শান্তোর জীবনটা ছিল সাদামাটা। সিলেটে একটা ছোট শহরে সে বড় হয়েছে। বাবা ছোটখাটো ব্যবসা করেন, মা ঘর সামলান। শান্তো কলেজে পড়ে, বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটায়, কখনো ফুটবল খেলে, কখনো নদীর পাড়ে বসে গান শোনে। জীবনটা নিয়মমাফিক চলছিল। কিন্তু সবকিছু বদলে গেল সেই দিনটায়, যেদিন রিয়া এল।
রিয়া শান্তোর পাশের বাড়িতে এসে উঠল। তার বাবা সরকারি চাকরির বদলি নিয়ে এসেছেন। রিয়া ঢাকায় পড়ত, এখন এখানকার কলেজে ভর্তি হয়েছে। প্রথম দিনই শান্তো তাকে দেখে ফেলল। সাদা সালোয়ার-কামিজ পরা, চুল দুই পাশে বেঁধে রাখা, মুখে একটা শান্ত হাসি। শান্তোর বুকটা একটু দুরুদুরু করল।
সন্ধ্যাবেলায় শান্তো ছাদে উঠেছিল। রিয়াও উঠে এল। দুজন মুখোমুখি। শান্তো প্রথমে কথা বলতে পারল না। রিয়াই আগে কথা খুলল।
“আপনি কি পাশের বাড়ির?”
“হ্যাঁ। আমি শান্তো।”
“আমি রিয়া।”
কথা শুরু হল। আবহাওয়া, কলেজ, শহরের কথা। রিয়ার কণ্ঠস্বর মিষ্টি। শান্তো তার চোখের দিকে তাকিয়ে থাকত। রিয়াও একটু একটু করে হাসত। সেদিন থেকেই ছাদে দেখা হওয়াটা রুটিন হয়ে গেল।
কয়েকদিন পর শান্তো দুষ্টুমি শুরু করল। একদিন রিয়ার জানালার কাছে গিয়ে নুড়ি ছুঁড়ে ডাকল। রিয়া রেগে গিয়ে বলল, “এভাবে ডাকবেন না!” শান্তো হেসে বলল, “তাহলে কীভাবে ডাকব? ফোন নম্বর দিলে তো আর নুড়ি ছুঁড়তে হত না।” রিয়া মুখ ফিরিয়ে নিল, কিন্তু হাসছিল। পরের দিন সে নিজেই ফোন নম্বর দিল।
ফোনে কথা বাড়তে লাগল। রাতের বেলা অনেকক্ষণ ধরে। রিয়া তার পুরনো শহরের কথা বলত, শান্তো নদীর পাড়ের গল্প শোনাত। একদিন রিয়া বলল, “আপনার কণ্ঠস্বর শুনলে মন শান্ত হয়।” শান্তোর বুকটা গরম হয়ে উঠল। সে বলল, “তোমার কথা শুনলে আমারও।”
দুষ্টুমি আরও বাড়ল। একদিন কলেজ থেকে ফেরার পথে শান্তো রিয়ার পেছন থেকে হঠাৎ কাঁধে হাত রাখল। রিয়া চমকে গিয়ে ঘুরে দাঁড়াল। শান্তো হেসে বলল, “ভয় পেয়েছ?” রিয়া তার হাত সরিয়ে দিয়ে বলল, “এভাবে করবেন না।” কিন্তু তার গাল লাল হয়ে গিয়েছিল। শান্তো বুঝতে পারল, রিয়া মনে মনে পছন্দ করছে।
এক সন্ধ্যায় বৃষ্টি নামল। দুজন ছাদে দাঁড়িয়ে ছিল। রিয়ার চুল ভিজে গেল। শান্তো নিজের গামছা দিয়ে তার চুল মুছে দিতে গেল। রিয়া বাধা দিল না। শান্তোর আঙুল তার গালে লাগল। দুজনের চোখ মিলল। মুহূর্তের জন্য সময় থেমে গেল। শান্তো আস্তে আস্তে তার মুখের কাছে গেল। রিয়া চোখ বন্ধ করল। প্রথম চুমু। নরম, ভয়ার্ত, কিন্তু গভীর। বৃষ্টির ফোঁটা দুজনের মুখে পড়ছিল। রিয়ার হাত শান্তোর বুকে রাখা। শান্তোর হাত তার কোমরে।
চুমু ভাঙার পর রিয়া ফিসফিস করে বলল, “এটা ঠিক হচ্ছে না।”
শান্তো বলল, “আমি জানি। কিন্তু আমি থামতে পারছি না।”
রিয়া মাথা নাড়ল। সেও থামতে চাইছিল না। সেদিন রাতে ফোনে অনেকক্ষণ কথা হল। রিয়া বলল, “আমি ভয় পাচ্ছি। আমার পরিবার যদি জানতে পারে…”
শান্তো বলল, “আমিও ভয় পাই। কিন্তু তোমাকে না দেখলে আমার মন খারাপ হয়।”
পরের কয়েকদিন দুজন আরও কাছাকাছি এল। কলেজের পেছনের বাগানে লুকিয়ে দেখা। একদিন শান্তো রিয়ার হাত ধরে টেনে নিয়ে গেল একটা নির্জন জায়গায়। সেখানে আবার চুমু। এবার আরও গভীর। শান্তোর হাত রিয়ার পিঠে ঘুরছিল। রিয়া তার জামার ভেতরে হাত ঢুকিয়ে দিয়েছিল। শরীর গরম হয়ে উঠছিল। হঠাৎ দূর থেকে কেউ ডাকল। দুজন আলাদা হয়ে গেল। বুক ধড়ফড় করছিল।
রিয়া বলল, “আমরা যদি ধরা পড়ি…”
শান্তো তার কপালে চুমু দিয়ে বলল, “ধরা পড়ব না। আমি সাবধানে থাকব।”
সেই রাতে শান্তো বিছানায় শুয়ে রিয়ার কথা ভাবছিল। তার গায়ের গন্ধ, চুমুর স্বাদ, হাতের ছোঁয়া। মনটা অস্থির। রিয়াও একই অবস্থায় ছিল। ফোনে সে বলল, “আজকের পর আমার শরীর অস্থির লাগছে।” শান্তো বলল, “আমারও।”
এভাবেই শুরু হল তাদের গল্প। দুষ্টুমি, লুকোচুরি, আবেগ আর একটু একটু করে বাড়তে থাকা আকর্ষণ। শান্তো জানত, এটা সহজ হবে না। কিন্তু রিয়াকে পাওয়ার ইচ্ছাটা দিন দিন বাড়ছিল। রিয়াও একইভাবে টান অনুভব করছিল। দুজনের মধ্যে একটা অদৃশ্য সুতো বাঁধা পড়ে গিয়েছিল।
সময় পার হতে লাগল। শান্তো আর রিয়ার দেখা হওয়াটা আরও ঘন হয়ে উঠল। তারা এখন প্রায় প্রতিদিনই কোনো না কোনোভাবে দেখা করত। কখনো কলেজের লাইব্রেরিতে, কখনো নদীর পাড়ে, কখনো রাতের অন্ধকারে ছাদে।
একদিন শান্তো রিয়াকে নিয়ে গেল শহরের বাইরে একটা ছোট বাগানে। সেখানে কেউ ছিল না। দুজন ঘাসের ওপর বসল। শান্তো রিয়ার হাত ধরে বলল, “আমি তোমাকে ভালোবাসি।” রিয়ার চোখে জল এসে গেল। সে বলল, “আমিও। কিন্তু আমরা কীভাবে…” শান্তো তার কথা কেটে দিয়ে চুমু দিল। এবার চুমুটা ছিল লম্বা, গভীর। রিয়ার শরীর কাঁপছিল। শান্তোর হাত তার কোমর থেকে উপরে উঠছিল। রিয়া বাধা দিল না। সে নিজেই শান্তোর জামার বোতাম খুলতে শুরু করল।
তারা একে অপরের শরীর ছুঁতে লাগল। শান্তো রিয়ার গলার নিচে চুমু দিল। রিয়া আহ্লাদে চোখ বন্ধ করে দিল। শান্তোর হাত তার বুকের ওপর ঘুরছিল। রিয়ার নিশ্বাস দ্রুত হয়ে উঠল। হঠাৎ দূর থেকে মোটরসাইকেলের আওয়াজ এল। দুজন তাড়াতাড়ি জামা ঠিক করল। রিয়া বলল, “এভাবে চলতে থাকলে একদিন বড় বিপদ হবে।” শান্তো তার কপালে চুমু দিয়ে বলল, “আমি জানি। কিন্তু তোমাকে ছাড়তে পারি না।”
বাড়িতে সমস্যা বাড়তে লাগল। রিয়ার মা খেয়াল করতে শুরু করল যে মেয়েটা অনেক সময় বাইরে থাকে। একদিন তিনি জিজ্ঞেস করলেন, “তুমি কার সঙ্গে এতক্ষণ কথা বলছ?” রিয়া মিথ্যে বলল, “বন্ধুর সঙ্গে।” কিন্তু মায়ের চোখে সন্দেহ দেখা গেল। শান্তোর বাড়িতেও তার মা বললেন, “তুমি রাত জেগে ফোনে কথা বলছ কেন?” শান্তো উত্তর দিল না।
একদিন রিয়ার বাবা তাকে ডেকে বললেন, “আমরা তোমার বিয়ের কথা ভাবছি। একটা ভালো পরিবারের ছেলে দেখেছি।” রিয়ার বুক কেঁপে উঠল। সে কিছু বলতে পারল না। সন্ধ্যাবেলা শান্তোকে সব খুলে বলল। শান্তো রাগে ফেটে পড়ল। “আমি তোমাকে ছাড়ব না। তুমি আমার।” রিয়া কেঁদে বলল, “আমি কী করব? আমি বাবার কথা অমান্য করতে পারি না।”
সেই রাতে দুজন নদীর পাড়ে গেল। অন্ধকার। কেউ নেই। শান্তো রিয়াকে জড়িয়ে ধরল। রিয়া তার বুকে মুখ লুকিয়ে কাঁদছিল। শান্তো তার চুল আঁচড়ে দিয়ে বলল, “আমরা পালিয়ে যাব। কোথাও গিয়ে নতুন করে শুরু করব।” রিয়া মাথা তুলে তাকাল। “সত্যি?” শান্তো মাথা নাড়ল। “সত্যি।”
তারা সেখানেই শুয়ে পড়ল। শরীর শরীর লেগে গেল। শান্তো রিয়ার জামা খুলে দিল। রিয়াও তার জামা খুলল। দুজনের শরীর উষ্ণ। শান্তো রিয়ার স্তনে চুমু দিল, জিভ দিয়ে চেটে দিল। রিয়া আহ্লাদে কামড়ে ধরল শান্তোর কাঁধ। শান্তোর হাত নিচে নামল। রিয়ার শরীর কেঁপে উঠল যখন শান্তোর আঙুল তার ভেতরে ঢুকল। রিয়া চেঁচিয়ে উঠতে গিয়ে শান্তোর কাঁধে মুখ চেপে ধরল। শান্তো আস্তে আস্তে নড়ছিল। রিয়ার শরীর পানি হয়ে যাচ্ছিল। দুজন একসঙ্গে শিখরে পৌঁছাল। তারপর নিঃশব্দে শুয়ে রইল।
রিয়া ফিসফিস করে বলল, “আমি ভয় পাচ্ছি। কিন্তু তোমার সঙ্গে থাকতে চাই।” শান্তো তাকে জড়িয়ে ধরে বলল, “আমি তোমাকে রক্ষা করব।”
পরের দিন থেকে তারা পালানোর পরিকল্পনা করতে লাগল। টাকা জমাতে শুরু করল। শান্তো তার সঞ্চয়ের টাকা বের করল। রিয়া গহনা বেচে কিছু টাকা জোগাড় করল। কিন্তু সময় কম ছিল। রিয়ার বাবা বিয়ের তারিখ ঠিক করে ফেলেছিলেন। মাত্র দুই সপ্তাহ।
একদিন রাতে রিয়া ফোনে কাঁদতে কাঁদতে বলল, “আমার বাবা আজ রেগে গেছেন। তিনি বলেছেন আমি যদি না মানি তাহলে বাড়ি থেকে বের করে দেবেন।” শান্তো বলল, “তাহলে আজই চলে আয়। আমি অপেক্ষা করছি।” রিয়া দ্বিধায় পড়ল। শেষ পর্যন্ত সে রাজি হল।
মধ্যরাতে রিয়া বাড়ি থেকে বেরিয়ে এল। শান্তো রাস্তার মোড়ে অপেক্ষা করছিল। দুজন হাত ধরে ছুটল বাসস্ট্যান্ডের দিকে। বাসে উঠে তারা শহর ছাড়ল। গন্তব্য ছিল চট্টগ্রাম। সেখানে শান্তোর এক আত্মীয় থাকত, যে সাহায্য করবে বলেছিল।
বাসের অন্ধকারে রিয়া শান্তোর কাঁধে মাথা রাখল। শান্তো তার হাত চেপে ধরল। দুজনের মনে ভয় আর আশা দুটোই ছিল। তারা জানত, সামনে কঠিন সময় আসছে। কিন্তু একে অপরের সঙ্গে থাকার ইচ্ছাটাই সবকিছু ছাপিয়ে যাচ্ছিল।
চট্টগ্রামে পৌঁছে শান্তো আর রিয়া একটা সস্তা হোটেলে উঠল। রাত গভীর। ক্লান্ত শরীর। কিন্তু মন অস্থির। হোটেলের ছোট রুমে দুজন মুখোমুখি দাঁড়াল। রিয়া বলল, “আমরা কি সত্যিই পারব?” শান্তো তার দুই হাত ধরে বলল, “পারব। আমি তোমাকে কখনো ছাড়ব না।”
সেই রাতে তারা প্রথমবার পুরোপুরি একসঙ্গে হল। শান্তো রিয়ার সব কাপড় খুলে দিল। রিয়াও শান্তোর। দুজনের শরীর উলঙ্গ। শান্তো রিয়াকে বিছানায় শুইয়ে তার পুরো শরীরে চুমু দিতে লাগল। গলা, বুক, পেট, উরু। রিয়া আহ্লাদে কেঁপে উঠছিল। শান্তো তার পা ছড়িয়ে দিয়ে জিভ দিয়ে চাটতে লাগল। রিয়া কামড়ে ধরল বালিশ। শরীর থেকে পানি বেরোচ্ছিল। শান্তো উঠে এসে তার ওপর শুয়ে পড়ল। আস্তে আস্তে ঢুকল। রিয়া ব্যথায় চিৎকার করে উঠল, তারপর আহ্লাদে। দুজন একসঙ্গে নড়তে লাগল। বিছানা কেঁপে উঠছিল। রিয়ার নখ শান্তোর পিঠে বিঁধে গেল। শান্তো আরও জোরে জোরে নড়ছিল। শেষে দুজন একসঙ্গে শিখরে পৌঁছাল। শরীর থেকে ঘাম ঝরছিল। তারা জড়িয়ে শুয়ে রইল।
সকালে উঠে তারা নতুন জীবনের পরিকল্পনা করতে লাগল। শান্তো কাজ খুঁজতে বেরোল। রিয়াও একটা ছোট দোকানে কাজ পেল। দিনগুলো কাটতে লাগল। তারা একটা ছোট ঘর ভাড়া নিল। রাতে ফিরে এসে একে অপরকে জড়িয়ে ধরত। কখনো রান্না করতে করতে দুষ্টুমি করত। শান্তো পেছন থেকে এসে রিয়ার কোমর জড়িয়ে ধরত। রিয়া হেসে সরিয়ে দিত, আবার নিজেই এগিয়ে আসত।
একদিন রাতে বৃষ্টি নামল। বিদ্যুৎ নেই। মোমবাতির আলোয় দুজন বসল। রিয়া শান্তোর কোলে বসল। শান্তো তার চুল আঁচড়ে দিতে দিতে বলল, “তুমি আমার সবকিছু।” রিয়া তার ঠোঁটে চুমু দিয়ে বলল, “তুমিও।” তারপর ধীরে ধীরে কাপড় খুলতে লাগল। মোমবাতির আলোয় তাদের শরীর উজ্জ্বল দেখাচ্ছিল। শান্তো রিয়াকে কোলে নিয়ে বিছানায় শুইয়ে দিল। এবার আরও আবেগের সঙ্গে। শান্তো রিয়ার প্রতিটি অঙ্গ ছুঁয়ে দেখছিল। রিয়াও শান্তোর শরীর আদর করছিল। দুজন ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে একে অপরকে উপভোগ করল। শেষে ক্লান্ত হয়ে জড়িয়ে শুয়ে রইল।
কিন্তু শান্তি বেশিদিন টিকল না। একদিন রিয়ার বাবার লোকজন তাদের খুঁজে পেল। হঠাৎ দুপুরবেলা দরজায় ধাক্কা। শান্তো খুলে দিয়ে দেখল কয়েকজন লোক। রিয়ার বাবাও সঙ্গে। রাগে ফেটে পড়ে তিনি রিয়াকে ধরে নিয়ে যেতে চাইলেন। শান্তো বাধা দিল। হাতাহাতি শুরু হল। প্রতিবেশীরা এসে জড়ো হল। শেষ পর্যন্ত পুলিশ এসে পরিস্থিতি সামাল দিল।
রিয়াকে নিয়ে যাওয়া হল। শান্তো আদালতে মামলা করল। কয়েক মাস কেটে গেল। শান্তো প্রতিদিন আদালতে যেত। রিয়া বাড়িতে বন্দি অবস্থায় ছিল। কিন্তু দুজনের যোগাযোগ বন্ধ হয়নি। এক আত্মীয়ের মাধ্যমে চিঠি আদান-প্রদান হত। রিয়া লিখত, “আমি অপেক্ষা করছি। তুমি আমাকে ভুলো না।” শান্তো লিখত, “আমি তোমাকে নিয়ে আসবই।”
শেষ পর্যন্ত আদালতের রায় তাদের পক্ষে গেল। রিয়া সাবালিকা, সে নিজের ইচ্ছায় শান্তোর সঙ্গে থাকতে চায়। বাধ্য করা যাবে না। রিয়াকে ফিরিয়ে আনা হল। দুজন আবার এক হল।
এবার তারা বিয়ে করল। ছোটখাটো অনুষ্ঠান। শুধু কাছের কিছু মানুষ। বিয়ের রাতে আবার সেই আবেগ। এবার আর কোনো ভয় নেই। শান্তো রিয়াকে আস্তে আস্তে কাপড় খুলল। রিয়া হাসছিল। দুজন বিছানায় শুয়ে একে অপরকে আদর করতে লাগল। শান্তো রিয়ার ভেতরে ঢুকে আস্তে আস্তে নড়তে লাগল। রিয়া তার কানে ফিসফিস করে বলল, “আরও জোরে।” শান্তো জোরে নড়ল। ঘরের ভেতর শুধু তাদের নিশ্বাসের আওয়াজ আর বিছানার শব্দ। শেষে দুজন একসঙ্গে শিখরে পৌঁছাল। জড়িয়ে শুয়ে রইল।
সকালে উঠে রিয়া চা বানাতে গেল। শান্তো পেছন থেকে এসে তাকে জড়িয়ে ধরল। রিয়া হেসে বলল, “আবার শুরু করবে?” শান্তো তার ঘাড়ে চুমু দিয়ে বলল, “প্রতিদিন।”
এভাবেই তাদের জীবন চলতে লাগল। দুষ্টুমি, আবেগ, ভালোবাসা আর শরীরের টান—সব মিলেমিশে এক হয়ে গেল। তারা জানত, সামনে আরও অনেক বাধা আসতে পারে। কিন্তু একে অপরকে পাশে পেয়ে তারা সবকিছু সামলে নিতে পারবে। শান্তো আর রিয়া—দু
জন মিলে একটা নতুন গল্প লিখছিল, যেখানে ভয় নেই, শুধু ভালোবাসা আর একসঙ্গে থাকার ইচ্ছা।
....