ভুল মেসেজের অদ্ভুত পরিণতি

রাইসা প্রতিদিন রাত এগারোটার দিকে তার মোবাইলটা হাতে নিয়ে বসত। ঘরের আলো ম্লান করে, জানালার পাশে বসে সে তার সবচেয়ে কাছের বান্ধবীকে মেসেজ পাঠাত। বিষয় একটাই—ভবিষ্যৎ স্বামী। কখনো লিখত, “আজকে যদি আমার স্বামী এসে বলে আমাকে চকলেট কিনে দাও, আমি কি করে যাব?” কখনো আবার, “কাল রাতে স্বপ্নে দেখলাম সে আমাকে জড়িয়ে ধরেছে, কিন্তু তার মুখ দেখতে পাইনি।” বান্ধবী হাসত, উত্তর দিত, আর রাইসা আনন্দে গলে যেত।

¦Ëk¢xz˲Úèžé

একদিন সন্ধ্যার পর রাইসা একটু দেরি করে মেসেজ লিখছিল। তার হাত দ্রুত চলছিল। সে লিখল, “আজকে যদি আমার ভবিষ্যৎ স্বামী আমার কাছে আসে, আমি তাকে প্রথমেই জিজ্ঞেস করব—তুমি কি আমাকে রাতে জড়িয়ে ঘুমাতে দাও? নাকি আলাদা বিছানায় শোবে? আর যদি সে বলে না, তাহলে আমি তাকে চুমু খাব জোর করে।” পাঠানোর সময় তার আঙুল একটু সরে গেল। বান্ধবীর নামের বদলে এক অপরিচিত নাম্বারে মেসেজ চলে গেল।

কয়েক মিনিট পর মোবাইল বাজতে লাগল। একটা নতুন মেসেজ। রাইসা চোখ কচলে দেখল। নাম্বারটা চেনে না। মেসেজে লেখা, “আপনার ভবিষ্যৎ স্বামী কথা বলছে। চুমু খাবেন বলেছেন? ঠিক আছে, আমি প্রস্তুত। কিন্তু আগে বলুন, আপনি কি সত্যিই এত সাহসী?”

¦Ëk¢x/춺'ƒú

রাইসার মুখ লাল হয়ে গেল। সে দ্রুত মুছে ফেলতে চাইল, কিন্তু উত্তর না দিয়ে পারল না। সে লিখল, “ভুল নাম্বারে মেসেজ গেছে। সরি।” উত্তর এল তৎক্ষণাৎ, “ভুল নাম্বার হলেও মজার মেসেজ। আমি আদনান। আপনি কে?”

রাইসা একটু চুপ করে রইল। তারপর লিখল, “রাইসা। আর আপনি আমার ব্যক্তিগত কথোপকথন পড়ে হাসছেন?” আদনান উত্তর দিল, “হাসছি না, উপভোগ করছি। আপনার ভবিষ্যৎ স্বামীকে এত সাহসী প্রশ্ন করবেন ভেবে আমার ভালো লাগছে। বলুন তো, সত্যি যদি আমি হই সেই লোক, আপনি কি সত্যি চুমু খাবেন?”

রাইসার হৃদয় দ্রুত স্পন্দিত হচ্ছিল। সে জানত এটা ঠিক নয়, কিন্তু কথার মজা তাকে টেনে রাখছিল। সে লিখল, “আপনি যদি আমার বাবার পছন্দ করা পাত্র হন, তাহলে হয়তো। কিন্তু আপনি তো অপরিচিত।” আদনান জবাব দিল, “অপরিচিত থাকলেই তো মজা। চলুন, কল্পনা করি। ধরুন আমি আপনার ঘরে ঢুকেছি। আপনি বিছানায় শুয়ে আছেন। আমি ধীরে ধীরে কাছে যাচ্ছি। আপনি কি আমাকে থামাবেন, নাকি আমার হাত ধরে টানবেন?”

রাইসা তার ঘরের আলো আরও ম্লান করে দিল। শরীরে একটা উষ্ণতা ছড়িয়ে পড়ছিল। সে লিখল, “আমি হয়তো চোখ বন্ধ করে থাকব। দেখব আপনি কী করেন।” আদনানের মেসেজ এল, “আমি আপনার চুল সরিয়ে কানে ফিসফিস করে বলব—রাইসা, আমি তোমাকে চাই। তারপর তোমার গালে হালকা চুমু দেব। তুমি কি কাঁপবে?”

রাইসার আঙুল কাঁপছিল। সে উত্তর দিল, “হয়তো। কিন্তু আপনি এত সাহসী কেন?” আদনান লিখল, “কারণ আপনার মেসেজ আমাকে উসকে দিয়েছে। আপনি কি চান আমি থেমে যাই?” রাইসা একটু দেরি করে লিখল, “না। আরও বলুন।”

সেই রাত থেকে শুরু হল তাদের খুনসুটি। প্রতিদিন রাতে রাইসা আদনানের কাছে মেসেজ পাঠাত। কখনো তার দিনের কথা, কখনো কল্পনার গভীরে। আদনানও সমান তালে সাড়া দিত। একদিন সে লিখল, “আজকে যদি আমি আপনার পাশে থাকতাম, আপনার হাত ধরে চুমু খেতাম। তারপর আপনার ঘাড়ে নামতাম। আপনি কি আমার চুল টানতেন?” রাইসা উত্তর দিল, “হয়তো টানতাম। আর আপনাকে আরও কাছে টেনে নিতাম।”

তাদের কথোপকথন ধীরে ধীরে গভীর হচ্ছিল। শুধু মজা নয়, এক ধরনের টান তৈরি হচ্ছিল। রাইসা রাতে ঘুমাতে গিয়ে আদনানের কথা ভাবত। তার কণ্ঠ কেমন হতে পারে, তার হাত কেমন গরম হতে পারে। আদনানও মাঝে মাঝে লিখত, “আপনার কণ্ঠ শুনতে ইচ্ছে করছে। কিন্তু এখন না। আগে এই লেখায় আমাদের গল্প গড়ি।”

এক সপ্তাহ কেটে গেল। রাইসা তার বান্ধবীকে বলল না। সে জানত এটা একটা গোপন আনন্দ। আদনানের মেসেজ আসলে তার শরীর গরম হয়ে উঠত। এক রাতে আদনান লিখল, “রাইসা, আমি যদি এখন আপনার ঘরে থাকতাম, আপনাকে বিছানায় শুইয়ে আপনার ঠোঁটে চুমু খেতাম। ধীরে ধীরে গভীর করে। আপনি কি আমার জিভ নিতেন?” রাইসা উত্তর দিল, “নিতাম। আর আপনাকে আমার উপরে টেনে নিতাম। আপনার শরীরের ওজন আমার উপর চাপতে দিতাম।”

কথোপকথন এত গভীরে গেল যে রাইসা নিজেই অবাক। সে জানত এটা ভার্চুয়াল, কিন্তু অনুভূতি সত্যি। আদনান তাকে জিজ্ঞেস করত তার পছন্দ, তার ভয়, তার ইচ্ছা। রাইসাও জানতে চাইত আদনানের কথা। সে জানল আদনান একজন ব্যবসায়ী পরিবারের ছেলে, ঢাকায় থাকে, আর তার বাবা তাকে বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছেন।

রাইসা হাসত মনে মনে। তার বাবাও তাকে বিয়ের কথা বলছেন। কিন্তু সে এখন আদনানের কথায় ব্যস্ত। এক রাতে আদনান লিখল, “আমি যদি আপনাকে চুমু খাই, আপনি কি শুধু ঠোঁটে সীমাবদ্ধ রাখবেন, নাকি আমার গলায় নামবেন?” রাইসা উত্তর দিল, “আপনার গলায় নামব। আর আপনার শার্টের বোতাম খুলব ধীরে ধীরে।” আদনানের উত্তর এল, “তাহলে আমি আপনার জামার নিচে হাত দেব। আপনার ত্বক গরম অনুভব করব। আপনি কি কাঁপবেন আমার স্পর্শে?”

রাইসার শরীর সত্যিই গরম হয়ে উঠছিল মেসেজ পড়তে পড়তে। সে বিছানায় শুয়ে চোখ বন্ধ করে কল্পনা করছিল। আদনানের হাত তার শরীরে, তার নিশ্বাস তার কানে। সে লিখল, “কাঁপব। আর আপনাকে আরও কাছে চাইব।”

তাদের এই গোপন জগৎ প্রতিদিন আরও গভীর হচ্ছিল। রাইসা জানত একদিন এটা শেষ হতে পারে, কিন্তু এখন সে ডুবে থাকতে চাইছিল। আদনানের প্রতিটি মেসেজ তার ভিতরে একটা আগুন জ্বালাচ্ছিল। সে আগুন যেন তার শরীরের প্রতিটি অংশে ছড়িয়ে পড়ছিল।

পরের রাতে আদনান আরও সাহসী হল। সে লিখল, “রাইসা, আমি যদি আপনার পাশে শুয়ে থাকি, আপনার বুকের উপর হাত রাখি, আপনি কি আমার হাত সরাবেন?” রাইসা উত্তর দিল, “সরাব না। বরং আপনার হাত চেপে ধরব। আপনাকে বলব আরও নিচে নামতে।” আদনান লিখল, “তাহলে আমি নামব। আপনার পেটের উপর দিয়ে, আপনার কোমর পর্যন্ত। আপনি কি আমার চুল আঁকড়ে ধরবেন?”

রাইসা তার বিছানায় গড়িয়ে পড়ল। তার নিশ্বাস দ্রুত হচ্ছিল। সে লিখল, “আঁকড়ে ধরব। আর আপনাকে আমার দিকে টানব। আপনার ঠোঁট আমার ঠোঁটে চাইব।”

এভাবেই তাদের রাতগুলো কেটে যাচ্ছিল। শুধু কথার খেলা নয়, এক ধরনের গভীর টান। রাইসা অনুভব করছিল যে আদনান তাকে বুঝতে পারছে। তার হাসির কথা, তার লজ্জার কথা, তার ইচ্ছার কথা। আদনানও তার প্রতিটি উত্তর অপেক্ষায় থাকত।

একদিন রাইসা জিজ্ঞেস করল, “আপনি কি সত্যিই এত সাহসী বাস্তবেও?” আদনান উত্তর দিল, “বাস্তবে আরও বেশি। যদি কখনো দেখা হয়, আপনি দেখবেন।” রাইসার হৃদয় লাফিয়ে উঠল। দেখা হওয়ার কথা সে ভাবেনি। কিন্তু এখন সে চাইছিল।

তাদের কথোপকথন চলতে থাকল। প্রতিটি রাত আরও গরম হয়ে উঠছিল। রাইসা জানত সে একটা বিপজ্জনক পথে হাঁটছে, কিন্তু থামতে পারছিল না। আদনানের মেসেজ তার জন্য দিনের সবচেয়ে প্রতীক্ষিত মুহূর্ত হয়ে উঠেছিল।

এভাবেই প্রথম সপ্তাহ শেষ হল। রাইসা এখনও জানত না যে এই অপরিচিত ছেলেটা তার জীবনের কতটা কাছে চলে এসেছে।

দ্বিতীয় সপ্তাহ শুরু হল আরও গভীর অনুভূতি নিয়ে। রাইসা এখন আর শুধু মজার মেসেজ পাঠাত না। সে আদনানের কাছে তার দিনের ছোটখাটো কথাও বলত। কখনো তার অফিসের চাপ, কখনো তার মায়ের রান্না, কখনো তার একা থাকার অনুভূতি। আদনান মনোযোগ দিয়ে শুনত। সে লিখত, “আপনার কণ্ঠ যদি শুনতে পেতাম, হয়তো আরও কাছে পেতাম। কিন্তু এখন এই লেখায়ই আপনাকে অনুভব করছি।”

এক রাতে রাইসা সাহস করে লিখল, “আদনান, আপনি কি কখনো ভেবেছেন আমরা যদি সত্যি দেখা করি?” আদনানের উত্তর এল দ্রুত, “ভেবেছি। অনেকবার। আপনাকে সামনে পেলে প্রথমেই আপনার চোখের দিকে তাকিয়ে থাকব। তারপর ধীরে ধীরে কাছে যাব। আপনি কি পিছিয়ে যাবেন?” রাইসা লিখল, “না। আমি দাঁড়িয়ে থাকব। আপনার হাতের জন্য অপেক্ষা করব।”

আদনান তখন আরও এগিয়ে গেল। সে লিখল, “আমার হাত আপনার কোমরে যাবে। আপনাকে আমার দিকে টানব। আপনার শরীর আমার শরীরের সাথে লেগে যাবে। আপনি কি আমার বুকের উপর মাথা রাখবেন?” রাইসার শরীর কাঁপছিল। সে উত্তর দিল, “রাখব। আর আপনার হার্টবিট শুনব। আপনি কি তখন আমাকে চুমু খাবেন?” আদনান লিখল, “খাব। প্রথমে হালকা করে আপনার কপালে। তারপর গালে। তারপর আপনার ঠোঁটে। গভীর করে। আপনার জিভ খুঁজব।”

রাইসা বিছানায় শুয়ে মেসেজ পড়ছিল। তার হাত নিজে থেকেই তার শরীরে চলে যাচ্ছিল। সে লিখল, “আমি আপনার জিভ নেব। আর আপনাকে আরও কাছে চাইব। আপনার হাত আমার জামার ভিতরে চাইব।” আদনানের উত্তর এল, “তাহলে আমি দেব। আপনার ত্বক স্পর্শ করব। আপনার বুকের উপর হাত রাখব। আপনি কি আমার হাত চেপে ধরবেন?”

তাদের কথোপকথন এখন আর শুধু কল্পনা ছিল না। সেটা এক ধরনের গভীর সংযোগ হয়ে উঠেছিল। রাইসা রাতে ঘুমাতে গিয়ে আদনানের হাত কল্পনা করত তার শরীরে। আদনানও মাঝে মাঝে লিখত যে সেও একই অনুভূতি অনুভব করছে।

একদিন আদনান জিজ্ঞেস করল, “রাইসা, আপনি কি কখনো কাউকে এত কাছে পেতে চেয়েছেন?” রাইসা সত্যি কথা লিখল, “না। আপনার আগে কেউ আমাকে এভাবে উসকে দেয়নি।” আদনান উত্তর দিল, “আমিও না। আপনার মেসেজ আমাকে পাগল করে দিচ্ছে। আমি যদি এখন আপনার পাশে থাকতাম, আপনাকে জড়িয়ে ধরে আপনার ঘাড়ে চুমু খেতাম। আপনার কানে ফিসফিস করে বলতাম কতটা চাই আপনাকে।”

রাইসা তার উত্তরে লিখল, “আমিও আপনাকে চাই। আপনার শরীর আমার শরীরের সাথে চাই। আপনার ওজন আমার উপর চাই।” আদনান তখন আরও গভীরে গেল। সে লিখল, “তাহলে কল্পনা করুন। আমি আপনাকে বিছানায় শুইয়েছি। আপনার জামা খুলেছি ধীরে ধীরে। আপনার ত্বক আমার ঠোঁটের নিচে। আমি আপনার বুকের উপর চুমু খাচ্ছি। আপনি কি আমার চুল টানছেন?” রাইসা উত্তর দিল, “টানছি। আর আপনাকে বলছি আরও নিচে নামতে। আপনার ঠোঁট আমার পেটে চাইছি।”

রাত গভীর হচ্ছিল। তাদের মেসেজ থামছিল না। আদনান লিখল, “আমি নামছি। আপনার কোমর পর্যন্ত। আপনার পোশাকের কিনারা ধরে টানছি। আপনি কি আমাকে থামাচ্ছেন?” রাইসা লিখল, “না। আমি আপনাকে সাহায্য করছি। আপনার হাত আমার সাথে মিলিয়ে দিচ্ছি।” আদনানের পরের মেসেজ আরও গরম ছিল, “তাহলে আমি আপনাকে সম্পূর্ণ খুলে ফেলছি। আপনার শরীর আমার চোখের সামনে। আমি আপনাকে দেখছি। আপনি কি লজ্জা পাচ্ছেন?” রাইসা উত্তর দিল, “পাচ্ছি। কিন্তু আপনার দৃষ্টি আমার শরীর গরম করে দিচ্ছে। আমি আপনাকে আমার উপর চাইছি।”

এভাবেই তাদের রাত কেটে যাচ্ছিল। শুধু শারীরিক কল্পনা নয়, আবেগও মিশে যাচ্ছিল। রাইসা আদনানের কাছে তার ভয়ের কথাও বলত। সে বলত যে তার বাবা তাকে বিয়ে দিতে চাইছেন, কিন্তু সে এখনও প্রস্তুত নয়। আদনান শুনত এবং বলত, “যখন প্রস্তুত হবেন, তখন ঠিক হবে। এখন আমাদের এই মুহূর্তগুলো উপভোগ করি।”

তৃতীয় সপ্তাহের শুরুতে তাদের কথোপকথন আরও ব্যক্তিগত হয়ে উঠল। আদনান একদিন লিখল, “রাইসা, আমি যদি আপনাকে স্পর্শ করি, আপনি কি শুধু আমার হাত নেন, নাকি আমার পুরো শরীর চান?” রাইসা উত্তর দিল, “পুরো শরীর চাই। আপনার বুক আমার বুকের সাথে চাই। আপনার পা আমার পার সাথে জড়িয়ে চাই।” আদনান লিখল, “তাহলে আমি জড়াব। আপনাকে আমার নিচে নেব। আপনার হাত আমার পিঠে চাইব। আপনি কি আমার ত্বক আঁচড়াবেন?” রাইসা লিখল, “আঁচড়াব। আর আপনাকে আমার ভিতরে চাইব।”

তাদের মেসেজ এখন এতটাই গভীর হয়ে গিয়েছিল যে রাইসা দিনের বেলাও আদনানের কথা ভাবত। তার শরীর যেন আদনানের জন্য অপেক্ষা করছিল। আদনানও একই কথা বলত। সে লিখত, “আপনার কণ্ঠ শুনতে চাই। আপনার নিশ্বাস শুনতে চাই যখন আমি আপনাকে স্পর্শ করি।”

এক রাতে রাইসা সাহস করে ভয়েস নোট পাঠাল। ছোট করে বলল, “আদনান, আমি আপনাকে চাই।” আদনান উত্তরে ভয়েস নোট পাঠাল। তার কণ্ঠ গভীর এবং উষ্ণ ছিল। সে বলল, “রাইসা, আমিও আপনাকে চাই। যদি এখন পাশে থাকতাম, আপনাকে জড়িয়ে ধরে আপনার কানে বলতাম কতটা।”

রাইসা সেই ভয়েস নোট বারবার শুনল। তার শরীর কাঁপছিল। সে আবার মেসেজ লিখল, “আপনার কণ্ঠ শুনে আমার শরীর গরম হয়ে গেছে। আপনি যদি এখন থাকতেন, আমি আপনাকে আমার বিছানায় টানতাম।” আদনান উত্তর দিল, “আমি যেতাম। আপনাকে শুইয়ে আপনার উপর উঠতাম। আপনার ঠোঁট চুষতাম। আপনার গলায় নামতাম। আপনার বুকে চুমু খেতাম। আপনি কি আমার নাম ধরে ডাকতেন?” রাইসা লিখল, “ডাকতাম। আর আপনাকে আরও জোরে চাইতাম।”

তাদের এই গভীর রোম্যান্স প্রতিদিন আরও তীব্র হচ্ছিল। রাইসা জানত সে আদনানের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়েছে। শুধু শরীর নয়, মনও। আদনানও তার প্রতিটি কথায় সেই টান প্রকাশ করত।

একদিন আদনান লিখল, “রাইসা, আমি যদি আপনাকে বিয়ে করি, আমাদের রাতগুলো কেমন হবে জানেন?” রাইসা উত্তর দিল, “কেমন?” আদনান লিখল, “আমি আপনাকে প্রতি রাত জড়িয়ে ধরব। আপনাকে চুমু খাব যতক্ষণ না আপনি কাঁপছেন। আপনাকে আমার করে নেব সম্পূর্ণভাবে। আপনি কি চাইবেন?” রাইসা লিখল, “চাইব। আমি আপনাকে আমার করে নিতে চাই।”

এভাবেই দ্বিতীয় পর্ব শেষ হচ্ছিল। তাদের মধ্যে একটা অদৃশ্য বন্ধন তৈরি হয়ে গিয়েছিল। রাইসা এখনও জানত না যে এই বন্ধন তার বাস্তব জীবনের সাথে কীভাবে জড়িয়ে যাবে।

তৃতীয় সপ্তাহের মাঝামাঝি সময়ে রাইসার বাবা তাকে ডেকে বললেন, “রাইসা, একটা ভালো পাত্র দেখেছি। পরিবার ভালো, ছেলে শিক্ষিত এবং ব্যবসায়ী। আগামী সপ্তাহে দেখা করানোর কথা আছে।” রাইসা মাথা নেড়ে রাজি হল, কিন্তু মনে মনে আদনানের কথা ভাবছিল। সে রাতে আদনানকে লিখল, “বাবা একটা পাত্র দেখেছেন। আমাকে দেখা করতে বলছেন।” আদনানের উত্তর এল, “তাই নাকি? আপনি কি যেতে চান?” রাইসা লিখল, “জানি না। আপনার কথা ভেবে মন অন্যদিকে চলে যায়।”

আদনান তখন লিখল, “তাহলে আমাকেই ভাবা চালিয়ে যান। কল্পনা করুন আমি সেই পাত্র। আপনি কি আমাকে মেনে নেবেন?” রাইসা উত্তর দিল, “যদি আপনি হন, তাহলে হয়তো।” আদনান লিখল, “তাহলে ধরুন আমি আপনার বাবার পছন্দ করা ছেলে। আমি আপনার ঘরে এসেছি। আপনি আমাকে দেখছেন। আমি আপনার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। আপনি কি আমার হাত ধরবেন?” রাইসা লিখল, “ধরব। আর আপনাকে আমার ঘরে নিয়ে যাব।”

তাদের কথোপকথন সেদিন আরও তীব্র হল। আদনান লিখল, “আমি আপনার ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করব। আপনাকে দেয়ালের সাথে ঠেসে চুমু খাব। গভীর করে। আপনি কি আমার পিঠে হাত দেবেন?” রাইসা উত্তর দিল, “দেব। আর আপনাকে আমার দিকে টানব। আপনার শার্ট খুলব।” আদনান লিখল, “তাহলে আমি আপনার জামা খুলব। আপনার ত্বক আমার হাতের নিচে পাব। আপনাকে বিছানায় নিয়ে যাব। আপনি কি আমার উপর উঠবেন?” রাইসা লিখল, “উঠব। আর আপনাকে আমার ভিতরে নেব। আপনার নাম ধরে ডাকব।”

রাতভর তাদের মেসেজ চলল। রাইসা অনুভব করছিল যে আদনান তার শরীর এবং মন দুটোই দখল করে নিচ্ছে। সে জানত এটা বিপজ্জনক, কিন্তু থামতে পারছিল না।

পরের দিন রাইসার বাবা আবার বললেন যে পাত্রের সাথে দেখা ঠিক হয়েছে। রাইসা রাজি হল। সে রাতে আদনানকে সব বলল। আদনান চুপ করে রইল কিছুক্ষণ। তারপর লিখল, “রাইসা, আমি চাই আপনি যান। কিন্তু মনে রাখবেন, আমি এখনও এখানে আছি। আপনার জন্য অপেক্ষা করছি।”

দেখার দিন এল। রাইসা সাজগোজ করে বসল। তার বাবা তাকে নিয়ে গেলেন এক বাসায়। সেখানে একজন ছেলে অপেক্ষা করছিল। রাইসা যখন ঘরে ঢুকল, তার চোখ বড় হয়ে গেল। ছেলেটা আদনান। সেই আদনান যার সাথে সে এতদিন রাত জেগে কথা বলেছে।

আদনানও তাকে দেখে চমকে উঠল, কিন্তু দ্রুত নিজেকে সামলে নিল। পরিবারের সামনে তারা শুধু নম্রভাবে কথা বলল। কিন্তু তাদের চোখাচোখি বলছিল অন্য কথা। রাইসার হৃদয় দ্রুত স্পন্দিত হচ্ছিল। সে বিশ্বাস করতে পারছিল না।

বাসা থেকে ফিরে রাইসা তৎক্ষণাৎ আদনানকে মেসেজ করল, “আপনি? আপনিই সেই পাত্র?” আদনানের উত্তর এল, “হ্যাঁ। আমি জানতাম না যে আপনি সেই মেয়ে। কিন্তু এখন জেনে খুশি। আপনি কি রাগ করেছেন?” রাইসা লিখল, “রাগ নয়। অবাক। আপনি এতদিন আমাকে মজা করে উত্তর দিয়েছেন জেনে?” আদনান উত্তর দিল, “প্রথমে মজা করেছিলাম। পরে আর মজা থাকেনি। আপনাকে চেয়েছি সত্যি।”

সেই রাতে তাদের কথোপকথন আরও গভীর হল। আদনান লিখল, “রাইসা, এখন আমরা জানি কে আমরা। আমি চাই আপনাকে কাছে পাই। বাস্তবে।” রাইসা উত্তর দিল, “আমিও চাই। কিন্তু এখন কী হবে?” আদনান লিখল, “আমরা দেখব। কিন্তু আজ রাতে আমাকে আপনার কাছে আসতে দিন কল্পনায়। আমি আপনার ঘরে ঢুকছি। আপনাকে জড়িয়ে ধরছি। আপনার ঠোঁটে চুমু খাচ্ছি। আপনি কি আমাকে ঠেলাবেন?” রাইসা লিখল, “না। আমি আপনাকে টানব। আপনাকে আমার বিছানায় নেব।”

আদনান তখন লিখল, “আমি আপনাকে শুইয়ে আপনার উপর উঠছি। আপনার হাত আমার হাতে ধরছি। আপনাকে চুমু খাচ্ছি যতক্ষণ না আপনার নিশ্বাস দ্রুত হয়। আপনি কি আমার নাম ডাকবেন?” রাইসা উত্তর দিল, “ডাকব। আদনান। আর আপনাকে আমার ভিতরে চাইব।”

তাদের রোম্যান্স এখন বাস্তবের ছোঁয়া পেয়ে আরও তীব্র হয়ে উঠল। রাইসা জানত তার বাবা খুশি হবেন যদি সে রাজি হয়। কিন্তু সে আদনানের সাথে তার গোপন গল্পের কথা ভাবছিল। সে গল্প এখন বাস্তব হয়ে উঠছিল।

পরের কয়েকদিন তারা আরও কাছে এল। আদনান একদিন তাকে ফোন করল। তার কণ্ঠ শুনে রাইসার শরীর কাঁপল। তারা দীর্ঘক্ষণ কথা বলল। আদনান বলল, “আমি আপনাকে চাই রাইসা। শুধু বিয়ের জন্য নয়। আপনাকে সম্পূর্ণভাবে।” রাইসা উত্তর দিল, “আমিও আপনাকে চাই।”

তাদের কথোপকথন এখন আরও খোলামেলা হল। আদনান লিখত কীভাবে সে রাইসাকে স্পর্শ করতে চায়। রাইসাও সাড়া দিত সমান তালে। এক রাতে আদনান লিখল, “আমি যদি এখন আপনার পাশে থাকি, আপনাকে নগ্ন করে আপনার শরীর চুমু খাব সর্বত্র। আপনি কি আমার জন্য প্রস্তুত?” রাইসা উত্তর দিল, “প্রস্তুত। আমি আপনার জন্য অপেক্ষা করছি।”

এভাবেই তৃতীয় পর্ব শেষ হচ্ছিল। রাইসা এখন জানত যে তার ভবিষ্যৎ স্বামী সেই ছেলে যার সাথে সে এত গভীরভাবে জড়িয়ে পড়েছে।

চতুর্থ সপ্তাহে সবকিছু দ্রুত এগিয়ে চলল। রাইসার বাবা আদনানের পরিবারের সাথে কথা বললেন। বিয়ের তারিখ ঠিক হল। রাইসা এবং আদনান এখন খোলাখুলি কথা বলতে পারছিল। কিন্তু তাদের গোপন রাতগুলো আরও গভীর হয়ে উঠল।

এক রাতে আদনান রাইসাকে বলল, “বিয়ের আগে আমরা একবার দেখা করি। একা।” রাইসা রাজি হল। তারা একদিন বিকেলে এক শান্ত জায়গায় দেখা করল। আদনান যখন কাছে এল, রাইসা তার চোখের দিকে তাকিয়ে রইল। আদনান তার হাত ধরল। হাতের উষ্ণতা রাইসার শরীরে ছড়িয়ে পড়ল।

আদনান ধীরে ধীরে কাছে গিয়ে রাইসার কপালে চুমু দিল। তারপর গালে। রাইসা চোখ বন্ধ করে দিল। আদনান তার ঠোঁটে চুমু দিল। প্রথমে হালকা, তারপর গভীর। রাইসা তার পিঠে হাত দিল এবং তাকে আরও কাছে টানল। তাদের শরীর একে অপরের সাথে লেগে গেল। আদনানের হাত রাইসার কোমরে ছিল। রাইসার হাত আদনানের চুলে।

তারা দীর্ঘক্ষণ চুমু খেল। আদনান রাইসার ঘাড়ে নামল। রাইসা কাঁপছিল। আদনান ফিসফিস করে বলল, “আমি আপনাকে এতদিন কল্পনা করেছি। এখন সত্যি পাচ্ছি।” রাইসা উত্তর দিল, “আমিও।”

তারা সেদিন আরও কাছে এল। আদনান রাইসাকে জড়িয়ে ধরে তার কানে বলল কতটা সে চায় তাকে। রাইসাও তার অনুভূতি প্রকাশ করল। তাদের শরীর একে অপরের উষ্ণতায় গলে যাচ্ছিল।

বিয়ের আগের রাতগুলোতে তাদের মেসেজ আরও তীব্র হল। আদনান লিখল, “বিয়ের রাতে আমি আপনাকে ধীরে ধীরে খুলব। আপনার প্রতিটি অংশ চুমু খাব। আপনাকে আমার করে নেব।” রাইসা উত্তর দিল, “আমি আপনাকে আমার ভিতরে নেব। আপনার নাম ডাকব যতক্ষণ না আমরা একসাথে শেষ করি।”

বিয়ের দিন এল। সবকিছু সুন্দরভাবে সম্পন্ন হল। রাতে যখন তারা একা হল, আদনান রাইসার দিকে তাকিয়ে বলল, “এখন আর কল্পনা নয়। এখন সত্যি।” রাইসা তার কাছে গিয়ে তার হাত ধরল। আদনান তাকে জড়িয়ে ধরে চুমু খেল। গভীরভাবে। তাদের জিভ একে অপরের সাথে মিশে গেল।

আদনান রাইসার পোশাক খুলতে শুরু করল। ধীরে ধীরে। প্রতিটি ইঞ্চি চুমু খেতে খেতে। রাইসাও তার শার্ট খুলল। তাদের শরীর একে অপরের সাথে লেগে গেল। আদনান রাইসাকে বিছানায় শুইয়ে তার উপর উঠল। তারা চুমু খেল, স্পর্শ করল, একে অপরকে অনুভব করল।

আদনান রাইসার বুকে চুমু খেল। রাইসা তার চুল টানল। আদনান আরও নিচে নামল। রাইসার শরীর কাঁপছিল আনন্দে। তারা একে অপরকে সম্পূর্ণভাবে গ্রহণ করল। তাদের নিশ্বাস মিশে গেল। আদনান রাইসার নাম ডাকল। রাইসাও তার নাম ডাকল।

রাতভর তারা একে অপরের কাছে ছিল। চুমু, স্পর্শ, গভীর মিলন। তাদের রোম্যান্স এখন আর শুধু কথায় সীমাবদ্ধ ছিল না। সেটা শরীরে মিশে গিয়েছিল।

সকালে যখন রাইসা আদনানের বুকে মাথা রেখে শুয়ে ছিল, আদনান তার চুলে হাত বুলিয়ে বলল, “এভাবেই প্রতিদিন চাই আপনাকে।” রাইসা হাসল এবং বলল, “আমিও।”

তাদের গল্প শুরু হয়েছিল এক ভুল মেসেজ দিয়ে। শেষ হয়েছিল এক গভীর ভালোবাসা এবং উত্তপ্ত রোম্যান্সে। রাইসা এখন জানত যে তার ভবিষ্যৎ স্বামী সেই ছেলে যাকে সে নিজেই বেছে নিয়েছিল তার হৃদয় দিয়ে।

এভাবেই তাদের জীবন শুরু হল একসাথে। প্রতিটি রাত নতুন করে গভীর এবং গরম হয়ে উঠত। তাদের ভালোবাসা শুধু শরীরে নয়, মনেও গেঁথে গিয়েছিল।

....
👁 16