বিয়ের আগে গোপন রাত

 

¦Ëk¢xz˲Úèžé

শায়নের চোখ প্রথমবার রিফাকে দেখে থমকে গিয়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে সে বসে ছিল একটা বই হাতে, চুলের একটা লক চোখের ওপর পড়ে আছে, আর তার ওঠ ঈষৎ খোলা মনোযোগের কারণে। শায়নের বুকের ভিতরে কিছু একটা ধাক্কা দিল। ওই মেয়েটি ওর মতো না—সাদা টপ, জিন্স, কোনো মেকআপ নেই, কিন্তু তার সৌন্দর্য একেবারে প্রাকৃতিক, বিশুদ্ধ।

 

¦Ëk¢x/춺'ƒú

রিফা উঠে দাঁড়াল, বইগুলো নিয়ে বেরোতে যাবে। শায়নের সঙ্গে ধাক্কা লেগে গেল করিডোরে।

 

“সররি…” রিফা একটু লজ্জিত হয়ে বলল।

 

শায়ন হাসল। “আমিও সরি। তুমি রিফা, না? ইংলিশ ডিপার্টমেন্টের?”

 

রিফা চোখ তুলে দেখল। শায়নের গভীর কণ্ঠস্বর, লম্বা চেহারা, তীক্ষ্ণ চোয়াল, আর সেই নরম হাসি। তার বুকের ধকধক বেজে উঠল।

 

“হ্যাঁ… তুমি?”

 

“শায়ন। কম্পিউটার সায়েন্স।”

 

সেই দিন থেকে তাদের কথা শুরু। লাইব্রেরিতে, ক্যান্টিনে, সন্ধ্যায় ক্যাম্পাসের বাইরে একটু একটু করে সময় কাটানো। প্রথমে বন্ধু, তারপর একটু বেশি। রিফা শায়নের জন্য অপেক্ষা করত ক্লাস শেষে। শায়ন রিফাকে ফুল দিত—সাধারণ গোলাপ, কিন্তু তার সঙ্গে একটা ছোট নোট: “তোকে দেখলে মনটা শান্তি পায়।”

 

একদিন রাতে ক্যাম্পাসের পেছনের লেকের ধারে তাদের প্রথম চুমু হয়ে গেল। বৃষ্টি পড়ছিল একটু একটু। রিফার চুল ভিজে, শায়নের হাত তার কোমরে। শায়ন একটু নেমে গিয়ে রিফাকে চুমু দিল—নরম, ধীর, তারপর গভীর। রিফার ওঠ কাঁপল, তার হাত শায়নের চুলের মধ্যে ঢুকে গেল। শায়নের জিভ একটু একটু করে রিফাকে খুলল, আর রিফা সাড়া দিল। তাদের শ্বাসগুলো মিশে গেল বৃষ্টির শব্দে।

 

ওই রাত থেকে তাদের মধ্যে আগুন জ্বলে উঠল।

 

কয়েক মাস পর, শায়নের ফ্ল্যাটে প্রথমবার তাদের মিলন। দরজা বন্ধ হতেই শায়ন রিফাকে দেয়ালে চেপে ধরল। “আমি আজকে কন্ট্রোল করতে পারছি না,” সে ফাঁপা গলায় বলল।

 

রিফার চোখে অস্থিরতা আর ইচ্ছা। “তাহলে কন্ট্রোল কোরো না।”

 

শায়নের হাত রিফার টপের নিচে ঢুকে গেল। নরম ত্বক, গরম। রিফার স্তনের ওপর হাত ঘষে, স্তনবৃন্তে আঙুল ঘুরিয়ে দিল। রিফার শ্বাস বেড়ে গেল। শায়ন টপ তুলে ফেলল, ব্রা খুলল, আর তার মুখ নামিয়ে স্তনে চুমু দিল—খেয়ে, চুষে, দাঁত দিয়ে একটু একটু করে কেটে। রিফার পিঠ দেয়ালের সঙ্গে লেগে, তার হাত শায়নের মাথার পেছনে।

 

“শায়ন… আহ…”

 

শায়নের হাত নিচের দিকে নেমে গেল। জিন্সের বোতাম খুলে, জিপার নিচে নামিয়ে, হাত আন্ডারওয়্যারের ভিতর। রিফার মধ্যে গলে গলে আছে—গরম, ভিজে। শায়নের দুই আঙুল ঢুকিয়ে দিল, আর রিফার পা একটু খুলে গেল। শায়নের আঙুল ঘুরিয়ে, চাপ দিয়ে, আর তার বুকে চুমু খেয়ে খেয়ে রিফাকে নিজেকে হারিয়ে ফেলা পর্যন্ত নিয়ে গেল।

 

রিফার শরীর কেঁপে উঠল, তার নখ শায়নের পিঠে লেগে। “আমি… আমি আসতে যাচ্ছি…”

 

শায়নের গলায় হাসি। “এসো। আমার জন্য।”

 

রিফার ক্লাইম্যাক্স এল—তার শরীর টানটান, তার গলা থেকে নরম মোয়ান বেরোল। শায়ন তার হাত বের করে, নিজের আঙুল চুষে দেখল। “তুমি এত মিষ্টি।”

 

রিফা লজ্জায় লাল হয়ে গেল, কিন্তু তার চোখে আগুন। সে হাঁটু গেড়ে শায়নের টি-শার্ট তুলে ফেলল, আর নিজের হাত নামিয়ে শায়নের জিন্সের ভিতরে। শায়নের লিঙ্গ শক্ত, গরম। রিফার হাত ঘষে, চাপ দিয়ে, আর শায়নের গলা থেকে নিচু গোঙানি বেরোল।

 

তারা বেডরুমে গিয়ে পড়ল। শায়ন রিফাকে বিছানায় শুইয়ে, নিজের দেহ তার ওপর। প্রথমবার ঢোকা—ধীর, গভীর। রিফার চোখ বন্ধ, ওঠ খোলা। শায়ন একটু একটু করে ভিতরে গেল, আর রিফার হাত তার পিঠে লেগে থাকল।

 

“তুমি এত টাইট… এত গরম,” শায়নের গলা ভেঙে গেল।

 

রিফা তার পা শায়নের কোমরে জড়িয়ে দিল। “মুভ করো… প্লিজ।”

 

শায়ন শুরু করল—ধীর থ্রাস্ট, তারপর তেজ। তার হাত রিফার স্তনে, ওঠে চুমু, গলায় দাঁত। রিফার মোয়ান উঁচু হয়ে গেল। শায়নের গতি বাড়ল, আর তাদের শরীরের শব্দ মিশে বেডরুম ভরিয়ে দিল।

 

দুজনেই প্রায় একসঙ্গে এল। শায়নের শরীর টানটান, তার গলা থেকে রিফার নাম বেরোল, আর রিফার নখ তার পিঠে দাগ কেটে দিল।

 

পরে তারা একসঙ্গে শুয়ে থাকল। শায়নের হাত রিফার চুলে। “আমি তোমাকে ভালোবাসি,” সে বলল।

 

রিফার চোখে জল। “আমিও।”

 

কিন্তু জীবন সহজ নয়। রিফার পরিবার রক্ষণশীল। তার বাবা-মা চায় না সে কোনো ছেলের সঙ্গে মিশুক, বিশেষত বিয়ের আগে। শায়নের পরিবারও চাপ দিতে থাকে—চাকরি, ক্যারিয়ার, তারপর বিয়ে।

 

একদিন রিফার বাবা তার ফোনে মেসেজ দেখে ফেলে। “তুই কার সঙ্গে কথা বলছিস? এই শায়নকে?”

 

রিফাকে ঘর থেকে বেরোতে দেওয়া হয় না। ফোন বন্ধ। শায়ন কল করে, মেসেজ করে—কোনো উত্তর আসে না।

 

দুই মাস।

 

শায়ন পাগলের মতো হয়ে যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ে আসে, রিফাকে খোঁজে। একদিন অবশেষে লাইব্রেরির পেছনে রিফাকে দেখতে পায়। রিফার চোখ লাল, মুখ রুক্ষ।

 

“তুমি কোথায় ছিলে?” শায়নের গলা কাঁপে।

 

রিফা কাঁদতে কাঁদতে ভেঙে পড়ে। “বাবা… বাবা আমাকে বন্ধ করে রেখেছে। তোমার সঙ্গে কথা বলা যাবে না। তুমি… তুমি দূরে থাকো।”

 

শায়ন রিফাকে জড়িয়ে ধরে। “আমি দূরে থাকতে পারব না। তুমি আমার।”

 

রিফা তার বুকের মধ্যে মুখ লুকায়। “আমি তোমাকে চাই… কিন্তু কী করে?”

 

ওই রাত থেকে তাদের গোপন মিলন শুরু। হোটেলে, শায়নের বন্ধুদের ফ্ল্যাটে, কখনো কখনো ক্যাম্পাসের বাইরে। প্রত্যেক মিলনে তাদের আগুন আরো তীব্র হয়।

 

একদিন শায়ন রিফাকে একটা প্রাইভেট ভিলায় নিয়ে যায়—উইকেন্ডের জন্য। দরজা বন্ধ হতেই তারা একে অপরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। কাপড় ছিঁড়ে ফেলে, হাত হাতে। শায়ন রিফাকে টেবিলের ওপর তুলে, তার পা খুলে, আর নিজের মুখ নামিয়ে যায়। রিফার মধ্যে জিভ দিয়ে, চুষে, আঙুল দিয়ে। রিফার হাত শায়নের চুলে, তার গলা থেকে অনবরত মোয়ান।

 

“শায়ন… আমি আর… আহ… প্লিজ…”

 

শায়ন উঠে দাঁড়িয়ে, নিজের লিঙ্গ বের করে, আর এক ধাক্কায় ভিতরে ঢুকিয়ে দেয়। রিফার পিঠ টেবিলে, তার স্তন কাঁপে প্রত্যেক থ্রাস্টে। শায়নের হাত তার কোমরে, গতিবারবার বাড়ছে। তাদের চোখ মিলে, আর ওই মুহূর্তে শুধু তারা—ভালোবাসা, ইচ্ছা, আগুন।

 

পরে তারা বাথরুমে, শাওয়ারের নিচে। পানি পড়ছে, শায়ন পেছন থেকে রিফাকে ধরে, তার স্তনে হাত, আর আবার ঢুকিয়ে। রিফার হাত দেয়ালে, তার গলা থেকে “হার্ডার… হার্ডার” বেরোচ্ছে।

 

রাতে বিছানায় তারা ধীরে করে। শায়ন রিফাকে ওপরে বসিয়ে, আর রিফা নিজেকে মুভ করে। তার চুল কাঁধে, স্তন কাঁপে, আর শায়নের হাত তার কোমরে। তাদের চোখে ভালোবাসা আর আগুন।

 

“আমি তোমাকে বিয়ে করতে চাই,” শায়ন বলল ওই মুহূর্তে।

 

রিফার গতি থেমে যায়। “কী?”

 

“বিয়ে। তুমি ছাড়া আমি আর থাকতে পারব না।”

 

রিফার চোখে জল। সে নেমে গিয়ে শায়নের ওঠে চুমু খায়। “আমিও চাই… কিন্তু পরিবার…”

 

শায়ন তার মুখ তুলে। “আমি সব ঠিক করব। তুমি শুধু আমাকে বিশ্বাস করো।”

 

পরের মাসগুলো সংগ্রাম। শায়ন রিফার বাবার সঙ্গে দেখা করতে যায়। প্রথমবার রিজেক্ট। দ্বিতীয়বারও। তৃতীয়বার শায়নের পরিবারও সঙ্গে আসে। লম্বা আলোচনা, তর্ক, কান্না।

 

রিফার মা একটু নরম। “মেয়েটাও তাকে চায়… দেখো তো।”

 

অবশেষে, একদিন রিফার বাবা রাজি হয়। শর্ত—বিয়ে শিগগির, আর শায়নকে প্রমাণ করতে হবে যে সে রিফাকে সুখী রাখতে পারবে।

 

এনগেজমেন্ট হয়। সাধারণ, অন্তরঙ্গ। রিফার হাতে রিং পরাতে গিয়ে শায়নের হাত কাঁপে। রিফার চোখে আনন্দ আর কান্না।

 

বিয়ের আগের রাত। তারা হোটেলে। এবার আরো আবেগঘন, আরো তীব্র। শায়ন রিফাকে নিজেকে সম্পূর্ণ দিয়ে দেয়—প্রত্যেক চুমু, প্রত্যেক স্পর্শে ভালোবাসা। রিফাও। তাদের দেহ মিলে, আর তারা বারবার আসে—কখনো ধীর, কখনো বন্য।

 

বিয়ের দিন।

 

রিফা লাল শাড়িতে। শায়নের চোখ থেকে জল বেরোয় দেখে। অনুষ্ঠানে তারা একে অপরকে মালা পরায়, কপালে সিঁদুর, আর অবশেষে “আমি তোমাকে গ্রহণ করলাম” বলে।

 

রাতে, বিয়ের স্যুটে।

 

দরজা বন্ধ। শায়ন রিফাকে পেছন থেকে ধরে। “আজ থেকে তুমি আমার বউ।”

 

রিফা হাসে, তার পিঠ শায়নের বুকে লেগে। “আর তুমি আমার বর।”

 

তারা ধীরে ধীরে কাপড় খোলে। শায়ন রিফার শাড়ি খোলে, ব্লাউজ, পেটিকোট। রিফার দেহ আজও নতুন মনে হয়। শায়ন তার প্রত্যেক ইঞ্চিতে চুমু খায়—গলা, স্তন, পেট, নিচের দিকে।

 

রিফা বিছানায় শুয়ে, পা খুলে। শায়ন তার মধ্যে মুখ রাখে, জিভ দিয়ে, আঙুল দিয়ে, যতক্ষণ না রিফার প্রথম ক্লাইম্যাক্স আসে।

 

তারপর শায়ন ওপরে। প্রথম থ্রাস্ট—গভীর, ধীর। তাদের চোখ মিলে। “ভালোবাসি,” শায়ন বলল।

 

“আমিও… এত ভালোবাসি,” রিফার গলা কাঁপে।

 

তারা মুভ করে—প্রথমে রোমান্টিক, তারপর পাশনে হারিয়ে। শায়ন রিফাকে নানা পজিশনে নেয়—মিশনারি, ডগি, তারপর রিফা ওপরে। প্রত্যেকবার তাদের ক্লাইম্যাক্স আরো তীব্র, আরো আবেগঘন।

 

শেষে তারা একসঙ্গে পড়ে থাকে। শায়নের হাত রিফার পেটে। “আমাদের পরের অধ্যায় শুরু হলো।”

 

রিফা হাসে, তার চোখ বন্ধ। “হ্যাঁ… আর এই অধ্যায়টা হবে আরো হট, আরো ভালোবাসার।”

 

তারপরের দিনগুলো, মাসগুলো, বছরগুলো—তাদের ভালোবাসা আরো গভীর হয়। কখনো তারা রাতভর প্রেম করে, কখনো শুধু একসঙ্গে শুয়ে কথা বলে। কখনো ঝগড়া, তারপর মেকআপ সেক্স। কিন্তু প্রত্যেক দিন তারা একে অপরকে আরো বেশি ভালোবাসে।

 

একদিন, কয়েক বছর পর, রিফা শায়নের কাছে এসে তার হাত ধরে। “আমাদের পরিবার বাড়ছে…”

 

শায়নের চোখ বড় হয়ে যায়, তারপর সে রিফাকে তুলে ঘোরায়। “আমরা মা-বাবা হবো?”

 

রিফা কেঁদে হাসে। “হ্যাঁ।”

 

আর ওই মুহূর্তে তাদের গল্প নতুন একটা মাত্রা পায়—ভালোবাসা, পরিবার, আর ওই আগুনটা কখনো নিভে যায় না।

....
👁 18