বিয়ের দিন সকাল থেকেই ঢাকার উত্তরার সেই বড় বাড়িতে কোলাহল লেগেই ছিল। মাধুরীর বাবা-মায়ের বাড়ি। আজ তাদের একমাত্র মেয়ের বিয়ে। বাড়ির সামনের গেটে ফুলের তোরণ, ভেতরে হলরুমে সাজানো মঞ্চ, আলোকসজ্জা আর সুগন্ধি ধূপের গন্ধে পুরো পরিবেশ ভরে উঠেছে। আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব সবাই এসেছে। কেউ গল্প করছে, কেউ খাবার সাজাচ্ছে, কেউ ফটো তুলছে।
মাধুরী তার ঘরে দাঁড়িয়ে আয়নার সামনে। সাদা-লাল শাড়ি, চুল আঁচড়ানো, গলায় মুক্তার হার। সে নিজেই বিশ্বাস করতে পারছে না যে আজ তার বিয়ে। ইশানকে সে মাত্র তিন-চারবার দেখেছে। একবার পরিবারের সঙ্গে, একবার কফি শপে, আর একবার শপিং মলে। কথাও হয়েছে খুব কম। অথচ আজ সে তার স্ত্রী হতে চলেছে।
বিকেলে বরযাত্রী এল। ইশান সাদা পাঞ্জাবি আর শেরওয়ানি পরে এসেছে। লম্বা, সুন্দর মুখ, চোখে একটা শান্ত হাসি। সে মাধুরীর দিকে তাকাল, আর মাধুরী চোখ নামিয়ে নিল।
বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হলো। মঞ্চে দুজন বসল। উপস্থিত সবাই হাসছে, আনন্দ করছে। ঠিক তখনই ইশান হঠাৎ মাইক হাতে নিল। সবাই চুপ হয়ে গেল।
“আজকের এই বিয়ে আমার জন্য নতুন কিছু নয়,” ইশান শান্ত গলায় বলল। “এটা আমার জীবনের পুরনো একটা অধ্যায়ের ধারাবাহিকতা মাত্র।”
হলরুমে স্তব্ধতা নেমে এল। মাধুরীর চোখ বড় হয়ে গেল। সে ইশানের দিকে তাকাল। ইশান তার দিকে তাকিয়ে হাসল, যেন কিছুই হয়নি।
মাধুরীর মা উদ্বিগ্ন হয়ে উঠলেন। বাবাও কপালে ভাঁজ ফেললেন। কিন্তু ইশান আর কিছু বলল না। সে বিষয়টা এড়িয়ে গেল। আনুষ্ঠানিকতা চলতে থাকল।
রাতে যখন সবাই খাবার খাচ্ছিল, ইশান মাধুরীর পাশে এসে বসল। তার কাঁধে হাত রেখে ফিসফিস করে বলল, “তুমি চিন্তা করছো কেন? আমি তোমাকে বিয়ে করতে এসেছি, নাটক করতে নয়।”
মাধুরী তার দিকে তাকাল। “কী বলতে চেয়েছো তুমি? নতুন কিছু নয় মানে?”
ইশান হাসল। “পরে বলব। আজকের রাতটা আমাদের। তুমি কেমন লাগছো জানো? খুব সুন্দর। শাড়িটা তোমার গায়ে এমনভাবে লেগেছে যেন…”
সে থেমে গেল। মাধুরীর গাল লাল হয়ে উঠল। ইশানের হাত তার কোমরের দিকে সরে গেল। আঙুলগুলো আস্তে আস্তে চাপ দিল।
“এখানে সবাই আছে,” মাধুরী ফিসফিস করল।
“তাই তো মজা,” ইশান বলল। তার গলা গম্ভীর। “তুমি আমার স্ত্রী। আমি তোমাকে স্পর্শ করতে পারি। চাইলে আরও কাছে টানতে পারি।”
সে মাধুরীর হাত ধরে নিজের হাতের তালুতে রেখে চাপ দিল। মাধুরীর শরীর কেঁপে উঠল। ইশানের চোখে একটা গভীর আকাঙ্ক্ষা। সে মাধুরীর কানের কাছে এসে বলল, “রাত হলে দেখবে আমি কী করি।”
বিয়ের পর সবাই তাদের নতুন বাসায় পাঠিয়ে দিল। উত্তরার আরেকটা ফ্ল্যাট। ইশানের নিজের জায়গা। দরজা বন্ধ হতেই ইশান মাধুরীকে দেয়ালের দিকে ঠেলে দিল। তার দুই হাত মাধুরীর দুই পাশে রেখে তাকে ঘিরে ফেলল।
“এখন বলো,” ইশান বলল। “তুমি আমাকে কতটা চেনো?”
মাধুরী শ্বাস নিতে পারছিল না। ইশানের শরীর তার শরীরের খুব কাছে। তার গরম নিঃশ্বাস মাধুরীর গালে লাগছে। “আমি… আমি তোমাকে খুব কম চিনি।”
“তাহলে চিনবে,” ইশান বলল। সে মাধুরীর ঠোঁটে চুমু খেল। প্রথমে আস্তে, তারপর গভীরভাবে। তার জিভ মাধুরীর ঠোঁট সরিয়ে ভেতরে ঢুকে গেল। মাধুরী তার কাঁধে হাত রাখল। ইশানের হাত তার পিঠ বেয়ে নিচে নামল, শাড়ির ভাঁজ সরিয়ে কোমর স্পর্শ করল।
সে মাধুরীকে তুলে বিছানায় নিয়ে গেল। শাড়ির আঁচল খুলে ফেলল। মাধুরীর গলায় চুমু খেল, কানের নিচে, ঘাড়ে। তার হাত মাধুরীর বুকের দিকে এগোল। আঙুলগুলো আস্তে আস্তে চাপ দিল। মাধুরী আর্তনাদ করে উঠল।
“ইশান…”
“বলো,” ইশান বলল। তার গলা ভাঙা। “তুমি আমার। আজ থেকে পুরোপুরি।”
সে মাধুরীর জামা খুলে ফেলল। তার ঠোঁট মাধুরীর ত্বকে লাগল। জিভ দিয়ে আস্তে আস্তে চেটে নিল। মাধুরীর শরীর কেঁপে উঠছিল। ইশানের হাত তার উরুর ভেতর দিয়ে উপরে উঠল। আঙুলগুলো নরম জায়গায় স্পর্শ করল। মাধুরী শক্ত হয়ে গেল।
ইশান তার কানে বলল, “আমি জানি তুমি চাও। আমিও চাই। কিন্তু আজ শুধু এতটুকুই। বাকিটা আস্তে আস্তে।”
সে মাধুরীকে জড়িয়ে ধরল। দুজন শুয়ে রইল। ইশানের হাত মাধুরীর পেটে ঘুরছিল। মাধুরী তার বুকের ওপর মাথা রেখে শুনছিল তার হৃদস্পন্দন।
“তুমি কেন বলেছিলে বিয়ে নতুন কিছু নয়?” মাধুরী জিজ্ঞেস করল।
ইশান চুপ থাকল। তার আঙুল মাধুরীর চুল আঁচড়াচ্ছিল। “একদিন বলব। এখন ঘুমাও।”
মাধুরী চোখ বন্ধ করল। কিন্তু ঘুম আসছিল না। ইশানের কথাগুলো তার মাথায় ঘুরছিল। আর তার স্পর্শ। গরম, দাবিদার, গভীর। সে জানত না এই মানুষটা আসলে কে। কিন্তু তার শরীর ইশানের জন্য সাড়া দিচ্ছিল।
রাত গভীর হলো। ইশান মাধুরীকে আবার চুমু খেল। এবার আরও গভীরভাবে। তার হাত মাধুরীর সারা শরীরে ঘুরতে থাকল। মাধুরী তার পিঠে নখ বসাল। দুজনের শ্বাস-প্রশ্বাস মিলেমিশে এক হয়ে গেল।
ইশান মাধুরীর কানে ফিসফিস করল, “তুমি আমার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানুষ। সেটা তুমি জানো না। কিন্তু আমি জানি।”
মাধুরী তার চোখের দিকে তাকাল। ইশানের চোখে একটা গভীর রহস্য। সে আর কিছু জিজ্ঞেস করল না। শুধু ইশানের বুকে মুখ লুকিয়ে রাখল। বাইরে ঢাকার রাত নীরব। ফ্ল্যাটের ভেতরে দুজন মানুষ একে অপরের কাছাকাছি। একজন জানে সব, আরেকজন জানে না কিছুই।
প্রথম রাত এভাবেই কেটে গেল। চাপা রহস্য আর গরম স্পর্শের মাঝে।
সকালে মাধুরী চোখ খুলল। ইশান পাশে নেই। বাথরুম থেকে পানির শব্দ আসছে। সে উঠে বসল। শরীরে এখনও ইশানের স্পর্শের অনুভূতি। গলায় হালকা দাগ। সে হাত দিয়ে ছুঁয়ে দেখল।
ইশান বেরিয়ে এল। তোয়ালে গায়ে জড়ানো। পানি ঝরছে তার চুল থেকে। সে মাধুরীর দিকে তাকিয়ে হাসল। “ঘুম ভাঙল?”
মাধুরী মাথা নাড়ল। ইশান কাছে এসে তার চিবুক তুলে ধরল। “আজ তোমাকে নিয়ে বেড়াতে যাব। ঢাকার বাইরে। সিলেটে আমার একটা বাড়ি আছে। পাহাড়ের কাছে।”
মাধুরী অবাক হলো। “এত তাড়াতাড়ি?”
“হ্যাঁ। এখানে পরিবারের চোখ। সেখানে শুধু আমরা দুজন।” ইশান তার ঠোঁটে চুমু খেল। “আর সেখানে আমি তোমাকে পুরোপুরি আমার করে নেব।”
তারা দুপুরের দিকে রওনা দিল। গাড়িতে ইশান মাধুরীর হাত ধরে রাখল। মাঝে মাঝে তার উরুর ওপর হাত রাখল। আঙুল দিয়ে আস্তে আস্তে ঘষল। মাধুরী জানালার বাইরে তাকিয়ে থাকলেও তার শরীর সাড়া দিচ্ছিল।
সিলেটের বাড়িটা পাহাড়ের কোলে। সবুজ গাছপালা, দূর থেকে পাহাড়ের সারি। বাড়িটা দুই তলা। ভেতরে আধুনিক সাজানো। ইশান মাধুরীকে হাত ধরে ভেতরে নিয়ে গেল।
“এটা আমার নিজের জায়গা,” ইশান বলল। “এখানে কেউ আসে না।”
রাত হলো। ইশান মাধুরীকে ছাদে নিয়ে গেল। চাঁদের আলোয় সব পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে। সে মাধুরীকে কাছে টানল। “আজ আর থামব না।”
সে মাধুরীর শাড়ি খুলে ফেলল। চাঁদের আলোয় মাধুরীর শরীর উদ্ভাসিত। ইশান তার বুকে চুমু খেল। জিভ দিয়ে স্তনমণ্ডল ঘিরে ফেলল। মাধুরী আর্তনাদ করে উঠল। ইশানের হাত নিচে নামল। আঙুলগুলো ভেজা জায়গায় ঢুকে গেল। সে আস্তে আস্তে নড়াতে থাকল।
“ইশান… আরও…”
ইশান মাধুরীকে বিছানায় নিয়ে গেল। নিজের কাপড় খুলে ফেলল। তার শক্ত শরীর মাধুরীর ওপর এল। সে ধীরে ধীরে প্রবেশ করল। মাধুরী শক্ত হয়ে গেল, তারপর আরামে ভাসতে থাকল। ইশান ধীরে ধীরে গতি বাড়াল। তার কোমর ওঠানামা করছে। মাধুরীর নখ তার পিঠে ফুটছে।
দুজনের শ্বাস মিলেমিশে এক হয়ে গেল। ইশান মাধুরীর কানে বলল, “তুমি আমার। পুরোপুরি আমার।”
তারা একসঙ্গে শিখরে পৌঁছাল। ইশান মাধুরীকে জড়িয়ে ধরে শুয়ে রইল। ঘামে ভেজা শরীর।
মাধুরী তার বুকে মাথা রেখে বলল, “তুমি এখনও বলোনি। কেন বলেছিলে বিয়ে নতুন নয়।”
ইশান চুপ থাকল কিছুক্ষণ। তারপর বলল, “তুমি মনে করতে পারবে না। কিন্তু আমি তোমার জীবনের একটা গুরুত্বপূর্ণ দিনে পাশে ছিলাম। তুমি জানো না।”
মাধুরী উঠে বসল। “কী দিন?”
ইশান তার চুল সরিয়ে দিল। “একদিন বলব। এখন তুমি শুধু আমার কাছে থাকো।”
পরের কয়েকদিন তারা সিলেটেই থাকল। দিনের বেলা পাহাড়ে হাঁটাহাঁটি, রাতে গভীর মিলন। ইশান মাধুরীকে প্রতি রাতে নতুন করে আবিষ্কার করত। তার শরীরের প্রতিটা অংশ। মাধুরীও সাড়া দিত। তাদের মধ্যে একটা গভীর শারীরিক বন্ধন তৈরি হচ্ছিল।
একদিন সন্ধ্যায় ইশান মাধুরীকে বলল, “তুমি কি কখনো ভেবেছো কেউ তোমাকে দূর থেকে পাহারা দিয়েছে?”
মাধুরী অবাক হয়ে তাকাল। “না।”
ইশান হাসল। “ভেবো। হয়তো ভেবে দেখবে।”
মাধুরীর মনে একটা অস্বস্তি তৈরি হলো। ইশান কিছু লুকাচ্ছে। কিন্তু তার স্পর্শ এত মিষ্টি, এত গরম যে সে জিজ্ঞেস করতে পারছিল না। রাতে আবার তারা মিলিত হলো। এবার ইশান আরও সাহসী। সে মাধুরীকে বিভিন্নভাবে নিয়ে নিল। মাধুরী তার নাম ডাকল বারবার।
বাংলাদেশের এই পাহাড়ি এলাকায় দুজন মানুষ একে অপরের শরীরে হারিয়ে যাচ্ছিল। রহস্যটা এখনও অমীমাংসিত। কিন্তু আকাঙ্ক্ষাটা পুরোপুরি জেগে উঠেছে।
ঢাকায় ফিরে আসার পর মাধুরী আর চুপ থাকতে পারল না। একদিন সকালে সে ইশানকে জিজ্ঞেস করল, “বলো এখন। কী সেই ঘটনা?”
ইশান তার দিকে তাকাল। তার চোখে গম্ভীর ভাব। সে মাধুরীকে বসতে বলল।
“তিন বছর আগে,” ইশান শুরু করল। “তুমি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে। একদিন রাতে তুমি একা ফিরছিলে হোস্টেলে। রাস্তায় একদল লোক তোমাকে ঘিরে ফেলল। তুমি চিৎকার করেছিলে। আমি সেখানে ছিলাম। দূর থেকে দেখেছিলাম। আমি গিয়ে তাদের সরিয়ে দিয়েছিলাম। তুমি অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলে। আমি তোমাকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু তুমি জাগার আগেই চলে এসেছিলাম। তোমার পরিবার জানেনি কে নিয়ে গেছে। পুলিশও জানেনি।”
মাধুরীর চোখ ছলছল করল। সে মনে করার চেষ্টা করল। হ্যাঁ, সেই রাত। সে ভয়ে অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিল। হাসপাতালে জেগে উঠেছিল। কিন্তু কে তাকে বাঁচিয়েছে জানত না।
“তুমি… তুমি সেই মানুষ?” মাধুরীর গলা কাঁপছিল।
ইশান মাথা নাড়ল। “আমি সেদিন তোমাকে দেখেছিলাম। তোমার চোখ, তোমার ভয়। আমি প্রতিজ্ঞা করেছিলাম তোমাকে রক্ষা করব। তারপর থেকে তোমাকে দূর থেকে দেখেছি। তোমার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছি। কারণ আমি জানতাম তুমি আমার।”
মাধুরী কেঁদে ফেলল। ইশান তাকে জড়িয়ে ধরল। “আমি চাইনি তুমি ভয় পাও। তাই চুপ ছিলাম। কিন্তু আজ বললাম।”
মাধুরী তার বুকে মুখ লুকিয়ে রাখল। “তুমি আমার জীবন বাঁচিয়েছো। আর আমি জানতামই না।”
ইশান তার চিবুক তুলে ধরল। “এখন জানো। আর এখন তুমি আমার স্ত্রী।”
সে মাধুরীকে চুমু খেল। এবার চুমুতে কৃতজ্ঞতা, ভালোবাসা আর গভীর আকাঙ্ক্ষা মিশে আছে। তারা বিছানায় গেল। ইশান মাধুরীকে আস্তে আস্তে কাপড় খুলল। তার শরীরে চুমু খেল প্রতিটা জায়গায়। মাধুরীও সাড়া দিল পুরোপুরি।
ইশান মাধুরীর ভেতরে ঢুকল। ধীরে ধীরে, গভীরভাবে। দুজন একে অপরকে দেখছিল চোখে চোখ রেখে। প্রতিটা ধাক্কায় তাদের বন্ধন আরও মজবুত হচ্ছিল। মাধুরী ইশানের পিঠে নখ বসাল। ইশান তার গলায় দাঁত বসাল হালকাভাবে।
তারা একসঙ্গে শিখরে পৌঁছাল। এবার আরও তীব্রভাবে। ইশান মাধুরীকে জড়িয়ে ধরে বলল, “আমি তোমাকে হারাতে চাই না কখনো।”
মাধুরী তার কানে ফিসফিস করল, “আমিও না। তুমি আমার রক্ষক। আমার স্বামী।”
রাতভর তারা একে অপরের কাছাকাছি থাকল। ইশান মাধুরীর গল্প শুনল তার জীবনের। মাধুরী ইশানের। তাদের ভালোবাসা এখন আর শুধু শারীরিক নয়। গভীর, সত্যিকারের।
পরের দিনগুলোতে মাধুরী ইশানের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ হলো। তারা একসঙ্গে রান্না করত, গল্প করত, রাতে মিলিত হত। ইশান মাধুরীকে প্রতিদিন নতুন করে ভালোবাসত। মাধুরীও তাকে।
একদিন সন্ধ্যায় ইশান মাধুরীকে বলল, “সেদিন চট্টগ্রামে আমি তোমাকে বাঁচিয়েছিলাম। আজ তুমি আমার জীবন বাঁচাচ্ছো প্রতিদিন।”
মাধুরী হাসল। সে ইশানের কাছে গিয়ে জড়িয়ে ধরল। তাদের চুমু গভীর হলো। হাত ঘুরতে থাকল। শরীর কাছাকাছি আসল। আবারও তারা হারিয়ে গেল একে অপরের মধ্যে।
বাংলাদেশের এই শহরে, এই ফ্ল্যাটে দুজন মানুষ তাদের গল্প লিখছিল। একটা গল্প যেখানে রহস্য মিটেছে, ভালোবাসা জেগেছে, আর শরীরের আগুন জ্বলছে নিরন্তর। মাধুরী এখন জানে ইশান কে। আর ইশান জানে মাধুরী তার সব।
তাদের রাতগুলো এখন আরও গভীর, আরও গরম। প্রতিটা স্পর্শে, প্রতিটা চুমুতে, প্রতিটা মিলনে তারা একে অপরকে আরও কাছে টানছে। কোনো ছায়া নেই আর। শুধু দুজন মানুষ, একটা সম্পূর্ণ ভালোবাসা।
....