মায়া নতুন চাকরিতে যোগ দিয়েছিল সকাল সাড়ে নয়টায়। ঢাকার গুলশানের একটা বহুতল অফিস বিল্ডিং। এয়ার কন্ডিশন্ড লবিতে ঢুকেই তার নাকের ডগায় এসে লাগল কফি আর প্রিন্টারের গন্ধ। রিসেপশনিস্ট একটা ফর্ম দিয়ে বলল, “মিস মায়া, মিস্টার রুদ্রের কেবিনে চলে যান। তিনি অপেক্ষা করছেন।”
রুদ্রের কেবিনটা ছিল করিডোরের শেষ প্রান্তে। কাচের দেয়াল, ভেতরে সব কালো আর ধূসর। মায়া দরজায় নক করল। ভেতর থেকে একটা শুকনো গলা বলল, “আসুন।”
রুদ্র উঠে দাঁড়াল না। চেয়ারে হেলান দিয়ে বসেছিল। কালো শার্ট, হাতের ঘড়ি, চোখে কোনো হাসি নেই। মায়ার দিকে একবার তাকিয়ে ফাইল খুলল। “সিভি দেখেছি। অভিজ্ঞতা কম। তবু নিয়েছি কারণ প্রজেক্টটা জরুরি। কিন্তু একটা কথা মনে রাখবেন—এখানে আবেগ চলে না। কাজ চলে। আর মেয়েদের নিয়ে আমি ধৈর্য হারাতে পারি না।”
মায়া হাসল। “ধৈর্য হারানোর সুযোগ দিব না, স্যার। আমি কাজ করতে এসেছি।”
প্রথম দিন থেকেই ঝগড়া শুরু। রুদ্র প্রত্যেক রিপোর্টে লাল কালি দিয়ে দাগ দিত। মায়া রাত জেগে কাজ করত, সকালে এনে দিত, আবার ফেরত আসত। একদিন মায়া সোজাসুজি বলল, “স্যার, আপনি যদি সবকিছু নিজেই করতে চান, তাহলে আমাকে নিয়েছেন কেন?”
রুদ্র চেয়ার ঘুরিয়ে মুখোমুখি হল। “কারণ প্রজেক্টে নারী কর্মীর দরকার আছে। ক্লায়েন্ট চায়। কিন্তু মানে এই না যে আমি তোমার ভুল সহ্য করব।”
মায়া হেসে উঠল। “আপনার মতো মানুষকে বিয়ে করলে বউটা নিশ্চয়ই প্রতিদিন কাঁদবে।”
রুদ্রের চোখ সরু হয়ে গেল। “তুমি হলে তো এক সপ্তাহেই পালাবে।”
সেই কথাটাই যেন বাতাসে ঝুলে রইল।
দুই সপ্তাহ পর অফিসে খবর এল। রুদ্রের মায়ের জন্মদিনের অনুষ্ঠান। পুরো পরিবার আসবে। রুদ্রের ছোট ভাইয়ের বিদেশ থেকে আসা বন্ধুরাও থাকবে। সমস্যা হল—রুদ্রের মা সবসময় ছেলের বিয়ের কথা বলে। রুদ্র তাই একটা কৌশল ঠিক করল। সে মায়াকে ডেকে বলল, “একদিনের জন্য আমার স্ত্রী সেজে যেতে হবে। কোনো আবেগ নেই। শুধু অভিনয়।”
মায়া প্রথমে রাজি হয়নি। “স্যার, এটা অফিসের কাজ না।”
রুদ্র টেবিলে হাত রাখল। “প্রজেক্টের ক্লায়েন্ট আমার মায়ের পরিচিত। তুমি যদি না যাও, প্রজেক্টই বাতিল হতে পারে। আর তোমার চাকরিও।”
মায়া চুপ করে রইল। শেষ পর্যন্ত মাথা নেড়ে রাজি হল।
অনুষ্ঠানের দিন সকালে মায়া রুদ্রের ফ্ল্যাটে গেল। রুদ্র দরজা খুলে দাঁড়াল। সাদা পাঞ্জাবি পরা। চুলে সামান্য জলের ছোঁয়া। মায়ার দিকে তাকিয়ে এক সেকেন্ড চুপ থাকল, তারপর বলল, “ভেতরে আসো।”
মায়া লাল শাড়ি পরেছিল। চুলে হালকা খোঁপা। রুদ্র তার দিকে তাকিয়ে আবার চোখ সরিয়ে নিল। “ঠিক আছে। আজ থেকে তুমি আমার স্ত্রী। নাম ধরে ডাকবে। আমাকে রুদ্র বলবে। হাত ধরতে হবে। কথা কম বলবে। আর কোনো মজার কথা নয়।”
মায়া হাসল। “আপনি তো নিজেই মজার কথা বলছেন, রুদ্র।”
রুদ্রের চোখ এক মুহূর্তের জন্য থেমে গেল। তারপর সে মায়ার হাত ধরল। হাতটা গরম ছিল। মায়ার আঙুলগুলো তার হাতের ভেতর ঢুকে গেল। দুজনেই এক সেকেন্ড চুপ রইল।
গাড়িতে উঠে রুদ্র হাত ছাড়ল না। মায়াও ছাড়ল না। গাড়ি চলতে শুরু করল। রাস্তায় যানজট। রুদ্র একদিকে তাকিয়ে বলল, “মাকে বলবে আমরা এক বছর ধরে বিয়ে করেছি। তুমি অফিসে কাজ করো। আর কোনো প্রশ্ন এলে আমি উত্তর দেব।”
মায়া মাথা নেড়ে রাজি হল। কিন্তু তার মনে হচ্ছিল রুদ্রের হাতের তাপটা শাড়ির আঁচলের ভেতর দিয়ে শরীরে ঢুকে যাচ্ছে।
বাসায় পৌঁছে রুদ্রের মা দৌড়ে এল। বৃদ্ধা মহিলা মায়াকে জড়িয়ে ধরল। “এতদিন লুকিয়ে রেখেছিলে! দেখি তো বউমাকে।” মায়ার গালে চুমু খেয়ে বলল, “সুন্দর। রুদ্র তোর ভাগ্য ভালো।”
রুদ্রের ছোট ভাই হাসিমুখে বলল, “ভাবি, ভাইকে সামলাবে তো?”
মায়া হাসল। “চেষ্টা করব।”
সারাদিন মায়া রুদ্রের পাশে বসে রইল। কখনো চা এনে দিল, কখনো রুদ্রের কাঁধে হাত রাখল। রুদ্রও মায়ার কোমরে হাত রাখল একবার। সেই ছোঁয়াটা মায়ার শরীরে কাঁপুনি তুলল।
সন্ধ্যায় যখন সবাই ব্যস্ত, রুদ্র মায়াকে একটা খালি ঘরে নিয়ে গেল। দরজা বন্ধ করে বলল, “ঠিক আছে। অভিনয় ভালো হচ্ছে। কিন্তু একটু বেশি কাছাকাছি হয়ো না।”
মায়া তার দিকে তাকাল। “আপনিই তো হাত ধরেছিলেন।”
রুদ্র এগিয়ে এল। মায়ার পিঠ দেয়ালে ঠেকিয়ে দিল। “তুমিও ছাড়োনি।” তার কণ্ঠস্বর নিচু হয়ে গেল। “মায়া, এটা অভিনয়। মনে রেখো।”
মায়া তার চোখের দিকে তাকাল। “আমি মনে রাখছি। আপনি রাখছেন তো?”
রুদ্রের হাত মায়ার কোমরে গিয়ে স্থির হল। তারপর ধীরে ধীরে উপরে উঠল। শাড়ির আঁচল সরে গেল। রুদ্রের আঙুল মায়ার পিঠের চামড়ায় ছুঁয়ে গেল। মায়া শ্বাস নিল। রুদ্র তার ঠোঁটের কাছে এল। কিন্তু চুমু খেল না। শুধু ফিসফিসিয়ে বলল, “এক সপ্তাহে পালাবে বলেছিলে। এখন দেখি।”
মায়ার হাত রুদ্রের বুকের ওপর উঠল। হৃদস্পন্দনটা তার হাতের তালুতে লাগছিল। “আমি পালাচ্ছি না।”
রুদ্রের চোখ অন্ধকার হয়ে গেল। সে মায়ার ঠোঁটের একদম কাছে এল। নিঃশ্বাস মিশে গেল। তারপর হঠাৎ দরজায় নক পড়ল। রুদ্র সরে গেল। মায়া শ্বাস ফেলল।
বাইরে থেকে রুদ্রের মা বলল, “রুদ্র, বউমাকে নিয়ে আয়। কেক কাটতে হবে।”
রুদ্র দরজা খুলল। মায়া তার পাশে দাঁড়াল। দুজনের হাত আবার জোড়া লাগল। কিন্তু এবার আর অভিনয় মনে হচ্ছিল না।
রাত গভীর হলে সবাই ঘুমাতে গেল। রুদ্র মায়াকে তার পুরনো ঘরে নিয়ে গেল। একটাই বিছানা। রুদ্র বলল, “তুমি শোবে। আমি মেঝেতে।”
মায়া শাড়ি খুলে নাইটি পরে বিছানায় উঠল। রুদ্র মেঝেতে চাদর পেতে শুয়ে পড়ল। অন্ধকারে মায়া বলল, “রুদ্র।”
“কী?”
“আপনি সত্যিই মেয়েদের পছন্দ করেন না?”
রুদ্র চুপ করে রইল। তারপর বলল, “পছন্দ করি। কিন্তু বিশ্বাস করি না।”
মায়া বিছানা থেকে নেমে তার পাশে বসল। “কেন?”
রুদ্র উঠে বসল। মুখোমুখি। “কারণ যারা কাছে আসে, তারা শেষ পর্যন্ত চলে যায়। তুমিও যাবে।”
মায়া তার হাত ধরল। “আমি যাব না।”
রুদ্র তার হাত টেনে নিজের দিকে টানল। মায়া তার কোলে বসে পড়ল। রুদ্রের হাত তার কোমরে গিয়ে স্থির হল। তারপর ধীরে ধীরে উপরে উঠল। নাইটির নিচে হাত ঢুকিয়ে মায়ার পিঠে ছুঁয়ে গেল। মায়া কাঁপল। রুদ্র তার গলায় চুমু খেল। গরম নিঃশ্বাস। তারপর ঠোঁট উঠে এল কানের কাছে। “মায়া… এটা আর অভিনয় নয়।”
মায়া তার চুলের ভেতর হাত রাখল। “তাহলে কী?”
রুদ্র তার ঠোঁট চেপে ধরল। গভীর চুমু। জিভের ছোঁয়া। মায়ার শরীর তার শরীরের সাথে মিশে গেল। রুদ্রের হাত নাইটির নিচে ঢুকে স্তনের ওপর গিয়ে স্থির হল। মায়া আর্তনাদ করল। রুদ্র তার ঠোঁট ছেড়ে গলায় নেমে গেল। কাঁধের কাপড় সরিয়ে চামড়ায় দাঁত বসাল। মায়া তার পিঠে নখ বসাল।
দুজনে মেঝেতে শুয়ে পড়ল। রুদ্র মায়ার ওপর উঠে এল। নাইটি খুলে ফেলল। মায়ার শরীর অন্ধকারে উজ্জ্বল মনে হচ্ছিল। রুদ্র তার স্তনে মুখ রাখল। জিভ দিয়ে বৃত্ত আঁকল। মায়া কোমর উঁচু করল। রুদ্রের হাত নিচে নেমে গেল। আঙুল ঢুকিয়ে দিল। মায়া আর্তনাদ চেপে ধরল।
রুদ্র তার কানে বলল, “আজ রাত আমি তোমাকে ছাড়ব না।”
মায়া তার কানে চুমু খেয়ে বলল, “ছাড়ো না।”
রুদ্র প্যান্ট খুলল। মায়ার পা দুটো আলাদা করল। ধীরে ধীরে ঢুকল। মায়া শ্বাস নিল। রুদ্র থেমে গেল। তারপর ধীরে ধীরে নড়তে শুরু করল। মায়ার নখ তার পিঠে ফুটল। দুজনের শ্বাস মিশে গেল। রুদ্র গতি বাড়াল। মায়া তার নাম ধরে ডাকল। রুদ্র তার ঠোঁট চেপে ধরল যাতে শব্দ না হয়।
শেষ পর্যন্ত দুজনে একসাথে কাঁপল। রুদ্র মায়ার ওপর শুয়ে রইল। নিঃশ্বাস ফেলতে ফেলতে বলল, “তুমি এক সপ্তাহে পালাবে না।”
মায়া তার চুলে হাত বুলিয়ে বলল, “পালাব না।”
সেই রাতে আর কেউ ঘুমায়নি। রুদ্র মায়াকে বারবার টানল। মায়াও তাকে ছেড়ে দিল না। ভোরের আলো আসার আগে দুজনে ঘামে ভিজে পাশাপাশি শুয়ে রইল। রুদ্র মায়ার কপালে চুমু খেয়ে বলল, “এখন থেকে অভিনয় শেষ।”
মায়া তার বুকে মাথা রাখল। “শুরু।”
সকালে উঠে রুদ্র মায়াকে একবার তাকিয়ে দেখল। মায়া ঘুমাচ্ছিল। চুল এলোমেলো, গায়ে রুদ্রের শার্ট। রুদ্র ধীরে ধীরে উঠে চা বানাল। মায়া উঠে এসে তার পেছনে দাঁড়াল। হাত দিয়ে কোমর জড়িয়ে ধরল। “সকালেও রাগ করছেন?”
রুদ্র ঘুরে দাঁড়াল। মায়াকে তুলে টেবিলের ওপর বসাল। “রাগ করছি না। কিন্তু অফিসে কী বলব?”
মায়া তার গলায় হাত রাখল। “কিছু বলবেন না। আমি আপনার স্ত্রী। অভিনয় তো সত্যি হয়ে গেছে।”
রুদ্র তার ঠোঁট চেপে ধরল। গভীর চুমু। তারপর বলল, “মা জানতে পারলে খুশি হবে। কিন্তু অফিসে জটিলতা হবে।”
সেদিন তারা একসাথে অফিসে গেল। কেউ কিছু বুঝল না। কিন্তু কেবিনে ঢুকেই রুদ্র দরজা লক করল। মায়াকে দেয়ালে ঠেকিয়ে চুমু খেল। হাত শার্টের ভেতর ঢুকিয়ে স্তন চেপে ধরল। মায়া আর্তনাদ চেপে ধরল। রুদ্র তার কানে বলল, “আজ সারাদিন তোমাকে ছুঁতে পারব না। তাই এখনই।”
সে মায়ার স্কার্ট তুলে দিল। প্যান্টি একপাশে সরিয়ে আঙুল ঢোকাল। মায়া তার কাঁধে মুখ লুকাল। রুদ্র গতি বাড়াল। মায়া কাঁপতে কাঁপতে শেষ হল। রুদ্র নিজেও প্যান্ট খুলে ঢুকে গেল। দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে। মায়ার পা তার কোমরে জড়িয়ে গেল। রুদ্র জোরে জোরে নড়ল। মায়ার নখ তার পিঠে ফুটল। শেষ পর্যন্ত দুজনে একসাথে কাঁপল।
রুদ্র মায়ার কপালে চুমু খেয়ে বলল, “এখন কাজ করো।”
মায়া হাসল। “স্যার, আপনি তো আমাকে কাজ করতে দিচ্ছেন না।”
সেদিন থেকে অফিসে তাদের সম্পর্ক লুকানোর চেষ্টা চলল। কিন্তু রাতে রুদ্রের ফ্ল্যাটে মায়া থাকত। রুদ্র তাকে প্রতি রাতে নতুন করে চিনত। কখনো বাথরুমে, কখনো বারান্দায়, কখনো রান্নাঘরে। একদিন রান্নাঘরের টেবিলে মায়াকে শুইয়ে রুদ্র তার পা দুটো কাঁধে তুলে নিল। জিভ দিয়ে চাটতে লাগল। মায়া চেয়ারের হাতল চেপে ধরে আর্তনাদ করল। রুদ্র উঠে এসে ঢুকে গেল। টেবিল কেঁপে উঠল।
আরেকদিন রুদ্র মায়াকে ছাদে নিয়ে গেল। রাতের আলোয় মায়াকে দেয়ালে ঠেকিয়ে স্কার্ট তুলে দিল। নিচে শহরের আলো। রুদ্র তার ভেতর ঢুকে গতি বাড়াল। মায়া তার গলায় মুখ লুকাল যাতে শব্দ না হয়।
এক সপ্তাহ পর রুদ্রের মা ফোন করল। “রুদ্র, তোর বউমাকে নিয়ে আয়। তোর খালার বাসায় একটা অনুষ্ঠান।”
রুদ্র মায়াকে জিজ্ঞেস করল। মায়া রাজি হল। এবার আর অভিনয় ছিল না। সত্যি সত্যি স্বামী-স্ত্রী হিসেবে গেল।
অনুষ্ঠানে রুদ্রের আত্মীয়রা মায়াকে জড়িয়ে ধরল। কেউ বলল, “রুদ্র এতদিন লুকিয়ে রেখেছিল।” কেউ বলল, “বউমা, ওকে সামলাও।”
সন্ধ্যায় যখন সবাই ব্যস্ত, রুদ্র মায়াকে একটা খালি ঘরে নিয়ে গেল। দরজা বন্ধ করে মায়াকে বিছানায় শুইয়ে দিল। শাড়ি খুলে ফেলল। মায়ার শরীরে মুখ রাখল। স্তনে, পেটে, তারপর আরও নিচে। জিভ দিয়ে বৃত্ত আঁকল। মায়া চাদর চেপে ধরল। রুদ্র উঠে এসে ঢুকে গেল। ধীরে ধীরে। তারপর গতি বাড়াল। মায়া তার নাম ধরে ডাকল। রুদ্র তার ঠোঁট চেপে ধরল।
শেষ পর্যন্ত দুজনে ঘামে ভিজে পাশাপাশি শুয়ে রইল। রুদ্র মায়ার চুলে হাত বুলিয়ে বলল, “তুমি সত্যিই পালাওনি।”
মায়া তার বুকে মাথা রাখল। “পালাব না। কিন্তু আপনি কি আমাকে বিশ্বাস করেন?”
রুদ্র চুপ করে রইল। তারপর বলল, “চেষ্টা করছি।”
সেই রাতে আবার তারা মিলিত হল। রুদ্র মায়াকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরল। ধীরে ধীরে ঢুকল। মায়ার কোমর ধরে গতি বাড়াল। মায়া বালিশে মুখ লুকাল। রুদ্র তার কানে ফিসফিসিয়ে বলল, “আমি তোমাকে চাই। প্রতিদিন।”
মায়া তার হাত চেপে ধরল। “আমিও।”
পরের দিন অফিসে ফিরে এসে দেখল ক্লায়েন্ট এসেছে। রুদ্র মায়াকে প্রজেক্টের দায়িত্ব দিল। মায়া সফলভাবে প্রেজেন্টেশন দিল। ক্লায়েন্ট খুশি হল। রুদ্র কেবিনে একা একা মায়াকে জড়িয়ে ধরল। “ভালো করেছ।”
মায়া তার গলায় চুমু খেয়ে বলল, “রিওয়ার্ড চাই।”
রুদ্র হাসল। প্রথমবার। সে মায়াকে চেয়ারে বসিয়ে হাঁটু গেড়ে বসল। স্কার্ট তুলে জিভ দিয়ে চাটতে লাগল। মায়া চেয়ারের হাতল চেপে ধরল। রুদ্র আঙুল ঢোকাল। মায়া কাঁপতে কাঁপতে শেষ হল। রুদ্র উঠে এসে ঢুকে গেল। চেয়ার কেঁপে উঠল।
সেদিন বিকেলে রুদ্র মায়াকে নিয়ে বাসায় ফিরল। পথে গাড়িতেই মায়াকে টানল। সিটের ওপর শুইয়ে স্কার্ট তুলে দিল। ঢুকে গেল। গাড়ি যানজটে দাঁড়িয়ে ছিল। রুদ্র ধীরে ধীরে নড়ল। মায়া আর্তনাদ চেপে ধরল। শেষ পর্যন্ত দুজনে একসাথে কাঁপল।
বাসায় এসে রুদ্র মায়াকে বিছানায় শুইয়ে আবার শুরু করল। এবার সময় নিয়ে। প্রতিটা অংশ চুমু খেয়ে, চাটতে চাটতে। মায়া আর্তনাদ করল। রুদ্র তার ভেতর ঢুকে গতি বাড়াল। মায়ার পা তার কোমরে জড়িয়ে গেল। শেষ পর্যন্ত দুজনে ঘামে ভিজে শুয়ে রইল।
রুদ্র মায়ার কপালে চুমু খেয়ে বলল, “আমি তোমাকে বিয়ে করতে চাই। সত্যি করে।”
মায়া তার চোখের দিকে তাকাল। “আপনি কি নিশ্চিত?”
রুদ্র মাথা নেড়ে বলল, “নিশ্চিত। তুমি এক সপ্তাহে পালাওনি। আমিও পালাব না।”
মায়া তার বুকে মাথা রাখল। “তাহলে বিয়ে করো।”
বিয়ের কথা শুনে রুদ্রের মা খুশি হয়ে উঠল। “আমি জানতাম। বউমাকে দেখেই বুঝেছি।” অনুষ্ঠানটা ছোট করেই হল। শুধু পরিবার। মায়া সাদা শাড়ি পরেছিল। রুদ্র সাদা পাঞ্জাবি। দুজনে হাত ধরে দাঁড়াল। রুদ্রের মা দুজনের মাথায় হাত রাখল। “সুখী হও।”
বিয়ের রাতে রুদ্র মায়াকে তুলে বিছানায় শুইয়ে দিল। শাড়ি খুলল ধীরে ধীরে। প্রতিটা ভাঁজ খুলতে খুলতে চুমু খেল। মায়ার শরীর কাঁপছিল। রুদ্র তার স্তনে মুখ রাখল। জিভ দিয়ে বৃত্ত আঁকল। মায়া তার চুলের ভেতর হাত রাখল। রুদ্র নিচে নামল। পা দুটো আলাদা করে জিভ দিয়ে চাটতে লাগল। মায়া আর্তনাদ করল। রুদ্র আঙুল ঢোকাল। গতি বাড়াল। মায়া কাঁপতে কাঁপতে শেষ হল।
রুদ্র উঠে এসে ঢুকে গেল। ধীরে ধীরে। তারপর গতি বাড়াল। মায়ার পা তার কোমরে জড়িয়ে গেল। রুদ্র তার ঠোঁট চেপে ধরল। জিভ মিশে গেল। শেষ পর্যন্ত দুজনে একসাথে কাঁপল। রুদ্র মায়ার ওপর শুয়ে রইল। “এখন তুমি সত্যিই আমার।”
মায়া তার বুকে মাথা রাখল। “আমি তোমার।”
বিয়ের পর অফিসে সবাই জানতে পারল। কেউ কেউ অবাক হল। কিন্তু রুদ্র আর মায়া আর লুকাল না। কেবিনে দরজা লক করে তারা প্রায়ই মিলিত হত। একদিন রুদ্র মায়াকে টেবিলের ওপর শুইয়ে স্কার্ট তুলে দিল। ঢুকে গেল। টেবিল কেঁপে উঠল। মায়া আর্তনাদ চেপে ধরল। রুদ্র গতি বাড়াল। শেষ পর্যন্ত দুজনে ঘামে ভিজে উঠে বসল।
বাসায় ফিরে রুদ্র মায়াকে বাথরুমে নিয়ে গেল। গরম পানির নিচে দাঁড়িয়ে মায়াকে দেয়ালে ঠেকিয়ে ঢুকে গেল। পানি গড়িয়ে পড়ছিল। রুদ্র জোরে জোরে নড়ল। মায়া তার গলায় মুখ লুকাল। শেষ পর্যন্ত দুজনে একসাথে কাঁপল।
একদিন রুদ্র মায়াকে নিয়ে কক্সবাজারে গেল। সমুদ্রের ধারে কটেজে। রাতে রুদ্র মায়াকে বারান্দায় নিয়ে গেল। নিচে সমুদ্রের শব্দ। রুদ্র মায়ার পেছনে দাঁড়িয়ে শাড়ি তুলে দিল। ঢুকে গেল। মায়ার কোমর ধরে গতি বাড়াল। মায়া রেলিং চেপে ধরল। রুদ্র তার কানে ফিসফিসিয়ে বলল, “আমি তোমাকে প্রতিদিন চাই।”
মায়া তার হাত চেপে ধরল। “আমিও।”
সেই রাতে তারা বিছানায় শুয়ে গল্প করল। রুদ্র বলল, “আগে ভাবতাম মেয়েরা কাছে এলে চলে যায়। কিন্তু তুমি গেলে না।”
মায়া তার বুকে মাথা রাখল। “আমি যাব না। তুমিও যেয়ো না।”
রুদ্র তার কপালে চুমু খেয়ে বলল, “যাব না।”
ফিরে এসে অফিসে নতুন প্রজেক্ট এল। মায়া লিড নিল। রুদ্র তাকে সাপোর্ট দিল। সন্ধ্যায় কেবিনে একা একা রুদ্র মায়াকে চেয়ারে বসিয়ে হাঁটু গেড়ে বসল। স্কার্ট তুলে জিভ দিয়ে চাটতে লাগল। মায়া চেয়ারের হাতল চেপে ধরল। রুদ্র আঙুল ঢোকাল। মায়া কাঁপতে কাঁপতে শেষ হল। রুদ্র উঠে এসে ঢুকে গেল। চেয়ার কেঁপে উঠল।
রাত গভীর হলে বাসায় ফিরে রুদ্র মায়াকে বিছানায় শুইয়ে আবার শুরু করল। এবার সময় নিয়ে। প্রতিটা অংশ চুমু খেয়ে। মায়া আর্তনাদ করল। রুদ্র তার ভেতর ঢুকে গতি বাড়াল। মায়ার পা তার কোমরে জড়িয়ে গেল। শেষ পর্যন্ত দুজনে ঘামে ভিজে শুয়ে রইল।
রুদ্র মায়ার চুলে হাত বুলিয়ে বলল, “তুমি আমার জীবন বদলে দিয়েছ।”
মায়া তার চোখের দিকে তাকাল। “তুমিও আমার।”
সেই রাতে আবার তারা মিলিত হল। রুদ্র মায়াকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরল। ধীরে ধীরে ঢুকল। মায়ার কোমর ধরে গতি বাড়াল। মায়া বালিশে মুখ লুকাল। রুদ্র তার কানে ফিসফিসিয়ে বলল, “আমি তোমাকে ভালোবাসি।”
মায়া তার হাত চেপে ধরল। “আমিও তোমাকে ভালোবাসি।”
ভোরের আলো আসার আগে দুজনে পাশাপাশি শুয়ে রইল। রুদ্র মায়ার কপালে চুমু খেয়ে বলল, “এখন থেকে প্রতিদিন এভাবেই।”
মায়া তার বুকে মাথা রাখল। “প্রতিদিন।”
গল্পের শেষে মায়া আর রুদ্র একসাথেই থাকল। অফিসে কাজ করল। রাতে একে অপরকে জড়িয়ে ধরল। কোনো ঝগড়া থাকলেও শেষে মিটে গেল চুমুতে, ছোঁয়ায়, গভীর মিলনে। রুদ্র আর রাগী রইল না। মায়া আর ভয় পেল না। দুজনেই একে অপরের হয়ে উঠল।
....