মিথ্যে বিয়েতে সত্যিকারের অনুভূতি

সায়রার জীবনে সবকিছু হঠাৎ করেই উল্টে গেল একটা ফোনকলের পর। ঢাকার উত্তরায় তাদের ফ্ল্যাটে বসে সে যখন অফিসের কাজ শেষ করছিল, তখন মায়ের কল এলো। মায়ের কণ্ঠে অস্বাভাবিক চাপ ছিল। “সায়রা, তোকে এখনই বাড়ি আসতে হবে। নীলকেও নিয়ে আস।”

¦Ëk¢xz˲Úèžé

নীল তার কলিগ। একই অফিসে কাজ করে। গত ছয় মাস ধরে তারা একসঙ্গে প্রজেক্টে কাজ করছে। নীল চুপচাপ, বুদ্ধিমান, আর সায়রার চেয়ে দুই বছরের বড়। সায়রা তাকে শুধু সহকর্মী হিসেবেই জানত। কিন্তু সেদিন রাতে যখন নীলকে সব বলল, নীল এক মুহূর্তও দ্বিধা করল না।

পরদিন সকালে তারা একসঙ্গে ট্রেনে চড়ে সিলেটের দিকে রওনা দিল। সায়রার বাবার বাড়ি সিলেটের উপকণ্ঠে, চা বাগানের কাছে একটা পুরনো বাড়ি। বাবার হঠাৎ অসুস্থতা, আর পরিবারের ভেতরে একটা জমি সংক্রান্ত ঝামেলা—এসব মিলিয়ে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছিল। বাবার একমাত্র ভাই, সায়রার চাচা, জমি নিয়ে চাপ দিচ্ছিলেন। পরিবারের সামনে সায়রাকে “বিয়ে করা” দেখানো দরকার ছিল, যাতে চাচা আর কোনো কথা না বলতে পারেন। নীলকেই সেই ভূমিকায় আসতে হয়েছিল।

¦Ëk¢x/춺'ƒú

বাড়িতে পৌঁছানোর পর সায়রার মা তাদের দুজনকে একই ঘরে রাখলেন। “তোরা এখন স্বামী-স্ত্রী। সবাই দেখবে।” মায়ের কথায় কোনো আপস ছিল না। নীল চুপচাপ সম্মতি জানাল। সায়রা শুধু মাথা নিচু করে রইল।

প্রথম রাতটা অদ্ভুত কেটেছিল। ঘরের ভেতর একটা বিছানা। নীল মেঝেতে চাদর পেতে শোয়ার কথা বললেও সায়রা আপত্তি করল। “সবাই জানলে সমস্যা হবে।” তাই তারা একই বিছানায় শুয়েছিল, মাঝখানে একটা বালিশ রেখে। নীলের শ্বাসকষ্টের শব্দ শুনতে শুনতে সায়রা ঘুমিয়ে পড়েছিল।

পরের দিন সকালে নীল উঠে চা বানিয়ে সায়রার কাছে এনে দিল। “ওঠো। গরম চা।” তার গলা নরম ছিল। সায়রা অবাক হয়ে তাকাল। নীল তার চুল সরিয়ে কপালে হাত রাখল। “জ্বর নেই তো?” সায়রা সরে গেল। “কী করছ?”

“স্বামী হিসেবে যত্ন নিচ্ছি।” নীল হাসিমুখে বলল। “কয়েকদিনের জন্য। পরে সব শেষ।”

সায়রা ঠিক করেছিল, সেও পাল্টা দেবে। সকালের নাস্তায় সে নীলের প্লেটে ডিম ভেজে দিল, তারপর তার পাশে বসে নিজে খাওয়াল। “মুখে দাও।” নীলের চোখ বড় হয়ে গেল। পরিবারের সবাই দেখছিল। চাচা হাসছিলেন। “দেখ, কী ভালো জুটি।”

সেই দিন দুপুরে নীল সায়রাকে নিয়ে বাগানের দিকে হেঁটে গেল। চা গাছের সারি সারি লাইন। নীল তার হাত ধরে রাখল। সায়রা টানতে চাইলেও ছাড়ল না। “সবাই দেখছে।” নীল ফিসফিস করে বলল। তার আঙুল সায়রার কবজিতে ঘষে যাচ্ছিল। গরম অনুভূতি ছড়িয়ে পড়ছিল। সায়রার বুকের ভেতর অদ্ভুত কম্পন শুরু হয়েছিল।

সন্ধ্যায় পরিবারের সবাই বসার ঘরে জড়ো হলো। নীল সায়রার কাঁধে হাত রেখে বসল। তার আঙুল সায়রার ঘাড়ের দিকে সরে গেল। সায়রা শরীর শক্ত করে রাখল। নীল তার কানে ফিসফিস করল, “তুমি সুন্দর লাগছো আজ।” সায়রার গাল গরম হয়ে উঠল। সে পাল্টা নীলের হাত চেপে ধরল। “তুমিও ভালো স্বামী সেজেছ।”

রাতের খাবারের পর তারা ঘরে ফিরল। দরজা বন্ধ করে নীল সায়রার দিকে তাকাল। “আজকে অনেক কাছাকাছি ছিলাম।” তার চোখে একটা অদ্ভুত আভা। সায়রা দেয়ালে হেলান দিয়ে দাঁড়াল। “কয়েকদিন পর সব শেষ। মনে রেখো।”

নীল এগিয়ে এল। তার হাত সায়রার কোমরে রাখল। “জানি। কিন্তু এখন আমরা অভিনয় করছি।” সে সায়রার চুল সরিয়ে ঘাড়ে ঠোঁট ছুঁইয়ে দিল। হালকা, গরম স্পর্শ। সায়রার শ্বাস দ্রুত হয়ে গেল। সে নীলের শার্টের কাপড় চেপে ধরল। “থামো…” কিন্তু গলায় জোর ছিল না।

নীল তার ঠোঁট সায়রার গালে বুলিয়ে নিল। “তুমি পরীক্ষা নিচ্ছো না?” সায়রা চোখ বন্ধ করে নীলের বুকের ওপর মাথা রাখল। তার হৃদস্পন্দন শুনতে পাচ্ছিল। নীলের হাত তার পিঠে ঘুরছিল, আস্তে আস্তে নিচের দিকে। সায়রার শরীর কাঁপছিল। তারা বিছানায় বসল। নীল সায়রাকে তার কোলে টেনে নিল। দুজনের শ্বাস মিশে যাচ্ছিল। নীলের ঠোঁট সায়রার ঠোঁটে এসে লাগল—প্রথমবার। গরম, ভেজা, জরুরি। সায়রা তার জিভ দিয়ে সাড়া দিল। নীলের হাত তার কোমর থেকে উঠে বুকের দিকে এগোল। সায়রা আর বাধা দিল না।

সেই রাতটা তারা শুধু চুমু আর স্পর্শে কাটিয়েছিল। পুরোপুরি কিছু হয়নি, কিন্তু শরীরের প্রতিটা অংশ যেন জেগে উঠেছিল। ভোরে যখন সায়রা চোখ খুলল, নীল তার চুল আঙুলে জড়িয়ে শুয়েছিল। তার বুকের ওপর সায়রার মাথা। সায়রা নড়তে চাইল না।

সকালে মা এসে দরজায় কড়া নাড়ল। “উঠে এসো। সবাই অপেক্ষা করছে।” নীল উঠে সায়রার কপালে চুমু দিল। “আজ আরও ভালো স্বামী হবো।” সায়রা হাসি চেপে রাখল। ভেতরে একটা ভয় কাজ করছিল—এই অভিনয় যেন সত্যি হয়ে যাচ্ছে।

দুপুরে চাচা এসে নীলকে জমির কাগজপত্র দেখালেন। নীল গম্ভীরভাবে সব শুনল, তারপর সায়রার হাত ধরে বলল, “আমরা দুজনেই আছি। কোনো সমস্যা হবে না।” চাচা সন্তুষ্ট হয়ে গেলেন। পরিবারের সবাই খুশি। সায়রার মা চোখে জল নিয়ে বললেন, “তোর বাবাও দেখতে পেলে খুশি হতো।”

সন্ধ্যায় নীল সায়রাকে নিয়ে ছাদে গেল। চাঁদের আলোয় তার মুখ আরও সুন্দর লাগছিল। নীল তার পিছন থেকে জড়িয়ে ধরল। “তুমি কেমন পরীক্ষা নিচ্ছো আমাকে?” সায়রা তার হাত চেপে ধরল। “ভালো স্বামী হওয়ার। দেখি কতদূর যাও।” নীল তার ঘাড়ে ঠোঁট রাখল। “যতদূর তুমি চাও।” তার হাত সায়রার পেটের ওপর দিয়ে নামতে লাগল। সায়রা পেছন দিকে ঠেস দিল। নীলের শরীরের উষ্ণতা তার পুরো শরীরে ছড়িয়ে পড়ছিল।

সেই রাতে তারা আরও কাছাকাছি গেল। নীল সায়রার জামা খুলে তার বুকের ওপর ঠোঁট বুলিয়ে নিল। সায়রার আঙুল নীলের চুলে জড়িয়ে গেল। দুজনের শ্বাস এক হয়ে গিয়েছিল। নীল থামল। “বলো থামতে।” সায়রা মাথা নাড়ল। “না।”

পর্বের শেষে সায়রা বুঝতে পারছিল—এই কয়েকদিন আর সহজ থাকবে না। নীলের যত্ন, তার স্পর্শ, তার চোখ—সবকিছু যেন তাকে বেঁধে ফেলছে। আর সে নিজেও ছাড়তে চাইছে না।

পরের দিনগুলো আরও জটিল হয়ে উঠল। পরিবারের সবাই নীলকে মেনে নিয়েছিল। চাচা এমনকি নীলকে ব্যবসার প্রস্তাব দিলেন। সায়রার মা রোজ সকালে তাদের জন্য বিশেষ নাস্তা বানাতেন। “তোরা এত সুন্দর জুটি,” মা বলতেন। সায়রা প্রতিবার চুপ করে থাকত।

নীল তার অতিরিক্ত যত্ন বাড়িয়ে দিয়েছিল। সকালে সায়রা ঘুম থেকে উঠলেই নীল তার পায়ে ম্যাসাজ করত। “পা ফুলে গেছে দেখছি।” সায়রা হাসত। “তুমি অতিরিক্ত করছ।” নীল তার পায়ের আঙুল চুমু খেত। “স্বামীর কাজ।” সায়রা তার চুল টেনে তুলত। “আজ তোমাকে পরীক্ষা নেব।”

দুপুরে তারা একসঙ্গে বাজার করতে গেল। নীল সায়রার হাত ধরে রাখত সবসময়। দোকানে দাঁড়িয়ে যখন সায়রা শাড়ি দেখছিল, নীল পিছন থেকে এসে তার কোমরে হাত রাখল। “এটা পরো। আমি দেখতে চাই।” সায়রার গাল লাল হয়ে গেল। দোকানদার হাসছিল। নীল সায়রার কানে বলল, “রাত্রে পরবে।”

বাড়ি ফিরে সায়রা সত্যিই সেই শাড়ি পরল। নীল দরজা বন্ধ করে তাকে দেখল। তার চোখ ঘুরে গেল সায়রার শরীরের ওপর। “এসো এখানে।” সায়রা এগোল। নীল তার কোমর ধরে টেনে নিল। শাড়ির আঁচল সরিয়ে তার পেটের চামড়ায় ঠোঁট রাখল। সায়রা দেয়ালে হেলান দিল। নীল উঠে এসে তার ঠোঁট দখল করল। গভীর, ক্ষুধার্ত চুমু। সায়রার হাত নীলের শার্ট খুলে ফেলল। তার বুকের চামড়ায় আঙুল বুলিয়ে দিল।

তারা বিছানায় গড়িয়ে পড়ল। নীল সায়রার শাড়ি খুলে তার অন্তর্বাস পর্যন্ত নামিয়ে দিল। তার ঠোঁট সায়রার বুকের ওপর ঘুরছিল, জিভ দিয়ে স্পর্শ করছিল। সায়রা আর্তনাদ চেপে রাখছিল। নীলের হাত তার উরুতে উঠছিল। “আরও…” সায়রা ফিসফিস করল। নীল থামল না। তার আঙুল সায়রার ভেতর প্রবেশ করল—আস্তে, তারপর গভীরভাবে। সায়রার শরীর কেঁপে উঠল। নীল তার কানে বলল, “তুমি ভিজে গেছো আমার জন্য।” সায়রা নীলের চুল টেনে ধরল। তারা একে অপরকে ছুঁয়ে, চুমু খেয়ে, শরীরের প্রতিটা অংশ আবিষ্কার করে সময় কাটাল। পুরোপুরি মিলন হয়নি সেই দিন, কিন্তু সায়রার শরীর নীলের হাতে সম্পূর্ণ সমর্পণ করেছিল।

সন্ধ্যায় পরিবারের সবাই একসঙ্গে বসেছিল। চাচা হাসছিলেন। “নীল, তুমি আমাদের পরিবারের লোক হয়ে গেছো।” সায়রার মা চোখ মুছছিলেন। “বাবার অসুখ ভালো হয়ে যাবে এই খুশিতে।” সায়রা নীলের হাত চেপে ধরল। নীল তার দিকে তাকাল—চোখে একটা প্রশ্ন। সায়রা মাথা নাড়ল। সেও জানত, পরিবার সত্যিই খুশি। আর সে খুশি হতে চাইছিল না এই অভিনয় নিয়ে।

রাত্রে নীল সায়রাকে জড়িয়ে ধরে শুয়েছিল। “কী হবে যখন এসব শেষ হবে?” সায়রা চুপ ছিল। নীল তার কপালে চুমু দিল। “আমি চাই না শেষ হোক।” সায়রা উল্টে নীলের ওপর উঠে বসল। তার চুল নীলের বুকে পড়ছিল। “তুমি পরীক্ষায় পাস করছো।” সে নীলের ঠোঁটে চুমু দিল। তারপর নিচু হয়ে নীলের বুক, পেট, আরও নিচে নেমে গেল। নীলের শ্বাস ভারী হয়ে উঠল। সায়রা তার ঠোঁট দিয়ে নীলের উত্তেজিত অংশ স্পর্শ করল—আস্তে, তারপর গভীরভাবে। নীল তার চুল ধরে রাখল। “সায়রা…” সায়রা থামল না। নীলের শরীর কেঁপে উঠল। পরে নীল তাকে উপরে টেনে এনে তার ভেতর প্রবেশ করল। ধীর, গভীর, পুরোপুরি। সায়রার নখ নীলের পিঠে ফুটে গেল। দুজনের শ্বাস, ঘাম, আর শরীরের শব্দ ঘর ভরে দিয়েছিল। তারা একাধিকবার মিলিত হলো সেই রাতে। প্রতিবার আরও গভীর, আরও ক্ষুধার্ত।

ভোরে সায়রা নীলের বুকে মাথা রেখে শুয়েছিল। “আমরা কী করছি?” নীল তার চুল আঙুলে জড়াল। “যা করার দরকার।” কিন্তু তার গলায় ভয় ছিল। পরিবারের খুশি দেখে দুজনেরই মনে হচ্ছিল—এই মিথ্যা আর মিথ্যা থাকছে না।

পরের দিন চাচা নীলকে নিয়ে জমির সাইটে গেলেন। সায়রা বাড়িতে মায়ের সঙ্গে বসল। মা হঠাৎ বললেন, “তোর চোখে আমি খুশি দেখছি। নীল ভালো ছেলে।” সায়রা চুপ করে রইল। মা তার হাত ধরলেন। “মিথ্যা করো না। তোরা একে অপরকে চাও।”

সায়রার বুক কেঁপে উঠল। সে জানত মা ঠিক বলছেন।

সন্ধ্যায় নীল ফিরে এসে সায়রাকে ছাদে নিয়ে গেল। “চাচা সব ঠিক করে দিয়েছেন। কয়েকদিন পর আমরা ফিরতে পারি।” সায়রা তার দিকে তাকাল। “ফিরে গিয়ে কী হবে?” নীল তার হাত ধরল। “জানি না। কিন্তু আমি তোমাকে ছাড়তে চাই না।” সায়রা তার কাছে গিয়ে জড়িয়ে ধরল। নীল তার ঠোঁট দখল করল। ছাদের অন্ধকারে তারা একে অপরকে চুমু খেল, হাত ঘষল, শরীর জড়াল। নীল সায়রার জামা তুলে তার বুক স্পর্শ করল। সায়রা তার প্যান্টের বোতাম খুলে দিল। তারা দাঁড়িয়েই একে অপরকে স্পর্শ করল, উত্তেজিত করল। পরে ঘরে গিয়ে পুরো রাত কাটাল গভীর মিলনে। সায়রার শরীর নীলের প্রতিটা স্পর্শে কেঁপে উঠছিল। নীল তার কানে বারবার বলছিল, “তুমি আমার।” সায়রা উত্তর দিচ্ছিল, “আর তুমি আমার।”

সেই রাতে সায়রা বুঝে গিয়েছিল—অভিনয় শেষ হলেও কিছু শেষ হবে না।

কয়েকদিন পর বাবার অবস্থা ভালো হলো। চাচা জমির ব্যাপারে আর কোনো আপত্তি রাখলেন না। পরিবারের সবাই নীলকে বিদায় জানাতে এসেছিল। মা চোখে জল নিয়ে নীলকে জড়িয়ে ধরলেন। “আবার এসো।” চাচা তার পিঠ চাপড়ে বললেন, “তুমি আমাদের ছেলে।”

সায়রা আর নীল ট্রেনে উঠল। সিলেট ছাড়ার সময় দুজনেরই চোখ ভারী ছিল। ট্রেনের কামরায় নীল সায়রার হাত ধরে রাখল। “এখন কী?” সায়রা জানালার বাইরে তাকিয়ে রইল। “অভিনয় শেষ।” নীল তার মুখ ঘুরিয়ে চুমু দিল। “শেষ করতে চাই না।”

ঢাকায় ফিরে তারা নিজেদের ফ্ল্যাটে গেল। সায়রার ফ্ল্যাট। দরজা বন্ধ করে নীল সায়রাকে দেয়ালে ঠেস দিয়ে চুমু খেল। “আমি তোমাকে চাই। সত্যি করে।” সায়রা তার শার্ট ছিঁড়ে ফেলল। “আমিও।” তারা মেঝেতেই গড়িয়ে পড়ল। নীল সায়রার সব কাপড় খুলে তার শরীর চুমুতে ভরিয়ে দিল—বুক, পেট, উরু, আরও গভীরে। সায়রা আর্তনাদ করে উঠল। নীল তার ভেতর প্রবেশ করল জোরে, গভীরভাবে। সায়রার পা নীলের কোমরে জড়িয়ে গেল। তারা ঘণ্টার পর ঘণ্টা মিলিত হলো। প্রতিবার আরও তীব্র। সায়রার নখ নীলের পিঠে রক্ত তুলল। নীল তার গলায় দাঁত বসাল। ঘামে ভেজা শরীর, ভেজা শব্দ, আর একে অপরের নাম ডাকা—ফ্ল্যাট ভরে গিয়েছিল।

ভোরে সায়রা নীলের বুকে শুয়ে বলল, “আমরা কী করব এখন?” নীল তার চুল চুমু খেল। “একসঙ্গে থাকব। আর কোনো অভিনয় নয়।” সায়রা উঠে তার ওপর বসল। “তুমি ভালো স্বামী হয়েছ।” নীল হাসিমুখে তাকে নিচু করে চুমু দিল। “তুমিও ভালো স্ত্রী।”

পরের সপ্তাহগুলোতে তারা আলাদা থাকার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু পারছিল না। অফিসে নীল সায়রার টেবিলের পাশে এসে দাঁড়াত। সায়রা তার হাত ছুঁয়ে দিত। রাতে একজনের ফ্ল্যাটেই তারা ঘুমাত। প্রতি রাত গভীর রোমান্সে ভরে যেত। নীল সায়রাকে বিছানায় শুইয়ে তার পুরো শরীর চুমুতে ভরাত। সায়রা নীলের ওপর উঠে তাকে নিয়ন্ত্রণ করত। তারা একে অপরের শরীরের প্রতিটা কোণ আবিষ্কার করেছিল। কখনো ধীর, কখনো উন্মত্ত। সায়রার চিৎকার নীলের কানে মিষ্টি লাগত। নীলের গভীর শ্বাস সায়রাকে আরও উত্তেজিত করত।

একদিন সায়রার মা ফোন করলেন। “তোরা কবে আসছ? সবাই তোদের মিস করছে।” সায়রা নীলের দিকে তাকাল। নীল মাথা নাড়ল। “আমরা যাব। এবার সত্যি করে।”

তারা আবার সিলেটে গেল। এবার কোনো অভিনয় ছাড়া। পরিবারের সামনে নীল সায়রার হাত ধরে বলল, “আমরা একে অপরকে চাই। বিয়ে করব।” মা কেঁদে ফেললেন। চাচা হাসলেন। বাবা বিছানায় বসে তাদের আশীর্বাদ করলেন।

সেই রাতে পুরনো ঘরে তারা আবার মিলিত হলো। জানালা দিয়ে চাঁদের আলো পড়ছিল। নীল সায়রাকে আস্তে করে শুইয়ে তার শরীর চুমুতে ভরল। সায়রা তার চুল টেনে তুলল। “আরও কাছে এসো।” নীল তার ভেতর প্রবেশ করল—এবার আর কোনো তাড়াহুড়ো নেই। ধীর, গভীর, ভালোবাসার সঙ্গে। সায়রার চোখে জল এসে গেল। নীল তার ঠোঁট চুমু খেল। “আমি তোমাকে ছাড়ব না।” সায়রা জড়িয়ে ধরল। “আমিও না।”

তারা সারারাত জেগে একে অপরকে স্পর্শ করল, চুমু খেল, মিলিত হলো। সকালে যখন সূর্য উঠল, সায়রা নীলের বুকে মাথা রেখে শুয়ে রইল। বাইরে পরিবারের কোলাহল শোনা যাচ্ছিল। ভেতরে দুজনের হৃদস্পন্দন এক হয়ে গিয়েছিল।

অভিনয় শেষ হয়েছিল অনেক আগে। এখন শুধু সত্যি বাকি। আর সেই সত্যি ছিল গভীর, গরম, আর অবিচ্ছেদ্য।

....
👁 10