রাতে বৃষ্টি পড়ছিল। কলকাতার উত্তরের সেই পুরনো বাড়ির ছাদে জলের শব্দ মিশে যাচ্ছিল ঝড়ের গর্জনে। রিয়া জানালার পাশে দাঁড়িয়েছিল। তার চুল ভেজা, শাড়ির আঁচল বাতাসে উড়ছিল। নিচের রাস্তায় গাড়ির আলো ছুটে যাচ্ছিল, কিন্তু তার চোখ শুধু একজনের দিকে—ছাদের ওপারে দাঁড়ানো অরিন্দম।
অরিন্দম তার ফুফাতো ভাই। বাবার বোনের ছেলে। ছোটবেলা থেকে একসাথে বড় হয়েছে। একই স্কুলে, একই কলেজে। সবাই বলত “ভাই-বোনের মতো”। কিন্তু রিয়ার বুকের ভিতর যে আগুন জ্বলছিল, সেটা ভাই-বোনের নয়। সেটা কিছু আরও গভীর, আরও নিষিদ্ধ।
“রিয়া...” অরিন্দমের গলা শোনা গেল। সে এগিয়ে এল। বৃষ্টিতে তার সাদা শার্ট ভিজে গায়ে লেগেছিল। বুকের পেশি স্পষ্ট। “এত রাতে ছাদে একা কেন?”
রিয়া পিছু হটল না। “তুমিও তো একা।”
অরিন্দম হাসল। সেই হাসি যেটা রিয়াকে সবসময় অস্থির করে দিত। “মা বলল তুমি বাইরে। তাই খুঁজতে এলাম।”
বৃষ্টি আরও জোরে পড়তে শুরু করল। রিয়ার শাড়ির ব্লাউজ ভিজে গিয়েছিল। অরিন্দমের চোখ এক মুহূর্তের জন্য তার বুকের দিকে গেল, তারপর দ্রুত সরে গেল। কিন্তু রিয়া দেখে ফেলেছিল।
“দেখছ কেন?” রিয়া জিজ্ঞেস করল, গলায় একটা চ্যালেঞ্জ।
অরিন্দম কাছাকাছি এল। “কারণ তুমি সুন্দর। আর আমি... আমি নিজেকে থামাতে পারছি না।”
রিয়ার হৃদয় জোরে ধড়ফড় করছিল। “আমরা তো ভাই-বোন...”
“না।” অরিন্দম হঠাৎ তার হাত ধরল। “আমরা রক্তের ভাই-বোন নই। ফুফাতো। আর আমি আর পারছি না ভান করতে।”
বৃষ্টির জল তাদের গায়ে পড়ছিল। অরিন্দম রিয়াকে টেনে নিল কাছে। তার ঠোঁট রিয়ার ঠোঁটে ছুঁয়ে গেল। প্রথমে হালকা, তারপর ক্ষুধার্ত। রিয়া প্রতিরোধ করল না। সে তার হাত তুলে অরিন্দমের চুল আঁকড়ে ধরল। চুম্বন গভীর হল। জিভ মিলল। বৃষ্টি তাদের শরীরকে ধুয়ে দিচ্ছিল, কিন্তু ভিতরের আগুন আরও জ্বলে উঠছিল।
অরিন্দম রিয়াকে দেয়ালে ঠেস দিয়ে ধরল। তার হাত শাড়ির ওপর দিয়ে বুক স্পর্শ করল। রিয়া একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল। “অরি... কেউ দেখে ফেললে...”
“কেউ নেই।” অরিন্দম তার কানে ফিসফিস করল। “শুধু আমরা।”
তার হাত ব্লাউজের বোতাম খুলতে লাগল। একটা... দুটো... রিয়ার বুক উন্মুক্ত হল। অরিন্দম নিচু হয়ে তার স্তন চুম্বন করল। জিভ দিয়ে স্তনবৃন্ত চেটে নিল। রিয়ার কোমর কেঁপে উঠল। সে অরিন্দমের মাথা আরও জোরে চেপে ধরল।
“আরও...” রিয়া ফিসফিস করল।
অরিন্দম শাড়ি খুলে ফেলল। পেটিকোটও। রিয়া শুধু প্যান্টি পরে দাঁড়িয়েছিল। অরিন্দম হাঁটু গেড়ে বসল। তার হাত রিয়ার উরু স্পর্শ করল, তারপর প্যান্টির ভিতর ঢুকিয়ে দিল। আঙুল ভেজা জায়গায় গেল। রিয়া আরও জোরে নিশ্বাস ফেলল।
“তুমি কত ভেজা...” অরিন্দম বলল, গলায় আশ্চর্য।
সে প্যান্টি সরিয়ে দিয়ে রিয়ার গোপন জায়গায় মুখ লাগাল। জিভ ঢুকিয়ে দিল। রিয়া দেয়ালে হাত রেখে দাঁড়িয়ে রইল। তার পা কেঁপে যাচ্ছিল। অরিন্দম চুষছিল, চাটছিল, আঙুল দিয়ে ভিতরে ঢোকাচ্ছিল। রিয়ার শরীর টানটান হয়ে উঠল। একটা তীব্র আনন্দে সে কেঁপে উঠল। তার হাত অরিন্দমের চুলে আঁকড়ে ধরল।
“অরি... আমি... আমি যাচ্ছি...”
অরিন্দম থামল না। রিয়া চিৎকার করে উঠল বৃষ্টির শব্দে মিশিয়ে। তার শরীর ঢেউয়ের মতো কেঁপে উঠল। অরিন্দম উঠে দাঁড়াল। তার প্যান্টের ভিতর শক্ত হয়ে উঠেছিল। রিয়া তার হাত বাড়িয়ে জিপার নামিয়ে দিল। অরিন্দমের লিঙ্গ বেরিয়ে এল—মোটা, লম্বা, উত্তেজিত।
রিয়া হাঁটু গেড়ে বসল। বৃষ্টিতে ভিজে সে অরিন্দমের লিঙ্গ মুখে নিল। চুষতে লাগল। অরিন্দম মাথা পিছনে ফেলে দীর্ঘশ্বাস ফেলল। “রিয়া... জানোস তুমি কী করছ...”
রিয়া আরও গভীরে নিল। তার জিভ ঘুরছিল। অরিন্দমের হাত তার চুলে। সে আস্তে আস্তে দোলা দিচ্ছিল। রিয়া গলায় পর্যন্ত নিতে চাইছিল। অরিন্দম সহ্য করতে পারছিল না। সে রিয়াকে তুলে দাঁড় করাল।
“এবার আমি।”
সে রিয়াকে ঘুরিয়ে দেয়ালের দিকে মুখ করে দাঁড় করাল। পিছন থেকে তার কোমর ধরল। লিঙ্গ রিয়ার ভেজা ছিদ্রের ওপর রগড়াল। তারপর ধীরে ধীরে ঢুকিয়ে দিল। রিয়া চিৎকার করে উঠল। অরিন্দম পুরোটা ঢুকিয়ে দিল। তারপর নড়তে শুরু করল। প্রথমে আস্তে, তারপর জোরে। ছাদের মেঝেতে তাদের শব্দ বাজছিল। বৃষ্টির জল তাদের শরীরে গড়িয়ে পড়ছিল।
অরিন্দম এক হাত দিয়ে রিয়ার স্তন চেপে ধরল, অন্য হাত দিয়ে তার ক্লিটরিস মালিশ করল। রিয়া আরও জোরে চাপ দিতে লাগল। “আরও জোরে... ভাই...”
অরিন্দম থেমে গেল এক মুহূর্ত। “আমাকে ভাই বলে ডেকো না। আমি তোমার...”
“তুমি আমার...” রিয়া ঘুরে তাকাল। “আমার অরি।”
অরিন্দম আবার জোরে ধাক্কা দিতে লাগল। রিয়ার শরীর আবার চূড়ান্ত সুখে পৌঁছাল। সে চিৎকার করে উঠল। অরিন্দমও তার ভিতরে গরম তরল ছেড়ে দিল। দুজনেই কাঁপতে কাঁপতে দাঁড়িয়ে রইল।
বৃষ্টি এখনও পড়ছিল। তারা একসাথে বসে পড়ল ছাদের মেঝেতে। অরিন্দম রিয়াকে বুকে জড়িয়ে ধরল।
“এটা ভুল...” রিয়া ফিসফিস করল।
“না।” অরিন্দম তার কপালে চুমু খেল। “এটা সত্যি। আর আমি চাই তোমাকে। চিরকাল।”
---
সেই রাতের পর থেকে সব বদলে গেল।
পরের দিন সকালে রিয়া উঠে দেখল অরিন্দম তার ঘরে। সে বিছানায় বসেছিল। রিয়া লজ্জিত হয়ে চাদর টেনে নিল।
“কেউ জানবে না।” অরিন্দম বলল। “কিন্তু আমি আর লুকোতে পারছি না।”
রিয়া উঠে বসল। তার শরীর এখনও সেই রাতের অনুভূতিতে কাঁপছিল। “আমাদের পরিবার...”
“আমি জানি। কিন্তু আমি তোমাকে বিয়ে করব। একদিন।”
রিয়া হাসল। “বিয়ে? ফুফাতো ভাই-বোনের?”
অরিন্দম কাছে এল। তার হাত রিয়ার গাল স্পর্শ করল। “হ্যাঁ। আইনত সম্ভব। আর আমি চাই।”
সে রিয়াকে আবার চুমু খেল। এবার ধীরে। ভালোবাসার চুমু। তারপর তার হাত চাদরের নিচে ঢুকিয়ে দিল। রিয়া প্রতিরোধ করল না। অরিন্দম তার স্তন চেপে ধরল, চুষল। রিয়া শুয়ে পড়ল। অরিন্দম তার প্যান্ট খুলে নিল। আবার ঢুকে গেল। এবার বিছানায়। ধীরে ধীরে। গভীরভাবে। রিয়ার পা তার কোমরে জড়িয়ে গেল। তারা একসাথে চূড়ান্ত সুখে পৌঁছাল।
সারাদিন তারা লুকিয়ে লুকিয়ে দেখা করল। বাড়ির লোকজন কিছু বুঝতে পারল না। কিন্তু রাতে আবার ছাদে। আবার বৃষ্টিতে। অরিন্দম রিয়াকে কোলে তুলে নিল। তার হাত রিয়ার শাড়ির ভিতর। আঙুল ভিতরে। রিয়া দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েই সুখে কেঁপে উঠল। তারপর অরিন্দম তাকে মেঝেতে শুইয়ে দিল। মুখের মধ্যে তার স্বাদ নিল। রিয়াও অরিন্দমের লিঙ্গ চুষল। তারা একে অপরকে স্বাদ নিল। তারপর অরিন্দম রিয়ার ওপর উঠে বসল। ঢুকিয়ে দিল। জোরে জোরে দোলাল। রিয়ার নখ তার পিঠে আঁচড় কাটল।
“আমি তোমাকে ভালোবাসি।” অরিন্দম বলল।
“আমিও।” রিয়া উত্তর দিল।
---
মাস গড়িয়ে গেল। তাদের সম্পর্ক আরও গভীর হল। দিনের বেলা তারা সাধারণ ফুফাতো ভাই-বোনের মতো আচরণ করত। কিন্তু রাতে... রাতে তারা একে অপরের হত।
একদিন অরিন্দমের ঘরে। দরজা বন্ধ। রিয়া এসে দাঁড়াল। অরিন্দম ল্যাপটপ নিয়ে বসেছিল। রিয়া তার শাড়ি খুলে ফেলল। শুধু ব্লাউজ আর পেটিকোট। অরিন্দম উঠে এল। তাকে বিছানায় ফেলল। ব্লাউজ ছিঁড়ে ফেলল। স্তন চুষতে লাগল। রিয়া তার হাত অরিন্দমের প্যান্টে দিয়ে শক্ত লিঙ্গ বের করল। নিজে থেকেই তার ওপর বসল। ধীরে ধীরে ঢুকিয়ে নিল। তারপর দোলাতে লাগল। অরিন্দম তার কোমর ধরে জোরে তুলল। রিয়ার স্তন তার মুখের সামনে দুলছিল। সে চুষল। রিয়া চিৎকার করে উঠল।
তারা ঘণ্টার পর ঘণ্টা একে অপরকে উপভোগ করল। নানা ভঙ্গিতে। রিয়া হামাগুড়ি দিয়ে দাঁড়াল। অরিন্দম পিছন থেকে ঢুকল। জোরে ধাক্কা দিল। রিয়ার চুল ধরে টানল। রিয়া আরও সুখে চিৎকার করল।
“তুমি আমার।” অরিন্দম বলল।
“হ্যাঁ... তোমার।”
---
একদিন পরিবারের সবাই বাইরে গেল। শুধু তারা দুজন বাড়িতে। অরিন্দম রিয়াকে ড্রয়িং রুমে ধরল। সোফায় শুইয়ে দিল। তার শাড়ি তুলে প্যান্টি নামিয়ে দিল। মুখ লাগাল। জিভ দিয়ে চাটতে লাগল। রিয়া পা ছড়িয়ে দিল। অরিন্দম আঙুল ঢোকাল, জিভ ঘোরাল। রিয়া দুবার সুখে কেঁপে উঠল। তারপর অরিন্দম উঠে তার লিঙ্গ রিয়ার মুখে দিল। রিয়া চুষল। গভীরে নিল। অরিন্দম তার মুখে ছেড়ে দিল। রিয়া গিলে ফেলল।
তারপর অরিন্দম আবার ঢুকল। সোফায়। রিয়ার পা কাঁধে তুলে। গভীরভাবে। জোরে। রিয়া আবার চূড়ান্ত সুখে পৌঁছাল। অরিন্দমও তার ভিতরে।
তারা মেঝেতে শুয়ে রইল। ঘামে ভেজা।
“আমরা কখন বিয়ে করব?” রিয়া জিজ্ঞেস করল।
অরিন্দম হাসল। “যখন তুমি চাইবে। আমি প্রস্তুত।”
---
সময় গড়াল। তাদের সম্পর্ক আরও তীব্র হল। তারা একে অপরের শরীরকে চিনে গেল। কোন স্পর্শে রিয়া কেঁপে ওঠে, কোন চুম্বনে অরিন্দম পাগল হয়ে যায়—সব জানা।
এক রাতে অরিন্দম রিয়াকে তার ঘরে নিয়ে গেল। মোমবাতির আলোয়। সে রিয়াকে বিছানায় শুইয়ে ধীরে ধীরে সব কাপড় খুলল। প্রতিটা ইঞ্চি চুমু খেল। গলা, বুক, পেট, উরু, আর সেই গোপন জায়গা। রিয়া কেঁপে উঠল। অরিন্দম তার পা ছড়িয়ে দিয়ে দীর্ঘক্ষণ চাটল। রিয়া তিনবার সুখে গেল। তারপর অরিন্দম ঢুকল। ধীরে। চোখে চোখ রেখে। রিয়ার হাত তার পিঠে। তারা একসাথে নড়ল। দীর্ঘক্ষণ। অরিন্দম থামল না। রিয়া আবার আবার সুখে কেঁপে উঠল। শেষে অরিন্দমও।
তারা জড়িয়ে শুয়ে রইল।
“আমি তোমাকে ছাড়া বাঁচতে পারব না।” অরিন্দম বলল।
রিয়া তার বুকে মাথা রাখল। “আমিও না।”
---
পরিবার একদিন খবর পেল। কেউ দেখে ফেলেছিল। ঝড় উঠল। মা-বাবা, কাকা-কাকিমা সবাই বিরোধিতা করল। “ফুফাতো ভাই-বোন!” “লজ্জা!” “সমাজ কী বলবে!”
কিন্তু অরিন্দম অটল। “আমি তাকে ভালোবাসি। বিয়ে করব।”
রিয়াও বলল, “আমিও চাই।”
মাসখানেক ঝগড়া। তারপর পরিবার মানল। আইনত কোনো বাধা নেই। বিয়ের দিন ঠিক হল।
বিয়ের আগের রাতে অরিন্দম লুকিয়ে রিয়ার ঘরে এল। তারা আবার মিলিত হল। এবার আরও আবেগের সাথে। অরিন্দম রিয়াকে কোলে নিয়ে দাঁড়িয়ে ঢুকিয়ে দিল। দেয়ালে ঠেস দিয়ে। জোরে। রিয়া তার গলায় দাঁত বসাল। তারা একসাথে চূড়ান্ত সুখে পৌঁছাল।
“কাল থেকে তুমি আমার স্ত্রী।” অরিন্দম ফিসফিস করল।
“আর তুমি আমার স্বামী।”
---
বিয়ের পর তাদের রাত আরও উত্তপ্ত হল। নতুন বাড়িতে। অরিন্দম রিয়াকে প্রতি রাতে উপভোগ করত। নানাভাবে। রিয়াও সাহসী হয়ে উঠল। সে নিজে থেকে অরিন্দমের ওপর বসত, দোলাত। মুখে নিত। পিছন থেকে নেওয়ার অনুমতি দিত। তারা একে অপরের সব ইচ্ছা পূরণ করত।
এক রাতে অরিন্দম রিয়াকে বেঁধে রাখল। রুমাল দিয়ে চোখ ঢেকে দিল। তারপর সারা শরীর চুমু খেল, চাটল, কামড়াল। রিয়া অসহায়ভাবে সুখে কেঁপে উঠল। অরিন্দম আঙুল দিয়ে, মুখ দিয়ে, শেষে লিঙ্গ দিয়ে তাকে বারবার চূড়ান্ত সুখে নিয়ে গেল।
আরেক রাতে রিয়া অরিন্দমকে চেয়ারে বসিয়ে তার ওপর বসল। পিছন দিকে মুখ করে। ধীরে ধীরে দোলাল। অরিন্দম তার স্তন চেপে ধরল। রিয়া আরও জোরে নড়ল। তারা একসাথে গেল।
তাদের ভালোবাসা শুধু শরীরের নয়। তারা একে অপরের সাথে কথা বলত ঘণ্টার পর ঘণ্টা। স্বপ্ন দেখত। একসাথে ভবিষ্যৎ গড়ত।
একদিন রিয়া গর্ভবতী হল। অরিন্দম খুশিতে তাকে জড়িয়ে ধরল। সেই রাতে তারা সাবধানে মিলিত হল। অরিন্দম রিয়ার পেটে হাত রেখে চুমু খেল। “আমাদের সন্তান।”
রিয়া হাসল। “হ্যাঁ। আমাদের।”
---
বছর গড়িয়ে গেল। তাদের দুই সন্তান হল। কিন্তু রাতের আগুন কখনো নিভেনি। যখনই সুযোগ পেত, তারা একে অপরকে খুঁজে নিত। রান্নাঘরে, বাথরুমে, এমনকি গাড়িতেও। একদিন ছুটিতে পাহাড়ে গিয়ে তারা খোলা জায়গায় মিলিত হল। ঠান্ডা বাতাসে তাদের গরম শরীর। অরিন্দম রিয়াকে গাছের সাথে ঠেস দিয়ে ঢুকিয়ে দিল। রিয়া চিৎকার করে উঠল। পাখির ডাকের সাথে মিশে গেল তাদের শব্দ।
তারা একে অপরকে কখনো বিরক্ত হয়নি। প্রতিটা স্পর্শ নতুন লাগত। প্রতিটা চুমু গভীর।
এক রাতে বিয়ের দশম বার্ষিকীতে অরিন্দম রিয়াকে জিজ্ঞেস করল, “কখনো অনুশোচনা হয়েছে?”
রিয়া তার বুকে মাথা রেখে বলল, “কখনো না। তুমি আমার সব।”
অরিন্দম তাকে চুমু খেল। তারপর ধীরে ধীরে তার শরীর উন্মোচন করল। সেই রাতে তারা আবার সেই প্রথম রাতের মতো পাগলের মতো মিলিত হল। বৃষ্টি পড়ছিল বাইরে। ভিতরে আগুন জ্বলছিল।
---
তাদের গল্প শেষ হয়নি। প্রতিদিন নতুন করে শুরু হয়। ফুফাতো ভাই-বোন থেকে স্বামী-স্ত্রী। নিষিদ্ধ থেকে চিরকালের ভালোবাসা। আগুনের ছায়ায় তারা পুড়েছে, কিন্তু সেই আগুনই তাদের জীবনকে আলো দিয়েছে।
রিয়া এখনও অরিন্দমের চোখে সেই ক্ষুধা দেখে। অরিন্দম এখনও রিয়ার শরীরে সেই কাঁপুনি অনুভব করে। তারা জানে—এই ভালোবাসা কোনো নিয়ম মানে না। এটা শুধু তাদের।
আর রাতে, যখন সবাই ঘুমিয়ে পড়ে, তারা আবার একে অপরকে খুঁজে নেয়। চুমু, স্পর্শ, আর সেই গভীর মি
লন। শরীর মিশে যায়। আত্মা মিশে যায়।
অরিন্দম রিয়ার কানে ফিসফিস করে, “তুমি আমার।”
রিয়া উত্তর দেয়, “আর তুমি আমার। চিরকাল।”
বৃষ্টি পড়ুক বা না পড়ুক—তাদের আগুন কখনো নেভে না।
....