেয়। রাসেল আরও জোরে করে। প্রতিটা ধাক্কায় ফাতেমার স্তন লাফায়।

কিছুক্ষণ পর তারা বাথরুম থেকে বেরিয়ে বেডরুমে আসে। বিছানায় শুয়ে ফাতেমা রাসেলের ওপর ওঠে। উল্টো করে বসে। পেছন ফিরে তার পুরুষাঙ্গ ধরে ঢুকিয়ে নেয়। উপরে-নিচে নড়তে থাকে। রাসেল দুই হাত দিয়ে তার নিতম্ব চেপে ধরে। নিচ থেকে ধাক্কা দেয়। ফাতেমা মাথা পেছনে ফেলে আর্তনাদ করে। তার চুল ভিজে পিঠে লেগে আছে।

রাসেল উঠে বসে। ফাতেমাকে সামনে টেনে নেয়। এবার মুখোমুখি। দুজনের বুক মেশে। রাসেলের হাত তার পিঠে ঘুরছে। নখ বসায়। ফাতেমা তার কানে ফিসফিস করে। “আরও গভীরে…” রাসেল তাকে শুইয়ে দেয়। দুই পা কাঁধে তুলে ধরে। পুরোপুরি গভীরে ঢোকে। ধীর গতিতে শুরু করে, তারপর দ্রুত। বিছানার পায়া শব্দ করে।

ফাতেমা দুই হাত দিয়ে চাদর চেপে ধরে। চোখ বন্ধ। মুখ খোলা। প্রতিটা আঘাতে শরীর কেঁপে ওঠে। রাসেল নিচু হয়ে তার ঠোঁটে চুমু খায়। জিভ ঢোকায়। একই সঙ্গে নিচে ধাক্কা চালিয়ে যায়। ফাতেমা কেঁপে ওঠে। তার ভিতর শক্ত হয়ে যায়। রাসেলও থেমে যায়। গরম তরল আবার ছড়িয়ে পড়ে।

তারা পাশাপাশি শুয়ে থাকে। রাসেলের হাত ফাতেমার পেটে ঘুরছে। আঙুল নাভির নিচে নেমে যায়। আবার যোনিতে ঢোকে। ফাতেমা পা আলাদা করে। রাসেলের আঙুল ভিতরে ঘোরায়। অন্য হাত দিয়ে স্তন চেপে ধরে। ফাতেমা তার দিকে ঘুরে চুমু খায়। জিভ মেশায়। রাসেলের আঙুল আরও দ্রুত নড়ে। ফাতেমা আবার কেঁপে ওঠে। এবার শুধু আঙুলে।

রাত গভীর হয়। তারা আবার জড়ায়। এবার ফাতেমা রাসেলকে উপরে তোলে। নিজে নিচে শুয়ে পা ছড়িয়ে দেয়। রাসেল ঢোকে। ধীর গতিতে। প্রতিটা ধাক্কায় চোখে চোখ রাখে। ফাতেমা তার পিঠে হাত বোলায়। নখ দিয়ে আঁচড় কাটে। রাসেল গতি বাড়ায়। শরীরের শব্দ ঘরে ছড়িয়ে পড়ে।

শেষ পর্যন্ত তারা ক্লান্ত হয়ে পড়ে। ফাতেমা রাসেলের বুকে মাথা রাখে। আঙুল দিয়ে তার পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করে। এখনো নরম। “কাল সকালে আবার…” রাসেল হেসে তার কপালে চুমু খায়। “সকাল থেকে শুরু করব।”

বাইরে ঢাকার আলো জ্বলছে। কোনো বৃষ্টি নেই। শুধু দুজনের শরীরের গন্ধ আর ঘামের স্বাদ। তারা ঘুমিয়ে পড়ে। জড়ানো অবস্থায়।

সকাল নয়টা। ছুটির দিন। ফাতেমা ঘুম থেকে উঠে দেখে রাসেল এখনো ঘুমাচ্ছে। সে চাদর সরিয়ে তার শরীর দেখে। হাত বাড়িয়ে পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করে। আঙুল দিয়ে আস্তে আস্তে ঘষে। রাসেল চোখ খোলে। হাসি মুখে। “শুরু করে দিয়েছ?”

ফাতেমা কিছু না বলে নিচু হয়ে মুখে নেয়। সকালের আলোয় তার চুল ছড়িয়ে আছে। জিভ দিয়ে চাটে, ঠোঁট দিয়ে চুষে। রাসেল দুই হাত মাথার নিচে রাখে। উপভোগ করে। ফাতেমা থামে না। গভীরে নেয়। গলায় শব্দ হয়। রাসেল একসময় তাকে তুলে তোলে। নিজের ওপর বসায়। ফাতেমা নিজেই ঢুকিয়ে নেয়। ধীর গতিতে নড়তে থাকে। স্তন দুটো রাসেলের হাতে আসে। সে চেপে ধরে, স্তনবৃন্ত মোচড়ায়।

ফাতেমা গতি বাড়ায়। উপরে-নিচে। ঘাম আবার শুরু হয়। রাসেল নিচ থেকে ধাক্কা দেয়। দুজনের শরীর মেশে। শব্দ হয়। ফাতেমা মাথা পেছনে ফেলে আর্তনাদ করে। রাসেল উঠে বসে। তাকে জড়িয়ে ধরে। এবার জড়ানো অবস্থায় নড়তে থাকে। বুক মেশানো। ঠোঁট মেশানো।

তারা বিছানা থেকে নেমে মেঝেতে যায়। ফাতেমা হাঁটু গেড়ে দাঁড়ায়। রাসেল পেছন থেকে ঢোকে। দুই হাত দিয়ে তার কোমর ধরে। জোরে জোরে ধাক্কা দিতে থাকে। ফাতেমার হাত মেঝেতে। চুল মুখে পড়ে। সে মাথা তুলে আর্তনাদ করে। রাসেল এক হাত সামনে এনে তার যোনির ওপরের অংশ ঘষে। একই সঙ্গে ভিতরে ধাক্কা চালিয়ে যায়।

ফাতেমা কেঁপে ওঠে। তার পা কাঁপে। রাসেল তাকে ধরে রাখে। নিজেও শেষ করে। গরম তরল গড়িয়ে পড়ে। দুজন মেঝেতে শুয়ে পড়ে। শ্বাস ফেলতে ফেলতে।

একটু পর তারা আবার উঠে। এবার চেয়ারে। ফাতেমা রাসেলের কোলে বসে। মুখোমুখি। রাসেল ঢোকায়। ফাতেমা তার ঘাড়ে হাত রাখে। নড়তে থাকে। রাসেলের হাত তার পিঠে, নিতম্বে। চেপে ধরে। জোরে করে। চেয়ার শব্দ করে। ফাতেমার স্তন তার মুখের কাছে আসে। সে একটা মুখে নেয়। চুষে, কামড় দেয়। ফাতেমা চিৎকার করে।

দুপুর পর্যন্ত এভাবে চলে। তারা থামে না। প্রতিবার নতুন করে শুরু করে। বিছানা, মেঝে, চেয়ার, দেয়াল। শরীরের প্রতিটা অংশ ব্যবহার করে। চুমু, চাপ, চোষা, ধাক্কা। ঘামে ভিজে যায় পুরো শরীর। বিছানার চাদর ভিজে যায়।

বিকেলে তারা একসঙ্গে গোসল করে। পানির নিচে আবার জড়ায়। রাসেল ফাতেমাকে তুলে ধরে। পা জড়িয়ে। ঢুকিয়ে দেয়। দেয়ালে ঠেস দিয়ে। জোরে জোরে। পানি পড়তে থাকে। ফাতেমা তার পিঠে নখ বসায়। আর্তনাদ করে। রাসেল শেষ করে। দুজন পানির নিচে জড়িয়ে থাকে।

সন্ধ্যা হয়। তারা আবার বিছানায় ফিরে আসে। এবার আরও ধীর। আরও গভীর। চোখে চোখ রেখে। প্রতিটা স্পর্শ অনুভব করে। রাসেল ফাতেমার পুরো শরীর চুমু খায়। ঘাড় থেকে শুরু করে পা পর্যন্ত। ফাতেমাও একই করে। শেষে আবার মেশে। ধীর গতিতে। দীর্ঘক্ষণ। যতক্ষণ না দুজন একসঙ্গে কেঁপে ওঠে।

রাত হয়। তারা জড়িয়ে শুয়ে থাকে। রাসেলের হাত ফাতেমার পেটে। ফাতেমার মাথা তার বুকে। কোনো কথা নেই। শুধু শরীরের তাপ। বাইরে ঢাকার রাত। কোনো বৃষ্টি নেই। শুধু দুজন মানুষের গভীর, গরম, ভেজা রাত।

তারা জানে, আগামীকালও এমনই হবে। প্রতি রাত। শুধু তারা দুজন। শরীর আর শরীর।

....
👁 11