শৈশবের শত্রু অবশেষে স্বামী

তিশা আর আয়ানের শত্রুতা শুরু হয়েছিল ছোটবেলায়, একই গলির দুই বাড়িতে। তিশার বাবা একটা ছোট কাপড়ের দোকান চালাতেন, আয়ানের বাবা স্কুলের শিক্ষক ছিলেন। দুজনেই একই স্কুলে পড়ত। ক্লাস থ্রি থেকেই তাদের লড়াই শুরু।

¦Ëk¢xz˲Úèžé

আয়ান ইচ্ছে করে তিশার ছাদে বল মারত। ফুটবল খেলতে গিয়ে হঠাৎ করে বলটা উড়িয়ে দিত তিশার বাড়ির দিকে। তিশা দৌড়ে এসে চিৎকার করত, “আয়ান! আবার করলি? বাবা দেখলে খবর আছে!” আয়ান হাসত শুধু। তার চোখে দুষ্টুমির ঝিলিক। তিশা সুযোগ পেলেই আয়ানের বই লুকিয়ে রাখত। একদিন স্কুলের ব্যাগ থেকে গণিতের খাতা সরিয়ে রেখেছিল আলমারির নিচে। আয়ান খুঁজে না পেয়ে রেগে গিয়েছিল। পরের দিন সে তিশার জলের বোতল খালি করে দিয়েছিল।

তাদের শত্রুতা এমন হয়ে উঠেছিল যে পাড়ার সবাই জানত। দুজনে একে অপরকে দেখলেই মুখ ভার করে চলে যেত। কিন্তু কেউ কেউ লক্ষ্য করত, আয়ান যখন তিশাকে বিরক্ত করত, তার চোখে একটা আলাদা আনন্দ থাকত। তিশাও যখন আয়ানের কোনো জিনিস লুকাত, মুখে রাগ থাকলেও ভিতরে একটা উত্তেজনা কাজ করত।

¦Ëk¢x/춺'ƒú

বছর যেতে লাগল। তিশা এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে। আয়ান বিদেশ চলে গিয়েছে উচ্চশিক্ষার জন্য। প্রায় দশ বছর। তিশা শুনেছিল সে আমেরিকায় পড়ছে। কেউ আর তার খবর রাখেনি। তিশার জীবন চলছিল নিজের মতো। পড়াশোনা, বন্ধুদের সাথে সময়, বাবার দোকানে সাহায্য। কিন্তু মাঝে মাঝে রাতে মনে পড়ত সেই দুষ্টু ছেলেটার কথা। যার বল ছাদে পড়লেই তার মনটা একটু উত্তেজিত হয়ে উঠত।

একদিন সকালে তিশা বাসায় বসে চা খাচ্ছিল। হঠাৎ দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ। খুলে দেখে একজন লম্বা, গম্ভীর চেহারার যুবক। কালো চশমা, সাদা শার্ট, জিন্স। তিশা একটুক্ষণ তাকিয়ে রইল। তারপর চিনতে পারল।

“আয়ান?”

আয়ান চশমা খুলে নিল। চোখ দুটো আগের মতোই, কিন্তু এখন আর সেই ছেলেমানুষি নেই। গম্ভীর, পরিণত। “হ্যাঁ। ফিরে এসেছি।”

তিশা অবাক। সেই দুষ্টু ছেলেটা এখন এমন গম্ভীর! কথাবার্তা কম, হাসি নেই। পাড়ার লোকজন এসে জিজ্ঞেস করল, কেমন আছ, কী করছ। আয়ান সংক্ষেপে উত্তর দিল। তিশা দূর থেকে দেখছিল। মনে হচ্ছিল, এই লোকটা কি সত্যিই সেই আয়ান?

কিন্তু সন্ধ্যাবেলা যখন তিশা ছাদে কাপড় তুলতে গেল, হঠাৎ একটা বল এসে পড়ল তার পায়ের কাছে। তিশা ঘুরে তাকাল। পাশের ছাদে আয়ান দাঁড়িয়ে। মুখে হালকা হাসি।

“পুরনো অভ্যাস যায় না,” বলল আয়ান।

তিশার মুখেও হাসি ফুটল। “তুই এখনও সেই একই!”

আয়ান নেমে এল। দুজনে গলির মাথায় দাঁড়িয়ে কথা বলল। আয়ান বলল, সে এখন একটা আন্তর্জাতিক কোম্পানিতে কাজ করে। কিছুদিনের জন্য দেশে এসেছে। তিশা বলল নিজের পড়াশোনার কথা। কথার ফাঁকে ফাঁকে আয়ান আগের মতোই একটু একটু করে বিরক্ত করতে লাগল। তিশার চুলের একটা পিন সরিয়ে নিল চুপিচুপি। তিশা ধরতে পেরে ধাক্কা দিল।

“এখনও দুষ্টুমি করিস!”

আয়ান হাসল। এই হাসিটা আগের মতোই। তিশার মনটা একটু কেঁপে উঠল। দশ বছর পরও সেই একই অনুভূতি।

পরের কয়েকদিন তারা প্রায়ই দেখা করত। আয়ান এখন গম্ভীর, কিন্তু তিশাকে দেখলেই পুরনো রূপ ফিরে আসত। একদিন তিশার বইয়ের ব্যাগ থেকে একটা নোটবুক সরিয়ে রেখেছিল। তিশা খুঁজে না পেয়ে রেগে গিয়ে আয়ানের বাড়িতে গিয়েছিল। আয়ান হাসতে হাসতে ফিরিয়ে দিয়েছিল।

“তোর ওপর রাগ করলে মনটা ভালো লাগে,” বলেছিল আয়ান।

তিশা চুপ করে গিয়েছিল। তার বুকের ভিতরটা একটু গরম হয়ে উঠেছিল।

এক সন্ধ্যায় তিশা আয়ানের ঘরে গিয়েছিল কোনো কাগজপত্র নিতে। আয়ান বাইরে ছিল। তিশা টেবিলের ওপর একটা ফোল্ডার দেখতে পেল। খুলে দেখল ভিতরে অনেকগুলো ছবি। তার নিজের ছবি। ছোটবেলার, স্কুলের, কলেজের। কিছু ছবি সে নিজেও মনে করতে পারে না কখন তোলা। আয়ান কি এগুলো জমিয়ে রেখেছিল এত বছর?

তিশার হাত কাঁপছিল। সে ফোল্ডারটা বন্ধ করে রেখে দিল। মনটা অদ্ভুত এক অনুভূতিতে ভরে গেল। রাগ, অবাক, আর কিছু একটা যা সে বুঝতে পারছিল না।

আয়ান তখনই এসে পড়ল। তিশার মুখ দেখে বুঝতে পারল। চুপ করে দাঁড়িয়ে রইল।

তিশা তাকাল তার দিকে। “এগুলো… তুই জমিয়ে রেখেছিলি?”

আয়ান মাথা নড়াল। “হ্যাঁ।”

কোনো ব্যাখ্যা দিল না। শুধু তাকিয়ে রইল। তিশার চোখে জল এসে গেল। সে দ্রুত বেরিয়ে গেল।

রাতভর তিশার ঘুম হল না। মনে মনে সেই ছবিগুলো ঘুরছিল। আয়ান এত বছর বিদেশে থেকেও তার ছবি রেখেছিল। কেন?

পরের দিন আয়ান এসে দাঁড়াল তার দরজায়। “কথা বলব?”

তিশা খুলল দরজা। দুজনে ছাদে গেল। রাতের আকাশ পরিষ্কার। আয়ান বলল, “আমি জানতাম তুই রাগ করবি। কিন্তু আমি পারিনি ফেলে দিতে।”

তিশা চুপ। আয়ান কাছে এল। তার হাত তিশার হাতের ওপর রাখল। গরম স্পর্শ। তিশার শরীর কেঁপে উঠল।

“তোর সাথে আমার শত্রুতা ছিল না কখনো,” ফিসফিস করে বলল আয়ান। “আমি শুধু… তোর কাছে থাকতে চেয়েছিলাম। যেকোনো উপায়ে।”

তিশা তাকাল তার চোখে। সেই গম্ভীর চোখে এখন আগুন। আয়ান একটু এগিয়ে এল। তিশার ঠোঁটের কাছে। নিঃশ্বাস গরম। তিশা পিছু হটল না। আয়ানের ঠোঁট তার ঠোঁটে ছুঁয়ে গেল। আলতো করে। তারপর গভীর হয়ে উঠল। তিশার হাত উঠে গেল আয়ানের ঘাড়ে। আয়ান তাকে জড়িয়ে ধরল শক্ত করে। চুম্বনটা লম্বা হল। গরম, ভিজে, ক্ষুধার্ত।

যখন আলাদা হল, দুজনের নিঃশ্বাস হাঁপাচ্ছিল। আয়ানের চোখে এখন আর গম্ভীরতা নেই। শুধু আগুন।

“আমি তোকে চাই,” বলল সে। “এতদিন ধরে।”

তিশা কিছু বলল না। শুধু আয়ানের শার্টের বোতাম ধরে টানল নিজের দিকে। আবার চুমু খেল তারা। এবার আরও গভীর। আয়ানের হাত তিশার কোমরে গিয়ে থামল। তিশার শরীর কাঁপছিল উত্তেজনায়। ছাদের অন্ধকারে দুজন একে অপরকে চেপে ধরল। গরম নিঃশ্বাস, ভিজে ঠোঁট, আর হাতের স্পর্শ যা শরীরের ভিতর পর্যন্ত পৌঁছে যাচ্ছিল।

সেই রাতে তারা অনেকক্ষণ ছাদেই থাকল। কথা কম, স্পর্শ বেশি। আয়ান তিশার গালে চুমু খেল, ঘাড়ে, কানে। তিশা আয়ানের বুকের ওপর মাথা রাখল। তার হৃদস্পন্দন শুনতে পেল। দ্রুত, গরম।

“আমি তোর ছবি দেখে দেখে রাত কাটিয়েছি,” স্বীকার করল আয়ান। “প্রতিটা ছবিতে তোর হাসি, তোর রাগ… সব।”

তিশা আয়ানের হাত চেপে ধরল। “আমিও… তোকে মনে রেখেছিলাম।”

আয়ান তাকে আবার চুমু খেল। এবার আরও জোরালো। তিশার শরীর আয়ানের শরীরের সাথে মিশে গেল। হাত দুটো একে অপরের পিঠে ঘুরছিল। গরম, চাপা উত্তেজনা। তিশার বুকের নিঃশ্বাস দ্রুত হয়ে উঠল। আয়ানের হাত তার কোমর থেকে একটু উপরে উঠল। তিশা কাঁপল।

তারা সেই রাতে আর কিছুদূর এগোয়নি। কিন্তু প্রতিজ্ঞা করেছিল, আগামীকাল আবার দেখা করবে। আরও কাছে।

তিশা ঘরে ফিরে শুয়ে পড়ল। শরীর এখনও গরম। আয়ানের চুম্বনের স্বাদ ঠোঁটে লেগে আছে। মনে হচ্ছিল, শৈশবের শত্রুতা আসলে অন্য কিছু ছিল। যা এখন আগুন হয়ে জ্বলছে।

পরের দিন তিশা স্কুলে যাওয়ার কথা ছিল না। ছুটি। আয়ান সকালবেলাই এসে হাজির। তিশার বাবা দোকানে, মা বাজারে। বাড়ি প্রায় খালি। আয়ান এসে দাঁড়াল দরজায়। তিশা খুলতেই সে ভিতরে ঢুকে পড়ল। দরজা বন্ধ করে দিল।

দুজনে তাকিয়ে রইল একে অপরের দিকে। কথা নেই। আয়ান এগিয়ে এল। তিশাকে দেয়ালের সাথে চেপে ধরল। চুমু খেল গভীরভাবে। তিশার হাত আয়ানের চুলের মধ্যে ঢুকে গেল। আয়ানের জিভ তিশার মুখে ঢুকল। গরম, ভিজে, চাপা ক্ষুধা। তিশা আওয়াজ করল গলা দিয়ে। আয়ান আরও জোরে চেপে ধরল।

তারা বিছানায় গড়িয়ে পড়ল। আয়ান তিশার ওপর। শার্টের বোতাম খুলতে লাগল এক এক করে। তিশার ত্বক উন্মুক্ত হচ্ছিল। আয়ান চুমু খেল তার গলায়, কলারেবোনের ওপর, তারপর আরও নিচে। তিশার নিঃশ্বাস হাঁপাচ্ছিল। তার হাত আয়ানের শার্ট টেনে খুলে দিল। আয়ানের বুকের মাংসপেশি শক্ত, গরম। তিশা হাত বুলিয়ে দিল। আয়ান কাঁপল।

“তিশা…” তার গলা ভাঙা। “আমি এতদিন ধরে এটা চেয়েছি।”

তিশা তার ঠোঁট চেপে ধরল। “এখন আছি।”

আয়ান তিশার ব্রা খুলে দিল। তার স্তন দুটো উন্মুক্ত হল। আয়ান মুখ গুঁজে দিল। জিভ দিয়ে চাটতে লাগল, টেনে ধরল আলতো করে। তিশা কামড়ে ধরল নিজের ঠোঁট। আনন্দে শরীর কেঁপে উঠল। আয়ানের হাত তার স্কার্টের নিচে ঢুকল। উরু ধরে টানল। তিশার প্যান্টি ভিজে গিয়েছিল ইতিমধ্যে। আয়ান বুঝতে পেরে হাসল গলা দিয়ে।

“তোর শরীর বলছে সব।”

সে আঙুল ঢোকাল তিশার ভিতরে। ধীরে ধীরে। তিশা কামড়ে ধরল আয়ানের কাঁধ। আয়ান নড়াতে লাগল আঙুল। তিশার শরীর উঠানামা করছিল। তার গলা দিয়ে অস্পষ্ট শব্দ বেরোচ্ছিল। আয়ান আরও একটা আঙুল ঢোকাল। গতি বাড়াল। তিশা তার পিঠে নখ বসিয়ে দিল।

আয়ান নিজের প্যান্ট খুলে ফেলল। তার পুরুষাঙ্গ শক্ত, গরম। তিশা দেখে চোখ বড় করল। আয়ান তার পা দুটো আলাদা করল। ধীরে ধীরে ঢুকিয়ে দিল। তিশা চিৎকার করে উঠল আনন্দে। আয়ান থেমে গেল এক মুহূর্ত। তারপর নড়তে শুরু করল। গভীর, ধীর, তারপর দ্রুত।

বিছানা নড়ছিল। তিশার স্তন উঠানামা করছিল। আয়ান নিচু হয়ে চুমু খেল তার ঠোঁটে, গলায়, স্তনে। তিশা তার কোমর জড়িয়ে ধরল পা দিয়ে। আয়ান আরও গভীরে ঢুকল। প্রতিটা ধাক্কায় তিশার শরীর কেঁপে উঠছিল। ঘামে ভিজে যাচ্ছিল দুজনের শরীর।

আয়ান তিশাকে উল্টে দিল। পিছন থেকে ঢুকল। হাত দিয়ে তার কোমর ধরে টানল। তিশা বালিশে মুখ গুঁজে চিৎকার করল। আয়ানের গতি বাড়ল। শব্দ হচ্ছিল শরীরের সাথে শরীরের। গরম, ভিজে, চাপা। তিশা মুক্তি পেল প্রথমে। তার শরীর কেঁপে উঠল প্রচণ্ডভাবে। আয়ানও তারপর। গরম তরল ঢেলে দিল ভিতরে।

দুজনে পাশাপাশি শুয়ে রইল। নিঃশ্বাস সামলাতে সামলাতে। আয়ান তিশার চুলে হাত বুলিয়ে দিল।

“আমি তোকে ভালোবাসি,” বলল সে। “ছোটবেলা থেকেই। বল মেরে, বই লুকিয়ে… সবই ছিল তোর দৃষ্টি পাওয়ার জন্য।”

তিশা তার বুকে মাথা রাখল। “আমিও। রাগ করতাম, কিন্তু মনটা সবসময় তোর দিকেই যেত।”

তারা আবার জড়িয়ে ধরল একে অপরকে। এবার আরও আস্তে। চুমু, স্পর্শ, আর গভীর কথা। আয়ান বলল বিদেশের দিনগুলোর কথা। কীভাবে রাতে তিশার ছবি দেখত। কীভাবে প্রতিটা ছবিতে তার মুখ খুঁজত। তিশা শুনল চুপচাপ। তার হাত আয়ানের বুকে ঘুরছিল।

দুপুরের দিকে তারা আবার জড়িয়ে পড়ল। এবার আরও ধীর, আরও গভীর। আয়ান তিশাকে উপরে বসিয়ে দিল। তিশা নিজে থেকে নড়তে লাগল। আয়ানের হাত তার স্তনে। তিশা মাথা পিছনে ফেলে চোখ বন্ধ করে উপভোগ করল। আয়ান নিচে থেকে ধাক্কা দিল। দুজনে আবার মুক্তি পেল একসাথে।

বিকেলে তিশার মা ফিরে এল। আয়ান চুপিচুপি বেরিয়ে গেল। তিশা বাথরুমে গিয়ে শরীর ধুয়ে নিল। আয়নের স্পর্শের চিহ্ন শরীরে লেগে আছে। মনে হচ্ছিল, সে আর আগের তিশা নেই।

সন্ধ্যায় আয়ান মেসেজ করল। “আজ রাতে ছাদে আসবি?”

তিশা গেল। আয়ান অপেক্ষা করছিল। দুজনে আবার জড়িয়ে ধরল। এবার আরও সাহসী। আয়ান তিশার পোশাক খুলে দিল ছাদের অন্ধকারে। তিশাও আয়ানের। নগ্ন শরীর দুটো মিশে গেল। আয়ান তিশাকে দেয়ালের সাথে চেপে ধরে ঢুকিয়ে দিল। তিশা তার ঘাড়ে কামড়ে ধরল যাতে শব্দ না হয়। আয়ানের ধাক্কা শক্ত, গভীর। তিশার পা আয়ানের কোমরে জড়িয়ে ছিল। প্রতিটা ধাক্কায় তার শরীর কেঁপে উঠছিল।

তারা অনেকক্ষণ ধরে চালিয়ে গেল। ক্লান্ত হয়ে শুয়ে পড়ল ছাদের মেঝেতে। আকাশের তারা দেখছিল। আয়ান তিশার হাত ধরেছিল।

“আমি আর যাব না,” বলল আয়ান। “এখানেই থাকব। তোর সাথে।”

তিশা হাসল। “তুই গম্ভীর হয়ে গেছিস। কিন্তু আমার সামনে এখনও সেই দুষ্টু।”

আয়ান তার ঠোঁটে চুমু খেল। “শুধু তোর জন্য।”

সেই রাতে তারা আরও একবার জড়িয়ে পড়ল। এবার আরও আলতো, আরও ভালোবাসার সাথে। আয়ান তিশার প্রতিটা অঙ্গে চুমু খেল। তিশাও। দুজনের শরীর একে অপরকে চিনে নিল সম্পূর্ণভাবে। গরম, ভিজে, সম্পূর্ণ।

তিশা যখন ঘরে ফিরল, মনটা শান্ত। কিন্তু শরীর এখনও আয়ানের স্পর্শ মনে রাখছিল। সে জানত, এটা শুরু মাত্র।

পরের সপ্তাহগুলোতে তিশা আর আয়ান প্রায় প্রতিদিন দেখা করত। কখনো আয়ানের বাসায়, কখনো তিশার বাসা খালি থাকলে, কখনো কোনো নির্জন জায়গায়। তাদের শরীর একে অপরের জন্য ক্ষুধার্ত হয়ে উঠেছিল। প্রতিবার দেখা মানেই গভীর চুম্বন, হাতের স্পর্শ, আর শরীর মেলানো।

একদিন আয়ান তিশাকে নিয়ে গেল শহরের বাইরে একটা ছোট বাসায়। তার বন্ধুর। কেউ নেই। পুরো দিন তাদের। সকাল থেকেই তারা বিছানায়। আয়ান তিশাকে ধীরে ধীরে খুলে দিল। প্রতিটা পোশাক খোলার সাথে সাথে চুমু। তিশার স্তনে, পেটে, উরুতে। তিশাও আয়ানের শরীর চিনতে লাগল জিভ দিয়ে। তার পুরুষাঙ্গ মুখে নিল। আয়ান মাথা পিছনে ফেলে আওয়াজ করল। তিশা চাটতে লাগল, চুষতে লাগল। আয়ানের হাত তার চুলে।

তারপর আয়ান তিশাকে শুইয়ে দিল। পা দুটো কাঁধে তুলে ঢুকিয়ে দিল গভীরে। তিশা চিৎকার করল। আয়ান ধাক্কা দিতে লাগল শক্ত করে। বিছানার কাঠের শব্দ হচ্ছিল। তিশার স্তন লাফাচ্ছিল। আয়ান নিচু হয়ে একটা স্তন মুখে নিল। কামড়ে ধরল আলতো। তিশা আরও জোরে আওয়াজ করল।

তারা অবস্থান বদলাল বারবার। তিশা উপরে, আয়ান পিছন থেকে, পাশে শুয়ে। প্রতিবারই গভীর, গরম, সম্পূর্ণ। তিশা কয়েকবার মুক্তি পেল। তার শরীর কাঁপছিল অবসন্ন হয়ে। আয়ানও। গরম তরল ছড়িয়ে পড়ল শরীরে।

দুপুরে তারা না খেয়েই আবার জড়িয়ে পড়ল। এবার আরও ধীর। আয়ান তিশার চোখে তাকিয়ে ঢুকিয়ে দিল। হাত ধরে রেখে। “আমি তোকে বিয়ে করব,” বলল সে। “শীঘ্রই।”

তিশা হাসল। ঘামে ভেজা মুখ। “আগে আমাকে আরও চাও।”

আয়ান চাইল। পুরো বিকেল ধরে। তিশার শরীর লাল হয়ে গিয়েছিল চুম্বন আর কামড়ের দাগে। আয়ানের পিঠে তিশার নখের দাগ। তারা ক্লান্ত হয়ে শুয়ে রইল জড়িয়ে।

সন্ধ্যায় ফিরে এসে তিশা বাবা-মাকে বলল আয়ানের কথা। আয়ানও তার পরিবারকে। দুই পরিবারই খুশি। পুরনো শত্রুতা সবাই জানত। এখন ভালোবাসায় পরিণত হওয়ায় সবাই অবাক হলেও মেনে নিল।

বিয়ের আগে তারা আরও কয়েকবার মিলিত হল। প্রতিবারই আরও গভীর, আরও ক্ষুধার্ত। এক রাতে আয়ান তিশাকে তার ঘরে নিয়ে গেল। পুরো রাত জাগল। আয়ান তিশাকে টেবিলের ওপর শুইয়ে ঢুকিয়ে দিল। তিশা পা ছড়িয়ে দিল। আয়ানের ধাক্কা এত শক্ত যে টেবিল নড়ছিল। তিশা আয়ানের হাত চেপে ধরে চিৎকার করল। আয়ান তার গলায় চুমু খেতে খেতে বলল, “তোর শরীর আমার। সব।”

তিশা মাথা নাড়ল। “তোমার।”

তারা বিছানায় গিয়ে আবার শুরু করল। এবার তিশা আয়ানের ওপর বসে নড়ল নিজে থেকে। আয়ানের হাত তার কোমরে। তিশা মাথা পেছনে ফেলে উপভোগ করল। তার স্তন আয়ানের মুখের কাছে। আয়ান মুখে নিল। তিশা আরও দ্রুত নড়ল। দুজনে একসাথে মুক্তি পেল। গরম তরল গড়িয়ে পড়ল উরু দিয়ে।

বিয়ের দিন এল। সাদা পোশাকে তিশা, পাঞ্জাবিতে আয়ান। অনুষ্ঠান শেষে তারা একা হল। নতুন ঘরে। আয়ান দরজা বন্ধ করে তিশাকে তুলে নিয়ে বিছানায় শুইয়ে দিল।

“এখন তুই সম্পূর্ণ আমার,” বলল সে।

তিশা হাঁটু গেড়ে বসল। আয়ানের প্যান্ট খুলে তার পুরুষাঙ্গ মুখে নিল। ধীরে ধীরে চুষতে লাগল। আয়ান চুল ধরে টানল আলতো। তিশা গভীরে নিল। আয়ানের নিঃশ্বাস ভারী হয়ে উঠল। তারপর সে তিশাকে শুইয়ে দিল। পা আলাদা করে জিভ ঢোকাল। তিশা বিছানা চেপে ধরল। আয়ান চাটতে লাগল, চুষতে লাগল। তিশা মুক্তি পেল তার জিভে।

আয়ান উঠে এসে ঢুকিয়ে দিল। ধীরে। তিশার চোখে তাকিয়ে। “ভালোবাসি,” বলল সে প্রতিটা ধাক্কায়। তিশাও বলল। তাদের শরীর মিলল সম্পূর্ণভাবে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা। কখনো শক্ত, কখনো আলতো। কখনো তিশা উপরে, কখনো আয়ান। ঘামে ভিজে গেল চাদর। তিশার চুল এলোমেলো। আয়ানের চোখে শুধু তিশা।

রাত গভীর হল। তারা ক্লান্ত হয়ে জড়িয়ে শুয়ে রইল। আয়ান তিশার পেটে হাত রাখল।

“আমরা একসাথে থাকব,” বলল সে। “পুরো জীবন।”

তিশা তার বুকে মাথা রাখল। “হ্যাঁ। আর কোনো শত্রুতা নেই। শুধু এটা।”

আয়ান তার কপালে চুমু খেল। তারপর আবার ঠোঁটে। গরম, নরম। তিশা আয়ানের হাত ধরে রাখল। বাইরে রাত শান্ত। ভিতরে দুজনের শরীর এখনও একে অপরের উষ্ণতায় ভরা।

সেই রাতে আরও একবার তারা মিলিত হল। এবার সম্পূর্ণ আলতো। ভালোবাসার সাথে। আয়ান তিশার প্রতিটা অঙ্গ চুম্বন করল। তিশাও। শেষ পর্যন্ত দুজনে একসাথে শুয়ে রইল। নিঃশ্বাস মিলিয়ে। হৃদস্পন্দন এক ছন্দে।

তিশা চোখ বুজে আয়ানের গন্ধ নিল। ছোটবেলার সেই দুষ্টু ছেলেটা এখন তার স্বামী। আর তাদের শত্রুতা এখন গভীরতম ভালোবাসায় পরিণত। গরম, জীবন্ত, অন্তহীন।

....
👁 11